চট্টগ্রামে ‘ভাসমান গুদামের’ বিরুদ্ধে অভিযান, মেলেনি সয়াবিন তেল মজুতের প্রমাণ

বাজারে যথাসময়ে আমদানিকৃত পণ্য সরবরাহ না করে সেগুলো সমুদ্র ও নদীতে ভাসমান নৌযানে অবৈধ মজুত ঠেকাতে যৌথ অভিযান শুরু করেছে কোস্টগার্ড, নৌপরিবহন অধিদপ্তর ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আমদানিকৃত পণ্য নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি সময় ধরে সংরক্ষণ করতে লাইটার জাহাজকে 'ভাসমান গুদাম' হিসেবে ব্যবহার করছেন। এর উদ্দেশ্য বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা।
তবে বুধবারের অভিযানে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে সয়াবিন তেল মজুতের কোনো প্রমাণ মেলেনি বলে জানান অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
বুধবার (১৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে কর্ণফুলী নদী ও বন্দরের বহির্নোঙ্গর এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
আরও পড়ুন: নদীবন্দরে ৫৬ জাহাজে ভাসছে ৯০ হাজার টন সয়াবিন
তবে অভিযানে বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে দুটি লাইটার জাহাজকে মোট ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাদিয়া আফরিন কচি দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে জানান, ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি পণ্য লোড করার কারণে এমটি ইরাবতিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, মেয়াদোত্তীর্ণ অগ্নিনির্বাপক লাইসেন্স নিয়ে কার্যক্রম চালানোর দায়ে এমটি এভারগ্রিনকেও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানের অংশ হিসেবে যৌথ দল অন্তত ১৫টি লাইটার জাহাজ পরিদর্শন করে। নিয়ম অনুযায়ী, পণ্য খালাসের পর ৭২ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে জাহাজে তা সংরক্ষণ করা নিষিদ্ধ।