Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Saturday
May 02, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SATURDAY, MAY 02, 2026
কোভিডের কারণে নিয়মিত চিকিৎসা পাননি দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা, বেড়েছে মৃত্যুর ঝুঁকি

বাংলাদেশ

তাওছিয়া তাজমিম
09 November, 2021, 08:30 pm
Last modified: 09 November, 2021, 10:10 pm

Related News

  • মহামারি মোকাবিলায় প্রস্তুতি বাড়াতে ২,৯৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘ওয়ান হেলথ’ প্রকল্প নিচ্ছে সরকার
  • চীনের কোভিড বাস্তবতা তুলে ধরা সাংবাদিক ঝাং ঝানকে আরও ৪ বছরের কারাদণ্ড
  • ‘আজাদী’
  • ত্রিমুখী হুমকি: চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে বাড়ছে ডেঙ্গু ও কোভিডে আক্রান্তের সংখ্যা
  • চট্টগ্রামে ৩ করোনা রোগী শনাক্ত, আক্রান্তদের চিকিৎসায় প্রস্তুত করা হয়েছে হাসপাতাল

কোভিডের কারণে নিয়মিত চিকিৎসা পাননি দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তরা, বেড়েছে মৃত্যুর ঝুঁকি

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর ৬৭ শতাংশের জন্য এনসিডি দায়ী বলে অনুমান করা হয়।
তাওছিয়া তাজমিম
09 November, 2021, 08:30 pm
Last modified: 09 November, 2021, 10:10 pm
ছবি: মুমিত এম/টিবিএস

কোভিড মহামারির কারণে গত দুই বছরে লম্বা সময় ধরে রোগে ভোগা মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। সেইসঙ্গে রোগের স্ক্রিনিং, চিকিৎসা ও ফলোআপ বন্ধ থাকার কারণে তাদের ভোগান্তি আরও তীব্র হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক্তাররা।

ভাইরাসটি এখন দুর্বল হয়ে আসায় হৃদরোগ, স্ট্রোক, ক্যান্সার, ডায়াবেটিস ও দীর্ঘমেয়াদী ফুসফুস-সংক্রান্ত রোগের সম্ভাবনা কমানোর জন্য কর্তৃপক্ষকে নন-কমিউনিকেবল ডিজিজের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন গণস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। সেইসঙ্গে প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ ও ক্লিনিক্যাল কেয়ারের প্রতি মনোযোগ বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছেন তারা। বর্তমান পরিস্থিতি এসব রোগীদের রোগের মাত্রা বৃদ্ধি করেছে।

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের এপিডেমিওলজি অ্যান্ড রিসার্চ বিভাগের প্রধান, অধ্যাপক ড. সোহেল রেজা চৌধুরী দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, করোনাকালে ঘরবন্দি থাকায় মানুষের হাঁটাচলা কম হয়েছে। স্ক্রিনিং ও ফলোআপ না হওয়ায় হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস, হার্টের রোগ বেড়ে গেছে। এছাড়া যাদের কোভিড হয়েছে, তাদের অনেকেই নতুন করে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, হাইপারটেনশনে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ বার্ডেন (এনসিডি) আরও বেড়েছে।

চিকিৎসকরা বলেছেন, নিয়মিত মেডিকেল চেক-আপ, চিকিৎসার নিয়ম মেনে চলা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনধারা নন-কমিউনিকেবল রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখার মূল কৌশল। কোভিডকালে এনসিডি আক্রান্ত ব্যক্তিরা প্রচারণামূলক, প্রতিরোধমূলক ও ক্লিনিক্যাল যত্ন পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে। আর এই পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে ভোগা রোগের অবস্থাকে আরও খারাপের দিকে নিয়ে গেছে।

'ওল্ডার অ্যাডাল্টস উইথ নন-কমিউনিকেবল ক্রনিক কন্ডিশনস অ্যান্ড দেয়্যার হেলথ কেয়ার অ্যাকসেস অ্যামিড কোভিড-১৯ প্যান্ডেমিক ইন বাংলাদেশ: ফাইন্ডিংস ফ্রম আ ক্রস-সেকশনাল স্টাডি' শীর্ষক একটি গবেষণায় বলা হয়েছে যে, মহামারিকালে ২৩ শতাংশ অংশগ্রহণকারী ওষুধ পেতে অসুবিধার সম্মুখীন হওয়ার কথা জানিয়েছেন। এছাড়াও s২৭ শতাংশ অংশগ্রহণকারী চিকিৎসাসেবা পেতে অসুবিধায় পড়েছেন। একাধিক রোগে ভোগা ব্যক্তিরা এই অসুবিধায় পড়েছেন বেশি।

বিভিন্ন এনসিডিতে ভুগছেন এমন ১ হাজার ৩২ জন বাংলাদেশির ওপর ২০২১ সালে গবেষণাটি করা হয়। গবেষণায় অংশ নেওয়া প্রত্যেকের বয়স ৬০ বছর বা তার বেশি ছিল।

সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ইউরোলজিস্ট অধ্যাপক ড. মো. কামরুল ইসলাম দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে কিডনি রোগীদের নিয়মিত ফলোআপে থাকতে হয়। কিন্তু কোভিড মহামারিতে সংক্রমণের ভয়ে রোগীরা নিয়মিত ফলোআপ করাননি।

তিনি বলেন, 'এখন আমরা অনেক রোগী পাচ্ছি যাদের ওষুধে রোগ নিয়ন্ত্রণে থাকতো, কিন্তু এখন ডায়ালাইসিস করতে হচ্ছে বা ট্রান্সপ্ল্যান্টের কথা ভাবতে হচ্ছে।'

কোভিডে নন-কমিউনিকেবল ডিজিজে মৃত্যু বাড়ার শঙ্কা 
অধ্যাপক ড. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, বিভিন্ন দেশের গবেষণায় দেখা গেছে কোভিডের সময় এনসিডিতে মৃত্যু অনেক বেড়ে গেছে। বাংলাদেশে এখনও গবেষণা না হলেও ধারণা করা হচ্ছে যে, দেশে এনসিডিতে মৃত্যু বেড়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর ৬৭ শতাংশের জন্য এনসিডি দায়ী বলে অনুমান করা হয়।

স্যাম্পল ভাইটাল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম (এসভিআরএস) ২০২০-এর ওপর বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর একটি প্রতিবেদন বলছে যে, ২০২০ সালে আগের বছরের তুলনায় হার্ট অ্যাটাক ও ক্যান্সারে মৃত্যু যথাক্রমে ২৩ শতাংশ ৮৮ শতাংশ বেড়েছে।

ইনিশিয়েটিভ ফর নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ, হেলথ সিস্টেমস অ্যান্ড পপুলেশন স্টাডিজ ডিভিশন, আইসিডিডিআর,বি-র প্রধান ড. আলিয়া নাহিদ টিবিএসকে বলেন, 'দেশে আগে থেকেই নন কমিউনিকেবল ডিজিজ একটি রিস্ক ফ্যাক্টর, কোভিডে ঝুঁকি আরও বেড়েছে। দেশে ৪০ বছরের বেশি বয়সী ও  বয়স্ক যারা কোভিডে মারা গেছেন, তারা সবাই হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, ক্যান্সারসহ বিভিন্ন ধরনের নন কমিউনিকেবল ডিজিজে আক্রান্ত ছিলেন।'

কোভিডে দেশে এনসিডি রোগী ও মৃত্যু বেড়েছে কি না জানার জন্য গবেষণা করা প্রয়োজন বলে জানান মন্তব্য করেন তিনি।

এনসিডি প্রতিরোধে অবিলম্বে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

ড. নাহিদ আরও বলেন, তরুণ জনগোষ্ঠীকে এনসিডি সম্পর্কে করতে হবে। এছাড়াও এনসিডি রোগীরা যাতে চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোতে তাৎক্ষনিক সেবা পান, সেটাও নিশ্চিত করতে হবে। এনসিডি নিয়ন্ত্রণে কমিউনিটি মবিলাইজেশন অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ড. রেজা চৌধুরী বলেন, সরকারের এখন এনসিডি প্রোগ্রামের আওতায় পাবলিক সেক্টরে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস স্ক্রিনিং ও নিয়ন্ত্রণের ওপর জোর দেওয়া উচিত। এটি করা গেলে অকালমৃত্যু কমবে এবং চিকিৎসা খরচও কমে যাবে। খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনধারা সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে প্রচার-প্রচারণা আরও জোরদার করতে হবে।

লাইন ডিরেক্টর, নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল, ডিরেক্টোরেট জেনারেল অভ হেলথ সার্ভিসেস, ড. মোহাম্মদ রোবেদ আমিন টিবিএসকে বলেন, 'কোভিড কমে যাওয়ায় এনসিডিকে এখন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। আমাদের আগের সব কর্মসূচি, যেগুলো কোভিডের কারণে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, এখন সেগুলোকে আরও জোরদার করা হচ্ছে। উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের ট্রেনিং দেওয়া রয়েছে, তারা কাজ করছে।  মানুষকে সচেতন করতে বিভিন্ন দিবসকেন্দ্রিক প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে।'
 

Related Topics

টপ নিউজ

কোভিড / মহামারি / এনসিডি

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • শজনে গাছ। ছবি: সংগৃহীত
    খাবার পানির ৯৮% মাইক্রোপ্লাস্টিক দূর করতে পারে 'অলৌকিক' শজনে গাছ: গবেষণা
  • সুন্দরবনের ভারতীয় অংশের নদীতে মাছ ধরছেন এক নারী। সুন্দরবনের মতো বেশ কিছু দুর্গম এলাকায় সীমান্ত ভাগাভাগি করছে বাংলাদেশ ও ভারত। ছবি: রয়টার্স
    বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বদলে কেন কুমির ও সাপ ছাড়তে চাইছে ভারত?
  • ছবি: সংগৃহীত
    যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী খুন: বৃষ্টির মরদেহ শনাক্ত, দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু
  • ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র। ফাইল ছবি: রয়টার্স
    যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার শঙ্কায় চাপা পড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদ দ্রুত বের করছে ইরান
  • প্রতীকী ছবি। সংগৃহীত
    অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রয়নীতির কারণেই হামের টিকার ঘাটতি: রিপোর্ট
  • যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডার নেলিস বিমানঘাঁটিতে একটি ট্রাকে করে দীর্ঘপাল্লার হাইপারসনিক অস্ত্র পরিবহনকারী টান্সপোর্টার ইরেক্টর লঞ্চার নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি: ইউএস আর্মি
    ইরানের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মতো হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

Related News

  • মহামারি মোকাবিলায় প্রস্তুতি বাড়াতে ২,৯৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘ওয়ান হেলথ’ প্রকল্প নিচ্ছে সরকার
  • চীনের কোভিড বাস্তবতা তুলে ধরা সাংবাদিক ঝাং ঝানকে আরও ৪ বছরের কারাদণ্ড
  • ‘আজাদী’
  • ত্রিমুখী হুমকি: চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাবের সঙ্গে বাড়ছে ডেঙ্গু ও কোভিডে আক্রান্তের সংখ্যা
  • চট্টগ্রামে ৩ করোনা রোগী শনাক্ত, আক্রান্তদের চিকিৎসায় প্রস্তুত করা হয়েছে হাসপাতাল

Most Read

1
শজনে গাছ। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

খাবার পানির ৯৮% মাইক্রোপ্লাস্টিক দূর করতে পারে 'অলৌকিক' শজনে গাছ: গবেষণা

2
সুন্দরবনের ভারতীয় অংশের নদীতে মাছ ধরছেন এক নারী। সুন্দরবনের মতো বেশ কিছু দুর্গম এলাকায় সীমান্ত ভাগাভাগি করছে বাংলাদেশ ও ভারত। ছবি: রয়টার্স
বাংলাদেশ

বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বদলে কেন কুমির ও সাপ ছাড়তে চাইছে ভারত?

3
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী খুন: বৃষ্টির মরদেহ শনাক্ত, দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু

4
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র। ফাইল ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার শঙ্কায় চাপা পড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদ দ্রুত বের করছে ইরান

5
প্রতীকী ছবি। সংগৃহীত
বাংলাদেশ

অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রয়নীতির কারণেই হামের টিকার ঘাটতি: রিপোর্ট

6
যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডার নেলিস বিমানঘাঁটিতে একটি ট্রাকে করে দীর্ঘপাল্লার হাইপারসনিক অস্ত্র পরিবহনকারী টান্সপোর্টার ইরেক্টর লঞ্চার নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি: ইউএস আর্মি
আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে প্রথমবারের মতো হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net