ব্যাটসম্যানদের আত্মবিশ্বাসে ঘাটতি ছিল, বলছেন তাসকিন
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে লড়াই করার আগেই হেরে যায় বাংলাদেশ। এই হারে বিশ্বকাপ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় হয়ে গেছে বাংলাদেশের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে ওঠার সামান্য সম্ভাবনা বেঁচে থাকলেও সেটাতে খুব একটা দৃষ্টি ছিল না মাহমুদউল্লাহর দলের। শেষ দুই ম্যাচে ভালো ক্রিকেট খেলাই ছিল লক্ষ্য। কিন্তু 'ভালো ক্রিকেটের' আশপাশ দিয়েও যাওয়া হয়নি। ব্যাটসম্যানদের আত্মবিশ্বাসের ঘাটতির কারণে এমন ফল হয়েছে বলে মনে করেন তাসকিন আহমেদ।
দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাররা নিঃসন্দেহে ভালো বোলিং করেছেন। কিন্তু তাতে ৮৪ রানের মধ্যেই ইনিংস গুটিয়ে যাবে, এমন অনভিজ্ঞ দলও নয় বাংলাদেশ। সমস্যা ছিল ব্যাটসম্যানদের শারীরিক ভাষায়, দেখে মনেই হয়নি কেউ লড়াই করতে চাচ্ছেন। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে তাসকিনের বলা কথায় সেই হিসাব মেলানো সহজ হলো। ডানহাতি এই পেসার জানান, ব্যাটসম্যানদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি থাকায় স্কোর বড় হয়নি বাংলাদেশের। আর এই কারণেই ম্যাচ হারতে হয়েছে।
ম্যাচে একমাত্র বলার মতো পারফরম্যান্স তাসকিনের। দারুণ বোলিংয়ে ৪ ওভারে ১৮ রানে ২টি উইকেট নেন তিনি। নিজের পারফরম্যান্সে তৃপ্ত তিনি। কিন্তু দলের হারে সেই তৃপ্তি নিমেষেই উধাও। সংবাদ সম্মেলনে এসে বাংলাদেশ পেসার বলেন, 'আলহামদুলিল্লাহ, ভালো হয়েছে। কিন্তু দিনশেষে ম্যাচ জিততে না পারলে খারাপ লাগে।'
তাসকিন জানালেন ব্যাটিং বিভাগের ব্যর্থতাতেই এই হার। বাংলাদেশের এই গতি তারকা বলেন, 'দুর্ভাগ্যবশত ভালো সংগ্রহ হয়নি। কিছু ম্যাচ হারাতে আমরা তো একটু ব্যাকফুটে। ব্যাটিং বিভাগের আত্মবিশ্বাস কম থাকার কারণে হয়তো ভালো হয়নি। যদিও ওরা খুব ভালো বোলিং করেছে। কিন্তু ভালো পুঁজি দাঁড় করাতে না পারায় ম্যাচটা হেরে গিয়েছি।'
প্রোটিয়াদের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ২৭ রানের ইনিংস খেলেন স্পিনার শেখ মেহেদি। লিটন দাস ২৪ ও শামীম পাটোয়ারী ১১ রান করেন। পাঁচজন ব্যাটসম্যান রানের খাতাই খুলতে পারেননি, বাকিরা কেউ পারেননি দুই অঙ্কের রান করতে।
তাসকিনের মতে, বাংলাদেশ এরচেয়ে ভালো দল, কিন্তু সামর্থ্য অনুযায়ী এই বিশ্বকাপে খেলতে পারেননি তারা। ডানহাতি এই পেসারের ভাষায়, 'আমি মনে করি আমরা এখনও আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারিনি। যেমন পারফর্ম করছি, তার চেয়েও আমরা ভালো দল। কিছু সহজ জয় আমরা হাতছাড়া করেছি, যা জেতা উচিত ছিল।'
