৫০০ থেকে ১০,০০০ কোটি টাকা: বিকাশ ও সিটি ব্যাংকের ন্যানো লোনের চমক জাগানো সাফল্য
প্রায় চার বছর আগে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল ন্যানো লোন সুবিধা নিয়েছিলেন বেসরকারি চাকরিজীবী রেজাউল করিম। চালু হওয়ার পরপরই যখন তিনি এই ঋণ নেন, তখন প্রাথমিক ঋণসীমা (ক্রেডিট লিমিট) ছিল ১ হাজার টাকা।
এরপর থেকে তিনি অনেকবার এই সেবা ব্যবহার করেছেন। লেনদেনের ইতিহাস ও ঋণ পরিশোধের অভ্যাসের ওপর ভিত্তি করে তার ঋণসীমা ধীরে ধীরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার টাকা।
টিবিএসের সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রেজাউল জানান, তার দৈনন্দিন খরচের জন্য স্বল্পমেয়াদি অর্থায়নের গুরুত্বপূর্ণ উৎসে পরিণত হয়েছে এই ডিজিটাল ঋণ সেবা।
বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে পেমেন্ট করার সময় তিনি প্রথম এই ঋণের কথা জানতে পারেন। শর্তাবলি খতিয়ে দেখার পর একটি শার্ট কেনার জন্য ১ হাজার টাকা ধার নেন তিনি।
রেজাউল বলেন, 'জরুরি পরিস্থিতিতে বা তাৎক্ষণিক নগদ টাকার প্রয়োজন পড়লে এই সার্ভিস বিশেষভাবে কাজে আসে। যেমন ইদের ছুটিতে ব্যাংকিং সেবাগুলো সেভাবে পাওয়া যায় না। একবার বাড়ির বাইরে থাকার সময় নগদ টাকা ফুরিয়ে যাওয়ায় আমি এভাবে ১১ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলাম।'
২০২১ সালের ডিসেম্বরে বিকাশ ও সিটি ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে শুরু হয় দেশের প্রথম সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও জামানতবিহীন এই ঋণ সেবা। চলতি বছরের জুলাইয়ে ডিজিটাল ন্যানো লোন বিতরণের পরিমাণ ১০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে, সেবাটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
ডিজিটাল ন্যানো লোন প্ল্যাটফর্মের আওতায় এ পর্যন্ত বিকাশের ৩৫ লাখেরও বেশি গ্রাহক সিটি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন। প্রান্তিক মানুষের ঋণ পাওয়ার সুযোগকে আরও সহজলভ্য করার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় সাফল্য।
বিকাশের তথ্যানুযায়ী, ব্যবহারকারীরা এই ঋণ সেবা ৩ কোটি বারের বেশি গ্রহণ করেছেন। পেমেন্টের আচরণের ওপর ভিত্তি করে এই প্ল্যাটফর্মে সর্বনিম্ন ৫০০ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হয়।
এই ডিজিটাল ঋণ প্ল্যাটফর্মের আওতায় প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ গ্রাহক বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে প্রত্যেকে গড়ে ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে পেয়ে থাকেন। এর বিপরীতে দেশের সব ব্যাংক মিলিয়ে প্রতিদিন মাত্র ২০-২৫ হাজার ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়ে থাকে।
বিকাশের তথ্যমতে, বিকাশ অ্যাপে ব্যবহারকারীদের লেনদেন ধরন, কেওয়াইসি তথ্য ও আগের ঋণ পরিশোধের রেকর্ডের ওপর ভিত্তি করে বর্তমানে তাদের ১.২ কোটিরও বেশি গ্রাহক এই ঋণ পাওয়ার যোগ্য।
সিটি ব্যাংকের তথ্যানুসারে, প্রথমে মাত্র ২ লাখ গ্রাহককে নিয়ে সেবাটি শুরু হয়েছিল। পরীক্ষামূলক পর্যায় শেষে তা ৮ লাখে উন্নীত হয়। গত চার বছরে ধীরে ধীরে তা বেড়ে ১.২ কোটিতে পৌঁছেছে।
সিটি ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক অরূপ হায়দার বলেন, ডিজিটাল ন্যানো লোন মূলত আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও সবার জন্য ঋণের সুযোগ উন্মুক্ত করার বৃহত্তর গল্পের কথা বলে। এটাই ছিল এ সেবা চালুর মূল ধারণা।
তিনি বলেন, মানুষ প্রায়ই এমন অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতিতে পড়ে যান, যখন তাদের জরুরি ভিত্তিতে নগদ টাকার প্রয়োজন হয়; কিন্তু সেই প্রয়োজন মেটানোর মতো কোনো ব্যবস্থা আগে ছিল না। ন্যানো লোন এখন সেই শূন্যস্থান পূরণ করেছে।
অরূপ আরও বলেন, এই ঋণ সুবিধা কেবল সবজি বিক্রেতাদেরই নয়, বরং কর্পোরেট চাকরিজীবী, সাংবাদিকসহ অসংখ্য সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নত করেছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এখনকার ঋণগ্রহীতার সংখ্যা যদি বাড়তে থাকে, তবে ঋণের গড় আকার ৩ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ১০ হাজার টাকায় উন্নীত হতে পারে। কারণ গ্রাহকরা ধীরে ধীরে তাদের ক্রেডিট স্কোর ও ঋণ পরিশোধের ইতিহাস তৈরি করছেন। তিনি আরও বলেন, ঋণের আকার যখন বাড়বে, তখন তা উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহৃত হবে।
এই ব্যাংকার বলেন, 'আজ আমরা যা দেখছি, তা মূল হিমশৈলের চূড়া মাত্র।'
অরূপ আরও বলেন, 'শেষপর্যন্ত, সম্ভবত ২০৩০ বা ২০৩১ সাল নাগাদ, প্রতিদিন প্রায় দশ লাখ মানুষ ন্যানো লোন পেতে পারে। তা হওয়ার পর অপ্রাতিষ্ঠানিক মহাজনরা অনেকাংশেই বিলুপ্ত হয়ে যাবেন। অনেক স্থানীয় ঋণদান সমিতিও উঠে যাবে।' তিনি আরও মনে করেন, এনজিওগুলোর ক্ষুদ্রঋণ বাজারের একটি উল্লেখযোগ্য অংশও একসময় ন্যানো লোনের দখলে চলে আসবে।
ন্যানো লোন যেভাবে ঋণের সুযোগকে সহজলভ্য করছে
বিকাশের তথ্যানুযায়ী, ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণের প্রায় অর্ধেকই ঢাকা ও চট্টগ্রামের মতো বড় শহরের বাইরে বিতরণ করা হয়েছে। ফলে ছোট শহর, গ্রাম ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য আনুষ্ঠানিক অর্থায়নের সুযোগ প্রসারিত হয়েছে। ঋণগ্রহীতাদের এক-চতুর্থাংশের বেশি নারী, যা তাদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও অর্থনৈতিক অংশগ্রহণকে আরও দৃঢ় করছে।
বিকাশের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার আলী আহম্মেদ বলেন, এই মাইলফলকের তাৎপর্যপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রভাব আছে। কারণ এই ঋণ বিশেষ করে বড় শহরগুলোর বাইরে এমন মানুষদের কাছে পৌঁছাচ্ছে, যাদের আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং সেবায় প্রবেশের সুযোগ নেই বললেই চলে। নারী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা এ ঋণ উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহার করছেন, ইনভেন্টরি বা চলতি মূলধন হিসেবে।
তিনি জানান, গ্রাহকদের ফিডব্যাক ও অভ্যন্তরীণ গবেষণা বলছে, অনেক ঋণগ্রহীতা তাদের আয় বাড়ানোর কার্যক্রমে সহায়তার জন্য এই অর্থ ব্যবহার করেন।
উদাহরণস্বরূপ, বাজারে সবজি বিক্রি করেন, এমন একজন ব্যক্তি সকালে ৫ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে সবজি কিনে ঢাকায় এনে বিক্রি করতে পারেন। তিনি হয়তো এক সপ্তাহ বা এক মাসের মধ্যে ঋণটি শোধ করে দেবেন, কিন্তু এই সময়ের মধ্যেই ৩০ হাজার টাকার ব্যবসা করতে পারবেন। যেহেতু সবজি ব্যবসায় প্রায়ই ৪০-৫০ শতাংশ মুনাফা হয়, তাইতিনি এখান থেকে ভালো অঙ্কের আয় করতে পারেন। এমন হাজার হাজার ঘটনার সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রভাব পরিমাপ করা কঠিন বলে মন্তব্য করেন আলী আহম্মেদ।
তিনি আরও বলেন, সরকারের ক্যাশলেস বাংলাদেশ গড়ার ভিশনের শুরুটা হয় মানুষের নগদ লেনদেন থেকে ডিজিটাল লেনদেনে স্থানান্তরের মাধ্যমে। গ্রাহকরা ডিজিটাল পদ্ধতিতে মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) ব্যবহার করতে শুরু করলে তাদের একটি ক্রেডিট হিস্ট্রি (ঋণ পরিশোধের ইতিহাস) তৈরি হয়।
ঋণগ্রহীতাদের তালিকা প্রতিনিয়ত হালনাগাদ করা হয়। সম্পূর্ণ স্কোরিং মডেলের ওপর ভিত্তি করে কিছু গ্রাহক যোগ্যতা অর্জন করেন, আবার অন্যদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। নতুন লেনদেন ও ঋণ পরিশোধের তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সময়ের পরিক্রমায় তাদের ঋণসীমাও বদলায়।
বিকাশ অ্যাকাউন্টের লেনদেনের ইতিহাস ও সিটি ব্যাংকের ঋণ নীতির ভিত্তিতে গ্রাহকের ঋণ পাওয়ার যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়। ঋণ পরিশোধের মেয়াদ ৩ থেকে ৬ মাস।
সর্বোচ্চ ছয় মাসের মেয়াদটি মূলত 'পে লেটার' সুবিধা ব্যবহার করে নির্দিষ্ট কিছু পণ্য কেনার অর্থায়নের জন্য দেওয়া হয়। ঋণগ্রহীতাদের খুব সামান্য অংশই এই অপশন ব্যবহার করেন। ব্যাংকটির তথ্যমতে, প্রায় ৯৯ শতাংশ গ্রাহকই তিন মাসের মধ্যে ঋণ শোধ করে দেন।
জরুরি খরচ, শিক্ষা ব্যয়, পারিবারিক প্রয়োজন ও ব্যবসার সাময়িক নগদ অর্থের ঘাটতি সামাল দিতে সাহায্য করে এই সেবা একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সুরক্ষা বেষ্টনীতে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি সেবাটি সুযোগসন্ধানী অপ্রাতিষ্ঠানিক ঋণদাতাদের ওপর নির্ভরশীলতা কমাচ্ছে।
নির্ধারিত সময়ের আগে ঋণ পরিশোধ করলে কোনো চার্জ কাটা হয় না। আর ঋণ যতদিন বকেয়া থাকে, কেবল সেই সময়ের জন্যই সুদ প্রযোজ্য হয়।
যোগ্য গ্রাহকরা সহজেই বিকাশ অ্যাপের 'লোন' আইকনে ট্যাপ করে তাদের অনুমোদিত সীমার মধ্যে কাঙ্ক্ষিত টাকার পরিমাণ লিখে, শর্তাবলিতে সম্মতি জানিয়ে এবং বিকাশ পিন দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিকাশ অ্যাকাউন্টে অনুমোদিত ঋণ পেয়ে যান।
সামগ্রিক ব্যবসায় ডিজিটাল ন্যানো লোনের অবদান এখনও নগণ্য হলেও সিটি ব্যাংক ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়তে এবং ঋণ পরিশোধের ইতিবাচক আচরণের দেখতে পেয়েছে। ফলে সেবাটি ব্রেক-ইভেনে (আয়-ব্যয়ের সমতা) রয়েছে।
১ শতাংশেরও কম খেলাপি হারের মাধ্যমে এই ডিজিটাল ঋণ মডেল পোর্টফোলিওর শক্তিশালী মান প্রমাণ করেছে। ব্যাংকটি জানিয়েছে, মোট ঋণের মধ্যে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকাই গত ১৮ মাসে বিতরণ করা হয়েছে, যা এই সেবার দ্রুত সম্প্রসারণের প্রমাণ।
সিটি ব্যাংকের তথ্যমতে, এ পর্যন্ত তাদের বিতরণ করা ১০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে প্রায় ৮০ কোটি টাকা এখনও আদায় করা যায়নি।
ন্যানো লোনে খরচ কত?
অরূপ হায়দার জানান, ডিজিটাল ন্যানো লোনের জন্য ব্যাংক ১৭ শতাংশ থেকে ১৯ শতাংশ সুদ নেয়। এই সুদহার আপাতদৃষ্টিতে বেশি মনে হলেও তা বোঝা হয়ে দাঁড়ায় না। 'আপাতদৃষ্টিতে এটি বেশি মনে হলেও বেশিরভাগ মানুষ একে অযৌক্তিক মনে করেন না।'
তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, 'আপনি যদি ১০ হাজার টাকা ঋণ নেন, তাহলে তিন মাসের ঋণ পরিশোধের মেয়াদে আপনাকে ফেরত দিতে হবে প্রায় ১০ হাজার ৪০০ টাকা।'
অরূপ বলেন, প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ঋণ প্রদানে বৃহৎ অপারেশনাল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। 'ডিজিটাল প্রযুক্তি এই জায়গাতেই সবকিছু বদলে দেয়।'
তিনি আরও বলেন, 'বিকল্পগুলোর কথাও ভেবে দেখুন। আপনি যদি প্রথাগত পদ্ধতিতে উপায়ে ১০ হাজার টাকা ক্যাশ আউট করেন, তাহলে ফি বাবদ প্রায় ২০০ টাকা খরচ হতে পারে। কিন্তু এখানে আপনি তিন মাসের জন্য ঋণ পাচ্ছেন; আর সেটা পরিশোধ করতে পারছেন ধীরে ধীরে, কিস্তিতে। এই ঋণ যখন আপনার তাৎক্ষণিক সমস্যার সমাধান করে দিচ্ছে, তখন এর বিনিময়ে আপনাকে সব মিলিয়ে বাড়তি অর্থ দিতে হচ্ছে মাত্র ৪০০ টাকারও কম।'
ডিজিটাল ন্যানো লোনের ভবিষ্যৎ
আলী আহম্মেদ দুটি বড় সম্ভাবনা দেখছেন। প্রথমত, দেশে জাতীয় পরিচয়পত্রধারী প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের সংখ্যা প্রায় ১২ কোটি ৬৬ লাখ এবং এমএফএস ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৮ কোটি ৪০ লাখের বেশি। সেই হিসাব অনুযায়ী ঋণ সুবিধা পাওয়া গ্রাহকের সংখ্যা অনেক বাড়তে পারে।
দ্বিতীয়ত, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) জন্য ডিজিটাল ন্যানো লোনে বড় সম্ভাবনা আছে। এখন অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর আনুষ্ঠানিক অর্থায়ন পাওয়ার তেমন কোনো সুযোগ নেই। অথচ তাদের অনেকেই ক্যাশ-ইন, ক্যাশ-আউট ও মার্চেন্ট পেমেন্টের জন্য আগে থেকেই বিকাশ ব্যবহার করেন।
তিনি বলেন, 'ব্যাংকগুলো যদি আমাদের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করে চলতি মূলধনের জন্য ঋণ দেয়, তাহলে এই তহবিল আরও অনেক বেশি উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহার করা যাবে।
'উদাহরণস্বরূপ, ধরুন একটা ফার্মেসি ১ লাখ টাকা ঋণ পেল। তারা নগদ টাকা না নিয়ে সরাসরি ওষুধ কোম্পানিগুলোকে ওষুধ কেনার অর্থ পরিশোধ করতে পারে। এরপর ফার্মেসি সেই ওষুধগুলো বিক্রি করে এক সপ্তাহ, ১৫ দিন বা এক মাস পর ঋণ পরিশোধ করে দিতে পারবে।'
তিনি আরও বলেন, 'আমরা প্রায়ই বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির ধীরগতি নিয়ে আলোচনা করি। আমার বিশ্বাস, আমরা যদি এসএমইগুলোর জন্য ডিজিটাল ঋণদানকে সঠিকভাবে কাঠামোগত রূপ দিতে পারি, তাহলে এটি ভবিষ্যতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারবে।'
