Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Tuesday
March 31, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
TUESDAY, MARCH 31, 2026
চট্টগ্রামে এক দশকে আবাদি জমি কমেছে ৩২ হাজার একর 

বাংলাদেশ

সিফায়াত উল্লাহ, চট্টগ্রাম
16 January, 2020, 11:35 am
Last modified: 16 January, 2020, 05:22 pm

Related News

  • চট্টগ্রামে শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের সহযোগীর ব্যবহৃত বিদেশি পিস্তল উদ্ধার
  • চট্টগ্রামে বন্ধ ফিলিং স্টেশনে মিলল ৮ হাজার লিটার জ্বালানি তেলের মজুত, ১ লাখ টাকা জরিমানা
  • চট্টগ্রামের সলিমপুরে অবৈধভাবে মজুত করা ২৫,০০০ লিটার ডিজেল জব্দ  
  • চট্টগ্রামে অকটেনের চাহিদা দ্বিগুণ, পাম্পে দীর্ঘ সারি; গ্রামে সংকট আরও প্রকট
  • তেলসংকটের অজুহাতে চট্টগ্রামে গ্যাসচালিত যানেও ভাড়া দ্বিগুণ, পরিবহন সংকটে নগরবাসীর ভোগান্তি

চট্টগ্রামে এক দশকে আবাদি জমি কমেছে ৩২ হাজার একর 

অপরিকল্পিত শিল্প কারখানা গিলে খাচ্ছে ফসলি জমি। একেকটা ইটভাটা গড়ে উঠছে কয়েক একর জমির ওপর। বাঁধ না থাকায় ভাঙনে নদীতে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি।
সিফায়াত উল্লাহ, চট্টগ্রাম
16 January, 2020, 11:35 am
Last modified: 16 January, 2020, 05:22 pm
চট্টগ্রামে ফসলি জমিতে গৃহ নির্মাণ ও কল-কারখানা স্থাপনের ফলে হারিয়ে যাচ্ছে আবাদি জমি। ছবিটি নগরীর দক্ষিণ কাট্টলী এলাকা থেকে তোলা। ছবি: মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন

হাটহাজারীর এক হাজার একরের লালাচন্দ্র বিল। ইতোমধ্যে বিলটির প্রায় ৩০০ একর জমি কিনেছে একাধিক আবাসন প্রতিষ্ঠান। স্থানীয়রা বলছেন, গত এক দশক ধরে এই বিলে আবাসন প্রকল্প তৈরির তোড়জোড় শুরু করে রিয়েল এস্টেট কোম্পানিগুলো। কৃষি বা আবাদি জমি ভরাট করে আবাসন প্রকল্প করার নিয়ম না থাকলেও কোম্পানিগুলো সেই নিয়ম মানছে না। এসব কৃষিজমি পর্যায়ক্রমে আবাসন ভূমিতে রূপান্তরিত হচ্ছে।

লালা চন্দ্র রায় নামে মোগল আমলে একজন বিখ্যাত জমিদার ছিলেন। তিনি জাতিতে রাজপূত্র বংশীয়। কলকাতার দূর্গাপূর ছিল তার আদিনিবাস। তিনি কলকাতা থেকে হাটহাজারীর শিকারপূর এসে বসতি স্থাপন করেন। লালা চন্দ্র বিল তারই স্মৃতি বহন করে।

শুধু এই বিল নয়, আবাসনের ইটপাথর গিলে খাচ্ছে চট্টগ্রাম অঞ্চলের কৃষিজমি। একসময় চট্টগ্রাম শহরের চান্দগাঁও, বায়েজিদ, পাহাড়তলি, হালিশহর, পতেঙ্গাসহ বিভিন্ন এলাকায় অনেক কৃষি জমি দেখা যেতো। বর্তমানে সেখানে শুধু ভবন আর ভবন।

আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রাম অঞ্চলে গত ১০ বছরে কৃষি জমি কমেছে ৩২ হাজার একরেরও বেশি। এসব জমিতে নির্মাণ করা হচ্ছে বসতঘর, ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থাপনা। ফলে খাদ্য উৎপাদনও কমেছে।

লালাচন্দ্র বিলের বাথুয়া অংশে সরেজমিনে দেখা গেছে, সেখানে একাধিক বহুতল ভবন গড়ে উঠেছে। ফসলি জমিতে খামারবাড়িও গড়া হয়েছে। রাস্তার পাশে অনেক জমিতে সীমানা দেয়াল নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে গেড়ে দেয়া হয়েছে পরিচিতি ফলক। কিছু জমিতে মাটি ভরাট করার প্রক্রিয়া চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দা সমির দত্ত দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, ‘‘লালাচন্দ্র বিলের সঙ্গে অনেক কৃষকের ভাগ্য জড়িত। এই বিলে চাষ করে অনেক কৃষক জীবন-যাপন করেন। তবে যে হারে এখানে ঘরবাড়ি হচ্ছে, একদিন ঐতিহ্যবাহী বিলটি হারিয়ে যাবে।’’

আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নাছির উদ্দিন বলেন, ‘‘মূলত ঘরবাড়ি নির্মাণের কারণে আবাদি জমির সংখ্যা কমছে। প্রতিবছর এই হার বাড়ছে। গত ১০ বছরে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ৩২ হাজারের বেশি একর জমি কমেছে।’’

তিনি আরও বলেন, অপরিকল্পিত শিল্প কারখানা গিলে খাচ্ছে ফসলি জমি। একেকটা ইটভাটা গড়ে উঠছে কয়েক একর জমির ওপর। বাঁধ না থাকায় ভাঙনে নদীতে বিলিন হচ্ছে ফসলি জমি। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় কৃষি জমিতে লবণাক্ততা বাড়ছে। ফলে অনেক জমিতে ফসল ফলানো সম্ভব হচ্ছে না।

একদিকে ফসলি জমি ও অন্যদিকে কল-কারখানা। এভাবেই হারিয়ে যাচ্ছে আবাদি জমি। ছবিটি চট্টগ্রাম নগরীর দক্ষিণ কাট্টলী এলাকা থেকে তোলা। ছবি: মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন

আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮-০৯ সালে চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাঁচ জেলা তথা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলায় আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ছিলো ৭ লাখ ১৮ হাজার ৪৩৭ হেক্টর। ২০১৭-১৮ সালে সেটি হয়েছে ৭ লাখ ৫ হাজার ৬৮১ হেক্টর।

একই সময়ে এক ফসলি জমির সংখ্যাও কমেছে। ২০০৮-০৯ সালে এক ফসলি জমি ছিলো এক লাখ ৯০ হাজার ৬৬৩ হেক্টর। ২০১৭-১৮ সালে সেটি দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৬৬ হাজার হেক্টর।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম অঞ্চলের ৪২ শতাংশ জমি এখনো সেচের বাইরে। ২০০৮-০৯ সালে মোট জমির ৩৬ শতাংশ সেচের বাইরে ছিলো। এক দশকে সেচের আওতায় এসেছে মাত্র ৬ শতাংশ জমি।

তবে চট্টগ্রামে এক দশকে কৃষি পরিবারের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় দুই লাখ। ২০০৮-০৯ সালে কৃষি পরিবার ছিলো ১৫ লাখ ৮ হাজার ২৩০টি। ২০১৭-১৮ সালে সেটি দাঁড়িয়েছে ১৭ লাখ ৩৬ হাজার ১৮৮টি।

কৃষি জমি কমে যাওয়ার কারণ অনুসন্ধানে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছে পরিবেশ ও জলবায়ু গবেষক ম. আবদুর রহমান। তিনি বলেন, দেশের ছয়টি উপজেলায় আমরা গবেষণা কাজ চালিয়েছে। কৃষি জমি কমার প্রধান কারণ আবাসন নির্মাণ। এজন্য খাদ্য ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে।

ফসলি জমিতে গড়ে উঠা স্থাপনা অবৈধ বলছেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ শাহীনুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, ‘‘সিডিএ কোনো আবাদি জমিতে স্থাপনা নির্মাণে নকশা অনুমোদন দেয় না। কৃষি জমিতে সেসব স্থাপনা গড়ে উঠছে সেগুলো অনুমোদনীন। অবৈধ এসব স্থাপনা যেকোনো সময় ভেঙে ফেলা হবে।’’

(https://tbsnews.net/environment/13000-hectare-arable-lands-lost-housing-industrialisation-36813)

Related Topics

টপ নিউজ

চট্টগ্রাম / আবাদি জমি

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
    জুলাইয়ে ৬ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নে অর্থ ছাড় দেবে অর্থ মন্ত্রণালয়: গভর্নর
  • গ্রাফিকস: টিবিএস
    জ্বালানিতে ঘাটতি নেই, এপ্রিলেই আসছে ৫০ হাজার টন অকটেন: সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী
  • ছবি: সংগৃহীত
    সারা বছরই ট্যাক্স রিটার্ন দেওয়া যাবে অনলাইনে, নির্ধারিত সময়ে দিলে বিশেষ সুবিধা: এনবিআর চেয়ারম্যান
  • ছবি: সংগৃহীত
    তেল বিক্রির সময়সীমা সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা নির্ধারণসহ ৮ দাবি মালিক সমিতির
  • জ্বালানি ঝুঁকি মোকাবিলায় কারখানাগুলো ঝুঁকছে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে, সক্ষমতা ছাড়াল ৫০০ মেগাওয়াট
    জ্বালানি ঝুঁকি মোকাবিলায় কারখানাগুলো ঝুঁকছে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে, সক্ষমতা ছাড়াল ৫০০ মেগাওয়াট
  • মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ছবি: রয়টার্স
    যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য একটি চুক্তির মাধ্যমে এই যুদ্ধের সমাপ্তি; মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে চীন-পাকিস্তানের ৫ দফা ঘোষণা

Related News

  • চট্টগ্রামে শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের সহযোগীর ব্যবহৃত বিদেশি পিস্তল উদ্ধার
  • চট্টগ্রামে বন্ধ ফিলিং স্টেশনে মিলল ৮ হাজার লিটার জ্বালানি তেলের মজুত, ১ লাখ টাকা জরিমানা
  • চট্টগ্রামের সলিমপুরে অবৈধভাবে মজুত করা ২৫,০০০ লিটার ডিজেল জব্দ  
  • চট্টগ্রামে অকটেনের চাহিদা দ্বিগুণ, পাম্পে দীর্ঘ সারি; গ্রামে সংকট আরও প্রকট
  • তেলসংকটের অজুহাতে চট্টগ্রামে গ্যাসচালিত যানেও ভাড়া দ্বিগুণ, পরিবহন সংকটে নগরবাসীর ভোগান্তি

Most Read

1
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

জুলাইয়ে ৬ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নে অর্থ ছাড় দেবে অর্থ মন্ত্রণালয়: গভর্নর

2
গ্রাফিকস: টিবিএস
অর্থনীতি

জ্বালানিতে ঘাটতি নেই, এপ্রিলেই আসছে ৫০ হাজার টন অকটেন: সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী

3
ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

সারা বছরই ট্যাক্স রিটার্ন দেওয়া যাবে অনলাইনে, নির্ধারিত সময়ে দিলে বিশেষ সুবিধা: এনবিআর চেয়ারম্যান

4
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

তেল বিক্রির সময়সীমা সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা নির্ধারণসহ ৮ দাবি মালিক সমিতির

5
জ্বালানি ঝুঁকি মোকাবিলায় কারখানাগুলো ঝুঁকছে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে, সক্ষমতা ছাড়াল ৫০০ মেগাওয়াট
অর্থনীতি

জ্বালানি ঝুঁকি মোকাবিলায় কারখানাগুলো ঝুঁকছে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে, সক্ষমতা ছাড়াল ৫০০ মেগাওয়াট

6
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য একটি চুক্তির মাধ্যমে এই যুদ্ধের সমাপ্তি; মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে চীন-পাকিস্তানের ৫ দফা ঘোষণা

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net