Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Friday
March 13, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
FRIDAY, MARCH 13, 2026
এপস্টিন ফাইলস: ক্লিনটন পরিবারে যতটা প্রভাব ছিল গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের

আন্তর্জাতিক

দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস
09 February, 2026, 12:40 pm
Last modified: 09 February, 2026, 12:39 pm

Related News

  • এপস্টিনের অপরাধ সম্পর্কে ‘কিছুই জানতাম না’: জবানবন্দিতে বিল ক্লিনটন
  • এপস্টিন বিষয়ে ঐতিহাসিক জবানবন্দির জন্য যেভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন ক্লিনটন দম্পতি
  • যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে এপস্টিনের অজস্র গোপন লকার, এখনো হয়নি তল্লাশি
  • এপস্টিন নথি প্রকাশে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ‘তথ্য গোপনের’ অভিযোগ হিলারি ক্লিনটনের
  • এপস্টিন ফাইলে থাকা শত শত প্রভাবশালীর নাম কংগ্রেসে পাঠালো মার্কিন বিচার বিভাগ

এপস্টিন ফাইলস: ক্লিনটন পরিবারে যতটা প্রভাব ছিল গিলেইন ম্যাক্সওয়েলের

ক্লিনটনের হোয়াইট হাউস-পরবর্তী অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ ‘ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ’ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ম্যাক্সওয়েল।
দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস
09 February, 2026, 12:40 pm
Last modified: 09 February, 2026, 12:39 pm
মার্কিন বিচার বিভাগের প্রকাশিত ছবিতে বিল ক্লিনটন ও গিলেইন ম্যাক্সওয়েল। ছবি: মার্কিন বিচার বিভাগ

মার্কিন বিচার বিভাগের প্রকাশিত নতুন নথিতে দেখা গেছে যে, জেফরি এপস্টিনের দীর্ঘদিনের সঙ্গী গিলেইন ম্যাক্সওয়েল সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের হোয়াইট হাউস-পরবর্তী অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ 'ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ' গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

এপস্টিনের বিরুদ্ধে সরকারের তদন্তের অংশ হিসেবে সংগৃহীত বিশাল নথির ইমেইলগুলো অনুযায়ী, ম্যাক্সওয়েল ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভের প্রথম সম্মেলনের বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন; ক্লিনটন সহযোগী এবং এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপক সংস্থা 'পাবলিকিস গ্রুপ'-এর সাথে এর চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করেছিলেন; এবং 'ক্লিনটন প্রজেক্ট'-এর কাজের জন্য পাবলিকিস-কে ১০ লাখ ডলার পরিশোধ করার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন।

এই অর্থের উৎস অস্পষ্ট—অর্থাৎ এপস্টিন নিজে এই তহবিল সরবরাহ করেছিলেন কি না তা নিশ্চিত নয়। তবে ইমেইলগুলো থেকে বোঝা যায় যে, তিনি এই পেমেন্ট সম্পর্কে জানতেন। পাবলিকিস-এর কাছ থেকে অর্থ পাঠানোর নির্দেশ পাওয়ার কয়েক দিন পর এপস্টিন ম্যাক্সওয়েলকে লিখেছিলেন, 'তাকে (সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি) জিজ্ঞেস করো কেন এখন ১০ লাখ ডলার দিতে হবে এবং এটি কোথায় যাবে।'

ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ চালু করার ক্ষেত্রে ম্যাক্সওয়েলের এই সম্পৃক্ততা ছিল ২০০৪ সালে। এটি ২০০৬ সালে এপস্টিনের অভিযুক্ত হওয়ার এবং ২০০৮ সালে নাবালিকার সাথে যৌনতায় প্ররোচনার অপরাধ স্বীকার করার অনেক আগের ঘটনা। এমনকি মিডিয়া মুঘল রবার্ট ম্যাক্সওয়েলের কন্যা গিলেইন ম্যাক্সওয়েলকে ২০২২ সালে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের কাছ থেকে যৌনসেবা নিতে এপস্টিনকে সহায়তার দায়ে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ারও অনেক আগে।

এই ইমেইলগুলো গত বছর বিচার বিভাগের সাথে এক সাক্ষাৎকারে করা ম্যাক্সওয়েলের একটি দাবিকে সমর্থন করে, যেখানে তিনি বলেছিলেন যে গ্লোবাল কনফারেন্স বা বিশ্ব সম্মেলনটি প্রতিষ্ঠায় তিনি মূল ভূমিকা পালন করেছিলেন।

সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন বলেছেন, ২০০৬ সালে এপস্টিন অভিযুক্ত হওয়ার আগেই তিনি তার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। ক্লিনটন পরিবারের মুখপাত্র অ্যাঞ্জেল ইউরেনা এক বিবৃতিতে বলেছেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট 'এপস্টিন ফাইলগুলোর সম্পূর্ণ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন' এবং 'তার লুকানোর কিছু নেই।'

মিস্টার ইউরেনা আরও বলেন, 'এপস্টিনের অপরাধ সম্পর্কে তিনি কিছুই জানতেন না। যখন এটি স্পষ্ট হয়ে যায় যে জীবন রক্ষাকারী জনহিতকর কাজে এপস্টিনের কোনো প্রকৃত আগ্রহ নেই, তখন আর যোগাযোগের কোনো কারণ ছিল না। তথ্যই তথ্য এবং সত্যই সত্য, এবং উভয়ই আমাদের পক্ষে রয়েছে।'

নতুন এই নথিগুলো ক্লিনটন এবং এপস্টিন মহলের মধ্যকার সংযোগের একটি চিত্র তুলে ধরেছে, যা দীর্ঘকাল ধরে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র তত্ত্ব এবং যাচাইহীন অভিযোগের জন্ম দিয়েছে।

ইমেইলগুলো পূর্বের তথ্যগুলোকে আরও জোরালো করেছে। যেমন- এপস্টিনের তুলনায় ক্লিনটন এবং তার চারপাশের মানুষদের সাথে ম্যাক্সওয়েলের সম্পর্ক ছিল অনেক বেশি দীর্ঘস্থায়ী। ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভের সাথে তার সম্পৃক্ততার পাশাপাশি রেকর্ডগুলো প্রকাশ করে যে, ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে ম্যাক্সওয়েলের সাথে ক্লিনটনের তৎকালীন শীর্ষ সহযোগী ডগ ব্যান্ডের ঘনিষ্ঠ (ফ্লার্টিং) যোগাযোগ ছিল।

এটি আগে থেকেই জানা ছিল, ২০১০ সালে চেলসি ক্লিনটনের বিয়েতে তার তৎকালীন বয়ফ্রেন্ড টেড ওয়েট-এর সাথে ম্যাক্সওয়েল উপস্থিত ছিলেন। টেড ওয়েট ছিলেন একজন প্রযুক্তি বিলিয়নিয়ার, যিনি ক্লিনটনদের বন্ধু এবং ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের একজন বড় দাতা ছিলেন। এমনকি এপস্টিন তরুণীদের ওপর নির্যাতনের বিষয়ে ম্যাক্সওয়েলের অপকর্মের খবর প্রকাশিত হওয়ার পরও তিনি ক্লিনটন মহলের সংস্পর্শেই ছিলেন। ম্যাক্সওয়েল গত বছর বিচার বিভাগকে বলেছিলেন, তিনি ২০১৬ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে কোনো এক সময়ে লস অ্যাঞ্জেলেসে ক্লিনটনের সাথে সর্বশেষ রাতের খাবার খেয়েছিলেন।

গত বছর বিচার বিভাগের একটি সাক্ষাৎকারে  ম্যাক্সওয়েল বলেছিলেন, 'প্রেসিডেন্ট ক্লিনটন আমার বন্ধু ছিলেন, এপস্টিনের বন্ধু নন।' এ বিষয়ে তার আইনজীবীর মন্তব্য জানতে চাওয়া হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

সম্প্রতি প্রকাশিত ফাইলগুলোতে ক্লিনটন দম্পতি সম্পর্কে যে সব তথ্য রয়েছে, তা নিয়ে 'দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস'-এর এক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন সম্পর্কিত তথ্য অত্যন্ত সামান্য। সাবেক প্রেসিডেন্টের সাথে মিস্টার এপস্টিনের মেলামেশার বিষয়েও খুব কম নতুন তথ্য পাওয়া গেছে। এপস্টিন ছিলেন একজন ডেমোক্র্যাটিক দাতা, যিনি ১৯৯২ সালে ক্লিনটনের রাজনৈতিক প্রচারণায় সহায়তা করেছিলেন এবং হোয়াইট হাউস সংস্কারের জন্য ১০ হাজার ডলার দান করেছিলেন। তিনি ১৯৯৯ সালে মিসেস ক্লিনটনের সিনেট প্রচারণায় ২০ হাজার ডলার অনুদান দিয়েছিলেন।

পূর্বে প্রকাশিত লগ বা নথিপত্র অনুযায়ী, ক্লিনটন প্রশাসনের সময় এপস্টিন বেশ কয়েকবার হোয়াইট হাউস পরিদর্শন করেছিলেন এবং ক্লিনটন ২০০২ ও ২০০৩ সালে এপস্টিনের ব্যক্তিগত বিমানে চারটি আন্তর্জাতিক সফরে অংশ নিয়েছিলেন। তবে হিলারি ক্লিনটন জানিয়েছেন, তিনি কখনও এপস্টিনের বিমানে চড়েননি।

সাবেক প্রেসিডেন্ট আরও জানিয়েছেন, তিনি কখনও মার্কিন ভার্জিন আইল্যান্ডে অবস্থিত এপস্টিনের ব্যক্তিগত দ্বীপে যাননি—যা এপস্টিন ও তার সহযোগীদের মধ্যকার ইমেইলগুলোর তথ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। (সিক্রেট সার্ভিসও অতীতে ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা ওই দ্বীপে যাননি এবং এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, 'এই মুহূর্তে এই বিষয়ে আমাদের কাছে নতুন কোনো তথ্য নেই।')

হাউস রিপাবলিকানরা ক্লিনটনদের সঙ্গে এপস্টিনের সম্পর্কের ওপর আলোকপাত করার চেষ্টা করেছেন। তারা হুমকি দিয়েছিলেন, সাজাপ্রাপ্ত যৌন অপরাধী এপস্টিনের বিষয়ে হাউস ওভারসাইট কমিটির তদন্তে সাক্ষ্য না দিলে তাদের বিরুদ্ধে 'ক্রিমিনাল কনটেম্পট অফ কংগ্রেস' (কংগ্রেস অবমাননার অপরাধ) আনা হবে। সেই সাক্ষ্য বা জবানবন্দিগুলো এই মাসের শেষে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

ক্লিনটন এপস্টিনের সাথে তার সম্পর্ককে গুরুত্বহীন হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছেন। গত মাসে হাউস প্যানেলে জমা দেওয়া এক হলফনামায় মিস্টার ক্লিনটন বলেন যে, তিনি প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন এপস্টিন হোয়াইট হাউস পরিদর্শন করে থাকতে পারেন, তবে 'অফিসে থাকাকালীন এপস্টিনের সাথে দেখা হওয়ার কথা বা কোনো নির্দিষ্ট আলোচনার কথা আমার মনে নেই।'

সাবেক প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, মিস ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে তার প্রথম কবে দেখা হয়েছিল তাও তার মনে নেই, 'তবে আমি বিশ্বাস করি তিনি তখন এপস্টিনের হয়ে কাজ করতেন।' মিস্টার ক্লিনটন আরও জানান, ম্যাক্সওয়েলের সাথে তার নির্দিষ্ট কথোপকথন বা সর্বশেষ কবে দেখা হয়েছিল তাও তিনি মনে করতে পারছেন না, 'তবে তা অনেক বছর আগের কথা।'

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, যিনি একসময় মিস্টার এপস্টিনের সাথে ব্যাপকভাবে সামাজিক মেলামেশা করেছেন এবং তার ব্যক্তিগত বিমানে ভ্রমণ করেছেন, তিনি ক্লিনটনদের সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করার বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন—যদিও বিগত বছরগুলোতে তিনি নিয়মিতভাবে তাদের সমালোচনা করেছেন।

এই সপ্তাহে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, 'সত্যি বলতে, আমি মনে করি এটি একটি লজ্জাজনক বিষয়। আমি তাকে (বিল ক্লিনটন) সবসময় পছন্দ করতাম। আর তাকে (হিলারি)? হ্যাঁ, তিনি একজন অত্যন্ত যোগ্য নারী।'

২০০৭ সালে নিউ ইয়র্কের একটি পার্টিতে ম্যাক্সওয়েল এবং ডগ ব্যান্ড, যিনি আগে বিল ক্লিনটনের শীর্ষ সহযোগী ছিলেন। ছবি: নিউ ইয়র্ক টাইমস

অন্যদিকে, ২০২০ সালে ম্যাক্সওয়েলের গ্রেপ্তারের পর ট্রাম্প তার প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে বলেছিলেন, 'সত্যি বলতে, আমি কেবল তার মঙ্গল কামনা করি।' মনে করা হচ্ছে যে, দুই প্রেসিডেন্টই এপস্টিনের ৫০তম জন্মদিনের জন্য তৈরি করা একটি বইয়ে বার্তা দিয়েছিলেন, যদিও ট্রাম্পের কর্মীরা এই দাবি অস্বীকার করেছেন।

পর্দার আড়ালের ভূমিকা

২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভের পরিকল্পনা করা হয়েছিল সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অভিজাতদের বার্ষিক সমাবেশের একটি সংস্করণ হিসেবে। এর লক্ষ্য ছিল প্রেসিডেন্ট পদ পরবর্তী উত্তরাধিকার হিসেবে বিল ক্লিনটনের ভাবমূর্তি গঠনে একটি জনহিতকর লক্ষ্য যুক্ত করা।

ব্যান্ড, যার সাথে পরবর্তীতে ক্লিনটন পরিবারের তিক্ত সম্পর্কের সৃষ্টি হয়, দীর্ঘকাল ধরে এই প্রকল্পের পেছনের চালিকাশক্তি হিসেবে স্বীকৃত ছিলেন। তবে এতে ম্যাক্সওয়েলের সম্পৃক্ততা ছিল মূলত অজানা। কিন্তু গত বছর বিচার বিভাগকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাক্সওয়েল বলেন, ক্লিনটনের গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ স্থাপনে তার ভূমিকা ছিল 'অত্যন্ত কেন্দ্রীয়', যদিও তিনি যোগ করেন যে ধারণাটি মূলত তার ছিল না।

তিনি আরও বলেন, 'আমি নিজেকে কোনোভাবেই এখানে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছি না।'

ম্যাক্সওয়েল আরও ইঙ্গিত দেন, এপস্টিনও এই প্রচেষ্টায় নিয়োজিত ছিলেন। তিনি বলেন, এপস্টিন 'তাদের সাহায্য করার জন্য আমাকে সমর্থন করেছিলেন, কিন্তু পরে আমার মনে হয় তিনি কোনোভাবে নিজেকে সেখানে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য এটিকে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছিলেন।'

পাবলিকিস-এর সাবেক শীর্ষ নির্বাহী রিচার্ড আতিয়াস এই সপ্তাহে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এই প্রকল্পটি শুরু করার ক্ষেত্রে ম্যাক্সওয়েল একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

তিনি বলেন, 'তিনি প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনের সাথে দাভোসে ছিলেন এবং তখনই তারা দাভোসের বিস্ময়কর প্রভাব উপলব্ধি করেন। এরপর তারা অনুরূপ কিছু তৈরি করার ধারণা নিয়ে আসেন, তবে তার দর্শন ছিল ভিন্ন।'

মিস্টার আতিয়াস জানান, ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বরে নিউ ইয়র্কে আয়োজিত অনুষ্ঠানের কাজের জন্য ম্যাক্সওয়েল পাবলিকিস-কে ১ মিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছিলেন। তিনি বলেন, তহবিলের যোগানদাতা কে ছিলেন তা তিনি জানতেন না, তবে তার বিশ্বাস এটি সম্ভবত বিভিন্ন উৎস থেকে এসেছে।

শুরুতে এপস্টিন জড়িত ছিলেন না বললেও, আতিয়াস পরে তাকে 'অন্যতম স্পন্সর' হিসেবে বর্ণনা করেন। তবে 'দ্য টাইমস'-কে পাঠানো পরবর্তী টেক্সটগুলোতে তিনি বলেন যে তার ঠিক মনে নেই, কারণ এই আলোচনাগুলো দুই দশকেরও বেশি আগে হয়েছিল।

মিস্টার আতিয়াস ২০০৮ সালে পাবলিকিস ছেড়েছিলেন। তিনি টেক্সট এবং সাক্ষাৎকারে জানান যে, ক্লিনটন কনফারেন্সে মিস্টার এপস্টিনের সম্পৃক্ততার পরিধি সম্পর্কে তিনি শেষ পর্যন্ত নিশ্চিত ছিলেন না। ২০০৭ সালে যখন এপস্টিনের আইনজীবীরা যৌন পাচারের তদন্তের মুখে তাদের মক্কেলের জন্য নমনীয় শাস্তির চেষ্টা করছিলেন, তখন তারা প্রসিকিউটরদের কাছে এক চিঠিতে দাবি করেছিলেন যে এপস্টিন 'সেই মূল দলের অংশ ছিলেন যারা ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভের পরিকল্পনা করেছিল।'

'দ্য টাইমস' ২০০৪ সালের একটি ইমেইল শনাক্ত করেছে যেখানে আতিয়াস মিস ম্যাক্সওয়েলকে লিখেছিলেন এবং সেখানে তিনি  এপস্টিনের প্রসঙ্গ টেনেছিলেন বলে মনে হয়।

আতিয়াস লিখেছিলেন, 'আমি আপনাকে এবং জেফরি এপস্টিনকে ৩০০ শতাংশ বিশ্বাস করি।' সেই ইমেইলে তিনি ম্যাক্সওয়েলকে অনুরোধ করেছিলেন যেন তিনি এপস্টিনের একজন আইনজীবীকে নিরস্ত করেন, যিনি পরিকল্পনার প্রাথমিক পর্যায়ে বাজেটের বিস্তারিত বিবরণ দাবি করছিলেন। আতিয়াস লিখেছিলেন, 'আমাদের কোনো ধারণা নেই যে প্রোগ্রাম, ভেন্যু, হোটেল, কনসালট্যান্ট বা বক্তারা কারা হবেন...।'

এক বিবৃতিতে ক্লিনটন ফাউন্ডেশন, যা এখন ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ পরিচালনা করে, জানিয়েছে যে তারা ২০০৬ সালে এপস্টিন-সংশ্লিষ্ট একটি ফাউন্ডেশন থেকে মাত্র ২৫ হাজার ডলারের একটি অনুদান গ্রহণ করেছিল, যা আগেই প্রকাশিত হয়েছে। ফাউন্ডেশনটি জানিয়েছে, এপস্টিন বা ম্যাক্সওয়েল সম্পর্কিত অন্য কোনো আর্থিক অবদানের রেকর্ড তাদের কাছে নেই।

ফাউন্ডেশনটি আরও বলেছে, 'পাবলিকিস নিজেরাই ইভেন্ট তৈরির খরচ বহন করেছিল এবং পরে তাদের ইভেন্টটি পরিচালনার জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়। পাবলিকিসের ব্যবসার জন্য অর্থ সংগ্রহের দায়িত্ব আমাদের (ফাউন্ডেশনের) ছিল না।'

২০০৬ সালে ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন বিল ক্লিনটন। ছবি: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

প্রেসিডেন্ট-পরবর্তী সম্পর্ক

বিল ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভের সূচনালগ্নে ম্যাক্সওয়েলের সম্পৃক্ততা এমন এক সময়ে ঘটেছিল যখন তিনি এবং মিস্টার এপস্টিন উভয়েই সাবেক প্রেসিডেন্টের সাথে সামাজিক মেলামেশা করছিলেন।

হোয়াইট হাউস ছাড়ার দুই বছরেরও কম সময় পর, ২০০২ সালে মিস্টার ক্লিনটন এপস্টিনের বিমানে চড়ে ঘানা এবং নাইজেরিয়াসহ সাতটি দেশে ১০ দিনের সফরে গিয়েছিলেন। ফ্লাইট ম্যানিফেস্ট এবং সম্প্রতি প্রকাশিত নথিভুক্ত ছবি অনুযায়ী, এই সফরে অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যে ছিলেন ম্যাক্সওয়েল এবং অভিনেতা কেভিন স্পেসি ও ক্রিস টাকার—যা এর আগেও সংবাদে এসেছিল।

কোনো এক সময়ে বিল ক্লিনটন এপস্টিনের বিমানে রাখা স্টেশনারিতে (চিঠির প্যাড) এপস্টিনকে একটি হাতে লেখা ধন্যবাদ সূচক চিরকুট পাঠিয়েছিলেন বলে জানা যায়। 'দ্য টাইমস' সেই তারিখবিহীন নোটটির একটি ছবি সংগ্রহ করেছে, যা ফ্রেমে বাঁধানো অবস্থায় এপস্টিনের সম্পত্তি থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল। এতে সাবেক প্রেসিডেন্ট অর্থদাতা এপস্টিনকে তার 'ব্যক্তিগত পরিসরে অনুপ্রবেশ' করতে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং ব্যাখ্যা করেন যে তিনি 'ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন এবং ভিড় থেকে দূরে সরে যাওয়ার প্রয়োজন ছিল'। তিনি আরও লিখেছিলেন, 'আমরা যখন এগিয়ে যাব, আমি অবশেষে আর্থিক বিষয়গুলো বুঝে নেব!'

সদ্য প্রকাশিত ফাইলগুলো মিস ম্যাক্সওয়েল এবং সাবেক প্রেসিডেন্টের সহযোগীদের মধ্যে অসংখ্য আলাপচারিতার প্রমাণ দেয়। ২০০২ সালের নভেম্বরে একটি ইমেইল থেকে দেখা যায় যে, ম্যাক্সওয়েল ক্লিনটনের জন্মদিনে তাকে 'ডেভিল স্লিপার্স' (শয়তান খচিত চটি জুতা) পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিলেন। পরের মাসে ম্যাক্সওয়েল এবং ক্লিনটনের একজন সহযোগী 'ভ্যানিটি ফেয়ার'-এর একজন প্রতিবেদকের বিষয়ে কথা বলেন, যিনি এপস্টিনের ওপর একটি প্রোফাইল লিখছিলেন। সেখানে ওই প্রতিবেদককে কী জবাব দেওয়া হবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়। একই দিনে ক্লিনটনের অন্য একজন সহযোগী ইরা মাগাজিনার ম্যাক্সওয়েলকে এইডস মোকাবিলার একটি ক্লিনটন প্রজেক্ট বর্ণনা করে একটি ইমেইল পাঠান।

এই যোগাযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মিস্টার মাগাজিনার 'দ্য টাইমস'-কে একটি ইমেইলে জানান, তিনি সম্ভাব্য দাতাদের সাথে যেভাবে তথ্য শেয়ার করেন, সেভাবেই তথ্য পাঠিয়েছিলেন। এটি ছিল পরবর্তীতে গড়ে ওঠা 'ক্লিনটন হেলথ অ্যাক্সেস ইনিশিয়েটিভ'-এর প্রাথমিক রূপ, যা বর্তমানে বহু দেশে রোগব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াই করছে।

মার্কিন বিচার বিভাগ প্রকাশিত ছবিতে জেফরি এপস্টাইন, সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও গিলেইন ম্যাক্সওয়েল। ছবি: মার্কিন বিচার বিভাগ

নথিপত্রগুলো দেখাচ্ছে যে, এই সময়কালে ম্যাক্সওয়েল এবং ক্লিনটনের তৎকালীন সহযোগী মিস্টার ব্যান্ডের মধ্যে ইঙ্গিতপূর্ণ ইমেইল বিনিময় হচ্ছিল।

২০০২ সালে ম্যাক্সওয়েল তাকে লিখেছিলেন, 'বুবু, তুমি কি আশেপাশে আছো? আমি খুব অসুস্থ এবং আমার জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন—আমি বুবুয়াইটিস রোগে ভুগছি, যা একটি অত্যন্ত গুরুতর অবস্থা। বুবু-র সমাধান ছাড়া এই লক্ষণগুলো আরও প্রকট হয়ে উঠছে।' 

তিনি আরও উল্লেখ করেছিলেন, 'রাতের কান্নাগুলো শেক্সপিয়ারের সনেটের মতো শোনায়, অনেকটা এইরকম—ওহ ডগলাস, ওহ ডগলাস, তুমি কোথায় ডগলাস?' একই দিনে মিস্টার ব্যান্ড উত্তর দিয়েছিলেন যে, 'আমার বুবুয়াইটিস-ও মহাকাব্যিক পর্যায়ে পৌঁছেছে।' তিনি আরও বলেন, 'অনেক কিছু ঘটছে কিন্তু তুমি পৌঁছানো মাত্রই আমি বুবুভিলে থাকব।'

তাদের এই আলাপচারিতার মধ্যেই তারা মিস্টার ক্লিনটন এবং মিস্টার এপস্টিনের মধ্যে সংযোগ স্থাপনে সহায়তা করতেন। ২০০২ সালের এপ্রিলের একটি বার্তায় ব্যান্ড লিখেছিলেন, 'প্রেসিডেন্ট আমাকে বলেছেন তোমাকে বলতে যেন তুমি জেফরিকে বলো যে তিনি তাকে হ্যালো জানিয়েছেন এবং তিনি তাকে মিস করছেন।'

'দ্য টাইমস'-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে ব্যান্ড বলেছেন, ম্যাক্সওয়েলের সাথে তার এই যোগাযোগ তখন হয়েছিল যখন তার বয়স ২০-এর কোঠায় এবং তিনি অবিবাহিত ছিলেন। তিনি বলেন, 'আমাদের মধ্যে কখনও কোনো শারীরিক সম্পর্ক হয়নি। কখনোই না।' তিনি ম্যাক্সওয়েলকে একজন 'দানব' হিসেবে অভিহিত করেন। 'দ্য টাইমস'-এর দেখা একটি ইমেইল অনুযায়ী, ২০১১ সালে ব্যান্ড অন্য একজন ক্লিনটন সহযোগীকে ইমেইল পাঠিয়ে নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন ম্যাক্সওয়েলকে 'সব তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়', যাতে ক্লিনটন-সংক্রান্ত ইভেন্টগুলোতে তার প্রবেশাধিকার না থাকে। কারণ তখন তার আচরণ নিয়ে প্রশ্ন বাড়তে শুরু করেছিল। সেই বছরের শুরুর দিকে 'ডেইলি মেইল'-এর একটি প্রতিবেদনে তাকে 'এপস্টিনের গার্ল ফ্রাইডে ফিক্সার' (আজ্ঞাবহ সহায়তাকারী) হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছিল।

ক্লিনটনদের মুখপাত্র মিস্টার ইউরেনা বলেছেন, সেই সময়ে ম্যাক্সওয়েলকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে সংস্থার ভেতরে ব্যাপকভাবে কোনো কিছু জানানো হয়নি। ব্যান্ড ক্লিনটনদের হয়ে কাজ করা বন্ধ করে দেওয়ার পর, ২০১৩ সালে একটি ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ ইভেন্টে ম্যাক্সওয়েলকে পুনরায় দেখা যায় এবং একটি সমুদ্র সংরক্ষণ প্রকল্পের জন্য তাকে সম্মানিত করা হয়।

Related Topics

টপ নিউজ

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট / বিল ক্লিনটন / এপস্টিন ফাইলস / গিলেইন ম্যাক্সওয়েল / ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ / সম্পর্ক / ক্লিনটন পরিবার / গিলেইনের প্রভাব

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • আহমেদ আযম খান। ছবি: বাসস
    মন্ত্রী হলেন আহমেদ আযম খান
  • ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। ছবি: রয়টার্স
    সব মার্কিন ঘাঁটি বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার; হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখার ঘোষণা
  • ছবি: টিবিএস
    জুন মাসের মধ্যেই আসছে জাতীয় ই-হেলথ কার্ড: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
  • মার্কিন-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকি দেওয়ার পর গত ৭ মার্চ ওমানের মাস্কাট উপকূলে নোঙর করে আছে ‘লুওজিয়াশান’ তেলবাহী ট্যাংকার। ছবি: বেনোয়া তেসিয়ের/রয়টার্স
    যুদ্ধ 'শিগগিরই' শেষ হবে, ইরানে হামলা করার মতো 'কার্যত আর কিছুই বাকি নেই': ট্রাম্প
  • ছবি: সংগৃহীত
    যুদ্ধ 'শিগগিরই' শেষ হবে, ইরানে হামলা করার মতো 'কার্যত আর কিছুই বাকি নেই': ট্রাম্প
  • ওমানের মাস্কাটে নোঙর করে থাকা ভ্যান ওর্ড পরিচালিত 'রটারডাম' নামক হপার ড্রেজার জাহাজটি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংঘাতের মধ্যেই হরমুজে অবস্থান করতে দেখা যায়। ছবি: রয়টার্স
    যুদ্ধাবস্থায় জলপথ রুদ্ধ হলেও হরমুজ প্রণালী দিয়ে চীনে লাখ লাখ ব্যারেল তেল পাঠাচ্ছে ইরান

Related News

  • এপস্টিনের অপরাধ সম্পর্কে ‘কিছুই জানতাম না’: জবানবন্দিতে বিল ক্লিনটন
  • এপস্টিন বিষয়ে ঐতিহাসিক জবানবন্দির জন্য যেভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন ক্লিনটন দম্পতি
  • যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে এপস্টিনের অজস্র গোপন লকার, এখনো হয়নি তল্লাশি
  • এপস্টিন নথি প্রকাশে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ‘তথ্য গোপনের’ অভিযোগ হিলারি ক্লিনটনের
  • এপস্টিন ফাইলে থাকা শত শত প্রভাবশালীর নাম কংগ্রেসে পাঠালো মার্কিন বিচার বিভাগ

Most Read

1
আহমেদ আযম খান। ছবি: বাসস
বাংলাদেশ

মন্ত্রী হলেন আহমেদ আযম খান

2
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

সব মার্কিন ঘাঁটি বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার; হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখার ঘোষণা

3
ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

জুন মাসের মধ্যেই আসছে জাতীয় ই-হেলথ কার্ড: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

4
মার্কিন-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকি দেওয়ার পর গত ৭ মার্চ ওমানের মাস্কাট উপকূলে নোঙর করে আছে ‘লুওজিয়াশান’ তেলবাহী ট্যাংকার। ছবি: বেনোয়া তেসিয়ের/রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধ 'শিগগিরই' শেষ হবে, ইরানে হামলা করার মতো 'কার্যত আর কিছুই বাকি নেই': ট্রাম্প

5
ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধ 'শিগগিরই' শেষ হবে, ইরানে হামলা করার মতো 'কার্যত আর কিছুই বাকি নেই': ট্রাম্প

6
ওমানের মাস্কাটে নোঙর করে থাকা ভ্যান ওর্ড পরিচালিত 'রটারডাম' নামক হপার ড্রেজার জাহাজটি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংঘাতের মধ্যেই হরমুজে অবস্থান করতে দেখা যায়। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধাবস্থায় জলপথ রুদ্ধ হলেও হরমুজ প্রণালী দিয়ে চীনে লাখ লাখ ব্যারেল তেল পাঠাচ্ছে ইরান

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net