‘৩০ টাকার জায়গায় লাগল ১৫০ টাকা’
পরিবহন ধর্মঘটের কারণে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করতে গিয়ে হয়রানি ও ভোগান্তির মুখে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।
দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় করেও কোনো যানবাহন পাচ্ছেন না তারা। সিএনজি চলাচল করলেও বাস বন্ধকে পুঁজি করে যাত্রীদের কাছে দ্বিগুণ ভাড়া হাঁকাচ্ছে সিএনজি চালকরা।
মোঃ আব্দুর রাজ্জাক নামে এক যাত্রী সকালের ট্রেনে কুমিল্লা থেকে বিমানবন্দর স্টেশনে এসে নামার পর পড়েছেন এমন বিপদে। কোনো বাস না পেয়ে তিনি অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে সিএনজি নিয়ে মিরপুর ১২ নাম্বারে যান।
তিনি বলেন, "যেখানে ৩০ টাকায় যেতে পারতাম, সেখানে এখন ১৫০ টাকা ভাড়া গুনতে হয়েছে।"
বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরিজীবী মিরপুর ১২ নম্বরের বাসিন্দা মোহাম্মদ রাতুল বলেন, "আমার অফিসের কাজে উত্তরা যাওয়া দরকার। কিন্তু রাস্তায় নেমে বিপদে পড়েছি"। তাকে আধঘণ্টার বেশি সিএনজিচালিত অটোরিকশার জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে বলে জানান তিনি।
রাতুল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "এর আগে রাইড শেয়ারিং অ্যাপে ভাড়া ছিল একশ থেকে দেড়শ টাকার মধ্যে উত্তরা পর্যন্ত।
"তবে আজ আমি অ্যাপে দেখছি ২২০ টাকা ভাড়া এসেছে। আমরা আসলে পরিবহন সেক্টরের কাছে বন্দি হয়ে গেছি। তাদের ইচ্ছামতো আমাদের চলতে হচ্ছে"।
মিরপুর লিংক নামের একটি বাসের সুপারভাইজার মোঃ বাদল খান বলেন, "আমাদের কোম্পানির প্রায় ৩০টি গাড়ি চলে। কিন্তু গতকাল মালিক এক টাকাও পকেটে নিতে পারে নি। পুরো টাকা আমাদের তেল কিনতে খরচ হয়ে গেছে। এমনকি কয়েকটা গাড়ির তেল উল্টো মালিকের পকেট থেকে ভরতে হয়েছে।"
