গ্রামের নারীরা যেভাবে দেশের অর্থনীতির চাকা ঘোরাচ্ছেন
সকালের শিশিরভেজা মাঠের বুক চিরে সূর্য যখন উঁকি দেয়, তখনই শুরু হয় অনেক জীবনের সংগ্রামী অধ্যায়। মাটির কাছাকাছি মিশে নারী আর পুরুষ মিলে দেশের অর্থনীতির চাকা গতিশীল করেন।
দেশের গণ্ডি পেরিয়ে অনেকে বিশ্ববাজারেও নিজেকে মেলে ধরেন। দেশব্যাপী অসহায় অনেক নারী কর্মের মাধ্যমে সাফল্যের জয়গান গাইছেন।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য বলছে, দেশের মোট শ্রমশক্তিতে প্রায় ৪৪ শতাংশজুড়ে নারীদের অংশগ্রহণ রয়েছে। চট্টগ্রামের প্রীতিলতা কিংবা ঠাকুগাঁওয়ের মাসুমারা এই পরিসংখ্যানকে আরও পোক্ত করছেন।
মাসুমার মাংসের আচারের বিশ্বজয়
বগুড়ার কইগাড়ি গ্রামের এক নিভৃত কোণে জীবন যখন দুর্বিষহ হয়ে উঠছিল, ঠিক তখনই মাসুমা আক্তার আশায় বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন নতুন স্বপ্ন নিয়ে। ২০২০ সালে করোনাকালে স্বামী চাকরি হারানোর পর দুই সন্তানসহ চরম অনিশ্চয়তায় পড়া এই নারী কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন পরিবারের দায়িত্ব।
মাসুমার পুঁজি বলতে ছিল মেয়ের মাটির ব্যাংক ভাঙার ৩৫০ টাকা। ৫০ টাকা মেয়েকে ফেরত দিয়ে বাকি ৩০০ টাকায় তিনি শুরু করেন অনলাইনে আলুর চিপসের ব্যবসা। সেখান থেকেই শুরু এক নতুন অধ্যায়ের, যা পরে রূপ নেয় অনন্য এক ব্র্যান্ডে।
কিন্তু ব্যবসা বাড়ানোর জন্য দরকার হয় পুঁজির। পুঁজির জোগান দিলেন তার মা, ১০ হাজার টাকা।
একসময় যখন চিপস ও কাপড়ের ব্যবসা ম্লান হয়ে আসছিল, তখন শাশুড়ির কাছ থেকে পাওয়া পুরোনো রেসিপি গরুর মাংসের আচার তৈরির কৌশলই প্রেরণা দেয় নতুন কিছু শুরু করার। মাত্র দুই কেজি মাংস দিয়ে তৈরি আচারের প্রথম ব্যাচ যখন অনলাইনে বিক্রি হলো, তখনই জন্ম নেয় 'আরএম ফুড কর্নার' নামে এক নতুন ব্র্যান্ডের।
সেই থেকে শুরু। আস্তে আস্তে মাংসের আচার বানানোর পরিমাণও বাড়াতে থাকেন মাসুমা। তার পাশে সহযোগিতার হাত বাড়ায় কয়েকটি সরকারি-বেসরকারি সংগঠন।
মাসুমা এখন প্রতি মাসে প্রায় ৬০০ কেজি মাংসের আচার তৈরি করে বিক্রি করছেন। এ থেকে তার লাভ হচ্ছে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা। মাসুমার তৈরি মাংসের আচার এখন দেশের সীমানা পেরিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জাপান, সৌদি আরবসহ ১৭ টি দেশে। অর্ডার আসে অনলাইনে। মাংসের আচারের ক্রেতা সাধারণত প্রবাসী বাঙালি কমিউনিটির লোকজন।
২০২১ সাল থেকে আচার রপ্তানি করছেন জানিয়ে মাসুমা টিবিএসকে বলেন, 'এখন এক বা দু-মাস পরপর ১৫০ থেকে ২০০ কেজি মাংসের আচার বিদেশে রপ্তানি করা হয়। আমার নিজের কোনো রপ্তানি লাইসেন্স নেই। এই কারণে পরিচিত এক ভাইয়ের লাইসেন্স ব্যবহার করতে হয়। বিদেশে মাংসের আচারে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।'
মাসুমা শুধু মাংসের আচার তৈরিতেই থেমে নেই। পাশাপাশি তিনি গরুর ভুঁড়ি, পায়া, লাচ্চা সেমাই ও ঘি উৎপাদন ও বিক্রি করছেন। এ কাজে তাকে সার্বক্ষণিক সহায়তা করছেন স্বামীসহ আরো সাতজন কর্মচারী।
সংসারের অভাব ঘোচানোর পাশাপাশি মাসুমা এখন দেশের অর্থনীতিতেও রেখে চলেছেন অবদান। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি অনেকগুলো পুরষ্কার পেয়েছেন।
প্রাবাসী তিন বন্ধুর সঙ্গে মিলে চলতি বছরে ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে দেশ বাংলা ডিস্ট্রিবিউটর নামের একটি প্রতিষ্ঠান দাঁড় করিয়েছেন মাসুমা। সেখানে যৌথভাবে তার উৎপাদিত ১৮টি পণ্য বিপণনের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন।
পাহাড়ের প্রীতিলতা ত্রিপুরা
চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার কয়লা গ্রামের ত্রিপুরা পাড়ার প্রীতিলতা গোলমরিচ চাষ করে হয়েছেন স্বাবলম্বী, জয় করেছেন দারিদ্র্যকে।
বিভিন্ন খাবারে স্বাদ বাড়াতে মসলার জুড়ি নেই। বহু আগে থেকেই ভারতীয় উপমহাদেশে মসলার চাষ হয়ে থাকে। মসলার এ ইতিহাস সম্পর্কে অত জানাশোনা না থাকলেও পাহাড়ি কন্যা প্রীতিলতা ত্রিপুরা ৪৭ বছর বয়সে এসে ঠিকই অনুধাবন করেন মসলার অর্থনৈতিক গুরুত্ব। তাই গোলমরিচের মতো অপ্রচলিত একটি শস্য চাষে ঝুঁকে পড়েন।
উদাসীন প্রকৃতির কৃষক স্বামী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে সংসারের হাল ধরতে তিনি নিজেই নেমে পড়েন ফসলের মাঠে। নিজ হাতে ধান, লেবু, আদা চাষ করেন। ২০১৮ সালে স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার সহযোগিতায় গোলমরিচের চাষ শুরু করেন।
গোলমরিচ চাষে উদ্বুদ্ধ হওয়ার কারণটিও জানান প্রীতিলতা। বললেন, 'এটাতে ফলন ভালো হয়, লাভও বেশি। প্রথমবারে ১২৫টি খুঁটিতে চারটি করে গোলমরিচের চারা লাগাই। তিন বছর পর ২০২১ সালে তাতে ফলন হয়। সেবার ২৫ কেজি গোলমরিচ বিক্রি করি। গত বছর বিক্রি করেছি ৪০ কেজি।'
গত বছর গোলমরিচ ও অন্যান্য শস্য বিক্রি করে প্রীতিলতার আয় হয় প্রায় ৩ লাখ টাকা। আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।
গোলমরিচ গাছের কাটিং করে তিনি পাহাড়ে গোলমরিচ চাষের সম্প্রসারণ করছেন। প্রীতিলতার হাত ধরে এখন প্রায় ৪০০ চাষি পাহাড়ে গোলমরিচ চাষ করছেন।
কেঁচো সারে রেশমার সাফল্য
বগুড়ার শেরপুরের সুরাইয়া ফারহানা রেশমা বয়স এখন ৪০। অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় মাত্র ১৪ বছর বয়সে তার বিয়ে হয়। বিবাহিত জীবনেও তাকে নানান বিড়ম্বনার মুখে পড়তে হয়েছে। তার স্বামী নেশাগ্রস্ত ও জুয়া খেলতেন।
এভাবে চার বছর সংসার করার পর রেশমা মায়ের কাছে ফিরে আসেন। বাবা ও স্বামীকে নিয়ে নানাজনের প্রশ্নই তার জীবনে বদলে দিতে সহায়তা করে। আক্ষেপ নিয়ে তিনি টিবিএসকে বলেন, 'এ সমাজে বাবা আর স্বামীর পরিচয় ছাড়া যেন মেয়েদের আর কোনো পরিচয় নেই। জেদ চাপে, যেন নিজের পরিচয়ে বাঁচতে পারি।'
সেই জেদ থেকেই রেশমা চিন্তা করেন নতুন কিছু করবেন। মা ও নানির দেওয়া জমিতে ২০১৪ সালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ নিয়ে ঋণ সহায়তায় কেঁচো সার উৎপাদন শুরু করেন। চারটি রিং দিয়ে শুরু করে আজ তিনি তিনটি বড় প্ল্যান্ট গড়ে তুলেছেন। রেশমা কৃষি উদ্যোগ নামে নিজস্ব ব্র্যান্ড তৈরি করে এখন দেশব্যাপী সার বিক্রি করছেন।
রেশমা এখন নিজের জমিতেই প্রতি মাসে প্রায় ২৫০ টন কেঁচো সার উৎপাদন করছেন। প্রতি মাসে প্রায় ২৫ লাখ টাকার কেঁচো সার বিক্রি করেন তিনি।
এছাড়াও স্থানীয় যুবদেরকে হাঁস-মুরগি পালন, ভার্মি কম্পোস্ট তৈরি ও বিপণনে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন রেশমা। বর্তমানে তার উদ্যোগে ২৫ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। এছাড়াও তিনি আরো ১৬ জন নারীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। রেশমা তার কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ স্থানীয় ও জাতীয় বেশ কয়েকটি পুরস্কার পেয়েছেন।
মিশ্র ফসলে হ্যাপির বাজিমাত
টাঙ্গাইলের পিরগাছা গ্রামের ৪০ বছর বয়সি গারো নারী হ্যাপি রেমা আজ তার এলাকায় অনুপ্রেরণার নাম। স্বামী সেলেস্টিনকে সাথে নিয়ে তিনি গতানুগতিক পদ্ধতিতে সীমিত আয়ের কৃষিকাজ করতেন।
স্থানীয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় ২০২১ সালে মিশ্র চাষ পদ্ধতি শস্য উৎপাদন ও উত্তম কৃষি চর্চার অনুশীলন বিষয়ে প্রশিক্ষণ পান হ্যাপি। এ প্রশিক্ষণে বদলে যায় তার কৃষির চিত্র।
হ্যাপি একই জমিতে বছরের বিভিন্ন সময় অনুযায়ী জি-৯ কলা, লেবু, মিষ্টি কুমড়া, আনারস, পেঁপে, আদা ও হলুদ চাষ করেন। ফলে তিনি বছরব্যাপী বিভিন্ন ফসল বিক্রি করে অধিক মুনাফা করতে পারেন।
এখন হ্যাপি মাসে প্রায় ৩০ হাজার টাকা উপার্জন করেন। তিনি এখন প্রতিবেশীদেরও আধুনিক চাষ পদ্ধতিতে উদ্বুদ্ধ করছেন।
মাছের আঁশে বদলে গেছে মর্জিনার দেয়াল
পাবনার সদর উপজেলার রানীগ্রামের মর্জিনা খাতুন (৫৫) বছর চারেক আগেও অন্যের বাড়িতে গৃহসহায়ক হিসেবে কাজ করতেন। তবে অভিনব এক উদ্যোগের সুবাদে এখন তিনি নিজেই উদ্যোক্তা। বাড়িতেই মাছের আঁশ আর বর্জ্যে করেছেন কর্মের সংস্থান। এখন আঁশ-বর্জ্য বিক্রির আয় দিয়েই চলে তার সংসার।
মর্জিনা টিবিএসকে জানান, এখন তার স্বামী ও প্রতিবন্ধী ছেলে স্থানীয় বাজারে মাছের ব্যবসা করেন। তারা বাজার থেকে মাছের ভেজা আঁশ আর বর্জ্য কিনে আনেন। সেগুলো পরিষ্কার করে শুকিয়ে বিক্রি করেন ব্যবসায়ীদের কাছে। আঁশ বিক্রি করে তাদের মাসে ৩০ হাজার টাকার বেশি আয় হয়।
মাছের আঁশ বিক্রির অর্থে একসময়ের সহায়-সম্বলহীন মর্জিনা এখন জমি কিনে আধাপাকা বাড়ি করেছেন। করছেন নিজের পুকুরে মাছ চাষ। বাড়ির উঠান ঘেঁষে কিনেছেন এক বিঘা জমিও।
আগামীতে মাছের আঁশ ব্যবসার মাধ্যমে গ্রামের নারীদের কর্মসংস্থানের স্বপ্ন দেখছেন মর্জিনা।
নিরে ভাগ্যবদল ঠাকুরগাঁওয়ের মাসুমার
ঠাকুরগাঁওয়ের নিশ্চিন্তপুর এলাকার গৃহবধূ মাসুমা খানম পনির তৈরি করে এখন জেলার সফল উদ্যোক্তাদের মধ্যে অন্যতম। নিশ্চিন্তপুরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের স্থাপনা ভাড়া নিয়ে পনির কারখানা স্থাপন করেছেন মাসুমা।
তিনি জানান, ২৭ লিটার দুধ দিয়ে কারখানায় পনির উৎপাদনের যাত্রা শুরু হয়। সময়ের ব্যবধানে এই কারখানার পনিরের চাহিদা ঢাকায় বাড়তে থাকে। এখন তার কারখানায় এক দিনে প্রায় আড়াই হাজার লিটার দুধ থেকে পনির উৎপাদন হয়।
মাসে এই কারখানা থেকে মাসুমার ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা আয় হয়। তার প্রতিষ্ঠানে ১৩ জন নারী কাজ করেন। পুরুষ শ্রমিক রয়েছেন ২ জন।
মাসুমার সাফল্যে উজ্জীবিত হয়ে তার সন্তানরা পনির উৎপাদনের ব্যবসায় নেমেছেন। তারা পাবনা, বগুড়া ও ঠাকুরগাঁওয়ে পনির কারখানা দিয়েছেন। তার ছোট ছেলের কারখানা আইএসও সনদও পেয়েছে এবং বহুমুখী পণ্য উৎপাদন করছে।
শুধু পনির কারখানার আয় থেকে মাসুমা ঠাকুরগাঁও শহরে একাধিক প্লট কিনেছেন। সফল এই নারী উদ্যোক্তা উত্তরবঙ্গের নারীদের ক্ষমতায়নের বিষয়ে কাজ করতে আগ্রহী।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২৪ সালের শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী দেশের মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৪৪.২ শতাংশই নারী। এই বিপুলসংখ্যক নারী কৃষি, ক্ষুদ্র উদ্যোগ, হস্তশিল্প, সেবা খাতসহ নানামুখী কর্মকাণ্ডে নিজেদের যুক্ত করে সচল রেখেছেন গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা।
২০২০ সাল থেকে শুরু করে পাঁচ বছরে দক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি-প্রযুক্তিগত, বাজার সংযোগ, ব্র্যান্ডিং, সনদায়ন ও আর্থিক সহায়তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (ইফাদ) ও ডানিডার অর্থায়নে রুরাল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ ট্রান্সফরমেশন প্রজেক্ট (আরএমটিপি) ভ্যালু চেইন উন্নয়নে কাজ করে। এক্ষেত্রে দেশব্যাপী প্রায় ছয় লাখেরও বেশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাকে সরাসরি আর্থিক, প্রযুক্তিগতসহ বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
পিকেএসএফের সমীক্ষা অনুযায়ী, আরএমটিপি প্রকল্পে অংশগ্রহণকারী ৫৬ শতাংশ সদস্য নারী। এ প্রকল্পের উদ্যোক্তা উন্নয়নে নারী সদস্যদের মধ্যে ৬০ শতাংশ সদস্যকে বিভিন্ন ধরনের কারিগরি, প্রযুক্তিগত, অনলাইন বিপণন, ব্র্যান্ডিং, সার্টিফিকেশন সহায়তা প্রদান করা হয়। এর ফলে উদ্যোক্তাদের উৎপাদন বেড়েছে ৬৬ শতাংশ। এতে উদ্যোক্তাদের আয় বেড়েছে ৪৯ শতাংশ। আর ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের মুনাফা বেড়েছে ৪১ শতাংশ।
পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের বলেন, 'অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রবৃদ্ধির ভিত্তি হিসেবে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের অঙ্গীকার রয়েছে আমাদের। আমাদের কর্মসূচিতে প্রায় ২ কোটি ১০ লাখ অংশগ্রহণকারী। তাদের মধ্যে নারীর হার ৯৩ শতাংশ। নারীরা যেন কেবল টিকে থাকার পর্যায় থেকে সমৃদ্ধির পথে এগোতে পারেন, সে লক্ষ্যেই পিকেএসএফ তাদের দক্ষতা উন্নয়ন, প্রযুক্তি সম্প্রসারণ ও বাজারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে। এই উপলক্ষে আমরা বাংলাদেশের সর্বস্তরের নারীর সামর্থ্য ও অবদানকে সম্মান জানাই। এবং এমন একটি অর্থনীতি গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্নবায়ন করি, যেখানে কেউ পিছিয়ে থাকবে না।'
