রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গুলি করে হত্যা
ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুর রহমান ওরফে মোসাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়াও তার সঙ্গে থাকা সুফিয়ান ব্যাপারী ওরফে মাসুদ নামে আরেক ব্যক্তিও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
আজ বুধবার রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা মার্কেটের পেছনে তেজতুরি বাজার এলাকায় অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীরা মোটরসাইকেলে করে এসে তাদের গুলি করে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কাজীপাড়া–গ্রিনরোড এলাকায় মোসাব্বিরের ওপর পাঁচ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। পুলিশ আরও জানায়, গুলিবিদ্ধ দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে বিআরবি হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোসাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করেন।
বসুন্ধরা সিটির পেছনের এলাকার রুহুল আমিন নামের এক ব্যক্তি বলেন, '২০০৭ সালে বসুন্ধরা সিটির পাশে গার্ডেন রোড কাজিপাড়ায় থাকতাম। তখন মোসাব্বির তরুণ ছিলেন। সর্বশেষ ২০২৩ সালের শেষ দিকে বাংলা ভিশনের গলিতে বিএনপির কোনো একটা কর্মসূচির আগে দেখেছিলাম। মাঝে বেশ কয়েকবার তার মুক্তির দাবিতে লাগানো পোস্টার চোখে পড়েছে।'
তিনি আরও বলেন, 'মোসাব্বির ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক পর্যন্ত হয়েছিলেন। সর্বশেষ কোনো পদে ছিলেন কি না জানি না। আজ তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।'
এদিকে গুলিবিদ্ধ সুফিয়ান ব্যাপারী ওরফে মাসুদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি কারওয়ান বাজার ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক।
পুলিশের তেজগাঁও অঞ্চলের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার ফজলুল করিম বলেন, স্টার কাবাবের পাশের ওই গলিতে দুজনকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমানের পেটে গুলি লেগেছে। তাকে উদ্ধার করে পান্থপথের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে ঘটনার পর কারওয়ান বাজারে সার্ক ফোয়ারা মোড় অবরোধ করেছেন একদল বিক্ষুব্ধ লোক। এতে ওই মোড় দিয়ে যান চলাচল বিঘ্নিত হয়। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে সেনাবাহিনী এসে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিলে যান চলাচল শুরু হয়।
পরে আবার বিক্ষোভকারীরা সড়কে নামেন। তাদের ঘিরে রেখেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ। বিক্ষোভের মধ্যেই পাশ দিয়ে যানবাহন চলছে।
