ফুটপাতে সস্তায় ‘মামলা ঠেকানোর হেলমেট’, বাইকারদের স্বস্তি, যাত্রীদের শঙ্কা
তিন বছর ধরে ঢাকায় রাইড শেয়ারিং অ্যাপের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছেন নুরুল হুদা। প্রতিদিন সকাল সাতটায় শুরু হয় তার দিন। শনির আখড়া থেকে উত্তরা—দীর্ঘ এই রুটে প্রতিদিন রাইড শেয়ার করেন রাত নয়টা পর্যন্ত। এটিই তার প্রধান পেশা।
প্রতিদিনের মতো সেদিন সকালেও তিনি বের হয়েছিলেন বাইক নিয়ে। জরুরি কাগজপত্র, পানির বোতল আর হেলমেট তার নিত্যসঙ্গী। নিজের হেলমেটের সাথে যাত্রীর হেলমেটটাও সঙ্গে নেওয়া হয় প্রতিদিনই। কিন্তু সেদিন কীভাবে যেন ভুল হয়ে গেল—যাত্রীর হেলমেট সাথে না নিয়েই বের হয়ে পড়লেন।
প্রথম যাত্রী নিয়েই পড়লেন বিপাকে। হেলমেট ছাড়া যাত্রী নিলে হতে পারে বড় অঙ্কের জরিমানা। এত সকালে মোটরসাইকেল সামগ্রীর দোকানও খোলেনি। মোহাম্মদপুর থেকে যাত্রী নিয়ে আসাদগেট পর্যন্ত আসলেন নুরুল হুদা। আসাদগেট ফুটওভার ব্রিজের নিচে চোখ যেতেই দেখলেন সারি সারি রঙ-বেরঙের হেলমেট ঝুলিয়ে রাখা ফুটপাথের ওপর। বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে। সাতপাঁচ না ভেবে সাথে সাথেই একটি হেলমেট কিনে নিলেন।
ঢাকার বিভিন্ন স্থানে এভাবে ভ্রাম্যমান হেলমেট বিক্রেতারা নিশ্চিত মামলা থেকে বাঁচিয়ে দিচ্ছেন অনেক বাইকারকে। ঢাকার সবচেয়ে ব্যস্ত সড়ক মিরপুর রোডে দুই জায়গায় রাস্তার পাশে সস্তায় বিক্রি হচ্ছে হেলমেট—আসাদগেট ফুটওভার ব্রিজের নিচে আর সাইন্সল্যাব মোড়ে। এসব ফুটপাতের হেলমেট রাইড শেয়ার করা বাইকারদের জন্য বেশ সুবিধাজনক। তবে মোটরসাইকেলে সওয়ার হওয়া সাধারণ যাত্রীদের জন্য এগুলো মোটেও স্বস্তির হয় নয়।
প্রয়োজন থেকে আয়োজন
বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন আইন আর মোটরযান আইনে হেলমেট ব্যবহার না করার জন্য শাস্তির ধারা আছে। বাইকের চালক আর সহযাত্রী (পিলিয়ন) উভয়েরই হেলমেট ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। চার বছর বা তারচেয়ে বেশি বয়সী প্রত্যেককে হেলমেট পরে হবে। এই আইন অমান্য করলে চালক ও সহযাত্রী উভয়েরই অনধিক দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা অনধিক তিন মাস কারাদণ্ড হতে পারে। ঢাকার ব্যস্ততম সড়কগুলোয় প্রতিদিনই ট্রাফিক সার্জেন্টরা অসংখ্য মোটরবাইক চালকদের হেলমেট না পরার কারণে মামলা দিয়ে থাকেন।
ঢাকা শহরে প্রতিদিনই বাড়ছে মোটরবাইকের সংখ্যা। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, শুধু ঢাকা শহরে নিবন্ধিত মোটরবাইক সংখ্যা প্রায় ১৩ লাখ।
হেলমেটের বাড়তি চাহিদার কথা ভেবেই রাস্তার পাশে হেলমেট বিক্রি শুরু করেছিলেন দুই বন্ধু হাসিব আর আমিন। দু'জনই ঢাকায় থাকেন, বাইকও আছে তাদের। নিজেদের অভিজ্ঞতা থেকে তারা জানেন, ঢাকার রাস্তায় হেলমেট ব্যবহার বাইকারদের জন্য কত জরুরি।
গত পাঁচ মাস ধরে ঢাকার আসাদগেট ফুটওভার ব্রিজের নিচে হেলমেট নিয়ে বসেন তারা। প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত চলে তাদের বেচাকেনা। প্রতিদিন গড়ে ২০-২৫টি হেলমেট বিক্রি হয় তাদের এই অস্থায়ী ব্যবসায়।
ব্যবসা করার জন্য রাস্তার পাশে কোনো দোকান বসাতে পারেনি তারা। ফুটপাথের রেলিং এর সাথে নতুন হেলমেট ঝুলিয়ে রাখা হয় স্ট্র্যাপ দিয়ে বেঁধে। রাস্তার পাশে বিক্রি হয় বিধায় এখানে দামি হেলমেট রাখা সম্ভব নয় বলে জানান হাসিব।
তার মতে, এখানে মূলত বিক্রি হয় 'মামলা ঠেকানো হেলমেট'।
"ফুটপাতে বেশি টাকা দিয়ে দামি হেলমেট কেউ কিনতে আসবে না। তাই দেশের লোকাল হেলমেট নিয়ে বসি আমরা," বললেন হাসিব।
হাসিব-আমিনের এই ভ্রাম্যমান দোকানে হেলমেটের দাম ১০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত। হেলমেট তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদান ভেদে দাম নির্ধারিত হয়। একটু ভালো মানের হেলমেট কিনতে হলে দাম বেশি পড়ে। তবে ফুটপাতের ক্রেতারা খোঁজেন কম দামি হেলমেট। ফলে এখানকার বেশিরভাগ পণ্যই নিম্নমানের কাঁচামালে তৈরি।
হেলমেটের সামনে ভাইজর লাগিয়ে দিতে পারেন বিক্রেতারা। তখন মূল দামের সঙ্গে আরও ১০০ টাকা বেশি দিতে হয়। যেকোনো হেলমেট কিনলেই সেখানে আলাদা করে ভাইজর লাগানো যায়। এছাড়া, পুরাতন হেলমেট হালকা মেরামতের কাজও তারা করে থাকেন।
বিক্রেতারা জানালেন, এখানে হেলমেট ছাড়াও কিনতে পাওয়া যায় ডাস্ট কোট, হ্যান্ড গ্লাভস আর ক্যারিয়ার স্ট্র্যাপ। ১০০ থেকে ৩০০ টাকার ভেতরে পাওয়া যায় এসব সামগ্রী।
ফুটপাতের এই দোকানেই কথা হলো এক বাইকারের সঙ্গে। তিনি হেলমেট কিনতে এসেছে। এখান থেকে কেন হেলমেট কিনছেন জানতে চাইলে বললেন, "রাইড শেয়ারিং করি, পিলিয়নের (সহযাত্রী) হেলমেটের স্ট্র্যাপ ছিঁড়ে গেল আজকে দুপুরে। ছেঁড়া স্ট্র্যাপের হেলমেট তো কাস্টমারকে দেওয়া যায় না। তাই একটা হেলমেট কিনতে আসলাম। এখানে কম দামে পাওয়া যায়।"
নিরাপত্তার চেয়ে মামলার ভয় বেশি
মোটরবাইক চালানোর জন্য বিশ্বব্যাপী হেলমেট পড়ার আইন আছে। শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ মস্তিষ্কের সুরক্ষা করাই হেলমেটের প্রধান কাজ। মোটরবাইক দূর্ঘটনায় মাথা যেন কম ক্ষতিগ্রস্ত হয় সে কারণে হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক।
হেলমেটকে শুধু আইনি বাধ্যবাধকতা হিসেবে নয়, জীবন রক্ষাকারী উপকরণ হিসেবে দেখা উচিত। আমাদের দেশে সড়ক দূর্ঘটনা নিত্য ব্যপার। সংবাদমাধ্যমে দিকে চোখ রাখলেই প্রতিদিন সড়ক দূর্ঘটনায় অসংখ্য মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দেশের মোট সড়ক দূর্ঘটনার ৪৩.৪২ শতাংশ মৃত্যু হয়েছে মোটরবাইক আরোহীদের। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানসম্মত হেলমেট ৬৯ শতাংশ পর্যন্ত গুরুতর মাথার আঘাত থেকে রক্ষা করতে পারে। তবে দেশে নির্দিষ্ট আইন থাকলেও তা মানা হয় খুব কমই।
ইউএনইসিই (UNECE) কর্তৃক প্রকাশিত বিশ্বব্যাপী হেলমেটের মান রক্ষার নির্দেশনায় বলা হয়েছে, মস্তিষ্কের আঘাতের একমাত্র কার্যকর সমাধান হলো প্রতিরোধ; কারণ মস্তিষ্কের আঘাতের কোনো নিরাময় নেই। ভালো বা মানসম্পন্ন হেলমেট ব্যবহার না করলে মোটরবাইক দূর্ঘটনায় 'ক্লোজড হেড ইনজুরি' হয়। মাথা কোনো শক্ত বস্তুতে আঘাত করলে মস্তিষ্ক সামনের দিকে এগিয়ে যায় এবং খুলির হাড়ে আঘাত করে। এতে করে মস্তিষ্ক বিকৃত হতে পারে এবং স্নায়ু ফাইবারগুলো ছিঁড়ে যেতে পারে—যা নিরাময়যোগ্য নয়। একবার মস্তিষ্কের কোষ হারালে তা প্রতিস্থাপন করা যায় না। যারা মস্তিষ্কের আঘাত নিয়ে বেঁচে থাকেন তাদের বুদ্ধিমত্তা হ্রাস পায়, নিজেদের যত্ন নেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়।
সড়ক দূর্ঘটনায় মোটরবাইক চালক আর যাত্রীদের মারা যাওয়ার সম্ভাবনা সাধারণ গাড়ির যাত্রীদের চেয়ে প্রায় ২৭ গুণ বেশি এবং আহত হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৬ গুণ বেশি।
কিন্তু রাস্তায় যে হেলমেটগুলো বিক্রি করা হয়, তা কি আদৌ মোটরবাইক চালক বা সহযাত্রীদের নিরাপত্তা দিতে পারে? কম দামী উপাদান দিয়ে তৈরি এসব হেলমেট নিরাপত্তার জন্য না বরং মামলা ঠেকানোর জন্যই কেনা হয়। কারা বানায় এসব হেলমেট আর কর্তৃপক্ষের নজরদারি কেন নেই—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আমরা গিয়েছিলাম বংশালে। এটি দেশের সবচেয়ে বড় হেলমেট বাজারগুলোর মধ্যে একটি।
অনুমোদনহীন হেলমেট যায় ফুটপাতে
বংশালে রাস্তার দু'পাশেই অসংখ্য হেলমেটের দোকান। পরিমাণে বেশি আর দাম কিছুটা কম বলে হেলমেটের জন্য বাইকারদের প্রিয় একটি জায়গা এটি। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ব্যবসায়ীদের কাছেও বংশালই ভরসা। এ এলাকার বিভিন্ন দোকান ঘুরে জানা গেলো নানা তথ্য।
বাংলাদেশে উন্নত মানের হেলমেট নির্মাণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে হাতেগোনা কয়েকটি। দেশে হেলমেটের চাহিদার বেশিরভাগই পূরণ হয় আমদানি থেকে। বিএসটিআই এর সঠিক মান নিশ্চিত হলেই কেবল এসব হেলমেট দেশে ঢুকতে পারে—জনালেন এখানকার বিক্রেতারা।
তবে ঢাকার ভেতরে যেসব কারখানায় হেলমেট তৈরি হয়, সেগুলোর বেশিরভাগেরই থাকে না বিএসটিআইয়ের অনুমোদন।
তারা আরও জানালেন, ১৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায় একটি ভালো মানের হেলমেট। তবে দেশীয় হেলমেট মেলে একশো থেকে হাজার টাকার মধ্যে। রাইড শেয়ার বৃদ্ধি পাওয়ায় এসব হেলমেটের চাহিদাও তুঙ্গে। ফলে এই বাজার ধরতেই নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে হেলমেট তৈরি করেন অনেক ব্যবসায়ী।
বিএসটিআই অনুমোদিত হেলমেট তৈরিতে ব্যবহার করা হয় এবিএস প্লাস্টিক। হেলমেটের ভেতরে দেওয়া হয় উন্নতমানের কর্কশিট আর ফোম। ফলে রাইডারের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়।
বিএসটিআইয়ের বিডিএস ১১৩৬:২০২২ নং তালিকায় বলা আছে, দুই চাকার যান (মোটরবাইক, স্কুটার, বৈদ্যুতিক যানবাহন) আরোহীদের জন্য সুরক্ষামূলক হেলমেট তৈরির উপকরণ, নির্মাণ, কারিগরি প্রক্রিয়া, ফিনিশিং, ওজন, কর্মক্ষমতা ইত্যাদির মান বজায় রাখতে হবে।
বংশালের লিন অটো কর্পোরেশনের মালিক সোহেল বলেন, "হেলমেট যেগুলা ২০০-৫০০ টাকায় পাওয়া যায় সেগুলোর বিএসটিআইয়ের কোনো অনুমোদন থাকে না। এগুলার সবচেয়ে বড় ক্রেতা উবার–পাঠাও চালকরা। পিলিয়নের (সহযাত্রী) জন্য কম দামে হেলমেটগুলা কিনে নিয়ে যান তারা। কিন্তু নিজেদের জন্য দামী হেলমেটই কেনেন চালকরা।"
যাত্রীদের মতে, অনুমোদনহীন এসব হেলমেট কিনে তাদের ঝুঁকির মুখে ফেলা হচ্ছে। এ ব্যপারে জানতে চাওয়া হয় পেশাদার উবার চালক সাহেদ হকের কাছে। তিনি বলেন, "একটা ভালো হেলমেটের দাম ২-৪ হাজার টাকা পড়ে। যত্ন করে ব্যবহার করা লাগে এগুলো। কাস্টমাররা এগুলো কীভাবে ব্যবহার করে, তার কোনো নিশ্চয়তা নাই। যার কারণে এত টাকা ইনভেস্ট করি না আমরা হেলমেটের পেছনে।"
বংশালের সব হেলমেটের দোকানেই বিক্রি করা হয় নিম্নমানের এসব হেলমেট—যা তৈরি করা হয় মিক্সড ও রিসাইকেল করা প্লাস্টিক দিয়ে। ভেতরে দেওয়া হয় সস্তা ফোম। কিছু কিছু হেলমেটে ফোমও দেওয়া হয় না। শুধু পাতলা কাপড় দিয়ে রাখা হয়। দূর্ঘটনায় এসব হেলমেট মাথা বাঁচাবে, এমন আশা করাও অবান্তর বলে মনে করেন লিন অটো কর্পোরেশনের সোহেল।
কোথায় বানানো হয় এসব স্বস্তা ও অনিরাপদ হেলমেট? উত্তর নেই কারো কাছে। সবাই বলছেন, বংশালেই বানানো হয়। কিন্তু কারখানার ঠিকানা কেউ জানেন না। কিছুদিন পর পর ভ্যানে করে এনে তাদের কাছে পাইকারি করে বিক্রি করা হয়।
কনকর্ড অটো ইন্টারন্যাশনালেও বিক্রি হয় এসব হেলমেট। তাদের এক কর্মচারী জানালেন, "আপনি আশেপাশের অনেক বিল্ডিংয়ে এসব হেলমেট বিক্রির কারখানা পাবেন। তবে তারা গোপনে কাজ করে। হেলমেট উৎপাদনের অনুমতি নেই এদের। কাস্টমারদের অনেক চাহিদা এগুলোর জন্য। তাই আমরাও বিক্রি করি। কিন্তু এগুলো পড়া মোটেও নিরাপদ নয়।"
আসল ঝুঁকিতে যাত্রীরা
নিম্নমানের এসব হেলমেটের ঝুঁকি সবাই জানেন, তবে এটির উৎপাদন বন্ধ করার তাগিদ নেই কারো। বিক্রেতারা দিচ্ছেন বাজার চাহিদার দোহাই, আর মোটরসাইকেল চালকেরা দিচ্ছেন সহজলভ্যতার দায়। তবে মূল ভুক্তভোগী যারা, সেই যাত্রীরা রয়েছেন শঙ্কায়।
নিয়মিত বাইক রাইড শেয়ার সেবা গ্রহণ করেন সুমন মালাকার। তিনি পূর্বাচলের একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। যাত্রী হিসেবে হেলমেট নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানালেন তিনি।
"আমি মাসে অন্তত ১৫-২০ দিন বাইক নিয়ে ভার্সিটি যাই। বেশিরভাগ বাইকের হেলমেট থাকে বাজে। অনেক সময় এমন হয় যে হেলমেট আমাকে রক্ষা করবে কী, উল্টা আমারই হেলমেট ধরে রাখতে হয়।", বললেন সুমন।
"খুবই পাতলা প্লাস্টিকের সস্তা হেলমেট। বাইক এক্সিডেন্ট করলে এগুলো তো কোনো কাজেই আসবে না,", যোগ করলেন তিনি।
সুমনের মতোই অভিজ্ঞতা বেশিরভাগ যাত্রীর। তবে এর শেষ কোথায়—কেউ জানেন না। নিয়ম রক্ষার এই হেলমেট শিগগিরই দূর হওয়ার তেমন উদ্যোগও চোখে পড়ে না। তাই ফুটপাতে বিক্রেতারাও দৈনিক এসব হেলমেটের পসরা সাজিয়ে বসছেন নিসংকোচ।
ছবি: ফাইয়াজ আহনাফ সামিন/টিবিএস