হরমুজ প্রণালি বন্ধের ধাক্কায় ঝুঁকিতে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলার পর বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এক সংকটময় মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছে। তেহরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে—এমন খবরে নীতিনির্ধারকরা বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস বাণিজ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ থেকে উদ্ভূত ঝুঁকি মূল্যায়নে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।
কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ও পরিশোধিত (জ্বালানি) পণ্য আমদানি মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ভবিষ্যৎ জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে ইতোমধ্যে সতর্কবার্তা দিয়েছে।
গতকাল পেট্রোবাংলা ও বিপিসির চেয়ারম্যানরা বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর কাছে বর্তমান জ্বালানি পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য করণীয় সম্পর্কে ব্রিফিং দেন।
কেন হরমুজ গুরুত্বপূর্ণ
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ; বৈশ্বিক তেল বাণিজ্যের প্রায় ২০ শতাংশ এবং সমুদ্রপথে পরিবাহিত এলএনজির প্রায় ২০ শতাংশ এই নৌপথ দিয়ে যায়।
আমদানিনির্ভর বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহের জন্য এই সংকীর্ণ সামুদ্রিক করিডর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মার্চ থেকে মে পর্যন্ত পেট্রোবাংলার এলএনজি আমদানি পরিকল্পনা দেখলেই হরমুজ বন্ধের কারণে দেশের ঝুঁকির মাত্রা স্পষ্ট হয়। এই তিন মাসে বাংলাদেশে ২২টি এলএনজি কার্গো পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এর মধ্যে ১৮টিই হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে আসতে হবে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, মার্চে ছয়টি, এপ্রিলে পাঁচটি এবং মে মাসে সাতটি কার্গো হরমুজ হয়ে দেশে আসার কথা।
পেট্রোবাংলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির পরিবর্তনের ফলে এই সমুদ্রপথে সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. এরফানুল হক গতকাল দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, "অনিশ্চয়তা রয়েছে, তবে এখনো কোনো সরবরাহকারী বিঘ্নের কথা জানায়নি। দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় এলএনজি সরবরাহে চাপ সৃষ্টি হলে স্পট মার্কেটই হবে একমাত্র ভরসা।"
জ্বালানি মন্ত্রীর কাছে উপস্থাপিত এক নথিতে বলা হয়েছে, "পাঁচটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে দ্রুত ই-মেইল করে এলএনজি কার্গো সরবরাহ বিষয়ে তাদের অবস্থান জানতে হবে। পাশাপাশি স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি আমদানির সম্ভাব্যতা জরুরি ভিত্তিতে যাচাই করতে হবে।"
এই পাঁচ সরবরাহকারীর মধ্যে দুটি দীর্ঘমেয়াদি এবং তিনটি স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় রয়েছে।
দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি সরবরাহে চাপ
মার্চ মাসে কাতারএনার্জি, কাতারএনার্জি ট্রেডিং ও ওমান ট্রেডিং থেকে সাতটি কার্গো আসার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি কাতার থেকে—সবগুলোই হরমুজ হয়ে—এবং একটি আফ্রিকার অ্যাঙ্গোলা থেকে আসবে। পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, কাতারের ছয়টি কার্গোর মধ্যে তিনটি ইতোমধ্যে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে।
এপ্রিল মাসে কাতারএনার্জি, কাতারএনার্জি ট্রেডিং, ওমান ট্রেডিং ও এক্সেলারেট এনার্জি থেকে ছয়টি কার্গো আসার কথা। এর মধ্যে পাঁচটি কাতার থেকে হরমুজ হয়ে এবং একটি অ্যাঙ্গোলা থেকে আসবে।
আর মে মাসে কাতারএনার্জি, কাতারএনার্জি ট্রেডিং, ওমান ট্রেডিং ও এক্সেলারেট থেকে নয়টি কার্গো আসার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে সাতটি কাতার থেকে হরমুজ হয়ে, একটি অ্যাঙ্গোলা থেকে এবং একটি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসবে।
চলতি বছরে দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তি এবং স্পট মার্কেট মিলিয়ে বাংলাদেশের মোট ১১৫টি এলএনজি কার্গো আমদানির পরিকল্পনা করেছে। এর মধ্যে ১০৩টি দীর্ঘ ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় এবং ১২টি স্পট মার্কেট থেকে আসার কথা।
পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত হওয়ার পর এই যুদ্ধ এক চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। "আশা করি যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে না। যদি তা হয়, তবে স্পট মার্কেট থেকেই এলএনজি আমদানি করতে হবে।"
কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে শুধু চুক্তিভিত্তিক সরবরাহ নয়, স্পট কার্গোও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
দেশে পরিশোধিত জ্বালানি মজুতের মিশ্র চিত্র
এলএনজি আমদানিতে হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরতা উদ্বেগের কারণ হলেও বিপিসি বলছে, পরিশোধিত জ্বালানি আমদানির উৎস তুলনামূলকভাবে বৈচিত্র্যময় হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের বিঘ্নের ঝুঁকি কিছুটা কম।
বিপিসির তথ্য অনুযায়ী, ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের জ্বালানি মজুতের মিশ্র চিত্র উঠে আসে।
ডিজেলের মোট সংরক্ষণ সক্ষমতা ৬,২৪,১৮৯ টন; এর মধ্যে ব্যবহারযোগ্য মজুত ১,৩৪,০৬২ টন—যা ১০ দিনের চাহিদা মেটাতে সক্ষম।
অকটেনের সংরক্ষণ সক্ষমতা ৫৩,৩৬১ টন; ব্যবহারযোগ্য ৩৩,৬৪০ টন— যা ২৮ দিনের মজুত। পেট্রোলের সংরক্ষণ সক্ষমতা ৩৭,০১৩ টন; ব্যবহারযোগ্য মজুত ১৮,৫৯২ টন— যা ১৫ দিনের জন্য যথেষ্ট।
ফার্নেস অয়েল সংরক্ষণ সক্ষমতা ১,৪৪,৮৬৯ টন; ব্যবহারযোগ্য মজুত ৭৬,১৫৬ টন— যা ৯৩ দিনের সরবরাহ নিশ্চিত করতে পারে। জেট ফুয়েলের ক্ষেত্রে এই সক্ষমতা ৬৪,১১৮ টন; ব্যবহারযোগ্য মজুত ২৫,০২০ টন— যা ১৩ দিনের চাহিদা মেটাতে পারে।
কেরোসিনের সংরক্ষণ সক্ষমতা ৩৬,৯৪১ টন; ব্যবহারযোগ্য ২৯,৫৮৩ টন— যা ২৪১ দিনের মজুত। মেরিন ফুয়েলের সক্ষমতা ১৬,২১৯ টন; ব্যবহারযোগ্য ৪,৬৭৫ টন—৪২ দিনের চাহিদা মেটাবে।
ডিজেল ও পেট্রোলের মতো প্রধান জ্বালানি পণ্যের মজুত কম হলেও বিপিসি কর্মকর্তারা বলছেন, এতে আপাতত আতঙ্কের কোনো কারণ নেই।
বিপিসির পরিচালক (অপারেশনস ও পরিকল্পনা) এ কে এম আজাদুর রহমান বলেন, জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় সরবরাহকারীদের শিপমেন্ট বজায় রাখার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এছাড়া অকটেন, পেট্রোল, ফার্নেস অয়েল, জেট ফুয়েল ও কেরোসিন চীন, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও কয়েকটি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ থেকে আমদানি করা হয়—ফলে একক রুটের ওপর এগুলোর নির্ভরশীলতা কম।
তবে বিপিসি কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, হরমুজ-প্রণালির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বিঘ্নিত হলে পরিশোধিত পণ্যের প্রাপ্যতাও ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
বাড়তি তেলের দাম বাড়াচ্ছে আর্থিক চাপ
সরবরাহ ঝুঁকির বাইরেও বাংলাদেশের সামনে আরেকটি চ্যালেঞ্জ—বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামে ঊর্ধ্বগতি।
শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত হামলার পর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৮০ ডলারে পৌঁছায়। প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বেড়েছে ১.১৩ শতাংশ।
বিশ্লেষকদের ভাষায়, বাজারে এখন "ওয়ার প্রিমিয়াম" যুক্ত হয়েছে—অর্থাৎ সরাসরি সরবরাহ ক্ষতি না হলেও ঝুঁকিভিত্তিক মূল্য বেড়েছে।
বিশ্ববাজার বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত সীমিত থাকলে দাম ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারের আশেপাশে স্থিতিশীল হতে পারে—যা ফেব্রুয়ারির ৬২–৬৫ ডলারের তুলনায় বেশি।
অন্যদিকে শিপিং রুট বা তেল অবকাঠামো বিঘ্নিত হলে ব্রেন্ট ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত বা হরমুজ প্রণালি দীর্ঘসময় বন্ধ থাকলে দাম ১৩০–১৪০ ডলারেও পৌঁছাতে পারে।
রাজস্ব ঘাটতি ও ভর্তুকির চাপে থাকা বাংলাদেশের জন্য এমন মূল্যবৃদ্ধি সামাল দেওয়া কঠিন হবে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকরা বলছেন, তেলের চড়া দাম এবং স্পট মার্কেটের ব্যয়বহুল এলএনজির ওপর নির্ভরতা—দুটো একসঙ্গে বহন করার সক্ষমতা দেশের নেই।
পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যান বলেন, "আমরা খুব টাইট সিচুয়েশনে আছি। এলএনজির দাম নাগালের বাইরে চলে গেলে সরবরাহ কমানো ছাড়া উপায় থাকবে না।"
এখনো কোনো সরবরাহকারী আনুষ্ঠানিকভাবে বিঘ্নের কথা জানায়নি। তবে কর্মকর্তারা স্বীকার করছেন, সামনের কয়েক সপ্তাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।
হাজার মাইল দূরের একটি সংকীর্ণ জলপথের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকা বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এখন নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত কোন দিকে মোড় নেয় তার ওপর।
সার আমদানিতে প্রভাব নেই
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বাংলাদেশের সার আমদানিতে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন কৃষি মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)–এর কর্মকর্তারা। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক কোনো সক্রিয় ক্রয়প্রক্রিয়া নেই।
তাঁরা জানান, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশ থেকে বাংলাদেশের সার আমদানির প্রক্রিয়া চলছে না। চলতি অর্থবছরের বেশিরভাগ আমদানি ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। যা বাকি রয়েছে সেগুলো মধ্যপ্রাচ্যের বাইরের দেশ এবং দেশে অবস্থিত কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে সংগ্রহ করা হবে।
কৃষি মন্ত্রণালয় সুত্র জানিয়েছে, ১ মার্চ তারিখের হিসাবে দেশে ১৬.৮৫ লাখ টন সার মজুদ রয়েছে। এরমধ্যে ৪.৯৯ লাখ টন ইউরিয়া সার মজুদ আছে বিসিআইসির কাছে। আর ৩.৫৩ লাখ টন এমওপি, ৩.৬১ লাখ টন টিএসপি এবং ৪.৭১ লাখ টন ডিএপি সার মজুদ রয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) কাছে।
এর বাইরে চট্টগ্রামে অবস্থিত কাফকো থেকে সংগ্রহ করা হবে ৫.৫ লাখ টন। বিসিআইসির অধীনস্থ সার কারখানাগুলোও উৎপাদন করবে।
উল্লেখ্য দেশের প্রয়োজনীয় সার আমদানি করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সংস্থা- বিএডিসি এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিসিআইসি। বিসিআইসি শুধু ইউরিয়া সার আমদানি করে থাকে।
এই পরিপ্রেক্ষিতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সার ব্যবস্থাপনা ও উপকরণ) আহমেদ ফয়সাল ইমাম মনে করছেন আগামী নভেম্বর পর্যন্ত দেশে সারের ঘাটতি হবে না।
তিনি টিবিএসকে বলেন, "বোরো মৌসুমতো নয়ই, বরং আগামী নভেম্বর পর্যন্ত কৃষি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সারের সরবরাহে সংকট হওয়ার কোনো আশংকা নেই। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের সার আমদানিতে তাৎক্ষনিক কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে না।"
ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, সৌদি আরব থেকে সর্বশেষ যে সার কেনা হয়েছে—সেগুলো গত ৪ ফেব্রুয়ারি জাহাজে উঠেছে এবং দেশে পৌঁছেও গেছে। আর মরক্কো থেকে যে সার কেনা হয়েছে, সেগুলো নিয়ে জাহাজ বাংলাদেশ অভিমুখে সাগরে রয়েছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে আসতে হবে এমন কোনো জাহাজ এই মুহুর্তে বাংলাদেশের সার বহন করছে না।
বিসিআইসির পরিচালক (বাণিজ্যিক) মো. মনিরুজ্জামান এবং মহাব্যবস্থাপক (ক্রয়) মো. সাইফুল আলম জানিয়েছেন, একই মত প্রকাশ করেছেন।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিসিআইসির এক কর্মকর্তা বলেন, চলমান গ্যাস সংকটের কারণে দেশীয় উৎপাদন এ বছর সর্বোচ্চ ৭–৮ লাখ টনে সীমিত থাকতে পারে।
বাংলাদেশ প্রতি বছর ৫৮ লাখ থেকে ৬৮ লাখ টনের বেশি বিভিন্ন ধরণের রাসায়নিক সারের চাহিদা রয়েছে। এর ৮০ শতাংশের বেশি আমদানি করতে হয়। প্রধান রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে সৌদি আরব, মরক্কো, চীন, কাতার, তিউনিশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও রাশিয়া। সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে বাংলাদেশের সার আমদানি নিয়ে রাষ্ট্রীয় চুক্তি রয়েছে।
