যে কারণে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল নরওয়ে
আসন্ন ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে বাংলাদেশিদের সমর্থন চাইল বাংলাদেশে অবস্থিত নরওয়ে দূতাবাস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আজ (৯ জুন) এক বার্তায় ঢাকাস্থ নরওয়ে দূতাবাস বাংলাদেশের ফুটবল ভক্তদের কাছে এই বিশেষ আহ্বান জানায়।
দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়া নরওয়ে মনে করে, ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক নানা মিলের কারণে বাংলাদেশিদের জন্য নরওয়েই হতে পারে সমর্থনের সেরা বিকল্প।
দূতাবাসের পক্ষ থেকে দেওয়া পোস্টে কেন বাংলাদেশিরা নরওয়েকে সমর্থন করবে, তার বেশ কিছু চমকপ্রদ কারণও তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর যে দেশগুলো প্রথম দিকে স্বীকৃতি দিয়েছিল, নরওয়ে তাদের মধ্যে অন্যতম। এছাড়া উভয় দেশই জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিশ্ব শান্তি রক্ষায় একসাথে কাজ করে।
নরওয়ে দূতাবাস আরও বলছে, ফুটবল ছাড়াও দুই দেশের মধ্যে আরও অনেক অভিন্ন বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তাদের মতে, বাংলাদেশ ও নরওয়ে—উভয়ই উপকূলীয় দেশ এবং দুই দেশের মানুষই মাছ খেতে অত্যন্ত পছন্দ করেন। এছাড়া বাংলাদেশ আয়তনে ছোট এবং নরওয়ে জনসংখ্যায় ছোট দেশ হওয়া সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দুই দেশেরই স্বপ্ন বড়।
তবে ফুটবল ভক্তদের জন্য সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হিসেবে নরওয়ে মনে করিয়ে দিয়েছে, তাদের বর্তমান দলের সেরা তারকা আর্লিং হলান্ডের কথা। বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা এই স্ট্রাইকার নরওয়ের হয়ে মাঠ মাতাবেন, যা দর্শকদের জন্য বাড়তি পাওনা।
পোস্টটির শেষে বাংলাদেশের প্রতি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলা হয়, 'তাহলে কী বলো বাংলাদেশ? সময় এখন একসাথে বড় স্বপ্ন দেখার এবং ছোট দল হিসেবে বড় মঞ্চে লড়তে থাকা নরওয়কে সমর্থন করার।'
