আজই পাকিস্তানে স্বাক্ষরিত হতে পারে ঐতিহাসিক ইরান চুক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প
পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে রওনা হননি ভ্যান্স
একটি সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এখনো যুক্তরাষ্ট্রেই আছেন। তিনি পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হননি।
তিনি কবে বা কখন রওনা হতে পারেন কিংবা মার্কিন প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা রওনা হয়েছেন নাকি ইতোমধ্যে ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন— সেটিও স্পষ্ট নয়।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বরাত দিয়ে নিউইয়র্ক পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, ভ্যান্স ও একটি মার্কিন প্রতিনিধিদল কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইসলামাবাদে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা আয়োজনের প্রচেষ্টায় পাকিস্তান প্রধান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে।
আজই পাকিস্তানে স্বাক্ষরিত হতে পারে ঐতিহাসিক ইরান চুক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প
আজই পাকিস্তানে ইরানের সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সোমবার (২০ এপ্রিল) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই ঘোষণা দেন।
এর আগে নিউ ইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া অপর এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল আলোচনার চূড়ান্ত পর্যায়ের জন্য ইতোমধ্যে ইসলামাবাদের পথে রয়েছেন।
নিউ ইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উল্লেখ করেন:
১. যদি আলোচনায় বড় ধরনের কোনো অগ্রগতি অর্জিত হয়, তবে তিনি নিজেই ইরানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকে বসতে প্রস্তুত।
২. আলোচনার এই পর্যায়ে কোনো পক্ষই 'লুকোচুরি' করছে না বা বিষয়টিকে হালকাভাবে নিচ্ছে না। তিনি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এই চুক্তির দিকে এগোচ্ছেন।
৩. এই আলোচনার মূল কেন্দ্রে একটিই আপসহীন শর্ত রয়েছে। আর তা হলো, ইরানকে অবশ্যই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ চিরতরে বাদ দিতে হবে।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
মার্কিন 'সশস্ত্র জলদস্যুতার' দাঁতভাঙা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের
ইরানি জাহাজে সাম্প্রতিক হামলার কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনীর প্রভাবশালী শাখা 'খাতামুল আনবিয়া'র জয়েন্ট মিলিটারি হেডকোয়ার্টার্স। তেহরান এই ঘটনাকে যুক্তরাষ্ট্রের 'সশস্ত্র জলদস্যুতা' হিসেবে অভিহিত করেছে।
ইরানের এই হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও উসকে দিচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদিও উভয় পক্ষই কোনো এক পর্যায়ে কূটনীতির পথে হাঁটার ইঙ্গিত দিচ্ছে, তবুও বাস্তবে তাদের 'ট্রিগারে আঙুল' রাখার মতো যুদ্ধংদেহী অবস্থান পরিস্থিতিকে ফের বড় ধরনের সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
বর্তমান এই সংকটময় পরিস্থিতিকে তিনটি বিশেষ দিক দিয়ে মূল্যায়ন করছেন বিশেষজ্ঞরা:
১. অবস্থানের অস্পষ্টতা: উভয় পক্ষের বক্তব্যের মধ্যেই এক ধরনের ধোঁয়াশা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতির নাজুক ও ভঙ্গুর অবস্থার কারণে কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত তাদের চূড়ান্ত অবস্থান পরিষ্কার করেনি।
২. সংঘাতের প্রবল ঝুঁকি: পরিস্থিতি এখন এতটাই অস্থিতিশীল যে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। বিশেষ করে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষের দিকে আসায় নতুন করে সশস্ত্র লড়াই শুরু হওয়ার বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
৩. পরিস্থিতির জটিলতা: এই সংকটের মূলে রয়েছে অত্যন্ত জটিল ও আন্তঃসম্পর্কিত কিছু বিষয়। আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, হরমুজ প্রণালীতে ইরানের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথে বিদ্যমান নানা প্রতিবন্ধকতা এই বিষয়টিকে আরও ঘোলাটে করে তুলছে।
কূটনীতির কথা বললেও গুরুত্ব দিচ্ছে না ওয়াশিংটন: ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি 'লঙ্ঘনের' অভিযোগ তুলে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওয়াশিংটন আলোচনার বিষয়ে মোটেও আন্তরিক নয়। সোমবার এক সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এই দাবি করেন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।
ইসমাইল বাঘাই বলেন, 'একদিকে তারা কূটনীতি ও আলোচনার কথা বলছে, অন্যদিকে এমন সব আচরণ করছে যা মোটেও শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতি গুরুত্ব প্রকাশ করে না।' তিনি অভিযোগ করেন, সোমবার ভোরে একটি ইরানি পণ্যবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, ইরানি বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ এবং লেবাননে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে বিলম্ব—এগুলো সবই বর্তমান যুদ্ধবিরতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
আলোচনার পরবর্তী ধাপ সম্পর্কে তিনি সরাসরি জানিয়ে দেন, 'আপাতত আমাদের নতুন করে কোনো আলোচনার পরিকল্পনা নেই এবং এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়নি।'
আলোচনার পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইরানের উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ এবং কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির মর্যাদা। তবে ইউরেনিয়াম অন্য দেশে পাঠানোর গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে বাঘাই বলেন, 'পরিশোধিত ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের বিষয়টি বর্তমান বা আগের কোনো আলোচনাতেই আসেনি।'
তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, 'আমাদের কাছে এটি কখনোই কোনো বিকল্প বা প্রস্তাব হিসেবে ছিল না।'
তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই
'চুক্তি না হলে ফের শুরু হবে যুদ্ধ'
তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা বিষয়ক গবেষক মোহাম্মদ এসলামি মনে করেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের পক্ষ থেকে আসা বিভিন্ন ধরনের সংকেত বা অবস্থানগুলো মোটেও বিভ্রান্তিকর নয়, বরং এগুলো অত্যন্ত সুপরিকল্পিত।
আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'ইরান এই প্রণালি বন্ধ করেছে এটি খোলার বিনিময়ে দরকষাকষি করার জন্য, এটি মূলত আলোচনারই একটি রণকৌশল।'
ইরানি পণ্যবাহী জাহাজ আটকের ঘটনায় তেহরানের 'ভুল হিসাব' ছিল—এমন ধারণা নাকচ করে দিয়ে এসলামি বলেন, 'ইরানের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, বরং আমেরিকানরাই এখন নিজেদের মুখ রক্ষার উপায় খুঁজছে এবং ইরানি জাহাজ আটক করা তারই অংশ।' তিনি আরও বলেন, মার্কিন সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোতে আইআরজিসি-র (ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী) পাল্টা হামলার খবরগুলো থেকে এটিই স্পষ্ট যে ইরান পিছু হঠছে না।
যুদ্ধের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই বিশ্লেষক বলেন, 'এই যুদ্ধ শুরু করার সময় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো স্পষ্ট কৌশল ছিল না। আমি চলমান এই আলোচনা নিয়ে খুব একটা আশাবাদী নই। যদি শেষ পর্যন্ত কোনো সমঝোতা না হয়, তবে পুনরায় যুদ্ধ শুরু হবে।'
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আর কোনো আলোচনার পরিকল্পনা নেই: ইরান
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে নতুন কোনো দফার আলোচনার ব্যাপারে ইরানের বর্তমানে কোনো পরিকল্পনা নেই।
মুখপাত্র আরও বলেছেন, আমেরিকা অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে কোনো শিক্ষা নিচ্ছে না এবং এর ফলে কখনো ভালো ফলাফল আসবে না।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
যুক্তরাষ্ট্র 'বারবার বিশ্বাসভঙ্গ' করেছে, আচরণে স্পষ্ট 'অসৎ উদ্দেশ্য' রয়েছে: পাকিস্তানকে ফোনে বললেন আরাগচি
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর তীব্র অনাস্থা প্রকাশ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি অভিযোগ করেছেন, ওয়াশিংনের আচরণে স্পষ্ট 'অসৎ উদ্দেশ্য' এবং গুরুত্বহীনতার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে।
প্রেস টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশহাক দারের সাথে এক ফোনালাপে আরাগচি বলেন, ওয়াশিংটনের বর্তমান দৃষ্টিভঙ্গি কূটনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় সৃষ্টি করেছে।
আরাগচি গত এক বছরে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে 'বারবার বিশ্বাসভঙ্গ' করার অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এর আগে ২০২৫ সালের জুন এবং মার্চ মাসে যখন দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছিল, ঠিক সেই সময়েই ইরানকে লক্ষ্য করে সামরিক অভিযান চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
আরাগচি আরও উল্লেখ করেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে এবং ইরানের বন্দর, উপকূল ও জাহাজগুলোর ওপর ক্রমাগত হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। তিনি ওয়াশিংটনের এই আচরণকে 'অযৌক্তিক দাবি' এবং দ্বিচারিতা হিসেবে অভিহিত করেছেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এই কর্মকাণ্ডের কারণে সামগ্রিক কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার ওপর থেকে আস্থা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে।
তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই
ওমান উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ইরানের ড্রোন হামলা
ওমান উপসাগরে মার্কিন নৌবাহিনী কর্তৃক একটি ইরানি কন্টেইনার জাহাজ জব্দের প্রতিক্রিয়ায় ওই অঞ্চলের মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান।
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এই তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন রণতরিগুলোকে লক্ষ্য করে এই ড্রোন হামলা চালানো হলেও এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
তথ্যসূত্র: বিবিসি
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দ্বিতীয় দফা আলোচনায় অংশ নেবে না তেহরান, দাবি ইরানি মিডিয়ার
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত পরবর্তী দফার শান্তি আলোচনায় অংশ নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা বর্তমানে ইরানের নেই বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার তার আলোচকদের পাকিস্তানে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
ইরানি বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান নৌ-অবরোধ দুই দেশের আলোচনার পথে প্রধান বাধা হিসেবে দেখা দিচ্ছে। এই উত্তেজনা আরও চরম রূপ নেয় যখন গত রোববার মার্কিন এক রণতরি থেকে গুলি চালিয়ে একটি ইরানি জাহাজকে আটক করা হয়। মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি, জাহাজটি তাদের অবরোধ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।
জাহাজ আটকের ঘটনার পর ইরান কঠোর ভাষায় এর পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা 'তাসনিম নিউজ' জানিয়েছে, তাদের জাহাজ আটকের প্রতিবাদে ইরান মার্কিন রণতরিগুলোর দিকে লক্ষ্য করে ড্রোন পাঠিয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম 'আইআরআইবি' রোববার সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, 'বর্তমানে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার পরবর্তী রাউন্ডে অংশ নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই।'
এর আগে ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির প্রধান আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন যে ইরান আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে রোববারের ঘটনাবলীর পর তেহরান তাদের অবস্থান পরিবর্তন করল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই
পাকিস্তানে ব্যাপক প্রস্তুতি, আলোচনায় অংশ নিতে পারে ইরান
ইসলামাবাদে সম্ভাব্য কূটনৈতিক বৈঠককে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। এসব প্রস্তুতি দেখে ধারণা করা হচ্ছে, ইরান এই আলোচনায় অংশ নিতে পারে।
শহরজুড়ে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রায় ২০ হাজার নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং রাজধানীর বড় অংশ সম্পূর্ণভাবে সিল করে দেওয়া হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় সি-১৭ গ্লোবমাস্টারসহ অতিরিক্ত বেশ কিছু মার্কিন বিমান রাওয়ালপিন্ডির নূর খান বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। এসব বিমানে করে বুলেটপ্রুফ যানবাহন এবং মার্কিন নিরাপত্তা দল ইতিমধ্যে ইসলামাবাদে পৌঁছে গেছে বলে জানা গেছে। এটি পরিষ্কার ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, মার্কিন প্রতিনিধি দলের মূল সদস্যরাও খুব শিগগিরই সেখানে পৌঁছাবেন।
এদিকে, সরকারের অধিগ্রহণ করা দুটি হোটেলও সম্পূর্ণ সিল করে রাখা হয়েছে, যেখানে শিগগিরই বিদেশি প্রতিনিধিদের আগমন প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
যদিও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্য পরিস্থিতিকে কিছুটা জটিল করে তুলেছে, তবুও আশা করা হচ্ছে যে দ্বিতীয় দফার বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং ইরান অংশ নেবে।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
আলোচনা চালিয়ে যাবে ইরান, তবে মানতে হবে 'রেড লাইন': শীর্ষ ইরানি আইনপ্রণেতা
ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির প্রধান ইব্রাহিম আজিজি বলেছেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, এর অর্থ এই নয় যে ইরান 'যেকোনো মূল্যে' আলোচনায় বসবে কিংবা অপর পক্ষের যেকোনো আচরণ মেনে নেবে।
সাবেক এই আইআরজিসি কমান্ডার জোর দিয়ে বলেন, ইরান কিছু 'রেড লাইন' বা চূড়ান্ত সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে এবং এই সীমাগুলো অবশ্যই মেনে চলতে হবে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, আলোচনার নামে জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না।
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে আলোচনার পরবর্তী ধাপে ইরান প্রতিনিধি দল পাঠাবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আজিজি জানান, এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে তেহরান কোনো ইতিবাচক সংকেত পায় কি না তার ওপর।
তিনি বলেন, 'আমরা আলোচনার নীতিকে কখনোই ভয় পাইনি। সম্ভবত আজ বা কাল, আরও পর্যালোচনার পর আমরা প্রতিনিধি দল পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করতে পারি; তবে শর্ত হলো—মার্কিন প্রতিনিধি দল এবং তাদের পক্ষ থেকে আসা বার্তাগুলোকে ইতিবাচক হতে হবে।'
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
যুদ্ধবিরতিতে দ্রুতগতিতে মিসাইল ও ড্রোনের মজুত বাড়াচ্ছে ইরান: আইআরজিসি কমান্ডার
যুদ্ধবিরতিতে দ্রুতগতিতে নিজেদের সামরিক প্রস্তুতি বাড়াচ্ছে ইরান। বিশেষ করে ড্রোন ও মিসাইলের মজুত বাড়াচ্ছে তারা। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মজিদ মৌসাভি এ কথা জানিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে জেনারেল মৌসাভি এসব কথা বলেন। ওই পোস্টের সঙ্গে ড্রোন ও মিসাইল রক্ষণাবেক্ষণের একটি ভিডিও যুক্ত করেন তিনি। মৌসাভি জানান, যুদ্ধবিরতি কাজে লাগিয়ে তারা ড্রোন ও মিসাইল ছোড়ার ব্যবস্থাগুলো নতুন করে সাজাচ্ছেন। এমনকি যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় এখন তাদের কাজের গতি আরও বেড়েছে।
মৌসাভি দাবি করেন, 'শত্রুরা নিজেদের অস্ত্রভান্ডার সেভাবে পূরণ করতে পারছে না। আমাদের কাছে তথ্য আছে, তারা বিশ্বের অন্য প্রান্ত থেকে অল্প অল্প করে অস্ত্র আনছে।'
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের প্রসঙ্গ টেনে এই আইআরজিসি কমান্ডার আরও বলেন, 'তারা হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে। লেবাননসহ পুরো অঞ্চল এখন তাদের হাতছাড়া। যুদ্ধের এই ধাপেও তারা হেরেছে।'
তথ্যসূত্র: তাসনিম
তেহরান কখনোই হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ছাড়বে না: জ্যেষ্ঠ ইরানি আইনপ্রণেতা
ইরান হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণকবে ছাড়বে—এমন প্রশ্নের জবাবে দেশটির একজন জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা বলেছেন, 'কখনোই না।'
তেহরানে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সাবেক কমান্ডার এবং বর্তমান সংসদ সদস্য ইব্রাহিম আজিজি বলেন, 'এটি আমাদের অবিচ্ছেদ্য অধিকার। এই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের অধিকার এবং অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি ইরানই নির্ধারণ করবে।'
তিনি আরও জানান, বিষয়টি এখন দেশটির আইনে পরিণত হতে যাচ্ছে।
ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কমিটির প্রধান আজিজি বলেন, 'আমরা সংবিধানের ১১০ নম্বর অনুচ্ছেদের ওপর ভিত্তি করে পার্লামেন্টে একটি বিল আনছি। এতে পরিবেশ রক্ষা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আর আমাদের সশস্ত্র বাহিনী এই আইন বাস্তবায়ন করবে।'
তথ্যসূত্র: বিবিসি
বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৪ শতাংশ বাড়ল
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের একটি জাহাজ আটকের ঘটনা এবং দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে অনিশ্চয়তার জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ৪ শতাংশের বেশি বেড়েছে। তেহরান এখন পর্যন্ত পরবর্তী আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দর ও জাহাজগুলোর ওপর নৌ-অবরোধ বজায় রেখেছে। এর বিপরীতে গত সপ্তাহের শেষে ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর পুনরায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আরোপের ঘোষণা দিয়েছে।
বিশ্ববাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়লেও বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বাজারে তেলের দাম কিছুটা কম রয়েছে। আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশটিতে প্রতি গ্যালন গ্যাসের গড় দাম ৪.০৪৮ ডলার, যা এক সপ্তাহ আগের তুলনায় কম।
তবে বাজার বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, এই স্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হবে না। অনলাইন প্রাইস ট্র্যাকার গ্যাসবাডি-এর জ্বালানি বিশ্লেষক প্যাট্রিক ডি হান জানিয়েছেন, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে ৪৮টিতেই তেলের দাম কমেছে। কিন্তু সোমবার থেকেই এই চিত্র বদলে যেতে পারে।
তথ্যসূত্র: সিএনএন
যেকোনো মুহূর্তে বাড়তে পারে যুদ্ধের মাত্রা, যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস নেই: ইরানি স্পিকার
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, তেহরান তার শত্রুদের বিশ্বাস করে না এবং যেকোনো মুহূর্তে যুদ্ধের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেছেন। মেহর নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গালিবাফ বলেন, 'আমরা আমাদের শত্রুদের বিশ্বাস করি না, কারণ তারা যেকোনো মুহূর্তে যুদ্ধের তীব্রতা বাড়িয়ে দিতে পারে।' তিনি আরও জানান, ইরান বর্তমানে আলোচনার টেবিলে থাকলেও যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা পুরোপুরি প্রস্তুত।
তিনি বলেন, 'আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি, তবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতেও আমরা প্রস্তুত রয়েছি।'
তিনি আরও বলেন, 'আগের যুদ্ধটি আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল, আলোচনার মধ্যেই আমেরিকার কূটকৌশলের মাধ্যমে। তবে ১২ দিনের যুদ্ধ থেকে আমরা অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি।'
তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই
শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে প্রতিনিধি পাঠাচ্ছে ওয়াশিংটন, এখনও সিদ্ধান্ত নেয়নি ইরান
পাকিস্তানে শান্তি আলোচনার জন্য প্রতিনিধি দল পাঠানোর বিষয়ে ইরান এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। তেহরান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, যতদিন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ বহাল থাকবে, ততদিন কোনো আলোচনায় বসবে না তারা।
ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজের সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দফার আলোচনা শেষ হওয়ার পর গত কয়েক দিনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বার্তার আদান-প্রদান অব্যাহত রয়েছে।
ইরানের আলোচক দল জোর দিয়ে বলেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর যে নৌ-অবরোধ আরোপ করেছেন, তা বহাল থাকা অবস্থায় কোনো ধরনের নতুন আলোচনা শুরু করা সম্ভব নয়।
এদিকে ট্রাম্প বলেছেন, দু-সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার ঠিক এক দিন আগে, সোমবার সন্ধ্যায় তার বিশেষ দূতেরা ইসলামাবাদে পৌঁছবেন।
তথ্যসূত্র: তাসনিম নিউজ
ইরান যুদ্ধ এখনও শেষ হয়নি, যেকোনো মুহূর্তে বড় কিছু ঘটতে পারে: নেতানিয়াহু
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ 'এখনো শেষ হয়নি'। তিনি আরও যোগ করেন যে, ইসরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 'বর্বরতার বিরুদ্ধে সভ্যতার লড়াই' করছে।
আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মাইলির সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে 'ইরানের বিশাল স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে লিপ্ত হয়েছে, যারা বিশ্বকে আতঙ্কিত করছে।'
যুদ্ধের অগ্রগতি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, 'আমরা অনেক বড় বড় সাফল্য অর্জন করেছি। তবে এটি এখনো শেষ হয়নি।" তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন যে, "যেকোনো মুহূর্তে আমাদের সামনে নতুন ঘটনাপ্রবাহ চলে আসতে পারে।'
তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ২য় দফা আলোচনার প্রস্তুতি চলছে ইসলামাবাদে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য আলোচনার জন্য পাকিস্তানে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। বিশেষ করে রাজধানী ইসলামাবাদের 'রেড জোন' এবং আরও কিছু এলাকায় কড়াকড়ি আরোপ করে এক ধরণের 'লকডাউন' পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে, বন্ধ রাখা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলো।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি সি-১৭ গ্লোবমাস্টার বিমান ইসলামাবাদে অবতরণ করেছে এবং আরও কিছু বিমান আসার পথে রয়েছে। ইতিমধ্যে মার্কিন 'ফরওয়ার্ড টিম' এখানে পৌঁছাতে শুরু করেছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই দলগুলোর সঙ্গে সাজোঁয়া যানও নিয়ে আসা হয়েছে, যা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে আলোচনা নিশ্চিতভাবেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
এই আলোচনা সফল করতে পাকিস্তান ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান তিন দিন তেহরান সফর করেছেন। তবে এসব তোড়জোড়ের মাঝেও ইরানের চূড়ান্ত অবস্থান নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
ইরানের কার্গো জাহাজ আটক করল যুক্তরাষ্ট্র, পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি তেহরানের
আমেরিকার অবরোধ অগ্রাহ্য করার অভিযোগে ইরানের একটি কার্গো জাহাজ মাঝসমুদ্রে আটক করেছে মার্কিন বাহিনী। রোববার এই ঘটনার পরই কড়া ভাষায় পাল্টা জবাব হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে চলা যুদ্ধবিরতি টিকে থাকবে কি না, তা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, রোববার ইরানি পতাকাবাহী ওই জাহাজটি যখন বন্দর আব্বাসের দিকে যাচ্ছিল, তখন সেটিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। পরে জাহাজটির দখল নেয় আমেরিকা। সমাজমাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লিখেছেন, 'জাহাজটি এখন পুরোপুরি আমাদের হেফাজতে। ওটাতে কী রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।'
ইরানের সেনাবাহিনী বলেছে, জাহাজটি চীন থেকে ফিরছিল। দেশটির সরকারি সংবাদমাধ্যমে একজন সামরিক মুখপাত্র বলেছেন, 'শিগগিরই আমেরিকার এই সশস্ত্র জলদস্যুতার জবাব দেবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনী।'
আমেরিকার অবরোধ, হুমকি দেওয়া বক্তব্য, ওয়াশিংটনের ঘনঘন অবস্থান বদল ও 'মাত্রাতিরিক দাবি'র জেরে দ্বিতীয় দফায় শান্তি আলোচনায় বসতে রাজি হয়নি বলে জানিয়েছে ইরানের সংবাদমাধ্যম।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স
