Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Monday
March 16, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
MONDAY, MARCH 16, 2026
রাগ যেভাবে আপনার খরচ বাড়িয়ে দেয়—একটি মনস্তাত্ত্বিক ও আর্থিক বিশ্লেষণ

মতামত

সাইফুল হোসেন
15 September, 2025, 11:50 am
Last modified: 15 September, 2025, 11:56 am

Related News

  • প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান, ঐক্য ও স্থিতিশীলতার অঙ্গীকার
  • নতুন সরকার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে: পুনরুজ্জীবনের আশায় ব্যবসায়ীরা
  • উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে একটি শক্তিশালী অর্থায়ন পরিকল্পনা প্রয়োজন: ফাহমিদা খাতুন
  • ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠনে বিএনপির মহাপরিকল্পনা: ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য
  • রাজস্ব বিভাগ পুনর্গঠন: অনুমোদন পেল এনবিআরের রাজস্ব নীতি ও ব্যবস্থাপনা বিভাগ

রাগ যেভাবে আপনার খরচ বাড়িয়ে দেয়—একটি মনস্তাত্ত্বিক ও আর্থিক বিশ্লেষণ

রাগের সময় আমাদের মস্তিষ্কের ফ্রন্টাল লোব—যেটি বিচার-বিবেচনার দায়িত্বে থাকে—অনেকটাই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। সেই মুহূর্তে আমরা কীভাবে অর্থ ব্যয় করছি তা নিয়ে খুব একটা ভাবি না। তখন সিদ্ধান্ত নেয় আবেগ—যেটি বলে, ‘আজ একটু খরচ করলেও সমস্যা নেই’, ‘আজ আমার দিন খারাপ গেছে, আমি এটা ডিজার্ভ করি।’ এই প্রবণতা আমাদের মনে সাময়িক স্বস্তি দেয়, কিন্তু মাসের শেষে ব্যাংক স্টেটমেন্টে চোখ রাখলে দেখা যায়—বেশ কিছু অপ্রয়োজনীয় খরচ জমে গেছে, যার কোনো স্থায়ী মূল্য নেই।
সাইফুল হোসেন
15 September, 2025, 11:50 am
Last modified: 15 September, 2025, 11:56 am
সাইফুল হোসেন। স্কেচ: টিবিএস

রাগ মানুষের একটি স্বাভাবিক আবেগ। জীবনের নানা পরিস্থিতিতে আমরা সবাই কমবেশি রাগ করি। কেউ রাগ প্রকাশ করেন উচ্চস্বরে, কেউ নীরবে ভেতরে পুষে রাখেন, কেউবা হঠাৎ কিছু করে বসেন। 

কিন্তু রাগের ফলাফল শুধু সম্পর্কের ওপর নয়, আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থার ওপরও সুস্পষ্ট প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে নিয়মিত রাগ বা হতাশাজনিত ক্ষোভ আমাদের খরচের ধরন বদলে দেয়—যা দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিতে পারে।

ধরুন, কোনো এক কর্মব্যস্ত দিনে হঠাৎ কোনো সহকর্মীর সঙ্গে মনোমালিন্য হলো। আপনি অফিস থেকে বেরিয়ে নিজের অজান্তেই একটা দামি কফি অর্ডার করে ফেললেন, অথবা ডেলিভারি অ্যাপে চোখ বুলিয়ে কয়েকটি অতিরিক্ত জিনিস অর্ডার করে দিলেন—কারণ আপনি 'নিজেকে একটু ভালো লাগাতে' চাইছেন। এখানেই শুরু হয় আবেগনির্ভর খরচ, যাকে অর্থনীতিবিদরা বলেন 'ইমোশনাল স্পেন্ডিং'।

রাগের সময় আমাদের মস্তিষ্কের ফ্রন্টাল লোব—যেটি বিচার-বিবেচনার দায়িত্বে থাকে—অনেকটাই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। সেই মুহূর্তে আমরা কীভাবে অর্থ ব্যয় করছি তা নিয়ে খুব একটা ভাবি না। তখন সিদ্ধান্ত নেয় আবেগ—যেটি বলে, 'আজ একটু খরচ করলেও সমস্যা নেই', 'আজ আমার দিন খারাপ গেছে, আমি এটা ডিজার্ভ করি।' এই প্রবণতা আমাদের মনে সাময়িক স্বস্তি দেয়, কিন্তু মাসের শেষে ব্যাংক স্টেটমেন্টে চোখ রাখলে দেখা যায়—বেশ কিছু অপ্রয়োজনীয় খরচ জমে গেছে, যার কোনো স্থায়ী মূল্য নেই।

বিশেষ করে রাগ থেকে উদ্ভূত কিছু খরচ মানুষের আর্থিক নিরাপত্তায় দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। অনেকেই রাগ বা মানসিক অস্থিরতার সময় অতিরিক্ত কেনাকাটা করেন—যাকে বলে 'রিটেইল থেরাপি'। এটি একটি স্বস্তির পথ বলে মনে হলেও, আসলে এটি হচ্ছে একধরনের আত্মপ্রবঞ্চনা। একটি দামি পারফিউম, ব্র্যান্ডেড পোশাক, অপ্রয়োজনীয় গ্যাজেট বা বিদেশি খাবার কিনে আমরা ভাবি রাগ ভুলে যাব, কিন্তু তা হয় না। বরং রাগ কিছুটা কমলে গিল্ট ট্রিপ শুরু হয়—'আমি এত টাকা খরচ করলাম কেন?' এই অপরাধবোধ আমাদের আরও চাপের মধ্যে ফেলে এবং এর ফলে আবার কোনো এক পর্যায়ে নতুন করে রাগ জন্ম নেয়।

রাগ আমাদের সম্পর্ককেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। দাম্পত্য কলহ, পারিবারিক মনোমালিন্য কিংবা কর্মক্ষেত্রে তিক্ততা শুধুই মানসিক ক্ষয় করে না, আর্থিক দিক থেকেও ভারসাম্য নষ্ট করে। উদাহরণস্বরূপ, একজন স্বামী স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করে আলাদা হয়ে গেলেন কয়েকদিনের জন্য, গিয়ে উঠলেন হোটেলে—যার খরচ প্রতিদিন ৫,০০০ টাকা। ঝগড়া না হলে এই খরচ হতো না। কিংবা একজন ব্যক্তি রাগ করে হঠাৎ চাকরি ছেড়ে দিলেন, নতুন চাকরি না পাওয়ার আগেই মাসিক আয়ের প্রবাহ থেমে গেল। এইসব রাগের ফলাফল আমাদের প্রতিদিনকার খরচকে অনেক বড় করে তোলে।

রাগের কারণে নেওয়া কিছু অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত জীবনের ভবিষ্যৎ গঠনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। যেমন—কেউ রাগ করে হুট করে একটি গাড়ি কিনে ফেললেন, কিংবা কোনো বিনিয়োগ থেকে বেরিয়ে এলেন—পরবর্তীতে যা আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আবেগনির্ভর আর্থিক সিদ্ধান্তের পেছনে সবচেয়ে বড় চালিকা শক্তি হলো 'তাৎক্ষণিক স্বস্তি'। কিন্তু অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরি হয় 'দীর্ঘমেয়াদি কৌশল' এবং 'আত্মনিয়ন্ত্রণ'-এর মাধ্যমে।

রাগ নিয়ন্ত্রণের কিছু কৌশল আয়ত্ত করা গেলে আমরা শুধু সম্পর্ক নয়, আমাদের অর্থনৈতিক জীবনকেও রক্ষা করতে পারি। গভীর শ্বাস নেওয়া, পানি খাওয়া, কয়েক মিনিট হাঁটাহাঁটি করা, অথবা রাগের সময় কোনো বড় সিদ্ধান্ত না নেওয়া—এই সাধারণ বিষয়গুলো আমাদের মস্তিষ্ককে শান্ত রাখে এবং খরচের ক্ষেত্রে যুক্তিবোধ ফিরিয়ে আনে।

আবার অনেকেই রাগ বা মানসিক চাপ সামলাতে গিয়ে 'খাবার খরচ'-এ বেশি ব্যয় করেন। রেস্টুরেন্ট, হোম ডেলিভারি, ক্যাফে—এই খরচগুলো প্রতিদিন হয়তো ছোট দেখায়, কিন্তু মাস শেষে একটি বড় অঙ্ক তৈরি করে। 

এমনকি, রাগের সময় আমরা অনেকেই প্রয়োজন ছাড়াই ফোন বদলাই, নতুন পোশাক কিনি, অথবা বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় গিয়ে 'স্পেন্ডিং' বাড়িয়ে ফেলি। এইসব খরচ মানসিক চাপ থেকে মুক্তি দেয় না, বরং মানসিক শান্তি কেড়ে নেয় মাস শেষে যখন হিসাব মেলে না।

রাগ থেকে উদ্ভূত আরেকটি খরচ হলো স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ব্যয়। কেউ যদি রাগের কারণে নিয়মিত উদ্বিগ্ন থাকেন, তার রক্তচাপ, ঘুম, হজম এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ফলে মেডিকেল চেকআপ, ওষুধ, থেরাপি বা মানসিক চিকিৎসার প্রয়োজন পড়ে—যার আর্থিক ব্যয় অনেক বেশি। অর্থাৎ, রাগের প্রভাব শুধু তাৎক্ষণিক খরচে নয়, দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্য খাতেও খরচ বাড়ায়।

এই বিষয়গুলো বুঝতে পারলে আমরা নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারি। রাগ হলে নিজেকে প্রশ্ন করা জরুরি—'আমি এখন যা কিনতে চাই, তা কি আসলেই প্রয়োজনীয়?', 'এই সিদ্ধান্ত কি পরবর্তীতে আমার জন্য চাপ সৃষ্টি করবে?', 'আমার রাগ কি আমার অর্থনৈতিক ভবিষ্যতকে হুমকিতে ফেলছে?'—এ ধরনের সচেতন প্রশ্ন রাগের মুহূর্তে আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

সবশেষে বলা যায়, রাগ একটি মানবিক বিষয়—এটি এড়িয়ে যাওয়া যায় না, কিন্তু এটি কীভাবে প্রকাশ পাচ্ছে তা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। যারা নিজেদের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখেছেন, তারা শুধু ভালো সম্পর্কই গড়ে তোলেন না, বরং অর্থনৈতিকভাবেও বেশি স্থিতিশীল থাকেন। অর্থনীতি কেবল আয় বা বিনিয়োগের খেলা নয়, এটি মনস্তত্ত্বেরও খেলা। আবেগের ভারসাম্য না থাকলে সেই অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ে।

তাই আজ থেকেই রাগের মুহূর্তে সিদ্ধান্ত না নিয়ে একটু সময় নিন। নিজেকে বোঝার চেষ্টা করুন। নিজের মানসিক স্বাস্থ্য যতটা সম্ভব ভালো রাখুন। কারণ, স্থিতিশীল আবেগই তৈরি করে একটি স্থিতিশীল অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ।


লেখক: কলামিস্ট, ইউটিউবার এবং ফাইনান্স ও বিজনেস স্ট্রাটেজিস্ট অ্যান্ড সিইও, ফিনপাওয়ার লিডারশিপ ইন্টারন্যাশনাল।


বিশেষ দ্রষ্টব্য: নিবন্ধের বিশ্লেষণটি লেখকের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ও পর্যবেক্ষণের প্রতিফলন। অবধারিতভাবে তা দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড-এর অবস্থান বা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।

Related Topics

টপ নিউজ

অর্থনীতি / আর্থিক ব্যয় / জীবনযাত্রার ব্যয় / ব্যক্তিগত খরচ

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ছবি: টিবিএস
    কাল থেকে জ্বালানি তেলে রেশনিং থাকছে না, আগের মতোই মিলবে পেট্রোল-অকটেন-ডিজেল
  • ছবি: সংগৃহীত
    প্রথমবারের মতো ট্রেনে স্টারলিংকের ইন্টারনেট চালু করল বিএসসিএল
  • ফাইল ছবি: সংগৃহীত
    রক্তক্ষরণ নয়, মস্তিষ্কে ইনফেকশন ধরা পড়েছে মির্জা আব্বাসের; বিদেশ নেওয়ার প্রস্তুতি
  • ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ছবি: রয়টার্স
    যুদ্ধবিরতি বা আলোচনার জন্য ইরান ‘কখনো অনুরোধ করেনি’: আরাগচি
  • ইনফোগ্রাফিক: টিবিএস
    নন-বন্ডেড ১,১০০ পোশাক কারখানার কাঁচামাল সংগ্রহ সহজ করতে উদ্যোগ নিচ্ছে এনবিআর
  • ছবি : ডেভিড প্লাংকার্ট/ব্লুমবার্গ
    ইরান সংঘাতের ক্ষত: যেভাবে বদলে যেতে পারে উপসাগরীয় অঞ্চলের ভবিষ্যৎ

Related News

  • প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান, ঐক্য ও স্থিতিশীলতার অঙ্গীকার
  • নতুন সরকার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে: পুনরুজ্জীবনের আশায় ব্যবসায়ীরা
  • উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে একটি শক্তিশালী অর্থায়ন পরিকল্পনা প্রয়োজন: ফাহমিদা খাতুন
  • ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠনে বিএনপির মহাপরিকল্পনা: ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য
  • রাজস্ব বিভাগ পুনর্গঠন: অনুমোদন পেল এনবিআরের রাজস্ব নীতি ও ব্যবস্থাপনা বিভাগ

Most Read

1
ছবি: টিবিএস
অর্থনীতি

কাল থেকে জ্বালানি তেলে রেশনিং থাকছে না, আগের মতোই মিলবে পেট্রোল-অকটেন-ডিজেল

2
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

প্রথমবারের মতো ট্রেনে স্টারলিংকের ইন্টারনেট চালু করল বিএসসিএল

3
ফাইল ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

রক্তক্ষরণ নয়, মস্তিষ্কে ইনফেকশন ধরা পড়েছে মির্জা আব্বাসের; বিদেশ নেওয়ার প্রস্তুতি

4
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধবিরতি বা আলোচনার জন্য ইরান ‘কখনো অনুরোধ করেনি’: আরাগচি

5
ইনফোগ্রাফিক: টিবিএস
অর্থনীতি

নন-বন্ডেড ১,১০০ পোশাক কারখানার কাঁচামাল সংগ্রহ সহজ করতে উদ্যোগ নিচ্ছে এনবিআর

6
ছবি : ডেভিড প্লাংকার্ট/ব্লুমবার্গ
আন্তর্জাতিক

ইরান সংঘাতের ক্ষত: যেভাবে বদলে যেতে পারে উপসাগরীয় অঞ্চলের ভবিষ্যৎ

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net