বোরো মৌসুম শেষে কাতার থেকে সার আমদানি নিয়ে আশাবাদী কৃষিমন্ত্রী
বোরো মৌসুম পরবর্তী সময়ে দেশে সারের চাহিদা মেটাতে কাতার থেকে আমদানির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে ইউরিয়া সারের যে মজুত রয়েছে, তা আগামী জুন-জুলাই পর্যন্ত চাহিদ পূরণে সক্ষম হবে। পরবর্তী সময়ের ঘাটতি মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে আমদানির কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের পঞ্চম বৈঠকে বোরো মৌসুম পরবর্তী সারের সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে উত্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান।
প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা সারের মজুত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, 'বেসরকারিভাবে নন-ইউরিয়া সার আমদানির সুযোগ নেই। বর্তমানে যে পরিমাণ সার মজুত রয়েছে, তা বোরো মৌসুম শেষ হওয়া পর্যন্ত চলবে।' এরপর সরবরাহ পরিস্থিতি কী হবে—এ বিষয়ে তিনি সরকারের অবস্থান জানতে চান।
জবাবে কৃষিমন্ত্রী সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, 'দেশে বিদ্যমান সারের মজুত জুন-জুলাই পর্যন্ত ব্যবহারের উপযোগী রয়েছে। এর পরবর্তী চাহিদা পূরণে কাতার ও সৌদি আরব থেকে সার আমদানি করা হবে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে একটি প্রতিনিধি দল কাতারে পাঠানো হয়েছে।'
মন্ত্রী আরও জানান, বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও সংশ্লিষ্ট দেশগুলো থেকে সারের জাহাজ ছাড়ের বিষয়ে সরকার আশাবাদী। আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি চ্যালেঞ্জিং হওয়া সত্ত্বেও অভ্যন্তরীণ বাজারে সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
