কোনো শক্তিই দেশকে বিরাজনীতিকরণ করতে পারবে না: মঈন খান
কোনো শক্তি বা পরাশক্তিই দেশকে বিরাজনীতিকরণ করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান।
তিনি বলেন, 'বাংলাদেশের মানুষের রক্তে রয়েছে রাজনীতি। তাদের রক্ত রয়েছে গণতন্ত্র। কাজেই বাংলাদেশকে কোনো শক্তি বা পরাশক্তি বিরাজনীতিকরণ করতে পারবে না, এটা আমি বিশ্বাস করি।'
বুধবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত বিএনপির সদ্য প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে শোক সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মঈন খান এ সব কথা বলেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, '২০০৮ সালে দেশে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেটি ছিল একটি সাজানো নির্বাচন। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন শক্তির সমন্বয়ে এই নির্বাচনটি আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে এমন একটি শক্তি কাজ করেছিল, যারা বাংলাদেশকে বিরাজনীতিকরণ করতে চেয়েছিল। কিন্তু তারা সফল হয়নি।'
তিনি বলেন, 'বেগম খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। প্রতিটি নির্বাচনে সবকটি আসনে জয়ী হয়ে জনপ্রিয়তার প্রমাণও দিয়েছেন। এটা ছিলো তার প্রতি জনগণের ভালোবাসা। বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ধারক এবং বাহক হিসেবে তিনি ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ।'
মঈন খান বলেন, বেগম জিয়া ২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত শুধু নির্যাতন-নিপীড়নেরই শিকার হননি, তাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রণোদিত মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তবুও তিনি সহ্য করে গেছেন।
তিনি আরও বলেন, 'আমি একদিন উনাকে বলেছিলাম- ম্যাডাম আপনার উপর এসব মিথ্যা মামলা নিয়ে আমরা কিছু করতে চাই। তখন তিনি বলেন, না না কিছুই প্রয়োজন নেই। আমি নিয়মের মাধ্যমে প্রমাণ করবো- তাদের এসব কিছু মিথ্যা। আমি নির্দোষ। আর এই প্রমাণ জনগণও দেখবে।'
তিনি বলেন, 'অবশেষে চব্বিশের ৫ আগস্ট জয় এসেছে। যারা বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে, যারা দেশে গণতন্ত্রের নামে স্বৈরতন্ত্র কায়েম করেছিল, যারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বলে নিজেদের দাবি করেও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও নীতির বিরুদ্ধে কাজ করেছিল, তাদের শোচনীয় পরাজয় হয়েছে। প্রমাণ হয়েছে খালেদা জিয়াই সত্য। জনগণের কাছেও স্পষ্ট হয়েছে।'
