লোডশেডিং ও মূল্যস্ফীতি মানুষের দুর্ভোগের বড় দুই কারণ: প্রধানমন্ত্রী
বিদ্যুৎ পরিস্থিতির সাম্প্রতিক অবনতি এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতি হার নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ দুটি বিষয়কে তিনি জনগণের ভোগান্তির সবচেয়ে বড় দুই কারণ বলেও উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার (৬ জুন) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এসব নির্দেশনা দেন। তাকে উদ্ধৃত করে বৈঠক শেষে একথা জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।
প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বলেছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে অর্থনৈতিক কলাকৌশল কাজে লাগিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।
গতকাল সোমবার প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুসারে, গত মে'তে মাসিক মূল্যস্ফীতির হার এক যুগের মধ্যে সর্বোচ্চ ৯.৯৪ শতাংশ হয়। আগের মাসে যা ছিল ৯.২৪ শতাংশ। শহর এবং গ্রাম – সবখানেই মানুষকে খাদ্য এবং খাদ্য-বহির্ভুত পণ্য ক্রয়ে আরো বেশি দাম দিতে হচ্ছে।
সে তুলনায় মে মাসে মজুরি প্রবৃদ্ধি হার ছিল ৭.৩২ শতাংশ। এই তথ্য নির্দিষ্ট আয়ের ওপর নির্ভরশীল মানুষের দুর্দশাকেই তুলে ধরে।
এদিকে কিছুদিন ধরেই ব্যাপক লোডশেডিং হচ্ছে দেশব্যাপী: দৈনিক যা প্রায় ২,৫০০ মেগাওয়াট। যা কিনা ১৯৯০ এর দশকে দেশে উৎপাদিত মোট বিদ্যুতের সমান।
চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে লোডশেডিং পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায়, মানুষের আর দুর্ভোগের সীমা নেই। এই অবস্থায়, গত আট জুন পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার ঘোষণাও দিয়েছে সরকার।
এর আগে গত ৪ জুন এক সংবাদ বিফ্রিংয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, চলমান লোডশেডিং পরিস্থিতির উন্নতি হতে সপ্তাহ দুয়েক সময় লাগতে পারে।
