হরমুজ প্রণালীর টোল থেকে প্রথম রাজস্ব পেল ইরান
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম জানিয়েছে, দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক হরমুজ প্রণালীর টোল বা মাশুল ব্যবস্থা থেকে তাদের প্রথম রাজস্ব পেয়েছে। আজ ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হামিদ-রেজা হাজি বাবাই এই ঘোষণা দিয়েছেন।
গত মাসে এই প্রণালী দিয়ে পার হওয়া জাহাজগুলোর ওপর টোল আরোপের একটি পরিকল্পনা অনুমোদন করে ইরানের পার্লামেন্টের নিরাপত্তা কমিশন। এর জেরে সামুদ্রিক আইন বিশেষজ্ঞ এবং মার্কিন কর্মকর্তাসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়।
বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) এক-পঞ্চমাংশ সাধারণত এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়েই পারাপার হয়। তবে ইরানি বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ এবং সম্প্রতি ওই অঞ্চলে জাহাজে হামলা ও আটকের ঘটনার কারণে এই প্রণালী দিয়ে নৌ চলাচল এখন তলানিতে এসে ঠেকেছে।
যুদ্ধ শেষ করার শর্ত হিসেবে হরমুজ প্রণালীর ওপর নিজেদের সার্বভৌমত্বের কথা এর আগেই জানিয়েছিল তেহরান। আজ ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কমিশনের এক সদস্য আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম মেহর নিউজ এজেন্সিকে জানিয়েছেন, এই জলপথের ওপর সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার একটি পরিকল্পনা নিয়ে বর্তমানে পর্যালোচনা করছে দেশটির পার্লামেন্ট এবং সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল।
অন্যদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে পেন্টাগনের কর্মকর্তারা আইনপ্রণেতাদের একটি গোয়েন্দা মূল্যায়নের বিষয়ে অবহিত করেছেন। ওই মূল্যায়নে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর এই প্রণালীটি পুরোপুরি মাইনমুক্ত করতে অন্তত ছয় মাস সময় লাগতে পারে।
