দূর্ঘটনা রোধে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এলাকার সকল রেলগেট অটো সিস্টেম করা হবে: কৃষিমন্ত্রী
কুমিল্লার সদর দক্ষিণে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রেনের ভয়াবহ সংঘর্ষে ১২ জন নিহতের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কৃষিমন্ত্রী, খাদ্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। রোববার (২২ মার্চ) দুপুরে তিনি সদর দক্ষিণ উপজেলার পদুয়ার বাজার এলাকায় দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ সাংবাদিকদের বলেন, "ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যে সকল এলাকায় রেলক্রসিং রয়েছে সেখানে অটোমেটিক গেট নির্মাণের বিষয়ে পরিকল্পনা করা হবে। আগামী দিনে যে বৈঠক হবে, সেখানে অগ্রাধিকার দিয়ে এ বিষয়ে আলোচনা হবে।"
দুর্ঘটনার কারণ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, "বিশ্বের অন্যান্য দেশে এই সমস্ত গেটগুলোকে আধুনিক করা হয়েছে। নির্দিষ্ট একটি স্থানে ট্রেন পৌঁছালে অটোমেটিক গেট বন্ধ হয়ে যায়। আজ এই এলাকায় গেটম্যান না থাকার কারণে এত বড় দুর্ঘটনা হয়েছে। অটো সিস্টেম করা থাকলে এমন ঘটনা ঘটত না। আমরা চেষ্টা করব দ্রুততম সময়ের মধ্যে হাইওয়ে এলাকার সকল রেলগেট অটো সিস্টেম করার জন্য।"
পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসানসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, গত শনিবার (২১ মার্চ) দিবাগত রাত ২টা ৫৫ মিনিটে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার রেলক্রসিং এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। চুয়াডাঙ্গা থেকে লক্ষ্মীপুরের দিকে যাওয়া 'মামুন পরিবহন'-এর একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি মেইল ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ১২ জন যাত্রী নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ৭ জন পুরুষ, ২ জন নারী এবং ৩ জন শিশু রয়েছেন।
