আমদানির খবরে পাইকারিতে কমছে পেঁয়াজের দাম, খুচরায় প্রভাব নেই
ভারত থেকে আমনানির খবরে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম গত দুই দিন ধরে কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তবে সেই প্রভাব এখনো পড়েনি খুচরা বাজারে।
চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, পাইকারিতে গত সপ্তাহে যেখানে পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ১১০–১১৫ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে, সেখানে মানভেদে দাম এখন ১০০–১০৫ টাকায় নেমে এসেছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদা কিছুটা কমে যাওয়া এবং আমদানির ঘোষণায় পাইকারি পর্যায়ে দাম সামান্য কমেছে।
হামিদুল্লাহ মিয়া মার্কেট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিস টিবিএসকে বলেন, 'চাহিদা কম এবং আমদানির ঘোষণার কারণে পাইকারিতে বাজার একটু কমেছে। আমদানিকৃত পেঁয়াজ বাজারে এলে দাম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে।'
তবে পাইকারিতে দাম কমলেও খুচরা পর্যায়ে এর প্রভাব নেই বললেই চলে। শহরের বাজারগুলোতে ছোট আকারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজিতে।
খুচরা ব্যবসায়ী শওকত ওসমান টিবিএসকে বলেন, 'আমরা এখন ১২০ টাকা দরে পেঁয়াজ বিক্রি করছি। পাইকারিতে দাম কমেছে শুনেছি, কিন্তু আমাদের আগের কেনা মাল এখনো উচ্চদরের।'
দেশে পেঁয়াজের দাম বাড়তে থাকায় সরকার সীমিত পরিসরে আমদানির অনুমতি দিয়েছে। তবে অনুমতি দেওয়ার পরও আমদানিকৃত পেঁয়াজের চালান এখনো দেশে পৌঁছায়নি। ফলে আমদানির ঘোষণায় পাইকারি বাজারে সামান্য প্রভাব পড়লেও খুচরায় কোনো পরিবর্তন হয়নি।
চাহিদার তুলনায় দেশীয় উৎপাদন কম থাকায় কয়েক বছর আগেও দেশে প্রতি বছর ৫–৬ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হতো। একসময় আমদানি হতো ১০ লাখ টনেরও বেশি। তবে সাম্প্রতিক সময় আমদানি নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে ৪ লাখ ৮১ হাজার ৯৬৮ টন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আমদানি ১ লাখ টনও হবে না।
