চাকরি হারালেন পুলিশের আরো দুই কর্মকর্তা
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে পলাতক থাকা পুলিশের আরো দুই কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার। তারা হলেন—ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের সাবেক যুগ্ম কমিশনার (দক্ষিণ) এস এম মেহেদী হাসান ও গাজীপুর ইন্ড্রাস্টিয়াল পুলিশ-২ এর সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রহমত উল্লাহ।
গতকাল সোমবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-১ শাখার সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত পৃথক দুই প্রজ্ঞাপনে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এস এম মেহেদী হাসান ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের যুগ্ম কমিশনার হিসেবে কর্মরত অবস্থায় ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। পরে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়।
তাকে বিভিন্ন সময় কর্মস্থলে উপস্থিত হতে নোটিশ দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত পলাতক থাকায় গুরুদন্ড হিসেবে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হলো।
অন্য প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মো. রহমত উল্লাহ গাজীপুর ইন্ড্রাস্টিয়াল পুলিশ-২ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত অবস্থায় ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি অসুস্থতার কথা বলে দুই মাসের ছুটি নেন। কিন্তু এরপর আর তিনি কর্মস্থলে উপস্থিত হননি। তাই গুরুদন্ড হিসেবে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হলো।
এর আগে একই কারণে গত ২১ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক ছয় প্রজ্ঞাপনে পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। চাকরি হারানো কর্মকর্তারা হলেন–এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টারের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জায়েদুল আলম, ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান, সিরাজগঞ্জের সাবেক পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মন্ডল, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সচিবালয় নিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) রাজীব দাস, খাগড়াছড়ি, এন্টি টেরোরিজম ইউনিটের (এটিইউ) পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ছানোয়ার ও সিলেট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ রঞ্জন দে। তারা সবাই ইতোমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত হয়েছিলেন।
