Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Friday
October 09, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
FRIDAY, OCTOBER 09, 2026
বিশ্বজুড়ে প্রতি তিনজন শিশুর একজন এখন চোখে কম দেখে; কারণ কী

আন্তর্জাতিক

বিবিসি
27 September, 2024, 02:15 pm
Last modified: 27 September, 2024, 02:14 pm

Related News

  • বৈদেশিক সহায়তা কমায় ২,২০০ এনজিওর অর্থায়ন ঝুঁকিতে: বিআইডিএস
  • পাকা চুল কেবল বয়সের ছাপ নয়, বরং ক্যানসার প্রতিরোধে শরীরের নিজস্ব প্রক্রিয়া: গবেষণা
  • গবেষণা প্রস্তাব মূল্যায়নে চাপ-প্রভাবের কাছে নতি স্বীকার না করার আহ্বান ইউজিসি চেয়ারম্যানের
  • হাতিরা নিজেদের চিকিৎসায় ঔষধি গাছ ব্যবহার করে: গবেষণা
  • ‘ব্যথা’ অনুভব করে এআই, নিজের যন্ত্রণা ‘উপশমে’ মানুষের ক্ষতিও করতে পারে: গবেষণা

বিশ্বজুড়ে প্রতি তিনজন শিশুর একজন এখন চোখে কম দেখে; কারণ কী

২০৫০ সাল নাগাদ সারা বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি শিশু-কিশোর ক্ষীণদৃষ্টিতে আক্রান্ত হতে পারে। ক্ষীণদৃষ্টির হার সবচেয়ে বেশি এশিয়ায়।
বিবিসি
27 September, 2024, 02:15 pm
Last modified: 27 September, 2024, 02:14 pm

ছবি: পিক্সাবে

একটি আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, বিশ্বজুড়ে শিশুদের দৃষ্টিশক্তি ক্রমাগত খারাপ হচ্ছে। বর্তমানে প্রতি তিনজন শিশুর মধ্যে একজন ক্ষীণদৃষ্টিসম্পন্ন—অর্থাৎ তারা দূরের জিনিস স্পষ্টভাবে দেখতে পায় না। 

গবেষকরা বলছেন, করোনা মহামারির সময় লকডাউনে শিশুদের ঘরবন্দি থাকতে হয়েছে। এ সময় তারা স্ক্রিনের সামনে বেশি সময় কাটিয়েছে, বাইরে সময় কাটিয়েছে কম। এটি শিশুদের দৃষ্টিশক্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। 

ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, সারা বিশ্বেই ক্ষীণদৃষ্টি বা মায়োপিয়া এখন ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্য-উদ্বেগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০৫০ সাল নাগাদ ক্ষীণদৃষ্টিসম্পন্ন শিশুর সংখ্যা দাঁড়াতে পারে কয়েক মিলিয়নে। 

ক্ষীণদৃষ্টির হার সবচেয়ে বেশি এশিয়ায়। জাপানে ৮৫ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ায় ৭৩ শতাংশ এবং চীন ও রাশিয়ায় ৪০ শতাংশের বেশি শিশু ক্ষীণদৃষ্টিতে আক্রান্ত। 

অন্যদিকে প্যারাগুয়ে ও উগান্ডায় মাত্র ১ শতাংশ শিশু ক্ষীণদৃষ্টি সমস্যায় ভুগছে। যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষীণদৃষ্টিতে ভোগা শিশুর হার ১৫ শতাংশ। 

ব্রিটিশ জার্নাল অভ অফথালমোলজিতে প্রকাশিত এ গবেষণায় ছয় মহাদেশের ৫০টি দেশের ৫ মিলিয়নেরও বেশি শিশু ও কিশোর-কিশোরীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। 

দেখা গেছে, ১৯৯০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ক্ষীণদৃষ্টিসম্পন্ন শিশুর সংখ্যা বেড়েছে তিনগুণ—শতকরা হিসাবে যা ৩৬ শতাং। 

গবেষকরা বলছেন, করোনা মহামারির পরে চোখে কম দেখা শিশুর সংখ্যা যেভাবে বেড়েছে, 'বিশেষভাবে চোখে পড়ার মতো'।

মায়োপিয়া সাধারণত শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়া শুরু করার সময় থেকে আরম্ভ হয়। আর চোখের বিকাশ বন্ধ হওয়ার আগপর্যন্ত, অর্থাৎ প্রায় ২০ বছর বয়স পর্যন্ত ক্ষীণদৃষ্টির অবস্থা আরও খারাপ হওয়ার প্রবণতা চলতে থাকে। 

মায়োপিয়া বেশি হওয়ার বেশ কিছু কারণ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম কারণ হলো পূর্ব এশিয়ায় বসবাস। 

এছাড়া জিনগত কারণ—বাবা-মায়ের কাছ থেকে পাওয়া রোগ—ও খুব কম বয়সে (২ বছর) পড়াশোনা শুরু করার ফলেও মায়োপিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। দ্বিতীয়টি বেশি দেখা যায় সিঙ্গাপুর ও হংকংয়ের মতো জায়গাগুলোতে। 

এর অর্থ এই শিশুরা একেবারে অল্প বয়স থেকেই বই ও পর্দায় দীর্ঘ সময় ধরে তাকিয়ে থাকে। ফলে তাদের চোখের পেশিতে চাপ পড়ে বেশি। এতে তারা ক্ষীণদৃষ্টিতে আক্রান্ত হতে পারে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে আফ্রিকায় শিশুরা ৬ থেকে ৮ বছর বয়সে স্কুলে যাওয়া শুরু করে। ফলে এশিয়ার তুলনায় আফ্রিকার শিশুদের মধ্যে ক্ষীণদৃষ্টিতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা সাতগুণ কম। 

করোনা মহামারিকালে লকডাউনের সময় বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ মানুষকে দীর্ঘ সময় ঘরবন্দি থাকতে হয়েছে। এতে শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

গবেষণায় বলা হয়েছে, তথ্য-প্রমাণ বলছে, মহামারি ও ক্রমেই শিশুদের দৃষ্টিশক্তির অবনতির মধ্যে একটি যজ্ঞসূত্র রয়েছে। 

২০৫০ সাল নাগাদ সারা বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি শিশু-কিশোর ক্ষীণদৃষ্টিতে আক্রান্ত হতে পারে বলে গবেষণায় পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। 

গবেষণায় বলা হয়েছে, মেয়ে ও অল্পবয়সি নারীরা ক্ষীণদৃষ্টিতে বেশি আক্রান্ত হতে পারে। কারণ, বেড়ে ওঠার সময় তারা বাড়ি ও স্কুলে ঘরের বাইরের কার্যক্রমে কম সময় ব্যয় করে। 

এছাড়া মেয়েদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং বয়ঃসন্ধি ছেলেদের চেয়ে আগে শুরু হয়। এর অর্থ হলো, মেয়েশিশুদের ক্ষীণদৃষ্টিতে আক্রান্ত প্রবণতাও শুরু হয় তুলনামূলক বেশি কম বয়সেই।

শিশুদের দৃষ্টির সুরক্ষার করণীয়

যুক্তরাজ্যের চক্ষু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের ক্ষীণদৃষ্টিতে আক্রান্ত হওয়ার হার কমাতে প্রতিদিন অন্তত ২ ঘণ্টা বাইরে কাটানো উচিত, বিশেষ করে ৭ থেকে ৯ বছর বয়সি শিশুদের। 

প্রাকৃতিক সূর্যালোক, ঘরের বাইরে ব্যায়াম করা বা দূরের বস্তুর ওপর মনোযোগ দিয়ে তাকিয়ে থাকা শিশুর দৃষ্টিশক্তি ভালো করার ক্ষেত্রে কোনো প্রভাব ফেলে কি না, তা স্পষ্ট নয়। 

তবে যুক্তরাজ্যের কলেজ অভ অপ্টোমেট্রিস্টর ক্লিনিক্যাল অ্যাডভাইজার ড্যানিয়েল হার্ডিম্যান-ম্যাককার্টনি বিবিসিকে বলেন, 'শিশুদের জন্য ঘরের বাইরে সময় কাটানোর মধ্যে সত্যিকারের কিছু উপকার আছে।'

এই বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, বাবা-মায়েদের উচিত তাদের বাচ্চাদের সাত থেকে ১০ বছর বয়সে চোখের পরীক্ষা করানো, এমনকি যদি তাদের কম বয়সেও দৃষ্টি পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। 

অভিভাবকদের আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখতে—পরিবারে মায়োপিয়ার প্রবণতা থাকতে পারে। বাবা-মা যদি ক্ষীণদৃষ্টিসম্পন্ন হন, তাহলে সন্তানের ক্ষীণদৃষ্টিসম্পন্ন হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় তিনগুণ বেশি।

ক্ষীণদৃষ্টি নিরাময় করা যায় না, এটি চশমা বা কন্টাক্ট লেন্স দিয়ে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। 

বিশেষ লেন্স চোখের বৃদ্ধিতে পরিবর্তন এনে শিশুদের মধ্যে মায়োপিয়ার বিকাশকে ধীর করতে পারে। তবে এই লেন্সগুলো বেশ ব্যয়বহুল। 

এশিয়ায় এই বিশেষ লেন্সগুলো বেশ জনপ্রিয়। এ অঞ্চলে কাচের ক্লাসরুমও ব্যবহৃত হচ্ছে। 

উদ্বেগের বিষয় হলো, মায়োপিয়ার হার বেশি হলে প্রবীণ বয়সে গিয়ে চোখের বড় ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ক্ষীণদৃষ্টির লক্ষণ

  • দূরের লেখা পড়তে অসুবিধা হওয়া, যেমন স্কুলের হোয়াইটবোর্ড বা ব্ল্যাকবোর্ডের লেখা।
  • টিভি বা কম্পিউটারের খুব কাছে বসা
  • মোবাইল ফোন বা ট্যাবলেট চোখের কাছে ধরে ব্যবহার করা
  • মাথাব্যথা।
  • বেশি বেশি চোখ ঘষা।

Related Topics

টপ নিউজ

দৃষ্টিশক্তি / ক্ষীণদৃষ্টি / মায়োপিয়া / চোখের স্বাস্থ্য / গবেষণা / ক্ষীণদৃষ্টিসম্পন্ন / চোখে কম দেখা

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ছবি: সংগৃহীত
    ‘বিহারি বগা’কে গ্রেপ্তারচেষ্টা নিয়ে চট্টগ্রামের মেয়র শাহাদাতের ক্ষোভ, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে খুলশীর ওসি বদলি
  • প্রতীকী ছবি: এআই দিয়ে প্রস্তুতকৃত
    বাংলাদেশে রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসা বিক্রির ঘোষণা দিল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড
  • অ্যান কার্সন। ছবি: নোবেল ফাউন্ডেশন
    সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডিয়ান লেখক অ্যান কার্সন
  • প্রতীকী ছবি: এপি
    যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের চাকরির জন্য ৭০ হাজার ডলার ফি আরোপের প্রস্তাব ট্রাম্প প্রশাসনের
  • ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
    ১৩৫ টাকার ডিজেলে শুল্ক-কর ৩৬ টাকা: সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধিতে মূল্যস্ফীতির আগুনে ঘি
  • ক্রিস্টা পাইক ছবি: রয়টার্স
    'আমি কোথায়? আপনারা কে?': দুবার ইনজেকশন দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর ‘ক্ষুব্ধ ও বিভ্রান্ত’ ক্রিস্টা পাইক

Related News

  • বৈদেশিক সহায়তা কমায় ২,২০০ এনজিওর অর্থায়ন ঝুঁকিতে: বিআইডিএস
  • পাকা চুল কেবল বয়সের ছাপ নয়, বরং ক্যানসার প্রতিরোধে শরীরের নিজস্ব প্রক্রিয়া: গবেষণা
  • গবেষণা প্রস্তাব মূল্যায়নে চাপ-প্রভাবের কাছে নতি স্বীকার না করার আহ্বান ইউজিসি চেয়ারম্যানের
  • হাতিরা নিজেদের চিকিৎসায় ঔষধি গাছ ব্যবহার করে: গবেষণা
  • ‘ব্যথা’ অনুভব করে এআই, নিজের যন্ত্রণা ‘উপশমে’ মানুষের ক্ষতিও করতে পারে: গবেষণা

Most Read

1
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

‘বিহারি বগা’কে গ্রেপ্তারচেষ্টা নিয়ে চট্টগ্রামের মেয়র শাহাদাতের ক্ষোভ, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে খুলশীর ওসি বদলি

2
প্রতীকী ছবি: এআই দিয়ে প্রস্তুতকৃত
অর্থনীতি

বাংলাদেশে রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসা বিক্রির ঘোষণা দিল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড

3
অ্যান কার্সন। ছবি: নোবেল ফাউন্ডেশন
আন্তর্জাতিক

সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডিয়ান লেখক অ্যান কার্সন

4
প্রতীকী ছবি: এপি
আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের চাকরির জন্য ৭০ হাজার ডলার ফি আরোপের প্রস্তাব ট্রাম্প প্রশাসনের

5
ইলাস্ট্রেশন: টিবিএস
অর্থনীতি

১৩৫ টাকার ডিজেলে শুল্ক-কর ৩৬ টাকা: সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধিতে মূল্যস্ফীতির আগুনে ঘি

6
ক্রিস্টা পাইক ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

'আমি কোথায়? আপনারা কে?': দুবার ইনজেকশন দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর ‘ক্ষুব্ধ ও বিভ্রান্ত’ ক্রিস্টা পাইক

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net