২ মাস পর দিনাজপুরে রেলপথে ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানি
প্রায় দুই মাস বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের বিরল স্থলবন্দর দিয়ে রেলপথে ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে বাংলাদেশে।
সড়ক পথে পেঁয়াজ আমদানি চলমান থাকলেও রেল পথে আমদানি শুরু হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে জড়িত শ্রমিকরা।
বৃহস্পতিবার সকালে পেঁয়াজ বোঝাই মালবাহী ট্রেনটি বিরল রেলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। পরে দুপুরে হিলি রেলস্টেশনে এসে পৌঁছে। সেখানে খালাস কার্যক্রম শুরু হয়।
দিনাজপুর বিরল রেলবন্দর দিয়ে একটি মালবাহী ট্রেনে ভারতের নাসিক ও ভেলোর থেকে এসব পেঁয়াজ আমদানি করে হিলির পেঁয়াজ আমদানি কারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রায়হান ট্রেডার্স।
হিলি স্টেশন মাস্টার তপন কুমার চক্রবর্তী জানান, ৪২টি ওয়াগানে (বগি) এক হাজার ৬০০ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। আমদানিকৃত এ সব পেঁয়াজ দুই দিনের মধ্যে মালবাহী ট্রেন থেকে খালাস করে খালি ওয়াগনগুলো দর্শনা বন্দর দিয়ে পুনরায় ভারতে ফেরত পাঠানো হবে।
পেঁয়াজ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান রায়হান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী শাহিদুল ইসলাম জানান, ভারতের নাসিক ও ভেলোর থেকে বাংলাদেশি টাকায় ২১ টাকা কেজি দরে এসব পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। যা হিলির পাইকারী বাজারে ২৩ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব পেঁয়াজ সরবরাহ হচ্ছে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।
দেশে পুনরায় পেঁয়াজ আমদানি শুরু হওয়ায় খোলা বাজারে পেঁয়াজের দাম কমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
