Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Monday
April 20, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
MONDAY, APRIL 20, 2026
ডলারের দাপট কমাতে হরমুজ প্রণালিতে একজোট হয়েছে ইরান ও চীন

আন্তর্জাতিক

আল জাজিরা
09 April, 2026, 11:20 am
Last modified: 09 April, 2026, 11:19 am

Related News

  • নৌ অবরোধ বহাল থাকলে পাকিস্তানে আলোচনায় বসবে না ইরান
  • ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য পাকিস্তানে যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধি দল: ট্রাম্প
  • চীনের সতর্ক কূটনীতি: ইরান যুদ্ধ ঘিরে নেপথ্যে যে ভূমিকা রাখছে বেইজিং
  • পোপের সঙ্গে দ্বন্দ্ব, ‘যিশুর’ বেশে ছবি পোস্টের পর এবার প্রকাশ্যে বাইবেল পাঠের ঘোষণা ট্রাম্পের
  • ‘ইরানকে পারমাণবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার ট্রাম্প কে?’—প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের প্রশ্ন

ডলারের দাপট কমাতে হরমুজ প্রণালিতে একজোট হয়েছে ইরান ও চীন

আল জাজিরা
09 April, 2026, 11:20 am
Last modified: 09 April, 2026, 11:19 am
হরমুজ। ছবি: এপি

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইজরায়েলি আগ্রাসন এক মাসের বেশি সময় ধরে বিশ্ব অর্থনীতিকে টালমাটাল করে রেখেছে। বুধবার দু-সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়েছে ঠিকই, তবে এই অস্থিরতার সুযোগে বিশ্ব অর্থনীতির ব্যবস্থা নিয়ে নিজেদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ উগরে দিতে একজোট হয়েছে ইরান ও চীন। 

তাদের লক্ষ্য একটাই—আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মার্কিন ডলারের একাধিপত্যের অবসান ঘটানো।

বেইজিং ও তেহরানের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ডলারের আধিপত্যকে হাতিয়ার করে ইরান ও চীনসহ প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর ওপর অন্যায় রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে ওয়াশিংটন। 

জেপি মর্গান চেজ-এর ২০২৩ সালের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে তেল বাণিজ্যে লেনদেনের প্রায় ৮০ শতাংশই হয় ডলারে। এই তথ্য থেকেই বিশ্ব অর্থনীতিতে ডলারের দাপট স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

বিশ্ববাজারে মোট জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশই সরবরাহ করা হয় হরমুজ প্রণালি দিয়ে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটির নিয়ন্ত্রণ রয়েছে ইরানের হাতে। আর সেই ভৌগোলিক অবস্থানের সুবাদেই ডলারের বিকল্প হিসেবে চীনা মুদ্রা ইউয়ানকে তুলে ধরার হাতিয়ার পেয়ে গেছে তেহরান ও বেইজিং।

একাধিক সূত্রের খবর অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে যাতায়াতকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলো থেকে ট্রানজিট ফি আদায় শুরু করেছে ইরান। আর এই টোল নেওয়া হচ্ছে ইউয়ানে। 

কতগুলো জাহাজ ইউয়ানে টোল মিটিয়েছে, তা নিশ্চিত না হলেও লয়েডস লিস্ট-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ২৫ মার্চ পর্যন্ত অন্তত দুটি জাহাজ চিনা মুদ্রায় এই লেনদেন সম্পন্ন করেছে।

চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত সপ্তাহে সমাজমাধ্যমে এক বার্তায় ইউয়ানে লেনদেনের বিষয়টি কার্যত স্বীকার করে নিয়েছে।

অন্যদিকে ইরানে জিম্বাবুয়ে দূতাবাসও সমাজমাধ্যমে বলেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে এবার 'পেট্রো-ইউয়ান' চালুর সময় এসেছে। 

যদিও এই বিষয়ে তেহরান বা বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে সরাসরি কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তেহরান বুধবার শুধু বলেছে, দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সময়ে তারা হরমুজে নিরাপদে জাহাজ যাতায়াত নিশ্চিত করবে।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ(সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ কেনেথ রোগফ আল জাজিরাকে বলেন, 'একদিক থেকে দেখতে গেলে, আমেরিকাকে চরম অস্বস্তিতে ফেলাই ইরানের লক্ষ্য। এতে ওয়াশিংটনের ক্ষতে নুনের ছিটা পড়বে। তবে অন্যদিক থেকে দেখলে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ইউয়ান নিয়ে ইরান যথেষ্ট সিরিয়াস।' 

রোগফ বলেন, চীনও নিজেদের এবং ব্রিকস দেশগুলোর বাণিজ্যে ইউয়ানের ব্যবহার বাড়াতে দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা করে এগোচ্ছে।

আর্থিক দুনিয়ায় 'বহুমেৰু' ব্যবস্থার হাতছানি

তেহরান ও বেইজিং—দুই তরফেই ইউয়ানের গুরুত্ব বৃদ্ধি লাভজনক। 

ডলারনির্ভর অর্থব্যবস্থার দৌলতে আমেরিকা যেসব নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে, ইউয়ান ব্যবহারের ফলে চীন ও ইরান তা সহজেই এড়িয়ে যেতে পারবে। এর পাশাপাশি ২০২১ সালে স্বাক্ষরিত ২৫ বছরের কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তির পর থেকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য যেভাবে বেড়েছে, ভীনা মুদ্রায় লেনদেনের ফলে তা আরও সহজ ও সস্তা হয়েছে।

ব্রিটেনের কিল ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক বুলেন্ত গোকায় আল জাজিরাকে বলেন, মার্কিন আর্থিক আধিপত্য ও পেট্রোডলারের গুরুত্বের মোকাবিলা করা যে কতটা জরুরি, তা ইরান স্পষ্ট বুঝতে পারছে। 

তার মতে, বেইজিংয়ের মূল লক্ষ্য হলো এক 'বহুমেৰু আর্থিক ব্যবস্থা' গড়ে তোলা, যেখানে উদীয়মান শক্তিগুলো মার্কিন ডলারের একাধিপত্যকে রুখে দিতে পারবে।

ইরানের তেল রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি কেনে চীন। মূলত ইউয়ানে লেনদেন হওয়ার কারণে বেইজিং তেলের দামে বিশেষ ছাড়ও পায়। 

বিনিময়ে চীন থেকেও বিপুল পরিমাণে যন্ত্রাংশ, ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম, রাসায়নিক ও শিল্প-সামগ্রী আমদানি করে তেহরান। 

পরিসংখ্যান বলছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধের কারণে দুই দেশের তেল বাণিজ্যে খুব একটা প্রভাব পড়েনি। সংঘাতের প্রথম দু-সপ্তাহে ইরান ১২ থেকে ১৩.৭ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করেছে, যার সিংহভাগই গেছে চীনে।

ডলারের গদিতে ভাগ বসানোর উচ্চাকাঙ্ক্ষা চীনের দীর্ঘদিনের। ২০২৪ সালে এক ভাষণে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আশা প্রকাশ করেন, ইউয়ান অদূর ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রধান মুদ্রা এবং বিশ্বের অন্যতম রিজার্ভ মুদ্রায় পরিণত হবে।

লক্ষ্যপূরণে দুর্গম পথ

গত কয়েক বছরে গ্লোবাল সাউথ দেশগুলোর মধ্যে ইউয়ানের গ্রহণযোগ্যতা অনেকটাই বেড়েছে। বিশেষ করে আমেরিকার সঙ্গে যেসব দেশের সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে, তারাই চীনা মুদ্রার দিকে ঝুঁকছে। 

তবে ডলারের সাম্রাজ্যে প্রকৃত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে ইউয়ানকে এখনও দুর্গম পথ অতিক্রম করতে হবে।

ডলারের মতো ইউয়ান কিন্তু অবাধে রূপান্তরযোগ্য নয়। পুঁজি বা মূলধন নিয়ন্ত্রণে বেইজিংয়ের কঠোর নিয়মের কারণে এক দেশ থেকে অন্য দেশে এই মুদ্রা সহজে স্থানান্তর করা যায় না। 

তাছাড়া, কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ সমস্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর চীনা সরকারের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ থাকায় বাজারের স্বচ্ছতা নিয়েও লগ্নিকারীদের মনে সংশয় রয়েছে। 

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখা বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভে ডলারের হার যদিও আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে, তবু বিশ্ব অর্থনীতিতে মার্কিন মুদ্রার দাপট এখনও অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

আইএমএফের পরিসংখ্যান বলছে, গত বছর পর্যন্ত বিশ্বের মোট সঞ্চিত বিদেশি মুদ্রার ৫৭ শতাংশই ছিল ডলারের দখলে। সেই তুলনায় ইউরোর দখলে ছিল ২০ শতাংশ এবং ইউয়ানের ভাগ মাত্র ২ শতাংশ। 

অন্যদিকে এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল-এর তথ্যমতে, ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ইউয়ানের মাধ্যমে লেনদেনের হার ছিল ৩.৭ শতাংশ। ২০১২ সালে এই হার ছিল ১ শতাংশেরও কম।

হংকংয়ের ন্যাটিক্সিস-এর এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রধান অর্থনীতিবিদ অ্যালিসিয়া গার্সিয়া-হেরেরো বলেন, কেবল হরমুজ প্রণালিতে ইউয়ানের ব্যবহার বাড়ালেই বিশ্বকে 'ডলার-মুক্ত' করা সম্ভব নয়। তার মতে, এর ফলে জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে বিকল্প মুদ্রার গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হচ্ছে মাত্র। 

গার্সিয়া-হেরেরো বলেন, প্রকৃত অর্থে ডলারের একক আধিপত্য কাটাতে হলে উপসাগরীয় দেশগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। ১৯৭০-এর দশকে আমেরিকার থেকে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পাওয়ার বিনিময়ে সৌদি আরব শুধু ডলারে তেল বিক্রির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তার পর থেকেই এ অঞ্চলের দেশগুলো তেলের দাম নির্ধারণে ডলার ব্যবহার করে আসছে।

চীনের ওপর তেহরানের ভরসা

চীন যদি ডলারের বিশ্বজনীন দাপটের সঙ্গে পাল্লা না-ও দিতে পারে, তাতেও তেহরানের খুব একটা দুশ্চিন্তা নেই বলে মনে করেন ব্রাসেলসের ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিটিক্যাল ইকোনমি-র পরিচালক হোসুক লি-মাকিয়ামা। 

তিনি আল জাজিরাকে বলেন, 'ইরানের প্রায় সব তেলই কেনে চীন। দু-দেশের বাণিজ্য আদতে ভারসাম্যপূর্ণ। কারণ ইরান তার প্রয়োজনীয় সমস্ত যন্ত্রপাতি ও শিল্পপণ্য চীনের কাছ থেকেই সংগ্রহ করে, যা অন্য কোথাও পাওয়া তার জন্য কঠিন।' 

লি-মাকিয়ামা আরও বলেন, অতীতে ইউরোপ বা জাপানের মুদ্রা ডলারের জায়গা নিতে পারেনি, কারণ তারা তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর আমদানির সব চাহিদা মেটাতে সক্ষম ছিল না। কিন্তু বিশ্বের বৃহত্তম উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে চীন এখন বাজারের প্রায় সব চাহিদা মেটানোর ক্ষমতা রাখে।

পরামর্শদাতা সংস্থা ডিফারেন্স গ্রুপ-এর প্রতিষ্ঠাতা ড্যান স্টেইনবক বলেন, স্বল্পমেয়াদে ডলারের সাম্রাজ্য টলানো অসম্ভব হলেও নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে ইউয়ানের ক্রমবর্ধমান ব্যবহার ধীরে ধীরে মার্কিন আধিপত্যকে খর্ব করবে। তার মতে, এটি কোনো আকস্মিক বদল নয়, বরং মার্কিন মুদ্রার দাপট ক্রমশ ফিকে হয়ে আসার প্রক্রিয়া।

হার্ভার্ডের অর্থনীতিবিদ রোগফ মনে করেন, পুরোটাই নির্ভর করছে যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি ও পরিণতির ওপর। তিনি বলেন, 'ইরান ও চীন যদি সফল হয়, তবে বিশ্বের বহু দেশ মার্কিন আর্থিক অবরোধের হাত থেকে নিজেদের বাঁচাতে ডলারনির্ভর অর্থব্যবস্থা থেকে সরে আসার চেষ্টা করবে।' 

রোগফ মনে করেন, ডলারের আধিপত্য ইতিমধ্যেই শিখরে পৌঁছে গিয়েছে। তবে আমেরিকা যদি তার লক্ষ্যে সফল হয় এবং ইরানের বর্তমান সরকারকে কোণঠাসা করতে পারে, তবে ডলারের একাধিপত্য আরও কিছুকাল টিকে থাকবে।

Related Topics

টপ নিউজ

চীন / ইরান / যুক্তরাষ্ট্র / ডলার / ডলারের আধিপত্য / চীন-যুক্তরাষ্ট্র / চীন-ইরান / ইরান-যুক্তরাষ্ট্র / হরমুজ / হরমুজ প্রণালি

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের শ্রীনগর এলাকায় একটি পেট্রোল পাম্পের সামনে তেলের জন্য লাইন। ছবি: মেহেদি হাসান/টিবিএস
    সক্ষমতার চেয়ে অকটেনের মজুত বেশি, তাহলে পাম্পের লম্বা লাইন শেষ হবে কবে?
  • চাকরিতে পুনর্বহাল ও এস আলমের হাতে মালিকানা ফেরতের দাবিতে ১৯ এপ্রিল মতিঝিলের দিলকুশা এলাকায় জড়ো হন চাকরিচ্যুত কয়েক হাজার ব্যাংক কর্মকর্তা। ছবি: টিবিএস
    চাকরি ও এস আলমের মালিকানা ফেরত চেয়ে মতিঝিলে ৫ ব্যাংকের কয়েক হাজার চাকরিচ্যুত কর্মকর্তার অবস্থান
  • ফাইল ছবি: টিবিএস
    ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বেড়ে ১,৯৪০ টাকা
  • সূত্র: মেলভিন স্টুডিও আর্ট
    যে কারণে পরিবারের বড় সন্তানেরা বেশি সফল হয়
  • ফাইল ছবি: রয়টার্স
    ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যাংকগুলোকে ফরওয়ার্ড বুকিং এড়ানোর নির্দেশ
  • উপজেলার বুধল এলাকায় কূপটির খনন কাজের উদ্বোধন করেন পেট্রোবাংলার পরিচালক (অর্থ) এ. কে. এম. মিজানুর রহমান। ছবি: টিবিএস
    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দেশের প্রথম গভীর অনুসন্ধান কূপ খননের কাজ চলছে, প্রতিদিন মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

Related News

  • নৌ অবরোধ বহাল থাকলে পাকিস্তানে আলোচনায় বসবে না ইরান
  • ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য পাকিস্তানে যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধি দল: ট্রাম্প
  • চীনের সতর্ক কূটনীতি: ইরান যুদ্ধ ঘিরে নেপথ্যে যে ভূমিকা রাখছে বেইজিং
  • পোপের সঙ্গে দ্বন্দ্ব, ‘যিশুর’ বেশে ছবি পোস্টের পর এবার প্রকাশ্যে বাইবেল পাঠের ঘোষণা ট্রাম্পের
  • ‘ইরানকে পারমাণবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার ট্রাম্প কে?’—প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের প্রশ্ন

Most Read

1
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের শ্রীনগর এলাকায় একটি পেট্রোল পাম্পের সামনে তেলের জন্য লাইন। ছবি: মেহেদি হাসান/টিবিএস
বাংলাদেশ

সক্ষমতার চেয়ে অকটেনের মজুত বেশি, তাহলে পাম্পের লম্বা লাইন শেষ হবে কবে?

2
চাকরিতে পুনর্বহাল ও এস আলমের হাতে মালিকানা ফেরতের দাবিতে ১৯ এপ্রিল মতিঝিলের দিলকুশা এলাকায় জড়ো হন চাকরিচ্যুত কয়েক হাজার ব্যাংক কর্মকর্তা। ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

চাকরি ও এস আলমের মালিকানা ফেরত চেয়ে মতিঝিলে ৫ ব্যাংকের কয়েক হাজার চাকরিচ্যুত কর্মকর্তার অবস্থান

3
ফাইল ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বেড়ে ১,৯৪০ টাকা

4
সূত্র: মেলভিন স্টুডিও আর্ট
আন্তর্জাতিক

যে কারণে পরিবারের বড় সন্তানেরা বেশি সফল হয়

5
ফাইল ছবি: রয়টার্স
অর্থনীতি

ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যাংকগুলোকে ফরওয়ার্ড বুকিং এড়ানোর নির্দেশ

6
উপজেলার বুধল এলাকায় কূপটির খনন কাজের উদ্বোধন করেন পেট্রোবাংলার পরিচালক (অর্থ) এ. কে. এম. মিজানুর রহমান। ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দেশের প্রথম গভীর অনুসন্ধান কূপ খননের কাজ চলছে, প্রতিদিন মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net