Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Thursday
March 19, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
THURSDAY, MARCH 19, 2026
ছবির গল্প: বরফের চাদরে সময় যেখানে থমকে আছে!

ফিচার

এভগিনা আরবুগেভা, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক 
22 November, 2020, 11:20 pm
Last modified: 23 November, 2020, 01:55 am

Related News

  • ইরানকে ড্রোন প্রযুক্তি ও স্যাটেলাইট ইমেজ দিয়ে সাহায্য করছে রাশিয়া
  • রাশিয়ায় মোজতবা খামেনির চিকিৎসা নেওয়ার খবর নাকচ ইরানের রাষ্ট্রদূতের
  • পুতিন হয়তো ইরানকে ‘সামান্য’ সাহায্য করছেন: ট্রাম্প
  • সমুদ্রপথে রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র
  • সংকেতের লড়াই: যেভাবে রাশিয়া ও চীনের গোয়েন্দা তথ্যে সুবিধা পাচ্ছে ইরান

ছবির গল্প: বরফের চাদরে সময় যেখানে থমকে আছে!

এভগিনা বলেন, তুন্দ্রার প্রান্তরে ছুটে বেড়িয়ে কেটেছে আমার শৈশব। মেরুজ্যোতির বিচ্ছুরণের আলোয় হেঁটে হেঁটে স্কুলে যেতাম। সেখানে সুর্যের দেখা মেলে না বছরের দুটি মাস। অন্ধকারে ঢাকা সেই সময় শুধু কোনো কাব্যিক অনুভূতির নাম নয়, তা জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ দর্শন।
এভগিনা আরবুগেভা, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক 
22 November, 2020, 11:20 pm
Last modified: 23 November, 2020, 01:55 am
ডিক্সন শহরে সোভিয়েত আমলে তৈরি পরিত্যাক্ত ভবনে ধাক্কা খেয়ে উড়ছে তুষার বয়ে আনা ঝোড়ো বাতাস। সোভিয়েত আমলে এসব স্থাপনার মাধ্যমে আর্কটিক জয়ের স্বপ্ন দেখা হয়েছিল। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে যাওয়ার সাথে সাথে সেই স্বপ্ন ভেঙ্গে যায়। সব বাসিন্দা চলে যাওয়ায় ভূতুরে নগরী হয়ে ওঠা ডিক্সন। ছবি: এভগিনা আরবুগেভা, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক

পৃথিবীর সবচেয়ে বৈরি জলবায়ুর একটি আছে উত্তর মেরুতে। আর্কটিক অঞ্চলের এই স্মৃতি তবু মোহাচ্ছন্নের মতো ডাকে কাউকে। বিশেষ করে, যার রক্তে এই মেরুর হিমশীতলতার মধ্য দিয়ে সৌন্দর্য অনুভবের ক্ষমতা আছে, তাকে কে রুখতে পারে। 

লোকে বলে, একবার এই পরিবেশের মোহে যে পড়েছে তাকে মেরু ডাকে হাতছানি দিয়ে। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের আলোকচিত্রী এভগিনা আরবুগেভাও জন্মেছিলেন এমন পরিবেশে। সুদূর মার্কিন মুল্লুকে বসেও তিনি যেন অনুভব করতেন রাশিয়ার দূর পূর্বাঞ্চলে আপন জন্মভূমির টান। ফেলে আসা সেই বৈরি হিমের রাজ্য আর তার অনাবিল জমাট সৌন্দর্য।

এভগিনা বলেন, তুন্দ্রার প্রান্তরে ছুটে বেড়িয়ে কেটেছে আমার শৈশব। মেরুজ্যোতির বিচ্ছুরণের আলোয় হেঁটে হেঁটে স্কুলে যেতাম। সেখানে সুর্যের দেখা মেলে না বছরের দুটি মাস। অন্ধকারে ঢাকা সেই সময় শুধু কোনো কাব্যিক অনুভূতির নাম নয়, তা জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ দর্শন।

''আমার জন্ম হয়েছিল রাশিয়ার ল্যাপটেভ সাগর তীরবর্তী এক অখ্যাত বন্দর নগরী টিক্সিতে। বহু বছর আগেই শৈশবের স্মৃতি ঘেরা সেই অঞ্চল ছেড়ে জীবন কাটিয়েছি নানা দেশের বড় বড় সব শহরে। কিন্তু, তবুও মেরু আমাকে সবসময় হাতছানি দিয়ে ডেকেছে। এর বিচ্ছিন্নতা আর গতিহীন জীবন আজো আমাকে মন্ত্রমুগ্ধের মতো টানে।'' 

তার ভাষায়, উত্তরের সেই জমাট ভূপ্রকৃতির মধ্যে আমার কল্পনা যেন পাখির মতো ডানা মেলে মুক্ত স্বাধীনভাবে উড়ে বেড়ায়। জীবনের বাকি সব কিছু মনে হয় প্রতীকী, আর আনুষ্ঠানিকতার উপলক্ষ মাত্র। তুষারের রাজ্যে প্রতিটি রঙের আছে গভীর আর ছন্দময় মর্মার্থ। তাই শুধুমাত্র এখানে ফিরে এসেই আমি নিজ সত্ত্বাকে খুঁজে পাই।

আলোকচিত্রী হিসেবে ছবির মধ্যেও একই সুর খুঁজে পাই আমি। মাঝে মাঝে ছবিদের মনে করি একটি উপন্যাসের একেক অধ্যায়ের মতো। প্রত্যেক পর্বে আছে ভিন্ন ভিন্ন স্বপ্ন, কিন্তু তারা সকলে এই ভূমির ভালোবাসায় একাকার হয়ে গেছে।

মনে করুন কোনো সন্যাসীর কথা- যে সাগরের মধ্যে এক জাহাজে একাই বসবাসের কল্পনা করে। বা কোনো নারী যে তার আরাধ্য পুরুষটির সঙ্গে পৃথিবীর দূরতম প্রান্তে একাকী জীবন কাটাতে চায়। এই ভিন্ন ভিন্ন স্বপ্ন, তবু একই ভালোবাসার সুর।    

আরও গল্প আছে এখানে। এই ভূমির আদি- বাসিন্দাদের ভালোবাসার গল্প। যারা তাদের পূর্বপুরুষদের সঙ্গে জন্মভূমির কিংবদন্তির কথা বলে। অতীত আর ভবিষ্যতের মধ্যে সেতু গড়ে তারা ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখছে। আছে আধুনিক মানুষের বিচরণের ইতিহাসও। সোভিয়েত আমলে আর্কটিক জয়ের চেষ্টাও ছিল এক স্বপ্নের মতো। 

প্রতিটি স্বপ্নের আছে নিজ রঙ আর পরিবেশ। যারা সেখানে থাকেন তাদের সকলেরই কোনো না কোনো দর্শণ আছে।  

বাতাসের উৎপাতহীন এক শান্ত দিনে ভিয়াচেসলাভ ক্রোতোকি তার ছোট্ট ডিঙ্গি নৌকায় বসে আছেন। প্রায় দুই দশক ধরে উত্তর মেরুর এই বৈরি অঞ্চলে বসবাস তার। কিন্তু, একে ভালোবেসে ফেলেছেন বলেই অকপটে স্বীকার করেন। ছবি: এভগিনা আরবুগেভা, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক

প্রথমে বলা সন্যাসীর মতোই স্বপ্ন জগতে বসবাস করেন ভিয়াচেসলাভ ক্রোতোকি। তিনি ব্যারেন্টস সাগর তীরবর্তী বিচ্ছিন্ন এক উপদ্বীপে অবস্থিত খোদোভারিকা আবহাওয়া কেন্দ্রের প্রধান। 

ক্রোতোকি বলেন, 'এই এক চিলতে রুক্ষ, অনুর্বর জমিই আমার জাহাজ।'

প্রায় দশ বছর আগে পরিত্যাক্ত এক বাতিঘরের দিকে চলেছেন ক্রোতকি। মাঝে মাঝে জ্বালানির কাঠ ফুরিয়ে গেলে তিনি বাতিঘরের কাঠের কপাট খুলে নিয়ে এসে আগুন জ্বালিয়ে নিজের আবহাওয়া কেন্দ্রটিকে উষ্ণ রাখেন। ছবি:এভগিনা আরবুগেভা, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক

তার সঙ্গে যখন আমার প্রথম দেখা হয়, তখন তার গায়ে ছিল সেই সোভিয়েত আমলে তৈরি তারপুলিনের একটি জ্যাকেট। শৈশবের স্মৃতি থেকে আমি দেখা মাত্রই পোশাকটি চিনতে পেরেছিলাম। আমার নিজ শহরেও সব পুরুষেরা হিমঠান্ডার কামড় থেকে বাঁচতে সরকারি এ পোশাক পরতো।

ক্রোতোকি একজন পোলিয়ারনিক বা উত্তর মেরু বিশেষজ্ঞ। জীবনের সিংহভাগ সময়য় তিনি ব্যয় করেছেন রুক্ষ মেরু নিয়ে গবেষণা করে। আর দৈনন্দিন কাজের মধ্যে আছে দৈনিক আবহাওয়ার প্রতিবেদন। 

পুরোনো এই রেডিও ব্যবহার করেই পাঁচশ মাইল দূরের আরখানগ্লেস্ক শহরে আবহাওয়ার রিপোর্ট পাঠান ক্রোতকি। ছবি:এভগিনা আরবুগেভা, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক

আবহাওয়া স্টেশনের বাইরে আমি বরফ সরে যাওয়ার, বরফে বরফ পেষার আসুরিক শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। আর ঝোড়ো বাতাসের ধাক্কায় হুইসেলের মতো বাজছিল স্টেশনের রেডিওর তারগুলো। অথচ ভিতরে এসে দেখলাম জমাট বাধা মৌনতা। ক্রোতকির পায়ের শব্দ আর দরজার হালকা ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ ছাড়া কোথাও কোনো আলোড়ন নেই। 

প্রতিদিন তিন ঘন্টা পরপর স্টেশনে ফিরে এসে হাওয়ার গতি মাপেন তিনি। পুরোনো রেডিওর নব ঘুরিয়ে বিড়বিড় করে বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমের বাতাস, গতি ১২ মিটার প্রতি সেকেন্ড, ঊর্ধগতি ১৮ মিটার, তুষার ঝড় আসছে… ইত্যাদি।''

তার রিপোর্ট পান এমন কেউ যাকে কোনোদিন ক্রোতকি নিজ চোখে দেখেননি। এ সন্যাসই বটে। 

মধ্যাহ্নভোজের সময় ক্রোতকিকে সঙ্গ দিচ্ছে চিত্রগ্রাহক এভগিনার দেওয়া নতুন বছরের উপহার এই তোতা পাখিটি। ছবি:এভগিনা আরবুগেভা, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক
অবসরে দেশলাইয়ের কাঠি দিয়ে একটি ছোট লাইটহাউজ বানিয়েছেন ক্রোতকি। আলোছায়ায় এ যেন মেরু পরিবেশের জ্যান্ত প্রতিচ্ছবি। ছবি:এভগিনা আরবুগেভা, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক

 

Related Topics

টপ নিউজ

উত্তর মেরু / রাশিয়া

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ফাইল ছবি
    ঈদযাত্রায় দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া, ২০ বছরের রেকর্ড ভাঙছে এবারের নৈরাজ্য: যাত্রী কল্যাণ সমিতি
  • ছবি: রয়টার্স
    বিরোধীদের আপত্তির মুখেই মহারাষ্ট্রে ধর্মান্তর বিরোধী আইন পাস, গোপনীয়তা লঙ্ঘন ও হয়রানির আশঙ্কা
  • বাংলাদেশে অনলাইন গ্রোসারি স্টার্টআপগুলো ধুঁকছে কেন?
    বাংলাদেশে অনলাইন গ্রোসারি স্টার্টআপগুলো ধুঁকছে কেন?
  • টিবিএস কোলাজ
    এপ্রিলের চাহিদা মেটাতে সরাসরি ৩ লাখ টন ডিজেল কিনছে সরকার
  • ছবি: স্ক্রিনগ্র‍্যাব
    সদরঘাটে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে নিহত ১, একাধিক নিখোঁজের আশঙ্কা
  • ফাইল ছবি: রয়টার্স
    অগ্নিকাণ্ডের কবলে পড়া মার্কিন রণতরি ইরান বিরোধী অভিযানের মাঝপথেই ফিরছে বন্দরে

Related News

  • ইরানকে ড্রোন প্রযুক্তি ও স্যাটেলাইট ইমেজ দিয়ে সাহায্য করছে রাশিয়া
  • রাশিয়ায় মোজতবা খামেনির চিকিৎসা নেওয়ার খবর নাকচ ইরানের রাষ্ট্রদূতের
  • পুতিন হয়তো ইরানকে ‘সামান্য’ সাহায্য করছেন: ট্রাম্প
  • সমুদ্রপথে রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র
  • সংকেতের লড়াই: যেভাবে রাশিয়া ও চীনের গোয়েন্দা তথ্যে সুবিধা পাচ্ছে ইরান

Most Read

1
ফাইল ছবি
বাংলাদেশ

ঈদযাত্রায় দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া, ২০ বছরের রেকর্ড ভাঙছে এবারের নৈরাজ্য: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

2
ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

বিরোধীদের আপত্তির মুখেই মহারাষ্ট্রে ধর্মান্তর বিরোধী আইন পাস, গোপনীয়তা লঙ্ঘন ও হয়রানির আশঙ্কা

3
বাংলাদেশে অনলাইন গ্রোসারি স্টার্টআপগুলো ধুঁকছে কেন?
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে অনলাইন গ্রোসারি স্টার্টআপগুলো ধুঁকছে কেন?

4
টিবিএস কোলাজ
বাংলাদেশ

এপ্রিলের চাহিদা মেটাতে সরাসরি ৩ লাখ টন ডিজেল কিনছে সরকার

5
ছবি: স্ক্রিনগ্র‍্যাব
বাংলাদেশ

সদরঘাটে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে নিহত ১, একাধিক নিখোঁজের আশঙ্কা

6
ফাইল ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

অগ্নিকাণ্ডের কবলে পড়া মার্কিন রণতরি ইরান বিরোধী অভিযানের মাঝপথেই ফিরছে বন্দরে

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net