খাবারে ইঁদুর ও পোকামাকড় পাওয়ায় জাপানের জনপ্রিয় বিফ বোল চেইন সাময়িক বন্ধ

জনপ্রিয় জাপানি রেস্টুরেন্ট চেইন সুকিয়া খাবারে ইঁদুর ও পোকামাকড় পাওয়ার পর এই সপ্তাহে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য ২ হাজারের বেশি শাখার প্রায় সবকটিই বন্ধ রেখেছে।
জাপানের বৃহত্তম গিউদন (বিফ বোল) পরিবেশক সুকিয়া শুক্রবার টোকিওর উপকণ্ঠের একটি শাখার খাবারে পোকামাকড় পাওয়ার পর বাকি শাখাগুলো সাময়িকভাবে বন্ধের ঘোষণা দেয়। এর কয়েক সপ্তাহ আগে, তোত্তোরির একটি শাখায় মিসো সূপের বাটিতে ইঁদুর পাওয়া গিয়েছিল।
দূষণ ও কীটপতঙ্গ সমস্যা মোকাবিলায় সুকিয়া জানায়, ৩১ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত বেশিরভাগ শাখা বন্ধ থাকবে। খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে ক্রেতাদের ক্ষোভ কমাতে প্রতিষ্ঠানটি সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক বিবৃতিতে আবারও 'গভীর দুঃখপ্রকাশ' করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, 'আমরা এ ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে ও আন্তরিকভাবে নিচ্ছি। নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।'
খাদ্য দূষণের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত দুটি শাখা সাময়িকভাবে বন্ধ রেখে কীটনাশক প্রয়োগ ও পরিদর্শন করা হয়। জানুয়ারি থেকে ইঁদুরের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়ালেও সুকিয়া মার্চের শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। ২২ মার্চ এক বিবৃতিতে তারা জানায়, কীটপতঙ্গ ও ইঁদুর প্রবেশ রোধে 'সতর্ক পর্যালোচনা ও অতিরিক্ত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা' নেওয়া হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পরিবেশনের আগে এক কর্মী মিসো সূপ পরীক্ষা না করায় এ ঘটনা ঘটে। তবে এতে অন্য কোনো ক্রেতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।
শুক্রবার টোকিওর সর্বশেষ খাদ্য দূষণের ঘটনায় সুকিয়া জানায়, ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহককে অর্থ ফেরত দেওয়া হয়েছে এবং কারণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।
২০২৪ সালের শুরুর হিসাবে, সুকিয়া জাপানে ১,৯৫৭টি এবং বিদেশে ৬৭৫টি শাখা পরিচালনা করছে, যার মধ্যে চীন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড ও ব্রাজিলও রয়েছে।
আরেক জনপ্রিয় গিউদন চেইন ইওশিনোয়া, যার জাপান ও আন্তর্জাতিক বাজারে শাখা আছে, ১,২৫৯টি শাখা নিয়ে দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম চেইন।
সুকিয়ার মূল প্রতিষ্ঠান জেনশো হোল্ডিংস দেশি-বিদেশি একাধিক রেস্টুরেন্ট ব্র্যান্ড পরিচালনা করে।