হ্যাঁ, ইসরায়েলিরা আমেরিকার রাজনীতিতে প্রভাব খাটায়: মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে 'জনমতের লড়াইয়ে' ইসরায়েল পিছিয়ে পড়ছে। একই সঙ্গে তিনি মার্কিন নীতিনির্ধারণে অন্য দেশের সরকারের প্রভাব বিস্তারের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন।
'দ্য জো রগান এক্সপেরিয়েন্স'- পডকাস্টে অংশ নিয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
টিআরটি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভ্যান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন কমে যাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও একই ধরনের মত প্রকাশ করেছেন।
ভ্যান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নেতাদের উচিত নয় অন্য দেশের সরকারকে মার্কিন নীতিনির্ধারকদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে দেওয়া।
তিনি অভিযোগ করেন, টাইম সাময়িকীর একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, একটি বিদেশি প্রভাব বিস্তারের প্রচারণা ইরানের সঙ্গে তার চলমান সমঝোতা ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।
ভ্যান্স আরও বলেন, সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখতে আগ্রহী ইসরায়েল সরকারের কিছু সদস্য যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করতে চেয়েছিলেন।
তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনার প্রচেষ্টার কারণে তাকে 'মরিয়া' আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের প্রসঙ্গে ভ্যান্স বলেন, তার বিশ্বাস এপস্টেইনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থার সর্বোচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগ ছিল। এর মধ্যে সিআইএ ও ইসরায়েলের মোসাদের নামও উল্লেখ করেন তিনি।
এছাড়াও তিনি 'ইসরায়েলি ডিপ স্টেট'-এর 'মধ্য-বামপন্থী' অংশের সঙ্গেও এপস্টেইনের সম্পর্ক ছিল বলে দাবি করেন।
ভ্যান্স বলেন, এপস্টেইন-সংক্রান্ত বিষয়টি পরিচালনায় ট্রাম্প প্রশাসন 'ভুলভাবে' কাজ করেছে, বিশেষ করে জনসাধারণের কাছে তথ্য উপস্থাপনের ক্ষেত্রে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে 'এপস্টেইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট'-এর আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এপস্টেইন-সংক্রান্ত ৩০ লাখের বেশি পৃষ্ঠার নথি প্রকাশ করেছে।
