Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Tuesday
April 21, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
TUESDAY, APRIL 21, 2026
‘গরিবের বাজারে’ও দীর্ঘশ্বাস, খালি হাতেই ফিরছেন ক্রেতারা  

অর্থনীতি

শওকত আলী & জহির রায়হান
23 May, 2022, 11:15 am
Last modified: 23 May, 2022, 11:29 am

Related News

  • ঈদ শেষেও স্বস্তি ফেরেনি বাজারে; মাংসের দাম চড়া, বাড়ছে সবজির দরও
  • ইরান যুদ্ধের জেরে খাতুনগঞ্জে বেড়ে গেছে নিত্যপণ্যের দাম
  • রমজানের বাজারে কমেছে লেবু-শসা-বেগুনসহ কিছু নিত্যপণ্যের দাম
  • রমজানের প্রথম দিনেই চট্টগ্রামে পেঁয়াজের ‘সেঞ্চুরি’, অস্থির রসুনের বাজারও
  • ১১ মাসের মধ্যে জানুয়ারিতে সর্বোচ্চ আমদানি এলসি খোলার রেকর্ড

‘গরিবের বাজারে’ও দীর্ঘশ্বাস, খালি হাতেই ফিরছেন ক্রেতারা  

আগে এ বাজারে ১০ টাকার তেল কেনা যেত, এখন দাম বাড়ায় তেলের প্যাকেট কিনতে হচ্ছে ২০ টাকায়। রিকশাচালক, দোকানের কর্মী, বিভিন্ন কারখানার শ্রমিক, গৃহকর্মী সহ নিম্ন আয়ের মানুষগুলোই মূলত এই বাজারের ক্রেতা।
শওকত আলী & জহির রায়হান
23 May, 2022, 11:15 am
Last modified: 23 May, 2022, 11:29 am

দুপুরের রান্নার জন্য গুঁড়া মরিচ ও চাল কিনতে সকাল ১০টার দিকে 'গরিবের বাজারে' আসেন নুরুন্নাহার। কিন্তু যে দোকানটিতে ৩০ টাকা কেজির চাল বিক্রি হয়, সেই দোকানটি বন্ধ। অন্য দুটি দোকানে মোটা চালের কেজি ৫০ টাকা। কিন্তু এত দামে চাল কেনার টাকা না থাকায় তিনি শুধু ১০ টাকার গুঁড়া মরিচ কিনেই ফিরে যান। 

গৃহকর্মী নুরুন্নাহার টিবিএসকে বলেন, '৩০ টাকায় চাল বিক্রির দোকানটি বন্ধ থাকায় চাল কিনতে পারি নাই। এখন প্রতিবেশি কারও কাছ থেকে একটু চাল ধার করে রান্না করতে হবে।'

বিজয় সরণি তেজগাঁওয়ের তেজকুনিপাড়ার উড়াল সড়কটির নিচে রেললাইনের পাশে অবস্থিত বাজারটি 'গরিবের বাজার' নামে পরিচিত। রিকশাচালক, দোকানের কর্মী, বিভিন্ন কারখানার শ্রমিক, গৃহকর্মী সহ নিম্ন আয়ের মানুষগুলোই মূলত এই বাজারের ক্রেতা।

নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এখানকার দোকানগুলোতে অন্য বাজারের তুলনায় কিছুটা সস্তায় পণ্য পাওয়া যায়। বিশেষ করে দু'তিনটি দোকানে তেল, ডাল, হলুদ-মরিচের গুঁড়াসহ বিভিন্ন পণ্য ছোট ছোট প্যাকেট করে বিক্রি করা হয়।

তবে চাল, গম, তেল, আটা, ময়দা সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রভাব পড়েছে এই বাজারেও। এখানেও সব জিনিসের দাম বেড়েছে। 

বাজার ঘুরে দেখা যায়, ২০ টাকার পলিব্যাগের মধ্যে সয়াবিন তেল রাখা হয়েছে। আগে ১০ টাকার তেল কেনা যেত, এখন দাম বাড়ায় তেলের প্যাকেট কিনতে হচ্ছে ২০ টাকায়। বাজারটিতে ৫-১০ টাকার সবজিও বিক্রি হয়। ৫ টাকার বরবটি, একটু ভাঙা বেগুন এসব বেছে বেছে কিনতে দেখা গেছে কাউকে।

নুরুন্নাহার জানান, দুটি বাসায় কাজ করে প্রতি মাসে তার আয় ৫ হাজার টাকা। গ্রামে থাকা দুই সন্তানের পড়াশোনা ও অন্যান্য খরচ বাবদ ১৫০০ টাকা করে পাঠাতে পারতেন। কিন্তু এখন সবকিছুর খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাড়িতে টাকা পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছেন। তেলের দাম বাড়ার পর থেকেই তিনি নিয়মিত তেল ছাড়া রান্না শুরু করেছেন।

মাস ছয়েক আগে বাসাবাড়িতে কাজ করলেও এখন ছোট সন্তানের জন্য কাজ করতে পারছেন না কুলসুম বেগম। স্বামী সিএনজি চালিয়ে যা আয় করেন তাতেই নিজের সংসার খরচ, শ্বশুরবাড়িতেও খরচ পাঠাতে হয়।

কুলসুম বেগমও এসেছিলেন ৩০ টাকা কেজির চাল কেনার আশায়। দোকান বন্ধ পেয়ে তিনি ১০ টাকার হলুদ ও ৫০ টাকা দিয়ে এক কেজি চাল কিনেছেন। দোকান খুললে একসঙ্গে ৫ কেজি চাল কিনবেন বলে জানালেন।

কুলসুম বলেন, '৫ হাজার টাকা ঘরভাড়া দেওয়ার পর যে টাকা থাকে সেই টাকা দিয়ে কোনোমতে খেয়ে বেঁচে আছি। এক বছর বয়সী ছেলেকে দুধ-ডিম খাওয়ানো দরকার হলেও অতিরিক্ত খরচের কারণে বাড়তি খাবার দিতে পারি না।'

১০- ২০ টাকার পণ্যের প্যাকেট বিক্রি করছেন বিক্রেতা তাসলিমা আক্তার। তিনি বলেন, 'অনেকেই এসে ১০ টাকার তেল চাচ্ছেন। কিন্তু ২০০ টাকা দাম হওয়ার পর আর ১০ টাকার প্যাকেট করা যায় না।'

তিনি জানান ডাল সহ বিভিন্ন মশলার দামবৃদ্ধির কারণে প্যাকেটের দাম ১০ টাকা রাখলেও পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে দেয়া হয়েছে। না হলে লাভ থাকে না। 

বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে ১৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করেন মনির হোসেন। পরিবার নিয়ে বস্তির একটি টিনশেডে ৩ হাজার টাকা দিয়ে ভাড়া থাকেন। দুই সন্তান, স্ত্রী ও মাকে নিয়ে তার বসবাস। যা আয় হয়, তা দিয়ে কোনোমতে টেনেটুনে সংসার চালাচ্ছেন।

তিনি বলেন, 'আগে মাসে ২ দিন মুরগি কিনতাম, এখন সেটা একদিনে এনেছি।' 

মুরগি বিক্রেতা সুলতানা বেগম বলেন, '৮ বছর ধরে ব্যবসা করি এই বাজারে। এমন সংকট কখনও দেখি নি। বিক্রি কমে গেছে। মুরগির দাম ১৬০ টাকা কেজি হলেও এটা রান্না করতে তো তেল সহ মসলা লাগে। এই জন্য অনেকেই এখন মুরগি কিনছে না। প্রতিদিন ৪-৫ হাজার টাকার মুরগি বিক্রি হলেও এখন সেটা ২-৩ হাজারে নেমে এসেছে।'

এই বাজারের মাছ বিক্রেতা মোহাম্মদ ফরহাদ বলেন, 'সিলেটে বন্যা হওয়ার জন্য ছোট মাছ কেজিতে ৪০ টাকা বেড়েছে। তার উপর দ্রব্যমূল্য বাড়ার জন্য বিক্রিও কমে গেছে। তাই আমাদের লাভও কম হচ্ছে। এখানে বেশিরভাগ ক্রেতাই এক পোয়া-আধা কেজি মাছ কিনে।'

মেরুল বাড্ডায় পাঁচতলা বাজার নামে একটি বাজার রয়েছে, সেখান থেকেও নিম্ন আয়ের মানুষের পাশাপাশি সীমিত আয়ের কিছু মধ্যবিত্ত মানুষ বাজার করে আসছে। সেখানে অন্যান্য বাজারের তুলনায় মুরগির মাংস ১০-১৫ টাকা, মাছের দাম কেজিতে ৫০-১০০ টাকা পর্যন্ত কমে পাওয়া যায়। বিভিন্ন সবজিও ৫-১০ টাকা কমে পাওয়া যায়।  

ঢাকার রামপুরা কাঁচাবাজারে এখন এক কেজি তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৭০-১৮০ টাকায়। অথচ এই বাজারে তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৫০ টাকায়।

হাবিবুর রহমান নামের এক বেসরকারী চাকরিজীবী বাজার করতে এসে বলেন, 'বাসার নিচেই সবজি কিনতে পাওয়া যায়। কিন্তু ৫ মিনিটের হাঁটা দূরত্বের এই বাজারে আসলে কেজিতে ৫-১০ টাকা সাশ্রয় হয়। মাছও কিছুটা সস্তায় পাওয়া যায়। সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় খরচ সমন্বয় করতে এই বাজার থেকেই কিছুদিন ধরে নিয়মিত বাজার করছি।' 

ভোক্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খাদ্য থেকে শুরু করে বিভিন্ন নিত্য ব্যবহৃত পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে চাপে পড়েছে সীমিত আয়ের মানুষ। প্রতিদিন খাবার কমিয়ে দিয়ে, একটু সস্তার বাজার খুঁজে কেনাকাটা করে কোনোরকমে পরিবার সামলাচ্ছে এই মানুষেরা।     

 

Related Topics

টপ নিউজ

গরিবের বাজার / বাজারে অস্থিরতা / নিত্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি / নিত্যপণ্য

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস
    ২৬ বিলিয়ন ডলার খরচে মেট্রোরেল তৈরি করেছে ভারত; কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী মিলছে না যাত্রী
  • ছবি: সংগৃহীত
    দীর্ঘ বিলম্ব কাটিয়ে চট্টগ্রামে গতি পাচ্ছে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্প
  • ছবি: সংগৃহীত
    সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ: মনোনীত হলেন যারা
  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
    ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের প্রকাশ্যে বীরত্ব, আড়ালে কার্টারের মতো পরাজিত হওয়ার ভয়
  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
    অধৈর্য আচরণের ভয়: ইরানে অভিযানের সময় ট্রাম্পকে ‘যুদ্ধকক্ষে’ ঢুকতে দেননি সহযোগীরা
  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি; এনবিসি নিউজ
    আজই পাকিস্তানে স্বাক্ষরিত হতে পারে ঐতিহাসিক ইরান চুক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প

Related News

  • ঈদ শেষেও স্বস্তি ফেরেনি বাজারে; মাংসের দাম চড়া, বাড়ছে সবজির দরও
  • ইরান যুদ্ধের জেরে খাতুনগঞ্জে বেড়ে গেছে নিত্যপণ্যের দাম
  • রমজানের বাজারে কমেছে লেবু-শসা-বেগুনসহ কিছু নিত্যপণ্যের দাম
  • রমজানের প্রথম দিনেই চট্টগ্রামে পেঁয়াজের ‘সেঞ্চুরি’, অস্থির রসুনের বাজারও
  • ১১ মাসের মধ্যে জানুয়ারিতে সর্বোচ্চ আমদানি এলসি খোলার রেকর্ড

Most Read

1
ছবি: হিন্দুস্তান টাইমস
আন্তর্জাতিক

২৬ বিলিয়ন ডলার খরচে মেট্রোরেল তৈরি করেছে ভারত; কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী মিলছে না যাত্রী

2
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

দীর্ঘ বিলম্ব কাটিয়ে চট্টগ্রামে গতি পাচ্ছে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্প

3
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ: মনোনীত হলেন যারা

4
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের প্রকাশ্যে বীরত্ব, আড়ালে কার্টারের মতো পরাজিত হওয়ার ভয়

5
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

অধৈর্য আচরণের ভয়: ইরানে অভিযানের সময় ট্রাম্পকে ‘যুদ্ধকক্ষে’ ঢুকতে দেননি সহযোগীরা

6
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি; এনবিসি নিউজ
আন্তর্জাতিক

আজই পাকিস্তানে স্বাক্ষরিত হতে পারে ঐতিহাসিক ইরান চুক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net