উইকেটের দেখা নেই, বড় সংগ্রহের পথে পাকিস্তান
পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে টস জিতে বোলিং নিয়ে দারুণ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের দুই পেসার শরিফুল ইসলাম ও হাসান মাহমুদের দাপটে ১৬ রানের মধ্যেই ৩ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে স্বাগতিকরা। এরপরই অবশ্য চাপ কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ায় পাকিস্তান, দিনও শেষ করে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেই।
প্রথম দিনের ছন্দ নিয়েই দ্বিতীয় দিন শুরু করেছে পাকিস্তান। আগের দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান সৌদ শাকিল ও মোহাম্মদ রিজওয়ান ৪৪ রানের জুটি গড়ে দিনের খেলা শেষ করেন। ৪১ ওভারে ৪ উইকেটে পাকিস্তানের সংগ্রহ ছিল ১৫৮ রান। এখান থেকে দলকে বড় সংগ্রহের পথে নিয়ে যাচ্ছেন শাকিল ও রিজওয়ান।
এ দুজনের সামনে বাংলাদেশের কোনো বোলারই সুবিধা করতে পারছেন না। তাই দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে মেলেনি কোনো উইকেট। সেঞ্চুরির পথে থাকা শাকিল ও রিজওয়ান দলকেও বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। ৪ উইকেটে ২৫৬ রান তুলে মধ্যাহ্ন বিরতিতে গেছে পাকিস্তান। শাকিল ৮৬ ও রিজওয়ান ৮৯ রানে অপরাজিত আছেন। ইতোমধ্যে তারা ১৪২ রানের জুটি গড়েছেন।
আগেরদিন ভেজা মাঠের কারণে টসই হয় ৪ ঘণ্টা পর। এদিনের ৪১ ওভারের খেলায় লড়াইটা হয় সমানে সমান। টস জেতার সুবিধা ভালোভাবেই কাজে লাগান শরিফুল ও হাসান। খেলা মাঠে গড়াতেই দাপট দেখাতে শুরু করেন এ দুজন। বিশেষ করে বাঁহাতি পেসার শরিফুল ছিলেন দুর্বার, তার তোপে কোনঠাসা হয়ে পড়ে পাকিস্তান। সঙ্গে হাসান মাহমুদের দারুণ বোলিংও বিপদ বাড়ায় দলটির।
৮.২ ওভারে ১৬ রানেই ৩ উইকেট হারায় পাকিস্তান। শরিফুল পান তার স্বপ্নের উইকেট। দারুণ এক ডেলিভারিতে তুলে নেন বাবর আজমের উইকেট। দুই বলেই পাকিস্তানের এই তারকা ব্যাটসম্যানকে পরাস্থ করেন তিনি, রানের খাতা খোলার আগেই ফেরেন বাবর।
শুরুতেই দিক হারানো দলের হাল ধরেন সাইম আইয়ুব ও সৌদ শাকিল, তাদের ব্যাটে দিশা পায় পাকিস্তান। চতুর্থ উইকেটে ৯৮ রানের জুটি গড়েন এ দুই ব্যাটসম্যান। ৯৮ বলে ৪টি চার ও একটি ছক্কায় ৫৬ রান করে হাসান মাহমুদের শিকারে পরিণত হন সাইম।
