রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থাকলে নির্বাচনে এসপি পদে নিয়োগে ‘না’, প্রাধান্য পেতে পারে ২৫, ২৭ ও ২৮তম ব্যাচ
কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ন্যূনতম সংশ্লিষ্টতা থাকলেও কাউকে নির্বাচনের সময় জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) পদে নিয়োগ দেওয়া হবে না।
শনিবার সন্ধ্যায় নির্বাচনকালীন সময়ে দেশের ৬৪ জেলায় এসপি নিয়োগ নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এ নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ২৫, ২৭ ও ২৮তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে নির্বাচনকালীন এসপি নিয়োগের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ছুটির দিন শনিবার সকালে বৈঠকের সময় নির্ধারণ করা হলেও পরে তা পরিবর্তন করে বিকেল ৪টায় শুরু হয়। বৈঠকটি চলে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে।
পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, এই নীতিমালার আলোকেই গত সপ্তাহে ছয়টি জেলার পুলিশ সুপার পদে রদবদল করা হয়। এর মধ্যে পাবনা জেলার পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে ছাত্রদল করার অভিযোগ ওঠায় তাকে ওই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে শনিবার (১৫ নভেম্বর) খুলনায় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) লাইনে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময়ে আইজিপি বাহারুল আলম জানিয়েছিলেন, নির্বাচনে বিতর্কিত কোনো পুলিশ কর্মকর্তাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে দেওয়া হবে না।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারিতে জনপ্রশাসন, পুলিশ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়োগ, বদলি ও তদারকির জন্য সরকার তিনটি কমিটি গঠন করে। আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটিটি সেগুলোরই একটি।
এই কমিটি মূলত জেলা পুলিশের এসপি, ডিআইজি এবং এর ওপরের পদের কর্মকর্তাদের নিয়োগ, বদলি ও শৃঙ্খলার বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকে।
আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক এই কমিটির সভাপতি হলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি এবং পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। এ ছাড়া নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
