Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Monday
July 06, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
MONDAY, JULY 06, 2026
দুঃস্বপ্ন দেখা কি স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক?

আন্তর্জাতিক

দি ইকোনমিস্ট
14 August, 2025, 07:20 pm
Last modified: 14 August, 2025, 07:21 pm

Related News

  • ভবন প্রায় প্রস্তুত, যন্ত্রপাতি নেই: ২০২৮ সাল পর্যন্ত পিছিয়েছে ক্যানসার-হৃদরোগের বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রকল্প
  • স্বাস্থ্য বাজেট জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন, ৪ প্রধান সমস্যা সমাধানই লক্ষ্য: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
  • স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বেড়ে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা
  • ‘হিডেন ব্লাড পাম্প’: যেভাবে বেশি চিবানো আপনার মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়
  • মুঠোর শক্তি: ১০০ বছর বাঁচবেন কি-না জানার এক সহজ পরীক্ষা

দুঃস্বপ্ন দেখা কি স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক?

গবেষণায় দেখা যায়, যারা মাসে একবারের কম দুঃস্বপ্ন দেখেন, তাদের তুলনায় যারা প্রতি সপ্তাহে বা তার চেয়েও বেশিবার দুঃস্বপ্ন দেখেন, তাদের ৭০ বছর বয়সের আগে মারা যাওয়ার আশঙ্কা তিনগুণ বেশি।
দি ইকোনমিস্ট
14 August, 2025, 07:20 pm
Last modified: 14 August, 2025, 07:21 pm
জনসংখ্যার প্রায় ২ থেকে ৬ শতাংশ মানুষ প্রতি সপ্তাহে দুঃস্বপ্নের শিকার হন।ইলাস্ট্রেশন: ফর্চুনেট জোয়াকিন/দি ইকোনমিস্ট

ঘুমিয়ে দুঃস্বপ্ন দেখেনি এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবেনা। পুরনো দিনে লোকে বিশ্বাস করত, ঘুমের মধ্যে খারাপ স্বপ্ন দেখার সময়ে অশুভ আত্মারা এসে মানুষের জীবনীশক্তি শুষে নিয়ে যায়। বর্তমানে বিজ্ঞানের যুগেও দুঃস্বপ্নকে নিয়ে ভয় পুরোপুরি মিলিয়ে যায়নি। তবে এবার শুধু কুসংস্কারে নয়, বিজ্ঞানীরাও খারাপ স্বপ্ন দেখার ক্ষতিকারক দিক তুলে ধরছেন।

জনসংখ্যার প্রায় ২ থেকে ৬ শতাংশ মানুষ প্রতি সপ্তাহে দুঃস্বপ্নের শিকার হন। আর এই ঘন ঘন দুঃস্বপ্ন দেখার সঙ্গেই বেরিয়ে আসছে অসুস্থতার নানা যোগসূত্র।

কিছু কিছু সম্পর্ক অবশ্য প্রত্যাশিতই ছিল। যেমন বিষণ্ণতা, উদ্বেগ, সিজোফ্রেনিয়া এবং পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসঅর্ডার -এর মতো মানসিক রোগের একটি সাধারণ উপসর্গ হলো দুঃস্বপ্ন। দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক যন্ত্রণার ক্ষেত্রেও একই কথা সত্যি।

তবে কিছু যোগসূত্র বেশ রহস্যময়। লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের গবেষক আবিদেমি ওতাইকুর গবেষণা বলছে, দুঃস্বপ্ন পার্কিনসনস এবং ডিমেনশিয়ার মতো গুরুতর স্নায়ুরোগের পূর্বাভাস হতে পারে। অন্যান্য গবেষক দল দেখিয়েছে, হৃদরোগ এবং লুপাসের মতো অটোইমিউন রোগ, যা সরাসরি মস্তিষ্কের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, সেগুলোর সঙ্গেও দুঃস্বপ্নের সম্পর্ক থাকতে পারে।

অকাল মৃত্যুর কারণও হতে পারে দুঃস্বপ্ন!

সবচেয়ে ভয়াবহ তথ্য হলো, দুঃস্বপ্ন মানুষের জীবন কেড়েও নিতে পারে। গত মাসে হেলসিঙ্কিতে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে ডক্টর ওতাইকু তার সর্বশেষ গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। সেখানে তিনি দেখিয়েছেন, ঘন ঘন দুঃস্বপ্ন দেখা ধূমপান, স্থূলতা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বা অলস জীবনযাত্রার চেয়েও অকাল মৃত্যুর জোরালো ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে।

এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য ডক্টর ওতাইকু যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের ছয়টি দীর্ঘমেয়াদী গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করেন, যেখানে ১ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্ক এবং প্রায় ২,৫০০ শিশু অংশ নিয়েছিল। গবেষণায় দেখা যায়, যারা মাসে একবারের কম দুঃস্বপ্ন দেখেন, তাদের তুলনায় যারা প্রতি সপ্তাহে বা তার চেয়েও বেশিবার দুঃস্বপ্ন দেখেন, তাদের ৭০ বছর বয়সের আগে মারা যাওয়ার আশঙ্কা তিনগুণ বেশি। সমীক্ষায় অকালে মারা যাওয়া ১৭৪ জনের মধ্যে ৩১ জনই প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার দুঃস্বপ্ন দেখতেন।

এর একটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও দিয়েছেন ডক্টর ওতাইকু। তিনি খুঁজে পেয়েছেন, যারা ঘন ঘন দুঃস্বপ্ন দেখার সমস্যায় ভোগেন, তাদের ক্রোমোজোমে দ্রুত বার্ধক্যের ছাপ পড়ে। দুঃস্বপ্নের কারণে শরীরে স্ট্রেস হরমোন (দুশ্চিন্তার হরমোন) নিঃসৃত হয়, যা এই ধরনের বার্ধক্যকে ত্বরান্বিত করে। তিনি মনে করেন, দুঃস্বপ্নজনিত অকাল মৃত্যুর ঝুঁকির প্রায় ৪০ শতাংশের জন্য এই ক্রোমোজোমীয় পরিবর্তনই দায়ী। বাকি ৬০ শতাংশ ঝুঁকির কারণ এখনো অজানা।

এইসব তথ্য থেকে একটা বিষয় স্পষ্ট, দুঃস্বপ্নকে গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত। যখন এটি রোগের উপসর্গ হিসেবে আসে, তখন তা ভবিষ্যতের কোনো বড় রোগের সতর্কবার্তা দেয়। আবার যখন এটি নিজেই রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তখন দুঃস্বপ্ন কমানোর চিকিৎসা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করা উচিত।

তবে এই দুটি বিষয়কে সবসময় আলাদা করা সহজ নয়। যেমন, বিষণ্ণতা ও উদ্বেগের ক্ষেত্রে দুঃস্বপ্ন একই সঙ্গে রোগের উপসর্গ এবং কারণ। মানসিক অস্থিরতার কারণে দেখা দুঃস্বপ্ন শরীরে স্ট্রেস তৈরি করে, যা মূল মানসিক রোগকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

অন্যদিকে, পার্কিনসনস বা ডিমেনশিয়ার মতো রোগের ক্ষেত্রে, যা স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতির কারণে হয়, দুঃস্বপ্ন মূলত রোগের উপসর্গ হিসেবেই কাজ করে। একই কথা লুপাসের ক্ষেত্রেও সত্য হতে পারে। এই রোগে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুল করে মস্তিষ্কসহ সুস্থ অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে আক্রমণ করে, যা প্রদাহ সৃষ্টি করে। এই প্রদাহের ফলেই দুঃস্বপ্ন দেখা দিতে পারে।

তবে হৃদরোগের ক্ষেত্রে দুঃস্বপ্ন সম্ভবত রোগের কারণ, উপসর্গ নয়। দুঃস্বপ্নের কারণে তৈরি হওয়া মানসিক চাপ রক্তনালীর ক্ষতি করে এমন প্রদাহকে উৎসাহিত করে।

দুঃস্বপ্নকে শনাক্ত করা এক জিনিস, আর তার চিকিৎসা করা আরেক। সাইকোথেরাপি এক্ষেত্রে অনেকের জন্য সহায়ক হতে পারে। প্রাজোসিনের (সাধারণত উচ্চ রক্তচাপের জন্য ব্যবহৃত) মতো কিছু ওষুধও সাহায্য করতে পারে। কিন্তু দুঃস্বপ্ন নিয়ে গবেষণা চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি অবহেলিত ক্ষেত্র রয়ে গেছে। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

Related Topics

টপ নিউজ

সুস্থতা / স্বাস্থ্য / দুঃস্বপ্ন / স্বপ্ন

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • পাকিস্তানের উদ্দেশে যাত্রাপথে শ্রীলঙ্কার কলম্বো বন্দরে ‘পিএনএস হ্যাঙ্গর’। ছবি: এক্স/শ্রীলঙ্কান নেভি
    পাকিস্তানের প্রথম উন্নত স্টেলথ সাবমেরিন যেভাবে ভারতের সঙ্গে শক্তির সমীকরণ বদলে দিতে পারে
  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
    আমি ভেবেছিলাম মানুষ তাকে ঘৃণা করে: খামেনির জানাজায় ইরানিদের শোক দেখে 'স্তম্ভিত' ট্রাম্প
  • ইনফোগ্রাফ: টিবিএস
    ৫ বছরের মন্দা কাটিয়ে আবারও ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দেশের মোটরসাইকেল বাজার
  • রাশিয়ার মস্কোয় একটি তেল শোধনাগারে ইউক্রেনীয় হামলার পর আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। ছবি: সংগৃহীত
    মস্কোকে 'বাঁচাতে' চাকরির ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিয়ে ড্রোন অপারেটর খুঁজছে রাশিয়া, বেতন দেড় লাখ রুবল
  • নতুন গবেষণা অনুসারে, বিশ্ব উত্তপ্ত হওয়ার সাথে সাথে অ্যাসপারগিলাস নামক ছত্রাকের বিস্তার বাড়তে পারে। ছবি: রয়টার্স
    শরীরকে 'ভেতর থেকে খেতে শুরু করে' ছত্রাক: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সঙ্গে বাড়তে পারে এর বিস্তার
  • ভারতের একটি স্কুলে শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিল দেওয়া হচ্ছে। ছবি: এপি
    পশ্চিমবঙ্গে স্কুলের দুপুরের খাবারে ডিম বাদ দিয়ে নিরামিষ দেওয়ার সিদ্ধান্তে বিতর্ক

Related News

  • ভবন প্রায় প্রস্তুত, যন্ত্রপাতি নেই: ২০২৮ সাল পর্যন্ত পিছিয়েছে ক্যানসার-হৃদরোগের বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রকল্প
  • স্বাস্থ্য বাজেট জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন, ৪ প্রধান সমস্যা সমাধানই লক্ষ্য: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
  • স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বেড়ে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা
  • ‘হিডেন ব্লাড পাম্প’: যেভাবে বেশি চিবানো আপনার মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়
  • মুঠোর শক্তি: ১০০ বছর বাঁচবেন কি-না জানার এক সহজ পরীক্ষা

Most Read

1
পাকিস্তানের উদ্দেশে যাত্রাপথে শ্রীলঙ্কার কলম্বো বন্দরে ‘পিএনএস হ্যাঙ্গর’। ছবি: এক্স/শ্রীলঙ্কান নেভি
আন্তর্জাতিক

পাকিস্তানের প্রথম উন্নত স্টেলথ সাবমেরিন যেভাবে ভারতের সঙ্গে শক্তির সমীকরণ বদলে দিতে পারে

2
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

আমি ভেবেছিলাম মানুষ তাকে ঘৃণা করে: খামেনির জানাজায় ইরানিদের শোক দেখে 'স্তম্ভিত' ট্রাম্প

3
ইনফোগ্রাফ: টিবিএস
অর্থনীতি

৫ বছরের মন্দা কাটিয়ে আবারও ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দেশের মোটরসাইকেল বাজার

4
রাশিয়ার মস্কোয় একটি তেল শোধনাগারে ইউক্রেনীয় হামলার পর আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

মস্কোকে 'বাঁচাতে' চাকরির ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দিয়ে ড্রোন অপারেটর খুঁজছে রাশিয়া, বেতন দেড় লাখ রুবল

5
নতুন গবেষণা অনুসারে, বিশ্ব উত্তপ্ত হওয়ার সাথে সাথে অ্যাসপারগিলাস নামক ছত্রাকের বিস্তার বাড়তে পারে। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

শরীরকে 'ভেতর থেকে খেতে শুরু করে' ছত্রাক: বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সঙ্গে বাড়তে পারে এর বিস্তার

6
ভারতের একটি স্কুলে শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিল দেওয়া হচ্ছে। ছবি: এপি
আন্তর্জাতিক

পশ্চিমবঙ্গে স্কুলের দুপুরের খাবারে ডিম বাদ দিয়ে নিরামিষ দেওয়ার সিদ্ধান্তে বিতর্ক

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net