আন্দামান গিলে নিয়েছে মানুষ, অপেক্ষা আর অভাব গিলে খাচ্ছে পরিবারগুলোকে
দুই মাস আগেও সংসারটা যেমন-তেমন করে চলছিল। স্বামী মো. হারুন (৩৫) ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। ডাক্তার সহকারী হিসেবে কক্সবাজার ন্যাশনাল হাসপাতালে কাজ করতেন৷ ফলে আয়-রোজগার যা-ই হতো তাতেই কোনোরকম জীবন চালানো যাচ্ছিল। কিন্তু ভাগ্য তার সহায় হলো না। মালয়েশিয়াগামী ট্রলারটি আন্দামান সাগরে ডুবে যাওয়ার পর যেন থমকে গেছে সমিতি পাড়ার রাজিয়া সুলতানার ছোট্ট এই সংসার।
বলছি গত এপ্রিলে কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূল থেকে মালেশিয়ার উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে যাত্রাকালে আন্দামান সাগরে ২৮০ থেকে ৩০০ জন যাত্রী নিয়ে ডুবে যাওয়া ট্রলারটির কথা। ওই ঘটনায় অনেক যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন এখনো। কেউ বেঁচে আছেন, নাকি গভীর সমুদ্রে তলিয়ে গেছেন, তারও কোনো নিশ্চিত খবর মেলেনি। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) দেওয়া তথ্য মতে, এই ঘটনায় প্রায় ২৫০ জনেরও বেশি যাত্রী এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। মূলত অতিরিক্ত যাত্রী ও সমুদ্র উত্তাল থাকায় ৮ এপ্রিল ডুবে যায় ট্রলারটি।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে পাওয়া তথ্য মতে, তাদের বেশিরভাগই ছিলেন বাংলাদেশি এবং মিয়ানমারের নাগরিক। ডুবে যাওয়াদের মধ্যে ১৫০ জন ছিলেন রোহিঙ্গা আর বাকিরা বাংলাদেশি। অবশ্য ট্রলার ডুবির দুই দিন পরে ওই ট্রলারের ৯ জন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। যাদের মধ্যে ৬ জন বাংলাদেশি ও ৩ জন ছিলেন রোহিঙ্গা নাগরিক।
বাংলাদেশিরা হলেন- কক্সবাজার সমিতিপাড়ার মো. হামিদ, নুনিয়ারছড়ার মো. আকবর, চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের মো. মহিউদ্দিন হৃদয়, টেকনাফের বাহারছড়ার মো. তোফাইল, হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লাতুরিঘোনার মো. সোহান উদ্দিন এবং টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মো. সৈয়দ আলম। (দেশ রূপান্তর, ১৩ মে)।
নিখোঁজ হওয়াদের মধ্যে পুরুষ ছিলেন ২৪০ জন, মহিলা ২০ জন, বাচ্চা ৪ জন এবং বোটের স্টাফ ছিল ১৩ জন। (১৫ এপ্রিল, বিবিসি বাংলা)
হারিয়ে যাওয়া এসব মানুষগুলোর সঙ্গে অনিশ্চয়তার অতল গহ্বরে ডুবে গেছে তাদের পরিবারের স্বপ্ন, ভরসা আর প্রতিদিনের জীবনও। কক্সবাজারের সমিতি পাড়ার ১ নং ওয়ার্ডের রাজিয়া সুলতানার কাছে এই ট্রলারডুবি কেবল একটি দুর্ঘটনা নয়, বরং এক দীর্ঘ অপেক্ষার নাম। মালয়েশিয়ায় গিয়ে পরিবারের ভাগ্য বদলানোর আশায় এই ট্রলারের যাত্রী মো. হারুন দুই মাস আগে বাড়ি ছেড়েছিলেন। যাওয়ার আগে এ নিয়ে কিছুই বলে যাননি স্ত্রীকে। একদিন পর ফোন করে জানান, তিনি মালেশিয়া যাচ্ছেন। ট্রলারে আছেন। যেন তাকে নিয়ে চিন্তা করা না হয়!
দুই মাস ধরে হারুনের কোনো খোঁজ নেই। কোনো ফোন নেই, নেই কোনো বার্তা। শারীরিক অবস্থার কারণে রাজিয়াও কোনো খবর নিতে পারছেন না। এলাকার মানুষের মুখেই তিনি শুনেছেন, আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবির ঘটনায় হারিয়ে গেছেন তার স্বামী। সেই থেকে প্রতিটি দিন যেন তার কাছে অপেক্ষার নাম।
হারুন বেঁচে আছেন, নাকি সাগরের ঢেউ তাকে কেড়ে নিয়েছে, সেই প্রশ্নের উত্তর আজও জানেন না তার স্ত্রী রাজিয়া। নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা রাজিয়া এখন দুই ছেলেকে নিয়ে দিন পার করছেন অনিশ্চয়তার মধ্যে। বড় ছেলে হোসেন (১৫) নবম শ্রেণিতে পড়ত। বাবার নিখোঁজ হওয়ার পর সংসারের দায় এসে পড়েছে তার কাঁধে। পড়াশোনা ছেড়ে সে এখন স্থানীয় একটি সবজির দোকানে কাজ করে। দিন শেষে মজুরি মেলে ২০০ টাকা। সেই টাকাতেই যোগাড় হয় তাদের তিনবেলা খাবার।
কোরবানির ঈদও কেটেছে অভাবের মধ্যে। এলাকার মানুষ মিলে দুই কেজির মতো মাংস দিয়েছিল। সেই মাংসই অনেকদিন ধরে খেয়েছেন তারা। তাতে করে যদি কিছু টাকা সঞ্চয় করা যায়!
এরই মধ্যে কিছুদিন আগে কালবৈশাখীর ঝড়ে উড়ে গেছে ঘরের টিন। এদিকে নতুন করে ঘর মেরামতের সামর্থ্যও ছিল না রাজিয়ার। প্রতিবেশীরা কিছু পুরোনো টিন আর পলিথিন দিয়েছিল। তা দিয়েই কোনোভাবে মাথা গোঁজার ব্যবস্থা করেছেন। এভাবেই দিন পারছেন তারা।
স্বামীর কথা বলতে গিয়ে বারবার ভেঙে পড়েন রাজিয়া। চোখের কোণে জমে ওঠে অশ্রু, কণ্ঠ জড়িয়ে আসে কান্নায়। এই অসহায় নারী বুঝে উঠতে পারেন না, সামনে কী অপেক্ষা করছে তার জন্য। কয়েক দিনের মধ্যেই পৃথিবীর আলো দেখবে তার গর্ভের সন্তান। কিন্তু সেই সন্তান জন্মের সময় বাবাকে পাশে পাবে কি না, সেটাও জানেন না তিনি।
"আমার মা-বাবা কেউ বেঁচে নাই, শ্বশুর-শাশুড়িও নাই। আমি জানি না আমি কী করব, কার কাছে যাব। আমার পেটের সন্তান দুনিয়াতে আসবে কিনা, তার বাবার মুখ দেখবো কিনা, সেটাও জানি না। দুই ছেলে নিয়ে কোনোরকম চলতেছি। ওরা এখনো ছোট। কীভাবে কী করতে হয়, ওরা কিছুই বোঝে না," চোখের জল মুছতে মুছতে কথাগুলো বলছিলেন রাজিয়া।
সমিতি পাড়ার ভাঙাচোরা এই ঘরটিতে এখন নেমে এসেছে একরাশ অন্ধকার৷ সেখানে গেলেই প্রত্যক্ষ করা যায় দুই কিশোর ছেলের অকালে বড় হয়ে ওঠার গল্প, আর স্বামীর অপেক্ষায় দরজার দিকে তাকিয়ে থাকা এক নারীর টলমলে চোখ।
আন্দামান সাগরের সেই ট্রলারডুবি শুধু মানুষকেই গিলে নেয়নি, ভেঙে দিয়েছে বহু পরিবারের স্বাভাবিক জীবন। কক্সবাজারের সমিতি পাড়ার আমিনা খাতুনের সংসারও এখন তেমনই এক অনিশ্চয়তার মধ্যে আটকে আছে। পাঁচ সন্তানের জননী আমিনা আজও জানেন না, তার স্বামী জাহেদ হোসেন(৩১) বেঁচে আছেন, নাকি সাগরের অতলে হারিয়ে গেছেন। দুই ছেলে ও তিন মেয়েকে নিয়ে তার সংসার একসময় মোটামুটি স্বচ্ছলই ছিল।
পেশায় জেলে জাহেদ যা আয় করতেন, তাতেই ভালোভাবে চলত সংসার। কিন্তু হঠাৎ এক রাতে কাউকে কিছু না জানিয়ে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। দুই দিন পর আমিনার কাছে একটি ভয়েস মেসেজ আসে। ওপাশ থেকে জাহেদ শুধু বলেছিলেন, "আমি এখন ট্রলারে আছি, চিন্তা কইরো না।"
আমিনার অনেক কথা জমে ছিল। জানতে চেয়েছিলেন, 'কোথায় যাচ্ছেন, কবে ফিরবেন।' কিন্তু কথাগুলো আর বলা হয়ে ওঠেনি। ফোনটি ছিল অন্য একজনের। পরে সেই নম্বরে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও স্বামী জাহেদকে আর পাওয়া যায়নি।
এরপর একদিন প্রতিবেশী হামিদের কাছ থেকে আসে ভয়ঙ্কর খবর। তার কাছে জানা গেলো মালেশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলেন জাহেদ। আর যে ট্রলার করে যাচ্ছিলেন সেটি আন্দামান সাগরে ডুবে গেছে। এই ট্রলারের যাত্রীদের মধ্যে হামিদও ছিলেন। এখন পর্যন্ত যে ৯ জন জীবিত উদ্ধার হয়েছে, হামিদ তাদের একজন। বর্তমানে জেলে আছেন। তার কাছেই এলাকাবাসী জানতে পারে, জাহেদের মতো সমিতি পাড়ার আরও অনেকে মাঝসমুদ্রে হারিয়ে গেছেন।
সেই থেকে কেটে গেছে দুই মাসেরও বেশি সময়। অপেক্ষা করতে করতে ক্লান্ত আমিনা এখন বেঁচে থাকার লড়াইয়ে ব্যস্ত। অভাব-অনটনের কাছে হার মেনে নয় বছরের বড় ছেলেকে স্কুল থেকে তুলে নিয়েছেন। দুই ছেলে সালাউদ্দিনও সৈয়দুলকে পাঠিয়ে দিয়েছেন এতিমখানায়। অন্তত সেখানে দুবেলা দুমুঠো খাবার জুটবে, এই আশায়। ঘরে উপার্জন করার মতো কোনো মানুষ নেই। ছেলেরা ছোট। বড় ছেলের বয়স ৯ বছর, ছোটটির বয়স ৭। এর মধ্যে স্বামীর অত্যাচারে আমিনার বড় মেয়ে হামিদাও ঠাঁই নিয়েছে মায়ের বাড়িতে।
এই কঠিন এই সময়ে অসহায় প্রায় আমিনা। ঘরে কোনো আয়-রোজগার নেই। তিনবেলা খাবারেরও নিশ্চয়তা নেই। সংসার কীভাবে চলছে, জানতে চাইলে কিছুক্ষণ চুপ করে থাকেন তিনি। তারপর ধীর গলায় বলেন, "পাড়ার কেউ এক কেজি, দুই কেজি চাল দেয়। আত্মীয়-স্বজনের কেউ খাবারদাবার দিয়ে সাহায্য করে। এইভাবেই চলতেছে দুই মাস ধরে। কোরবানির ঈদ গেল, মাংস পর্যন্ত দেখি নাই। এভাবে আর কতদিন চলবে জানিনা। আল্লাহকে ডাকি শুধু।"
কথাগুলো বলতে বলতে চোখ ভিজে ওঠে তার। অথচ এমন দিন কখনো ছিল না তাদের সংসারে। এখন ঘরে অভাবের সঙ্গে বাসা বেঁধেছে মানসিক যন্ত্রণাও।
"কখনো ভাবি নাই বাচ্চাদের এতিমখানায় পাঠাতে হবে। কপালে এরকম অভাব আসবে, মানুষের দিকে খাবারের জন্য চেয়ে থাকা লাগবে," অশ্রুসিক্ত চোখে একটানা বলে যাচ্ছিলেন আমিনা।
এতকিছুর পরেও আমিনা আশায় আছেন, কোনো একদিন জাহেদ ফিরবেন, সন্তানদের মাথায় হাত রাখবেন, সংসার আবার আগের মতো হবে। জাহেদের সাথে খারাপ কিছু হয়েছে-এমনটা মানতে নারাজ তিনি। দুই মাস পেরিয়ে গেলেও তাই আমিনার দিন কাটে স্বামী জাহেদের অপেক্ষায়।
পারিবারিক নানা বিষয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তায় ছিলেন ইব্রাহিম। সংসারের অভাব অনটন, স্বল্প উপার্জন সব ভেবে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বিদেশ যাবেন। কিন্তু আকাশপথে বিদেশ যেতে তো অনেক টাকার খরচা। সে সামর্থ্য একেবারেই ছিল না ইব্রাহিমের। তাই ভাগ্যবদলের আশায় পরিবারের সবার অগোচরে ট্রলারে করে পাড়ি জমান মালেশিয়ার উদ্দেশ্যে।
পেশায় ইব্রাহিম(২৯) ছিলেন গাড়ি চালক এবং ইঞ্জিন মেকানিক। কিন্তু সেখান থেকে যা আয় করতেন, তিন সন্তানের ভরণপোষণের জন্য তা পর্যাপ্ত ছিল না। তাই মালেশিয়ার যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
কিন্তু যাওয়ার সময় কাউকে কিছু বলে যাননি ইব্রাহিম। এমনকি এমন কোনো পরিকল্পনার কথাও তার স্ত্রী জুবাইদা আক্তার জানেন না। নেটওয়ার্কের বাইরে যাওয়ার আগে জুবাইদার কাছে একটি ভয়েস মেসেজ পাঠান ইব্রাহিম, "আমি ঠিক আছি, ট্রলারে আছি। মালেশিয়া যাচ্ছি, চিন্তা কইরো না আমার জন্য।" ব্যস, এতটুকুই।
এখন পর্যন্ত ইব্রাহিমের কোনো সন্ধান নেই। ইব্রাহিমের ভাইয়েরা খবর নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এলাকার অন্য যারা গিয়েছেন তাদের পরিবারের কাছে গিয়েছিনে যদি কোনো খবর মেলে এই আশায়। কিন্তু কোনো সুরাহা মেলেনি। পরে এলাকাবাসীর মাধ্যমে হামিদের জীবিত উদ্ধার হওয়ার খবর পান তারা। তার কাছেই পুরো বিষয়টি জানতে পারেন।
হামিদের ভাষ্য ছিল, "ট্রলার যখন ডুবে গেলো তখন সবাই সমুদ্রে ভাসতেছিল। ইব্রাহিমকেও পানিতে ভাসতে দেখছি।" এর বাইরে ইব্রাহিমকে নিয়ে তেমন কোনো জানাশোনা নেই স্ত্রী জুবাইদা ও তার পরিবারের।
জুবাইদার দুই ছেলে, এক মেয়ে। বড় ছেলের বয়স ৬ বছর। ছোট ছেলেটির বয়স ১৮ মাস। এই ছোট ছোট শিশুদের নিয়ে যেন অতল সমুদ্রে পড়েছেন তিনিও। এই শিশু সন্তানদের নিয়ে কী করবেন জানেন না। কোনো উপায়ও খুঁজে পাচ্ছেন না। আপাতত ইব্রাহিমের বড় ভাই মো. সাদ্দাম হোসেন ছোট ভাইয়ের সংসারের হাল ধরেছেন। তাদের দেখভাল করছেন। কিন্তু তিনি নিজেও স্বচ্ছল নন। কক্সবাজার ডিজিটাল হাসপাতালের ডক্টর সহকারী তিনি। নিজের ৭ সন্তানের সাথে ইব্রাহিমের ৩ সন্তান-মোট ১০ জনের ভরণপোষণের ভার তার কাঁধে। কতদিন এভাবে তিনি চালাতে পারবেন তা ভেবেই কেঁদে ফেলেন জুবাইদা।
"যদি আমার স্বামী সাতরে কোথাও গিয়ে থাকে, তাতেও আমার শান্তি। শুধু বেঁচে থাকলেই হবে," কাঁপা গলায় বললেন জুবাইদা।
এই ঘটনায় সমিতি পাড়ার বাসিন্দা আকাশের কণ্ঠে এখনো অবিশ্বাস। হারুন আর ইব্রাহিম ছিলেন তার শৈশবের বন্ধু। একসঙ্গে বড় হয়েছেন, খেলেছেন, জীবনসংগ্রামের গল্প ভাগাভাগি করেছেন। সেই বন্ধুরা নিখোঁজ। আকাশ জানেন তাদের বেঁচে থাকার সম্ভাবনাও ক্ষীণ।
আকাশ জানান, মালয়েশিয়ায় যাওয়ার স্বপ্ন এই এলাকায় নতুন কিছু নয়। বছরের পর বছর ধরে অনেকেই ঝুঁকিপূর্ণ এই সমুদ্রপথে পাড়ি জমিয়েছেন। কেউ কেউ সফলও হয়েছেন। মালয়েশিয়ায় গিয়ে কাজ পেয়েছেন, নিয়মিত টাকা পাঠিয়েছেন দেশে। সেই টাকায় কারো কারো জীবন বদলেছে। আর এসবই স্বপ্ন দেখায় এলাকার অন্য তরুণদের।
"সমুদ্র পথে গেলে টাকা কম লাগে। দুই আড়াই লাখ দিলেই যাওয়া যায়। এই কারণে অনেকে টাকা ধার করে হলেও এভাবে রিস্ক নিয়ে চলে যান," বলেন আকাশ।
সমিতি পাড়া ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ওই ট্রলারে একসঙ্গে উঠেছিলেন ছয়জন। তাদের মধ্যে ছিলেন হারুন, হামিদ, ইব্রাহিম এবং জাহেদ। এদের মধ্যে হামিদ ছাড়া বাকি সবাই নিখোঁজ রয়েছেন।
