স্বামীর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত খালেদা জিয়া
দুপুর ৪:৫৫
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন
বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ৪টার পর ঢাকার জিয়া উদ্যানে স্বামী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও সংলগ্ন মানিক মিয়া এভিনিউয়ে তার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। সেখান থেকে আশপাশের বিভিন্ন এলাকার সব রাস্তা জুড়ে সমবেত হন দেশের দূর-দূরান্ত থেকে আসা বিএনপি নেতা, কর্মী, সমর্থকসহ বিপুল সংখ্যক মানুষ।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরাও বাংলাদেশে আসেন খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। পাশাপাশি, বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরাও জানাজায় শামিল হন।
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অনুষ্ঠিত এই জানাজায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টারাও অংশ নেন।
বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানেরাও খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিয়েছেন।
খালেদা জিয়ার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মরদেহজানাজাস্থলে আনা, জানাজা ও দাফন পর্যন্ত সঙ্গে ছিলেন।
দুপুর ৩:২০
খালেদা জিয়ার জানাজা শেষে মরদেহ নেওয়া হচ্ছে জিয়া উদ্যানে
বুধবার বেলা তিনটায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খালেদা জিয়ার জানাজা নামাজ সম্পন্ন হয়েছে ।
সংসদ ভবনের মাঠ ও সংলগ্ন মানিক মিয়া এভিনিউসহ পুরো এলাকা জুড়ে জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ দেশ-বিদেশের অসংখ্য মানুষ অংশ নিয়েছেন।
দাফনের উদ্দেশ্যে খালেদা জিয়ার মরদেহ কিছুক্ষণের মাঝে জিয়া উদ্যানে নেওয়া হবে।
আজ বেলা সাড়ে তিনটা নাগাদ তাকে তার স্বামী জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করার কথা রয়েছে।
দুপুর ৩:১১
খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আজ বুধবার বেলা ৩টায় খালেদা জিয়ার জানাজা শুরু হয়। জানাজায় অংশ নিতে মানুষের ঢল নামে।
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক খালেদা জিয়ার জানাজা পড়ান।
জাতীয় সংসদ ভবনের মাঠ ও সংলগ্ন মানিক মিয়া এভিনিউয়ে তার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে ও আশপাশের সব রাস্তা জুড়ে সমবেত হয়েছেন দেশের দূর-দূরান্ত থেকে আসা বিএনপি নেতা, কর্মী, সমর্থকসহ বিপুল সংখ্যক মানুষ।
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অনুষ্ঠিত এই জানাজায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস অংশ নিয়েছেন। তার সাথে যোগ দিয়েছেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টারাও।
খালেদা জিয়ার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা আছেন সেখানে।
বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানেরাও খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিয়েছেন।
একইসাথে, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্যরাও এই জানাজায় অংশ নিয়েছেন।
দুপুর ৩টা
জানাজা স্থলে খালেদা জিয়ার মরদেহ
কিছুক্ষণ আগে খালেদা জিয়ার মরদেহ জানাজা স্থলে নিয়ে আসা হয়েছে।
তারেক রহমান, ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ দেশি-বিদেশি রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ব্যক্তিরা ছাড়া অসংখ্য মানুষ জানাজায় অংশ নিতে জড়ো হয়েছেন।
দুপুর পৌনে তিনটার দিকে জানাজা শুরুর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়।
শুরুতে বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান খালেদা জিয়াকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন। তিনি খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত জীবন ও রাজনৈতিক যাত্রা নিয়ে কথা বলেন।
দুপুর ২টা
খালেদা জিয়ার জানাজায় অজস্র মানুষের ঢল
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজার নামাজ শুরু হয়েছে। এতে অংশ নিচ্ছেন অসংখ্যা মানুষ।
মানিক মিয়া অ্যাভেনিউসহ সংসদ ভবন ও আশেপাশের এলাকা ফার্মগেট, বিজয় সরণি ও মেট্রো স্টেশনগুলোতেও মানুষ জানাজায় দাঁড়িয়েছেন।
দুপুর ২টার দিকে তারা তারা সবাই জানাজার জন্য সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়ান।
জানাজায় অংশ নিতে দেশের দূর-দূরান্ত থেকে সর্বস্তরের অসংখ্য মানুষ সংসদ ভবন এলাকায় জড়ো হয়েছেন।
সেইসাথে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরাও খালেদা জিয়াকে শেষ বিদায় দিতে বাংলাদেশে এসেছেন।
জানাজা পড়াচ্ছেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব।
জানাজায় অংশ নিতে সংসদ ভবন এলাকায় এসেছেন প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টা পরিষদের অন্য সদস্য, তিন বাহিনী প্রধানসহ সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা।
এছাড়া বিভিন্ন দূতাবাসের কূটনীতিক ও বিদেশি অতিথিরাও সেখানে রয়েছেন।
দুপুর ১:৫০
জানাজায় অংশ নিতে সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকায় অগুনতি মানুষের ঢল
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, সংসদ ভবন ও সংলগ্ন এলাকায় জড়ো হয়েছেন।
কালো পোশাক ও ব্যাজ পরে, দলীয় পতাকা হাতে নিয়ে খালেদা জিয়ার জানাজাস্থলে লাখো মানুষ জড়ো হচ্ছেন।
ঢাকার বাইরে থেকে আসা বাসগুলো মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে রেখে পায়ে হেঁটে জানাজায় যাচ্ছেন মানুষ।
মানিক মিয়া এভিনিউর চারপাশের বিভিন্ন রাস্তায় গাড়ি চলাচল বন্ধ করে শুধুমাত্র পায়ে হেঁটে প্রবেশের সুযোগ রয়েছে।
আগারগাঁও মোড়, বিজয় সরণি মোড়, ফার্মগেট মোড় থেকে মানিক মিয়া এভিনিউতে গাড়ি প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছে।
দুপুর ১:৪০
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে নেপাল ও ভুটানের শোকবার্তা
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে শোকবার্তা পাঠিয়েছে প্রতিবেশী দেশ নেপাল ও ভুটান।
আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা হস্তান্তর করেন নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা ও ভুটানের পররাষ্ট্র ও বৈদেশিক বাণিজ্য মন্ত্রী লিয়নপো ডি. এন. ধুংগেল।
দুপুর ১:৩০
তারেক রহমানকে সহমর্মিতা জানান পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার
খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় এসেছেন প্রতিবেশী রাষ্ট্র পাকিস্তানের প্রতিনিধি দল।
আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সহমর্মিতা জানান পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক।
দুপুর ১:২০
তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা তুলে দিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকবার্তা পাঠিয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত।
আজ দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা তুলে দেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
এস জয়শঙ্কর আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছান।
ঢাকায় পৌঁছালে বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
দুপুর ১টা
খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
খালেদা জিয়ার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অনুষ্ঠেয় জানাজায় অংশ নিতে ভুটানের পররাষ্ট্র ও বৈদেশিক বাণিজ্য মন্ত্রী লিয়নপো ডি. এন. ধুংগেল আজ সকালে ঢাকা এসে পৌঁছেছেন।
ভুটান সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি বেগম খালেদা জিয়ার শেষ বিদায়ে অংশ নিচ্ছেন।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম সামাদ বাসসকে জানান, বিমানবন্দরে ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা স্বাগত জানান।
বেলা ১২:৪০
খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় পাকিস্তানের স্পিকার
খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার সারদার আয়াজ সাদিক।
আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) পাকিস্তান হাই কমিশন বাংলাদেশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানাতে অন্যান্য দেশের প্রতিনিধিরাও একে একে ঢাকায় আসছেন।
এছাড়া, খালেদা জিয়ার শেষ যাত্রায় তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সর্বস্তরের মানুষ এসে আজ ভোর থেকেই জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় জড়ো হচ্ছেন।
খালেদা জিয়ার মরদেহ গুলশানে তার বড় ছেলে তারেক রহমানের বাসভবন থেকে ইতোমধ্যেই সংসদ ভবন এলাকায় পৌঁছেছে।
বেলা ১২টা
সংসদ ভবন এলাকায় পৌঁছেছে খালেদা জিয়ার মরদেহ
গুলশান থেকে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় পৌঁছেছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মরদেহ বহনকারী গাড়ি।
তাকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে অজস্র মানুষ ইতোমধ্যেই ওই এলাকায় জড়ো হয়েছেন।
আজ দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের মাঠ ও সংলগ্ন মানিক মিয়া এভিনিউসহ পুরো এলাকাজুড়ে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
জানাজা শেষে বেলা সাড়ে ৩টায় খালেদা জিয়াকে তার স্বামী, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হবে।
আজ বুধবার সকাল নয়টার একটু আগে বাংলাদেশের পতাকায় মোড়ানো একটি গাড়িতে করে তার মরদেহ এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানে তার ছেলে তারেক রহমানের বাসায় নেওয়া হয়।
সেখানে তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানান খালেদা জিয়ার স্বজন ও বিএনপি'র নেতা কর্মীরা।
বেলা ১১:৪০
খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর
খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় এসেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় এসে পৌঁছান তিনি।
ঢাকায় পৌঁছালে বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের মুখপাত্র এ তথ্য বাসস-কে নিশ্চিত করেছে।
বেলা ১১:৩০
মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পথে খালেদা জিয়ার মরদেহ
গুলশান থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মরদেহ বহনকারী গাড়ি বের হয়েছে।
জাতীয় পতাকায় মোড়ানো মরদেহবাহী গাড়িটি এখন খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজার স্থান মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের দিকে যাচ্ছে।
সেখানে দেশ-বিদেশের শীর্ষ নেতা ও কূটনীতিকদের বাইরে সর্বস্তুরের মানুষজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন।
সকাল ১১ টার পরে গুলশান এভিনিউর ১৯৬ নম্বর বাসভবন থেকে খালেদা জিয়ার মরদেহ নিয়ে জ্যেষ্ঠ ছেলে তারেক রহমান নামাজে জানাজার স্থল জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার উদ্দেশে রওয়ানা হন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ, সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং মরহুমার পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজন সঙ্গে রয়েছেন।
এর আগে, সকাল ৯টার দিকে গাড়িটি এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে তারেক রহমানের গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসায় নেওয়া হয়েছিলো। সেখানে তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানান পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনেরা।
সকাল ১১:১৫
গুলশানের 'ফিরোজা'য় খালেদা জিয়ার মরদেহ
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মরদেহ রাজধানীর গুলশানে তার দীর্ঘদিনের বাসভবন ফিরোজায় নেওয়া হয়েছে। সেখানেই তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন দলের নেতাকর্মী ও স্বজনরা।
সকাল ১০:৩৫
মায়ের কফিনের পাশে কোরআন তেলাওয়াত করছেন তারেক রহমান
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মরদেহ তার ছেলে তারেক রহমানের বাসায় নেওয়া হয়েছে। এখানে তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানান দলের নেতাকর্মী ও স্বজনরা।
সেখানে মায়ের কফিনের পাশে বসে কোরআন তেলাওয়াত করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ (৩১ ডিসেম্বর) সকালে বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজ থেকে কোরআন তেলাওয়াতের ভিডিও প্রকাশ করা হয়।
সকাল ৯:৩৫
গুলশানে তারেক রহমানের বাসায় খালেদা জিয়ার মরদেহ
এদিকে, প্রাথমিকভাবে কথা ছিল, খালেদা জিয়ার মরদেহ প্রথমে গুলশানে তার দীর্ঘদিনের বাসভবন 'ফিরোজা'য় নেওয়া হবে। কিন্তু পরে তার মরদেহ বহনকারী গাড়িটি তারেক রহমানের গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসায় নেওয়া হয়।
এর আগে, খালেদা জিয়াকে বহনকারী গাড়ি আজ (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা ৫৪ মিনিটে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানের উদ্দেশে রওনা দেয়।
তার আগে সকাল ৮টা ৩৪ মিনিটে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো খালেদা জিয়ার কফিন গাড়িতে তোলা হয়। এ সময় হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ দুপুর ২টায় জোহরের নামাজের পর রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
এরপর বেলা সাড়ে ৩টার দিকে স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন খালেদা জিয়া।
গতকাল (৩০ ডিসেম্বর) রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজার পরিবর্তে খালেদা জিয়ার কফিন রাখা হবে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্তে। জানাজা অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদের অভ্যন্তরীণ মাঠ, বাইরের প্রাঙ্গণ এবং মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পুরো এলাকাজুড়ে।
এদিকে, খালেদা জিয়ার গাড়ি বের হওয়ার সময় এভারকেয়ার হাসপাতাল ও আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সশস্ত্র বাহিনী স্পেশাল ফোর্স (এএসএফ), প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পুলিশ ও র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সদস্যরা নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করেন।
হাসপাতালের প্রধান ফটক কাঁটাতারের ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রাখা হয়।
সকাল ৯টা
খালেদা জিয়ার জানাজা ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় বাড়ছে জনতার ঢল
খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাদ জোহর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে।
তার জানাজায় অংশগ্রহণ করতে এবং শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ইতোমধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সংসদ ভবন এলাকায় ছুটে আসছেন সাধারণ মানুষ।
আরও পড়ুন: খালেদা জিয়ার জানাজা: চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি, সংসদ ভবন এলাকায় বাড়ছে জনতার ঢল
সরেজমিনে দেখা যায়, কুড়িগ্রাম, কুমিল্লা, ফেনী, ময়মনসিংহ অনেক জেলা থেকে অসংখ্য মানুষ তার জানাজায় অংশ নিতে আসছেন। অনেকেই ভোর চারটায় এসে পৌঁছেছেন।
উপস্থিত অনেকেই কালো ব্যাজ পরে এসেছেন।
