জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব বিশ্লেষণ করছে সরকার, সিদ্ধান্ত দ্রুত
সরকারি মালিকানাধীন জ্বালানি বিতরণকারী সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব পর্যালোচনা করছে সরকার। একই সঙ্গে বিভিন্ন মূল্যস্তর অনুযায়ী সরকারের ওপর ভর্তুকির চাপ কেমন হবে, সেটিও মূল্যায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।
সোমবার (৩০ মার্চ) বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী এসব তথ্য জানান।
যুগ্ম সচিব বলেন, "আমরা বিতরণকারীদের পক্ষ থেকে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় সংক্রান্ত প্রস্তাব পেয়েছি। বর্তমানে আমরা এটি নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করছি।"
সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমান দাম বজায় রাখলে সরকারকে ঠিক কত টাকা ভর্তুকি দিতে হবে, কর্তৃপক্ষ এখন সেটি বিশ্লেষণ করছে। এই পর্যালোচনায় বিভিন্ন সম্ভাব্য দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে ভর্তুকির প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বিস্তারিত হিসাব-নিকাশ করা হচ্ছে, যাতে রাজস্ব চাপ কমানো এবং ভোক্তাদের ওপর আর্থিক বোঝার মধ্যে একটি ভারসাম্য রক্ষা করা যায়।
মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে ভর্তুকি বজায় রাখা কতটা টেকসই হবে, সেটিই এখন বড় বিবেচ্য বিষয়। তিনি আরও বলেন, "আমরা বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করছি। যেমন— দাম অপরিবর্তিত রাখলে কত টাকা ভর্তুকি লাগবে; আবার যদি উদাহরণস্বরূপ ২ টাকা থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়, তবে ভর্তুকির পরিস্থিতি কেমন দাঁড়াবে, সেটিও দেখা হচ্ছে।"
তিনি জানান, সরকারের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং আর্থিক অগ্রাধিকারের ওপর ভিত্তি করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। চলমান বিশ্লেষণ শেষ করে আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হতে পারে বলে উল্লেখ করেন মনির হোসেন চৌধুরী।
