সবচেয়ে বেশি বয়সী অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপ জয়: শীর্ষে দিনো জফ, তালিকায় আছেন মেসিও
ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বয়সে ট্রফি উঁচিয়ে ধরার রেকর্ডটি এখনও নিজের দখলে রেখেছেন ইতালির কিংবদন্তি গোলরক্ষক ও অধিনায়ক দিনো জফ। ১৯৮২ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে পশ্চিম জার্মানিকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে ইতালিকে শিরোপা এনে দিয়েছিলেন তিনি।
ইতালির ফুটবল ইতিহাসে দিনো জফই একমাত্র খেলোয়াড় যিনি একই সাথে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ (১৯৬৮) এবং ফিফা বিশ্বকাপ (১৯৮২)—উভয় শিরোপাই জয়ের স্বাদ পেয়েছেন। শুধু তাই নয়, ১৯৭২ থেকে ১৯৭৪ সালের মধ্যে ইতালির জাতীয় দলের জার্সিতে টানা ১ হাজার ১৪২ মিনিট কোনো গোল না হজম করে এক অনন্য বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন এই কিংবদন্তি।
তার এই কীর্তির বিপরীতে সবচেয়ে কম বয়সী অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপ জয়ের রেকর্ড গড়েছিলেন ড্যানিয়েল প্যাসারেলা।
বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে মাত্র চারজন অধিনায়ক ২৬ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই ট্রফি উঁচিয়ে ধরার সৌভাগ্য লাভ করেছেন। অন্যদিকে, ২০২২ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্ব দিয়ে ইতিহাসের দ্বিতীয় প্রবীণতম অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপ জেতেন লিওনেল মেসি। কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে যখন আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়, তখন মেসির বয়স ছিল ৩৫ বছর ১৭৭ দিন।
এই তালিকায় সবার ওপরে থাকা ইতালির দিনো জফ যখন ১৯৮২ সালে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ট্রফি উঁচিয়ে ধরেন, তখন তার বয়স ছিল ঠিক ৪০ বছর ১৩৩ দিন।
তালিকার অন্যান্যরা হলেন:
ফ্রিটজ ওয়াল্টার (পশ্চিম জার্মানি): তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন পশ্চিম জার্মানির অধিনায়ক ফ্রিটজ ওয়াল্টার। ১৯৫৪ সালের ৪ জুলাই যখন তিনি দলটিকে বিশ্বকাপ এনে দেন, তখন তার বয়স ছিল ৩৩ বছর ২৪৬ দিন।
অবদুলিও ভারেলা (উরুগুয়ে): ১৯৫০ সালের ১৬ জুলাই উরুগুয়ের ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক ও অধিনায়ক অবদুলিও ভারেলা ট্রফি উঁচিয়ে ধরার সময় ৩২ বছর ২৯৯ দিন বয়সের ছিলেন।
ফ্যাবিও ক্যানাভারো (ইতালি): ২০০৬ সালের ৯ জুলাই ইতালির রক্ষণভাগের দেয়াল ও অধিনায়ক ফ্যাবিও ক্যানাভারো যখন বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরেন, অবদুলিও ভারেলার মতোই তার বয়সও তখন ছিল ঠিক ৩২ বছর ২৯৯ দিন।
কাফু (ব্রাজিল): ব্রাজিলের কিংবদন্তি রাইট-ব্যাক ও অধিনায়ক কাফু ২০০২ সালের ৩০ জুন যখন দলটির পঞ্চম বিশ্বকাপ শিরোপা উঁচিয়ে ধরেন, তখন তার বয়স ছিল ৩২ বছর ২৩ দিন।
