Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Monday
March 30, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
MONDAY, MARCH 30, 2026
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে সার আমদানিতে বিঘ্ন, বিকল্প উৎস খুঁজছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশ

আহসান হাবীব তুহিন
29 March, 2026, 10:20 am
Last modified: 29 March, 2026, 10:25 am

Related News

  • ইরান সংঘাত দীর্ঘ হলে ওষুধের কাঁচামালে বড় সংকটের আশঙ্কা
  • ইরান যুদ্ধকে ঘিরে বিশ্ববাজারে তীব্র সার সংকটের আশঙ্কা
  • এপ্রিলের জন্য ৯ এলএনজি কার্গো নিশ্চিত করল সরকার
  • শুধু তেল নয়, স্মার্টফোন থেকে শুরু করে সার, ওষুধ—হরমুজ প্রণালি বন্ধে অস্থির বিশ্ববাজার
  • ইরানে যুদ্ধে ২১০ শিশুর প্রাণহানি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী; হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে সার আমদানিতে বিঘ্ন, বিকল্প উৎস খুঁজছে বাংলাদেশ

হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্য পরিবহনে জটিলতা তৈরি হওয়ায় সরকার বিকল্প উৎস থেকে বেশি পরিমাণ সার আমদানির কথা ভাবছে। সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে চীন, মিসর ও রাশিয়াসহ আরও কয়েকটি দেশ বিবেচনায় রয়েছে।
আহসান হাবীব তুহিন
29 March, 2026, 10:20 am
Last modified: 29 March, 2026, 10:25 am
ছবি- ইউএনবি

ইরান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট সংকটে ব্যাহত হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সার আমদানি। এর প্রভাবে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) এক লাখ টন করে মোট দুই লাখ টনের দুটি দরপত্র আহ্বান করেও তা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে।

বিসিআইসি সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানটি ইউরিয়া আমদানির জন্য নিবন্ধিত ১৭ জন সরবরাহকারীকে সুযোগ দিয়ে থাকে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে এসব সরবরাহকারী নির্ধারিত সময়ে সার সরবরাহ করতে পারবে কি না—তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এ কারণে আগের দরপত্র বাতিল করে এখন উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে, যাতে বিশ্বের যেকোনো দেশের সরবরাহকারী এতে অংশ নিতে পারে।

বাংলাদেশ মূলত মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সার আমদানি করে। কাতার ও আমিরাত থেকে ইউরিয়া এবং সৌদি আরব থেকে ইউরিয়া ও ডিএপি আমদানি করা হয়।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্য পরিবহনে জটিলতা তৈরি হওয়ায় সরকার বিকল্প উৎস থেকে বেশি পরিমাণ সার আমদানির কথা ভাবছে। সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে চীন, মিসর ও রাশিয়াসহ আরও কয়েকটি দেশ বিবেচনায় রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের মধ্যে রাশিয়া বৈশ্বিক বড় সরবরাহকারীদের অন্যতম হিসেবে উঠে এসেছে।

বিসিআইসির চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, "মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে আমাদের নির্ধারিত সরবরাহকারীদের সক্ষমতা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। তাই আগের টেন্ডার বাতিল করে নতুন করে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে, যাতে বিকল্প উৎসের সরবরাহকারীরা অংশ নিতে পারে।"

তিনি বলেন, "চলতি বোরো মৌসুমে সারের সংকট হবে না। তবে জুনে শুরু হওয়া আমন মৌসুমের জন্য আমাদের প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে। এর মধ্যে ইউরিয়া আমদানি নিশ্চিত না হলে কৃষিতে প্রভাব পড়তে পারে।"

তিনি আরও বলেন, "আমাদের নিজস্ব সার কারখানাগুলোর মধ্যে বর্তমানে শুধু শাহজালাল ফার্টিলাইজার চালু রয়েছে। অন্যগুলো উৎপাদনে নেই। তাই এখনই সারের মজুত বাড়ানোর দিকে গুরুত্ব দিতে হচ্ছে এবং সে অনুযায়ী কাজ শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য সব বিকল্প উৎস থেকে আমদানি করা যায় কি না—তা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।"

তিনি যোগ করেন, "আমরা একটি উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করেছি, যাতে যেকোনো সরবরাহকারী অংশ নিতে পারে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক অনেক প্রতিষ্ঠান সরবরাহকারী হিসেবে কাজ করে—তাদেরও অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে।"

এদিকে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, "সারের সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া কারখানার জন্য গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমরা আবেদন করেছি। আশা করছি আগামী সপ্তাহের মধ্যে কারখানাটি চালু করা সম্ভব হবে।"

তিনি আরও জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সরকারের জিটুজি চুক্তি রয়েছে। তারা জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশকে তিন লাখ টন সার সরবরাহ করা সম্ভব হবে। তবে এর জন্য জাহাজ চলাচলের অনুমতিসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া বাংলাদেশকেই সম্পন্ন করতে হবে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।

একইভাবে রাশিয়া থেকে সার আমদানির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা যায় কি না—তা নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তারা বিবেচনায় নিচ্ছে বলে জানান বিসিআইসির চেয়ারম্যান।

তবে সরবরাহকারীরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্য থেকে সার আমদানি কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। একদিকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহনে সংকট, অন্যদিকে বিশ্ববাজারে সারের দাম বৃদ্ধি—এই দুই কারণে সরবরাহকারীদের মধ্যে অনীহা তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে আমন মৌসুমের সরবরাহ নিয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা।

দাম বেড়েছে ইউরিয়ার

মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের মধ্যে ইউরিয়া সারের দাম টনপ্রতি প্রায় ৩০০ ডলার বেড়ে এখন ৭০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।

এছাড়া ডিএপি ও টিএসপির দামও ব্যাপকভাবে বেড়েছে। সম্প্রতি ৭০০ ডলার থেকে বেড়ে ডিএপির দাম ৮৫০ ডলার এবং ৫০০ ডলার থেকে বেড়ে টিএসপির দাম ৬৫০ ডলারে উঠেছে। চীন রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই বিশ্ববাজারে ইউরিয়া ও ডিএপির দাম বাড়ছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিকল্প উৎসগুলোতেও সংকট রয়েছে। চীন আপাতত সার রপ্তানি বন্ধ রেখেছে। তারা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নিজেদের ঝুঁকি মোকাবিলার প্রস্তুতি নেবে, এরপর সুযোগ থাকলে রপ্তানি করবে। অন্যদিকে রাশিয়া থেকে সার আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থাকায় বাংলাদেশ সরাসরি সেখান থেকেও আমদানি করতে পারছে না।

আমদানিকারকরা বলছেন, এই সংকট শুধু বাংলাদেশের নয়, বৈশ্বিক। সরবরাহকারী দেশগুলো রপ্তানি বন্ধ করায় আমদানিকারক দেশগুলো এখন বিকল্প উৎসের খোঁজে ছুটছে। পাশাপাশি সার উৎপাদনের কাঁচামালের সরবরাহ বিঘ্নিত হলে ভবিষ্যতে সংকট আরও তীব্র ও দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে, যার বড় প্রভাব পড়বে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর ওপর।

জানা গেছে, দেশে প্রতি বছর প্রায় ২৬ লাখ টন ইউরিয়ার চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে বিসিআইসির নিজস্ব কারখানাগুলো থেকে বছরে প্রায় ১০ লাখ টন উৎপাদনের চেষ্টা করা হয়। বাকি অংশ আমদানি করতে হয়। তবে গ্যাস সংকটের কারণে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকেও পর্যাপ্ত সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না।

বিসিআইসি সূত্র জানায়, ইরান যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি নিরাপত্তা সংকট দেখা দিলে প্রথমে সব সার কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে শুধু শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি চালু করা হয়েছে। বাকি চারটি ইউরিয়া কারখানা এবং একটি করে ডিএপি ও টিএসপি উৎপাদনকারী কারখানা বন্ধ রয়েছে।

অথচ ইউরিয়া ও নন-ইউরিয়া মিলিয়ে দেশে প্রতি বছর ৬০ লাখ টনের বেশি সারের চাহিদা রয়েছে, যার বেশিরভাগই ব্যবহৃত হয় বোরো ও আমন মৌসুমে। এই দুই মৌসুমের উৎপাদনই দেশের খাদ্য নিরাপত্তার মূল ভিত্তি, কারণ এ সময়ে প্রায় ৪ কোটি টন চাল উৎপাদিত হয়।
 

Related Topics

টপ নিউজ

সার আমদানি / সার সংকট / সার / মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
    দুই সপ্তাহের ব্যবধানে রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ২৯.২৯ বিলিয়ন ডলার
  • ওমানের একটি বন্দরে নোঙর করা একটি বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ। ছবি: গেটি ভায়া সিএনএন
    যুদ্ধ বন্ধে তেহরানের নতুন শর্ত, খুলে দিতে পারে শত শত কোটি ডলার আয়ের পথ
  • প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
    জুনে শুরু হচ্ছে হামের বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন, পাবে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সি শিশুরা
  • ছবি: সংগৃহীত
    মিরপুর থেকে কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম গ্রেপ্তার
  • যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধে ২১ মার্চ তেহরানের একটি ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে রেড ক্রিসেন্টের উদ্ধারকর্মীরা কাজ করছেন। ছবি: রয়টার্স
    ইরানে স্থল অভিযানের প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের; সংঘাত অবসানে পাকিস্তানে ৪ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক
  • বিওয়াইডি-র সঙ্গে চুক্তিতে রানার অটোমোবাইলসের বিনিয়োগ ও আর্থিক প্রভাব এখনো চূড়ান্ত হয়নি
    বিওয়াইডি-র সঙ্গে চুক্তিতে রানার অটোমোবাইলসের বিনিয়োগ ও আর্থিক প্রভাব এখনো চূড়ান্ত হয়নি

Related News

  • ইরান সংঘাত দীর্ঘ হলে ওষুধের কাঁচামালে বড় সংকটের আশঙ্কা
  • ইরান যুদ্ধকে ঘিরে বিশ্ববাজারে তীব্র সার সংকটের আশঙ্কা
  • এপ্রিলের জন্য ৯ এলএনজি কার্গো নিশ্চিত করল সরকার
  • শুধু তেল নয়, স্মার্টফোন থেকে শুরু করে সার, ওষুধ—হরমুজ প্রণালি বন্ধে অস্থির বিশ্ববাজার
  • ইরানে যুদ্ধে ২১০ শিশুর প্রাণহানি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী; হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের

Most Read

1
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

দুই সপ্তাহের ব্যবধানে রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ২৯.২৯ বিলিয়ন ডলার

2
ওমানের একটি বন্দরে নোঙর করা একটি বাল্ক ক্যারিয়ার জাহাজ। ছবি: গেটি ভায়া সিএনএন
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধ বন্ধে তেহরানের নতুন শর্ত, খুলে দিতে পারে শত শত কোটি ডলার আয়ের পথ

3
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

জুনে শুরু হচ্ছে হামের বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন, পাবে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সি শিশুরা

4
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

মিরপুর থেকে কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম গ্রেপ্তার

5
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধে ২১ মার্চ তেহরানের একটি ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে রেড ক্রিসেন্টের উদ্ধারকর্মীরা কাজ করছেন। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ইরানে স্থল অভিযানের প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের; সংঘাত অবসানে পাকিস্তানে ৪ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

6
বিওয়াইডি-র সঙ্গে চুক্তিতে রানার অটোমোবাইলসের বিনিয়োগ ও আর্থিক প্রভাব এখনো চূড়ান্ত হয়নি
অর্থনীতি

বিওয়াইডি-র সঙ্গে চুক্তিতে রানার অটোমোবাইলসের বিনিয়োগ ও আর্থিক প্রভাব এখনো চূড়ান্ত হয়নি

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net