তিন শর্তে পেট্রোল পাম্প থেকে দিনে ৫ লিটার তেল পাবে রাইড শেয়ারিং মোটরবাইক
দেশের পেট্রোল পাম্পগুলো থেকে রাইডি শেয়ারিং মোটরবাইকের জন্য দিনে ৫ লিটার তেল প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিপিসির সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তিনটি শর্ত সাপেক্ষে পাম্পগুলোকে এই নির্দেশনার কথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেলে তেল দেওয়ার ক্ষেত্রে যে তিনটি শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে, সেগুলো হলো—ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেওয়ার সময় ভোক্তাকে আবশ্যিকভাবে তেলের ধরন, পরিমাণ ও মূল্য উল্লেখ করে রশিদ দিতে হবে; প্রতিবার তেল নেওয়ার সময় আগের রশিদের মূল কপি পাম্পে জমা দিতে হবে; এবং মোটরসাইকেলের নিবন্ধন নম্বর ও চালকের তথ্য রাইড শেয়ারিং অ্যাপের সঙ্গে যাচাই করার পর তেল সরবরাহ করতে হবে।
বিপিসি বলছে, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বিদেশ থেকে আমদানি কার্যক্রম নির্ধারিত রয়েছে এবং নিয়মিত পার্সেল দেশে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি ডিলারদের সাময়িকভাবে প্রধান স্থাপনা থেকে সারা দেশের সব ডিপোতে নিয়মিত রেল ওয়াগণ ও ট্যাংকারের মাধ্যমে প্রেরণ করা হচ্ছে।
এর আগে গত ৮ মার্চ থেকে যানবাহনভেদে জ্বালানি তেলের পরিমাণ নির্ধারণ করে দেয় সরকার। মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন, ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে ১০ লিটার তেল, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল বা এসইউভি ও মাইক্রোবাস দিনে পাবে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল, পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারবে ৭০ থেকে ৮০ লিটার, আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারবে।
বিপিসির বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, দেশে সরকার-নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি তেল ক্রয়-বিক্রয়ের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত মূল্য আদায় আইনগত অপরাধ। তাছাড়া দেশে জ্বালানি তেলের মূল্যে প্রতি মাসের শুরুতে সরকার নির্ধারণ করে। বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে সরকার এখনও পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
