Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Sunday
August 16, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SUNDAY, AUGUST 16, 2026
চীনের পানি ফুরিয়ে আসছে যা পুরো এশিয়ার জন্য বিপদ ডেকে আনবে

আন্তর্জাতিক

হাল ব্রান্ডস, ব্লুমবার্গ 
31 December, 2021, 09:20 pm
Last modified: 01 January, 2022, 02:10 am

Related News

  • প্রথম আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের মাধ্যমে বোয়িং-এয়ারবাসকে জবাব দিল চীন; কোমাক কি পারবে দ্বৈত আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করতে?
  • আলিবাবার সহায়তায় চীনের জন্য নিজস্ব এআই মডেল তৈরি করছে অ্যাপল
  • ট্রাম্পের শুল্ক ফাঁকি দিতে ৪০টিরও বেশি দেশ চীনকে সাহায্য করেছে: যুক্তরাষ্ট্র
  • চীনা বুলেট ট্রেনের বিশ্ব রেকর্ড, ৫ সেকেন্ডেই গতি ০ থেকে ৮০০ কিমি 
  • ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও বিপুল মুনাফা করেছে চীনের বিরল খনিজ উৎপাদকরা

চীনের পানি ফুরিয়ে আসছে যা পুরো এশিয়ার জন্য বিপদ ডেকে আনবে

তরুণ ও কর্মক্ষম জনসংখ্যার ঘাটতি, রাজনৈতিক উত্তেজনা ও অর্থনৈতিক সংস্কার স্থবির হয়ে পড়ার মতো নানান সমস্যার মধ্যে থাকলেও ফুরিয়ে আসা প্রাকৃতিক সম্পদই বেইজিংয়ের সামনে সবচেয়ে জরুরি সমস্যা
হাল ব্রান্ডস, ব্লুমবার্গ 
31 December, 2021, 09:20 pm
Last modified: 01 January, 2022, 02:10 am
ছবি: এএফপি/ গেটি ইমেজেস/ ব্লুমবার্গ

আবহাওয়ার ধরনে পরিবর্তন কীভাবে ১৭ শতকে যুদ্ধ, বিল্পব ও বৈশ্বিক সংকটের জন্ম দিয়েছিল তা বর্ণনা করেছেন ঐতিহাসিক জিওফ্রি পার্কার। সত্যিকার অর্থেই প্রকৃতি ও ভূ-রাজনীতির এ সম্পর্ক বাজে রূপ নেয় প্রায়শই। অতি-সাম্প্রতিক কালে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উত্তর মেরু অঞ্চলের সামুদ্রিক বরফ গলে উন্মুক্ত হয়েছে নৌপথ, যা ওই অঞ্চলের সম্পদ, বাণিজ্য পথের নিয়ন্ত্রণ ঘিরে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে নতুন মাত্রা দিচ্ছে। তার ওপর আবার যে চীন বর্তমান আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে পরিবর্তন করার আগ্রহ প্রায়ই দেখায়; দ্রুত ফুরিয়ে আসছে সেই ক্ষমতাধর দেশটির সুপেয় জলের সম্পদ। এই পরিবর্তন খুব সম্ভবত দেশটির ভেতরে- বাইরে সবখানেই সংঘাত আর বিরোধের জন্ম দিতে চলেছে।

অর্থনীতির পরাভব আর বৈশ্বিক শক্তি হয়ে ওঠার গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি হলো কোনো দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ। অবশ্য তা সঠিকভাবে কাজে লাগানোর অন্যান্য উপাদানও থাকা চাই। কিন্তু, যারা কাজে লাগাতে পারছে, তারাই হয়ে উঠছে ভূ-রাজনীতির নিয়ন্তা। ১৯ শতকে অফুরান কয়লা মজুদকে কাজে লাগিয়ে যুক্তরাজ্যের মতো ছোট্ট দেশ শিল্প বিপ্লবের সূচনা করে। পৃথিবীজুড়ে গড়ে তোলে অসংখ্য উপনিবেশ।

সেই ব্রিটেনকে আবার শক্তি ও প্রভাবে ছাড়িয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। তার পেছনেও ছিল আদিগন্ত চাষযোগ্য জমি, বিপুল জ্বালানি তেল মজুদসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য। দুই দুটি বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রই হয়ে ওঠে বিশ্ব অর্থনীতির চালিকাশক্তি। 

চীনের উত্থান প্রসঙ্গেও একই কথা বলা যায়। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থাকে স্বাগত জানানোর পুঁজিবাদি সংস্কার এবং বিশাল জনসংখ্যার সুবাদেই ১৯৭০ এর দশকের শুরু থেকে ২০০০ এর দশকের শুরুর সময় পর্যন্ত বিশ্বসেরা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মুখ দেখেছে বেইজিং।

ভূমি, সুপেয় জল ও অন্যান্য কাঁচামালে চীন ছিল স্বনির্ভর। এই সম্পদকে সস্তা শ্রমের সাহায্যে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে কাজে লাগায় দেশটি। কর্মীর প্রাচুর্য প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণকেও গতিশীল করে। ফলে আজ দেশটি 'বিশ্বের কারখানা' হয়ে উঠেছে। 

কিন্তু, সময়ের সাথে সাথেই চীনের প্রাকৃতিক সম্পদের প্রাচুর্য অতীতের বিষয়ে পরিণত হচ্ছে। সহ-লেখক মাইকেল বেকলির সাথে লেখা আমার অতি-শিগগিরই প্রকাশিত হতে চলা বই "দ্য ডেঞ্জার জোন"- এ আমরা বলেছি, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে গিয়ে চীন কীভাবে তার বহু সম্পদকে নিঃশেষিত করে ফেলেছে। তারই ধারাবাহিকতায় এক দশক আগে চীন বিশ্বের সবচেয়ে বড় কৃষিপণ্য আমদানিকারকে পরিণত হয়। এর প্রধান কারণ, অতি-ব্যবহার ও দূষণে সংকুচিত হচ্ছে দেশটির চাষযোগ্য জমি। প্রচণ্ড গতির উন্নয়নের বদৌলতে দেশটি আজ বিশ্বের সর্ববৃহৎ জ্বালানি আমদানিকারক।

প্রতিদ্বন্দ্বী আমেরিকা সম্পূর্ণরূপে জ্বালানি রপ্তানিকারকে পরিণত হলেও নিজ চাহিদার তিন-চতুর্থাংশ তেল বিদেশ থেকেই কিনতে হচ্ছে চীনকে।

চীনের সুপেয় জলভাণ্ডারের অবস্থা আরো উদ্বেগজনক। গবেষক গোপাল রেড্ডি উল্লেখ করেছেন, চীনে বিশ্বের ২০ শতাংশ মানুষের বসবাস, সে তুলনায় সুপেয় জলের মজুদ মাত্র ৭ শতাংশ। দেশটির উত্তরে এই সংকট অতি-প্রবল। সেখানে অনেক অঞ্চলে মিঠা পানির সংকট মধ্যপ্রাচ্যের অতি-উষ্ণ কিছু এলাকার চেয়েও ভয়াবহ।

শুকিয়ে গেছে হাজার হাজার নদী-উপনদী। বাকি জলপ্রবাহকে দূষিত করেছে শিল্প ও আবাসিক এলাকার বর্জ্য। কিছু প্রক্ষেপণ অনুসারে, চীনের ৮০-৯০ শতাংশ ভুগর্ভস্থ পানি এবং এক-তৃতীয়াংশ নদীর পানি এমনকি শিল্প কারখানা বা কৃষিকাজেও ব্যবহার উপযোগী নয়।  

স্বাদু পানির এ সংকট সমাধান অত্যন্ত ব্যয়সাপেক্ষ। ফলে অপেক্ষাকৃত আদ্র অঞ্চল থেকে উত্তরের ক্ষরাপ্রবণ অঞ্চলে নদীর গতিপথ বদলে পানিপ্রবাহ আনতে হচ্ছে দেশটিকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পানি সংকটের কারণে প্রতিবছর দেশটি ১০ হাজার কোটি ডলার ক্ষতির শিকার হচ্ছে। পানি সংকট ও অটেকসই চাষাবাদের কারণে বছর না ঘুরতেই শুস্ক মরুতে রূপ নিচ্ছে বিশাল অংশের জমি। জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাধে পানির অভাবে বিদ্যুৎ সংকটের ঘটনাও এখন চীনজুড়ে নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।  

পানির অপচয় কমাতে রেশনিং ও বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়নকে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। কিন্তু তা সমস্যা সমাধানে মোটেও যথেষ্ট নয়। চলতি মাসে চীনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, পার্ল নদীর অববাহিকায় অবস্থিত হওয়ার পরও দুটি প্রধান শহর গুয়াংঝু এবং শেনঝেন আগামী বছর পর্যন্ত খরার মধ্যে থাকবে। 

এ ঘটনার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক প্রভাব উদ্বেগজনক। যেকারণে প্রবৃদ্ধি অর্জনের পেছনে আরও ব্যয় করতে হচ্ছে। আর এটাই তো বেইজিংয়ের একমাত্র সমস্যা নয়। পড়তি তরুণ ও কর্মক্ষম জনসংখ্যা, ক্রমশ উত্তেজক বিশ্ব রাজনীতি, অর্থনৈতিক অনেক সংস্কার বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনায় এই ব্যয় নতুন মাত্রা যোগ করছে। প্রাকৃতিক সম্পদের বন্টন ঘিরে আগামী দিনগুলোতে চীনা সমাজের সামাজিক ঐক্যও পরীক্ষার মুখে পড়বে।

২০০৫ সালে সত্যিই বলেছিলেন প্রিমিয়ার ওয়েন জিয়াবাও। মিঠা পানির সংকট "সমগ্র চীনা জাতির অস্তিত্ব বিপন্ন করতে পারে" বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সম্প্রতি দেশটির একজন পানিসম্পদমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে, "চীনকে প্রতি ফোটা পানির জন্য লড়াই করতে হবে, নাহয় মরতে হবে।" এখানে অতি-রঞ্জনের কিছু নেই। এ সম্পদের সংকট আর রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা হাত ধরেই চলে। 

অভ্যন্তরীণ অশান্তির সাথে সাথেই দেখা দেবে বৈদেশিক উত্তেজনা। পর্যবেক্ষকরা আশঙ্কা করছেন, চীনা সমাজতন্ত্রী দল অভ্যন্তরীণভাবে অনিরাপদ বোধ করলে আন্তর্জাতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে। পানি সংকট প্রতিবেশীদের সাথেও ভূ-রাজনৈতিক বিরোধের জন্ম দেবে।

চীনের সিংহভাগ মিঠা পানির উৎস- তিব্বত। ১৯৪৯ সালে সামরিক শক্তির বলে এ অঞ্চল দখল করে নেয় কমিউনিস্টরা। 

চীন দীর্ঘদিন ধরেই নিজস্ব প্রাকৃতিক সম্পদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রতিবেশী দেশগুলোকে বঞ্চিত করে আসছে। যেমন মেকং নদীতে সিরিজ বাঁধ নির্মাণ করে থাইল্যান্ড ও লাওসের মতো দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশগুলোকে খরা ও ভয়াবহ বন্যার মুখে ফেলেছে বেইজিং। জিনজিয়াং প্রদেশে নদীর দিকপরিবর্তন নিম্ন-অববাহিকার মধ্য এশীয় দেশগুলোর দুর্দশার কারণ হয়েছে।

তবে সবচেয়ে বড় উত্তেজনা ঘনীভূত হচ্ছে হিমালয়ে। এখানে নিজেদের তিব্বত অংশে বাঁধ নির্মাণ করতে চায় বেইজিং। প্রধান প্রধান নদীর ওপর নির্মিত এসব বাঁধ প্রতিবেশী ভারতে যাওয়ার আগেই নদীস্রোতকে আটকাবে। ফলে বঞ্চিত হবে বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশই।

ভারতীয় ভূ-কৌশল বিশেষজ্ঞ ব্রহ্ম চেলানী মনে করেন, "দক্ষিণ চীন সাগর ও হিমালয়ে সীমানা বিস্তারের সাথে সাথেই অতি-গোপনে আন্তঃসীমান্ত নদীগুলোর জলপ্রবাহ সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে চীন।"

সোজা কথায়- চীন যতই তৃষ্ণার্ত হবে ভূ-রাজনীতি ততোই বিপজ্জনক হয়ে উঠবে। যার পরিণতি এশিয়ার সিংহভাগ জনতাকে দুর্ভোগে ফেলবে নিঃসন্দেহে।  

  • লেখক: প্রসিদ্ধ মার্কিন গণমাধ্যম ব্লুমবার্গের মতামত কলাম লেখক হাল ব্রান্ডস জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটি স্কুল অব অ্যাডভান্সড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের হেনরি কিসিঞ্জার সম্মাননাপ্রাপ্ত অধ্যাপক। তিনি আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটেও যুক্ত আছে। সহ-লেখক হিসেবে তার একটি সদ্য প্রকাশিত বই- "দ্য লেসনস অব ট্রাজেডি: স্টেটক্রাফট অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড অর্ডার"
  • সূত্র: ব্লুমবার্গ থেকে অনূদিত

Related Topics

টপ নিউজ

চীন / সুপেয় পানি / এশিয়া / ভূ-রাজনীতি

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • যোগী আদিত্যনাথ। ছবি: এপি
    দেশভাগের সময় জোর করে সব হিন্দু গ্রাম বাংলাদেশকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে: যোগী আদিত্যনাথ
  • প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
    জাতীয় গ্রিডে সামিটের এলএনজি সরবরাহ শুরু, শনিবারের মধ্যে পূর্ণ সক্ষমতায় ফেরার আশা
  • কারিগরি ত্রুটিতে এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে এলএনজি সরবরাহ আবারও বন্ধ
    কারিগরি ত্রুটিতে এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে এলএনজি সরবরাহ আবারও বন্ধ
  • বিশাল গর্গ। ছবি: ব্লুমবার্গ
    বড়দিনের আগে জুমে ৯০০ কর্মীকে ছাঁটাই করা সিইও এবার নিজেই চাকরি হারালেন, তুললেন প্রতারণার অভিযোগ
  • নিখোঁজ মো. হারুনের পরিবার। ছবি: আসমা সুলতানা প্রভা
    আন্দামান গিলে নিয়েছে মানুষ, অপেক্ষা আর অভাব গিলে খাচ্ছে পরিবারগুলোকে
  • ২৫০ দিন ধরে সাগরে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন। ছবি: রয়টার্স
    ২৫০ দিন সাগরে, খাদ্য-শৌচাগার সংকট, রণতরিতে ভেঙে পড়ছে মার্কিন সেনাদের মনোবল; উদ্বেগ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রে

Related News

  • প্রথম আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের মাধ্যমে বোয়িং-এয়ারবাসকে জবাব দিল চীন; কোমাক কি পারবে দ্বৈত আধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ করতে?
  • আলিবাবার সহায়তায় চীনের জন্য নিজস্ব এআই মডেল তৈরি করছে অ্যাপল
  • ট্রাম্পের শুল্ক ফাঁকি দিতে ৪০টিরও বেশি দেশ চীনকে সাহায্য করেছে: যুক্তরাষ্ট্র
  • চীনা বুলেট ট্রেনের বিশ্ব রেকর্ড, ৫ সেকেন্ডেই গতি ০ থেকে ৮০০ কিমি 
  • ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেও বিপুল মুনাফা করেছে চীনের বিরল খনিজ উৎপাদকরা

Most Read

1
যোগী আদিত্যনাথ। ছবি: এপি
আন্তর্জাতিক

দেশভাগের সময় জোর করে সব হিন্দু গ্রাম বাংলাদেশকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে: যোগী আদিত্যনাথ

2
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

জাতীয় গ্রিডে সামিটের এলএনজি সরবরাহ শুরু, শনিবারের মধ্যে পূর্ণ সক্ষমতায় ফেরার আশা

3
কারিগরি ত্রুটিতে এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে এলএনজি সরবরাহ আবারও বন্ধ
বাংলাদেশ

কারিগরি ত্রুটিতে এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে এলএনজি সরবরাহ আবারও বন্ধ

4
বিশাল গর্গ। ছবি: ব্লুমবার্গ
আন্তর্জাতিক

বড়দিনের আগে জুমে ৯০০ কর্মীকে ছাঁটাই করা সিইও এবার নিজেই চাকরি হারালেন, তুললেন প্রতারণার অভিযোগ

5
নিখোঁজ মো. হারুনের পরিবার। ছবি: আসমা সুলতানা প্রভা
ফিচার

আন্দামান গিলে নিয়েছে মানুষ, অপেক্ষা আর অভাব গিলে খাচ্ছে পরিবারগুলোকে

6
২৫০ দিন ধরে সাগরে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

২৫০ দিন সাগরে, খাদ্য-শৌচাগার সংকট, রণতরিতে ভেঙে পড়ছে মার্কিন সেনাদের মনোবল; উদ্বেগ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রে

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net