দাপুটে জয়ে শুরু মাশরাফির সিলেটের
বল হাতে আগুন ঝরালেন মোহাম্মদ আমির ও ম্যাচসেরা রেজাউর রহমান রাজা। আট মাস পর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলতে নেমে ছন্দময় বোলিং করলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। ইমাদ ওয়াসিম, থিসারা পেরেরাও কম গেলেন না। তাতে সামান্যতেই থেমে যায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের ইনিংস। যা পাড়ি দিতে তেমন বেগই পেতে হলো না মাশরাফির দল সিলেট স্ট্রাইকার্সকে। দাপুটে জয়ে শুরু হলো তাদের।
শুক্রবার বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে সিলেট। ছোট লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে নাজমুল হোসেন শান্ত ও জাকির হাসানের ব্যাটে সহজেই জয় তুলে নেয় দলটি।
টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নামে চট্টগ্রাম। আমির, রাজা, মাশরাফিদের বোলিং তোপে শুরুতেই দিক হারানো চট্টগ্রাম পুরো ইনিংস ধরে ধুঁকেছে। দলটির মাত্র ৩ জন ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কের রান করেন, যেখানে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ ২৫ রান। বাকিদের কেউ ৮ রানের বেশি করতে পারেননি। ৯ উইকেটে ৮৯ রান তোলে চট্টগ্রাম। জবাবে শান্তর হার না মানা ইনিংস ও জাকির হাসানের ব্যাটে ২ উইকেটে ১২.৩ ওভারেই জয় তুলে নেয় সিলেট।
জয়ের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে সাবধানী শুরু করে সিলেট। যদিও তাতে লাভ হয়নি, দলীয় ১২ রানেই ওপেনার কলিন অ্যাকারম্যানকে হারায় তারা। নেদারল্যান্ডসের এই অলরাউন্ডার ১ রান করেই ফিরে যান। শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে অবশ্য সময় লাগেনি সিলেটের। দ্বিতীয় উইকেটে দারুণ এক জুটি করে জয় প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেন শান্ত জাকির।
দ্বিতীয় উইকেটে ৬৩ রান যোগ করেন এ দুজন। জাকিরের বিদায়ে ভাঙে এই জুটি। ফেরার আগে ২১ বলে ২টি চার ও একটি ছক্কায় ২৭ রান করেন বাঁহাতি এই তরুণ ব্যাটসম্যান। এরপর মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে জয় তুলে নেওয়ার কাজ সারেন শান্ত। বাঁহাতি এই ওপেনার ৪১ বলে ৩টি চার ও একটি ছক্কায় ৪৩ রানে অপরাজিত থাকেন। মুশফিক অপরাজিত থাকেন ৫ রানে। চট্টগ্রামের মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী মালিন্দ পুষ্পকুমারা একটি করে উইকেট পান।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নামা চট্টগ্রামের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৫ রানের ইনিংস খেলেন অধিনায়ক শুভাগত হোম। এ ছাড়া মেহেদী মারুফ ১১ ও আল আমিন জুনিয়র ১৮ রান করেন। বাকিদের কেউ ১০ রানের গন্ডিও পেরোতে পারেনি। আগুনে বোলিং করা রাজা ৪ ওভারে ১৪ রানে ৪টি উইকেট নেন। পাকিস্তানের পেসার আমির ৪ ওভারে মাত্র ৭ রানে ২টি উইকেট নেন। এক উইকেট নেওয়া মাশরাফির শিকার একটি উইকেট। অ্যাকারম্যানও নেন এক উইকেট।
