যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা স্থগিত ও হরমুজ বন্ধের ঘোষণার পর তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি বাড়ল ৬ ডলার
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। পাশাপাশি তেহরানের মিত্র 'রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট' হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া এবং বাব এল-মান্দেবসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে চলাচল ব্যাহত করার বিষয়টিও বিবেচনা করছে- এমনটাই জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে। এর পরপরই বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ৬ ডলারেরও বেশি বেড়েছে।
এর আগে পাল্টাপাল্টি হামলা চালায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অংশ হিসেবে ইসরায়েল তার সেনাদের লেবাননের আরও অভ্যন্তরে প্রবেশের নির্দেশ দেয়।
বিশ্ববাজারে তেলের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬.০২ ডলার বা ৬.৬ শতাংশ বেড়ে ৯৭.১৪ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে লেনদেন হওয়া ক্রুড অয়েলের দাম ৬.৬৮ ডলার বা ৭.৭ শতাংশ বেড়ে ৯৪.০৪ ডলারে পৌঁছেছে।
গত মে মাসে ব্রেন্ট এবং ডব্লিউটিআই-এর দাম যথাক্রমে প্রায় ১৯ শতাংশ এবং ১৭ শতাংশ কমেছে। ২০২০ সালের মার্চে করোনা মহামারির কারণে জ্বালানির চাহিদা কমে যাওয়ার পর থেকে এটাই ছিল সবচেয়ে বড় মাসিক পতন।
গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে ইসরায়েল-লেবানন শান্তি আলোচনা হলেও মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত হওয়ার আশা এখন ক্ষীণ।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার বলেছিলেন, এপ্রিলের শুরুতে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের একটি প্রস্তাবিত চুক্তির বিষয়ে তিনি শীঘ্রই সিদ্ধান্ত নেবেন।
