নির্বাচনের ফল চ্যালেঞ্জ: হাইকোর্টে জামায়াত ও বিএনপির আরও ৫ প্রার্থীর আবেদন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আরও চারজন এবং বিএনপির একজন প্রার্থী। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চে এসব আবেদনের ওপর শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।
ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করা প্রার্থীরা হলেন—নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. ইলিয়াছ মোল্লা, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া, লালমনিরহাট-২ আসনে মো. ফিরোজ হায়দার ও লালমনিরহাট-১ আসনে আনোয়ারুল ইসলাম রাজু। এ ছাড়া ময়মনসিংহ-১ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়া বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সও তাঁর আসনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করেছেন।
এর আগে বিভিন্ন সময়ে বিএনপির আরও বেশ কয়েকজন প্রার্থী হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন—কুড়িগ্রাম-২ আসনের সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, রংপুর-৬ আসনের মো. সাইফুল ইসলাম, রংপুর-৪ আসনের মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা, রাজশাহী-১ আসনের মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন, রাজশাহী-৪ আসনের ডি এম ডি জিয়াউর, পাবনা-৪ আসনের মো. হাবিবুর রহমান হাবিব এবং শেরপুর-১ আসনের সানসিলা জেবরিন।
একইভাবে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা–৬ আসনের প্রার্থী মো. আবদুল মান্নান, ঢাকা–৭ আসনের মো. এনায়াত উল্লা ও গাইবান্ধা-৪ আসনের মো. আবদুর রহিম সরকারও ফল চ্যালেঞ্জ করে আবেদন করেছিলেন। আদালত এসব আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ব্যালট পেপার রিটার্নিং অফিসারদের কাছ থেকে সংগ্রহ করে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) তা যথাযথভাবে সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনে কোনো প্রকার অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তার প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টে গঠিত নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা যায়। সেই বিধান অনুযায়ী বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত একক বেঞ্চ বর্তমানে এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই শুনানির মাধ্যমেই আসনগুলোর নির্বাচনী অনিয়ম খতিয়ে দেখবে আদালত।
