Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Wednesday
April 29, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
WEDNESDAY, APRIL 29, 2026
হারানো সম্প্রদায়: মণিপুরের জঙ্গল ছেড়ে ইসরায়েলের পথে ইহুদি ‘বিনেই মেনাশে’রা

আন্তর্জাতিক

দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস
23 April, 2026, 03:20 pm
Last modified: 23 April, 2026, 05:37 pm

Related News

  • ‘যার অ্যাকাউন্ট তাকে নিয়ে আসুন’: ব্যাংকের কথায় উড়িষ্যায় মৃত বোনের কঙ্কাল নিয়ে গেলেন ভাই!
  • যুদ্ধের মধ্যেও ইরানে আশার আলো, দেখা মিলেছে বিরল চিতাবাঘের
  • জাতীয় স্বার্থে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী   
  • শক্তি কমলেও সামর্থ্য অটুট, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চমক দেখাচ্ছে হিজবুল্লাহ
  • হরমুজ খোলা নিয়ে ইরানি পরিকল্পনায় সন্তুষ্ট নন ট্রাম্প 

হারানো সম্প্রদায়: মণিপুরের জঙ্গল ছেড়ে ইসরায়েলের পথে ইহুদি ‘বিনেই মেনাশে’রা

ড্যানিয়েল হাংশিং বলেন, 'ভারত আমাদের জন্মভূমি, কিন্তু ইসরায়েল আমাদের নিয়তি। ওই ভূখণ্ডটি আমাদের জন্য প্রতিশ্রুত। আমাদের সেখানে যেতেই হবে।'
দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস
23 April, 2026, 03:20 pm
Last modified: 23 April, 2026, 05:37 pm

ভারতের মণিপুর রাজ্যের চুরচাদপুরের কাছের কিবুতজের একটি সিনাগগে বিনেই মেনাশে গোত্রের লোকজন প্রার্থনা করছেন। ছবি: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস

ভারতের একেবারে উত্তর-পূর্ব কোণে মিয়ানমার ঘেঁষা পাহাড়ি এলাকায় 'বিনেই মেনাশে' সম্প্রদায়ের কয়েক হাজার মানুষের বাস। মণিপুরের একটি কিবুতজ বা কৃষিভিত্তিক গ্রামে বাস করেন এই সম্প্রদায়ের শিমন গ্যামথেনলাল।

সম্প্রতি তার বাঁশের তৈরি কুঁড়েঘরে গিয়ে দেখা যায়, ইংরেজি ও হিব্রু ভাষায় ছাপা ইহুদি ধর্মের নানা লেখা গুছিয়ে রাখছেন তিনি। পাশেই মোড়ায় বসে তার পরিবারের নারীরা দুপুরের খাবারের জন্য জঙ্গল থেকে কুড়িয়ে আনা শাকসবজি কাটছিলেন। খাবারগুলো দেখতে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় ঘরানার, কিন্তু ইহুদিদের 'কোশার' বা হালাল নিয়ম মেনেই তৈরি। 

কিবুতজে নিজের বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বেনি মেনাশি সম্প্রদায়ের শিমন গ্যামথেনলাল। ছবি: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

মণিপুরের এই বিচ্ছিন্ন জনপদের মানুষগুলো বিশ্বাস করে, তারা ইসরায়েলের 'হারানো ১০ সম্প্রদায়ের' একটি। তারা নিজেদের জুডাহর রাজা মানাসের বংশধর বলে দাবি করেন, যাকে প্রায় ২ হাজার ৮০০ বছর আগে নির্বাসিত করা হয়েছিল। ভারতের মণিপুর ও মিজোরাম রাজ্যে এই বিনেই মেনাশেদের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। তবে এখন তাদের অনেকেই ইসরায়েলে পাড়ি জমাচ্ছেন। 

বংশপরম্পরায় তারা তাদের সন্তানদের শিখিয়ে আসছেন, কীভাবে তাদের পূর্বপুরুষেরা প্রাচীন মধ্যপ্রাচ্য থেকে এশিয়া পেরিয়ে এই জঙ্গলে এসে আশ্রয় নিয়েছিলেন। নিজেদের ঐতিহাসিক উৎস প্রমাণের চেয়ে তারা নিজেদের ধর্ম পালন নিয়েই বেশি আগ্রহী। 

কাংপোকপি শহরের একটি সিনাগগ থেকে প্রার্থনা শেষে বের হচ্ছেন বেনি মেনাশি সম্প্রদায়ের লোকেরা। ছবি: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

অর্থোডক্স ইহুদি পুরুষদের মতো কানের দুই পাশে বিশেষ কায়দায় চুল রাখা গ্যামথেনলাল বলেন, 'তোরাহ-এর ওপর আমাদের অগাধ বিশ্বাস। ইসরায়েল সরকারের প্রতিও আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তারা কথা দিয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে সব বিনেই মেনাশেকে ইসরায়েলে নিয়ে যাবে।' তিনি জানান, তাদের সবার পাসপোর্ট প্রস্তুত রয়েছে।

নিজ বাড়িতে রাতের প্রার্থনা সারছেন বেনি মেনাশি সম্প্রদায়ের এক সদস্য। ছবি: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

'অপারেশন উইংস অব ডন'

নব্বইয়ের দশক থেকেই এই সম্প্রদায়ের প্রায় অর্ধেক মানুষ ধাপে ধাপে ইসরায়েলে চলে গেছে। বৃহস্পতিবার 'অপারেশন উইংস অব ডন'-এর আওতায় ইসরায়েল সরকার আরও প্রায় ২৫০ জন মেনাশিকে বিমানে করে তেল আবিবে নিয়ে যাবে। বাকিদেরও শীঘ্রই নিয়ে যাওয়া হবে। 

মনিপুরের কিবুতজে বাড়ির বাইরে খেলছে শিশুরা। ছবি: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

২০০৫ সালের আগে যাওয়া প্রাথমিক দলগুলোর অনেকেই পশ্চিম তীরের হেবরন এবং গাজার ইসরায়েলি বসতিগুলোতে নিজেদের আবাস গড়েছিল। গত বছরের নভেম্বরে ইসরায়েল সরকার ভারতে থাকা বাকি প্রায় ৫ হাজার ৮০০ মেনাশিকে একসঙ্গে অভিবাসনের সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এদের খরচের একটি অংশ ইসরায়েল সরকারই বহন করছে। 

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই অর্থায়নকে একটি 'গুরুত্বপূর্ণ জায়নবাদী সিদ্ধান্ত' বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, এটি ইসরায়েলের উত্তরের গালিল অঞ্চলকে আরও শক্তিশালী করবে। লেবাননে হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধে সম্প্রতি এই অঞ্চলগু বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

কিবুতজে নিজের পরিবারের সঙ্গে হাওকিপ। ছবি: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর শুরু হওয়া যুদ্ধে ইসরায়েলের শ্রমশক্তিতে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অনেক ইসরায়েলি সেনাদলে যোগ দিয়েছেন বা রকেট হামলার কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের নিয়মিত কাজ থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নেপাল ও থাইল্যান্ডের মতো দেশগুলো থেকেও প্রবাসী শ্রমিকের আগমন কমে গেছে। ফলে অর্থনীতিকে সচল রাখতে মরিয়া ইসরায়েল এখন বিনেই মেনাশেদের মতো গোষ্ঠীগুলোকে স্বাগত জানাচ্ছে। 

ধর্ম নাকি অর্থনীতি?

তবে মেনাশিরা বলছেন, তারা ধর্মের টানেই ইসরায়েলে যেতে চান। মণিপুরের কিবুতজে বসবাসকারী বেঞ্জামিন হাওকিপ বলেন, 'আমরা ইহুদি ধর্ম অনুসরণ করি, কিন্তু এখানে আমরা আমাদের সব রীতিনীতি পালন করতে পারি না। আমাদের কিছু প্রার্থনার জন্য মিনিয়ান বা নির্দিষ্টসংখ্যক মানুষের প্রয়োজন হয়, যা এই পাহাড়ে মেলা ভার। তাই আমরা ধর্মের জন্যই ইসরায়েলে যেতে চাই।' 

সিনাগগে শিশুদের প্রার্থনা। ছবি: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

অবশ্য শুধু ধর্মই একমাত্র কারণ নয়। মণিপুর ভারতের অন্যতম দরিদ্র অঞ্চল। ২০২৩-২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, এই রাজ্যের মাথাপিছু আয় বছরে মাত্র ১ হাজার ২০০ ডলারের কাছাকাছি। অন্যদিকে ইসরায়েলের মাথাপিছু আয় ৫৫ হাজার ডলারের বেশি। 

হিব্রু ভাষার শিক্ষক গ্যামথেনলাল বলেন, 'আমরা ইসরায়েলে যেতে চাই। এর ৯০ শতাংশ কারণ হলো আমাদের ধর্ম। তবে হ্যাঁ, সেখানকার শিক্ষা ও অন্যান্য সুবিধাও এখানকার চেয়ে অনেক ভালো।'

চুরচাদপুরের একটি সিনাগগে প্রার্থনার সময় তোরাহ-র একটি ট্রান্সলিটারেশন পাঠ। ছবি: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

ভারতে থাকা মেনাশিদের বেশির ভাগই পারিবারিক খামারে বা দিনমজুর হিসেবে কাজ করেন। যারা ইতোমধ্যে ইসরায়েলে গেছেন, তারা মূলত ট্রাক চালান অথবা নির্মাণাধীন ইমারত ও কারখানায় কাজ করেন। তারা তাদের আত্মীয়দেরও ভারতে না থেকে ইসরায়েলে আসার তাগিদ দিচ্ছেন। 

তবে ইসরায়েলে বসবাসকারী জেসিকা থাংজমের মতে, এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো বেশ কঠিন। তিনি বলেন, কৃষিভিত্তিক জীবন থেকে হঠাৎ একটি 'উচ্চ প্রযুক্তিভিত্তিক পরিবেশে' গিয়ে মানিয়ে নেওয়া সহজ নয়।

শিকড়ের সন্ধান ও ইহুদি পরিচয়

মণিপুরে মেনাশিদের কুকি সম্প্রদায়ের অংশ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। তারা যে ভাষায় কথা বলে, তা তিব্বতি-বর্মি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। নৃবিজ্ঞানীদের মতে, তাদের আদি শিকড় বর্তমান চীনের ভূখণ্ডে ছিল। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে মার্কিন মিশনারিদের প্রভাবে বেশির ভাগ কুকি খ্রিষ্টধর্মে দীক্ষিত হয়। 

চুরচাদপুর সিনাগগের বাইরে প্রার্থনা শুরুর জন্য অপেক্ষা। ছবি: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

১৯৭০-এর দশকে কয়েকজন ইসরায়েলি নৃবিজ্ঞানী ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে আসেন। তারা লক্ষ করেন, এই সম্প্রদায়ের খ্রিষ্টপূর্ব কিছু রীতিনীতির সঙ্গে ইহুদি প্রথার বেশ মিল রয়েছে। কুকিদের কিছু মন্ত্রের সুর তাদের পরিচিত মনে হয়েছিল, তাদের লোককথায় মিশর থেকে পালানোর ঘটনার ছায়া ছিল এবং ভূমিকম্পের মতো বিপদের সময় তারা 'মানাসে!' জাতীয় একটি শব্দ উচ্চারণ করত। এভাবেই তারা বিনেই মেনাশে হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

ভারতের বিনেই মেনাশে কাউন্সিলের সভাপতি ডব্লিউ এল হাংশিং বলেন, 'আমাদের বলা হয় হারানো সম্প্রদায়, আর হারানো মানে হারানোই! এত প্রাচীন একটি ঘটনার কোনো ডিএনএ প্রমাণ এখন খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়।' তিনি মনে করেন, বিজ্ঞানীরা যারা জৈবিক প্রমাণের খোঁজ করছেন, তারা ভুল পথে হাঁটছেন। তার মতে, 'এটা কেবল ঈশ্বরই করতে পারেন।' 

কাংপকপি-তে একটি বাড়িতে শাব্বাত প্রার্থনা। ছবি: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

দাঙ্গার স্মৃতি ও ইসরায়েলে মৃত্যুর বাসনা

মণিপুরের কিবুতজ থেকে প্রায় চার ঘণ্টার দূরত্বে কাংপোকপি শহরে মেনাশিদের আরেকটি বসতি রয়েছে। কিন্তু ২০২৩ সালের মে মাসে কুকি এবং সমতলে বসবাসকারী সংখ্যাগরিষ্ঠ মেইতেইদের মধ্যে ভয়াবহ জাতিগত দাঙ্গা শুরু হয়, যা মণিপুরকে কার্যত দুই ভাগ করে ফেলে। এই সহিংসতা এখনো পুরোপুরি থামেনি। 

দাঙ্গার কারণে ঘরবাড়ি ছেড়ে কিবুতজে আশ্রয় নেওয়া হাওকিপ বলেন, 'কুকি-মেইতেই সহিংসতার পর জীবন আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।'

কাংপকপিতে একটি স্থানীয় ক্যাফে-র বাইরে ডেভিডের তারা। ছবি: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

কাংপোকপিতে বসবাসকারী ড্যানিয়েল হাংশিং জানান, ইসরায়েলে যাওয়ার যোগ্যতা প্রমাণের জন্য র‍্যাবাইদের (ইহুদি ধর্মগুরু) সঙ্গে দেখা করতে তার পুরো পরিবারকে ট্যাক্সি ও ট্রেনে করে আড়াই দিনের এক লম্বা যাত্রা করে পাশের রাজ্যে যেতে হয়েছিল। কারণ, দাঙ্গার পর সমতল ভূমি পার হওয়া সবার জন্যই প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

হাংশিংদের মতো পরিবারগুলো দাঙ্গাবিধ্বস্ত মণিপুর ছেড়ে আরেকটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ইসরায়েলে পাড়ি জমাচ্ছে। ড্যানিয়েল হাংশিং বলেন, 'আমরা জানি ইসরায়েলে অস্থিরতা চলছে, কিন্তু আমাদের সেখানেই যেতে হবে এবং সেখানেই মরতে হবে। আমরা যুদ্ধ নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছি না।' 

'ভারত আমাদের জন্মভূমি, কিন্তু ইসরায়েল আমাদের নিয়তি। ওই ভূখণ্ডটি আমাদের জন্য প্রতিশ্রুত। আমাদের সেখানে যেতেই হবে', ড্যানিয়েল হাংশিং বলেন। 

Related Topics

টপ নিউজ

ইরান / ইহুদি / মণিপুর / আদিবাসী / ভারত

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ফাইল ছবি: সংগৃহীত
    বিমানের একচেটিয়া আধিপত্যের অবসান: থার্ড টার্মিনালে দ্বিতীয় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার নিয়োগ দিচ্ছে বেবিচক
  • প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
    গুলশানে বিদেশি নারীকে ‘পিটিয়ে হত্যার’ অভিযোগ; পুলিশ বলছে, ‘এখনও নিশ্চিত নয়’
  • জব্দকৃত মহাবিপন্ন বাঘা আইড় মাছ। ছবি: টিবিএস
    রাঙামাটিতে ১৬ কেজির মহাবিপন্ন বাঘা আইড় জব্দ, পরে মাটিচাপা
  • মেক্সিকো উপসাগরে একটি অফশোর ড্রিলিং রিগ। ছবি: ইউসিজি
    আপনি এই শিরোনাম পড়তে পড়তে ১২ হাজার ডলার কামিয়ে নিয়েছে বড় জীবাশ্ম জ্বালানি কোম্পানিগুলো
  • প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
    ডলারের সর্বোচ্চ ক্রয়মূল্য ১২২.৮৫ টাকা নির্ধারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ, সমালোচনা বিশেষজ্ঞদের
  • ছবি: আইএইএ
    পারমাণবিক জ্বালানি কী? যেভাবে চলে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

Related News

  • ‘যার অ্যাকাউন্ট তাকে নিয়ে আসুন’: ব্যাংকের কথায় উড়িষ্যায় মৃত বোনের কঙ্কাল নিয়ে গেলেন ভাই!
  • যুদ্ধের মধ্যেও ইরানে আশার আলো, দেখা মিলেছে বিরল চিতাবাঘের
  • জাতীয় স্বার্থে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী   
  • শক্তি কমলেও সামর্থ্য অটুট, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে চমক দেখাচ্ছে হিজবুল্লাহ
  • হরমুজ খোলা নিয়ে ইরানি পরিকল্পনায় সন্তুষ্ট নন ট্রাম্প 

Most Read

1
ফাইল ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

বিমানের একচেটিয়া আধিপত্যের অবসান: থার্ড টার্মিনালে দ্বিতীয় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার নিয়োগ দিচ্ছে বেবিচক

2
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

গুলশানে বিদেশি নারীকে ‘পিটিয়ে হত্যার’ অভিযোগ; পুলিশ বলছে, ‘এখনও নিশ্চিত নয়’

3
জব্দকৃত মহাবিপন্ন বাঘা আইড় মাছ। ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

রাঙামাটিতে ১৬ কেজির মহাবিপন্ন বাঘা আইড় জব্দ, পরে মাটিচাপা

4
মেক্সিকো উপসাগরে একটি অফশোর ড্রিলিং রিগ। ছবি: ইউসিজি
আন্তর্জাতিক

আপনি এই শিরোনাম পড়তে পড়তে ১২ হাজার ডলার কামিয়ে নিয়েছে বড় জীবাশ্ম জ্বালানি কোম্পানিগুলো

5
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

ডলারের সর্বোচ্চ ক্রয়মূল্য ১২২.৮৫ টাকা নির্ধারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মৌখিক নির্দেশ, সমালোচনা বিশেষজ্ঞদের

6
ছবি: আইএইএ
আন্তর্জাতিক

পারমাণবিক জ্বালানি কী? যেভাবে চলে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net