ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি)। নির্বাচনী তফসিল অনুসারে আগামীকাল (২১ জানুয়ারি) প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেবেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দলগুলোকে তাদের প্রার্থীর নাম রিটার্নিং কর্মকর্তাদের জানাতে হবে। একই সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থীদেরও কেউ চাইলে নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিতে পারবেন।
নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোটগ্রহণ করা হবে ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে এবার মোট দুই হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে ৭২৩ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের (মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলের) বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল করার সুযোগ ছিল। নির্ধারিত সময়ে মোট ৬৪৫টি আপিল ইসিতে জমা পড়ে।
ইসিতে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন মোট ৪১৭ জন। আর রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে বৈধ হলেও আপিলে মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে ছয় জনের। আগামীকাল ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। এরপর আগামী নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থীর সংখ্যা জানা যাবে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয় গত ১১ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ২৯ ডিসেম্বর। আর আপিল নিষ্পত্তির শেষ দিন ছিল গতকাল।
ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, কোনো দল কোনো আসনে একাধিক প্রার্থী দিয়ে থাকলে এবং তাদের সবাই বা একাধিক প্রার্থী বাছাইয়ে টিকে গেলে সংশ্লিষ্ট দল কাকে রাখবে তা মঙ্গলবারেই জানাতে হবে। বিকেলে পাঁচটার মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিতে পারবেন স্বতন্ত্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ইচ্ছুকরাও।
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ১৯ জানুয়ারি সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বলেন, কমিশন একদমই কোনো চাপে নেই। সবাই চায় ভালো নির্বাচন, কমিশনও তাই চায়।
এই নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, আপিল শুনানিতে মনে হয়েছে, একটি ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হবে। প্রার্থীরা যেভাবে শুনানিতে নিজেদের বক্তব্য রেখেছেন, ভোটের মাঠেও তারা তাদের সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন বলে মনে করে কমিশন।
