Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Sunday
May 10, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SUNDAY, MAY 10, 2026
বাংলাদেশের রুগ্ণ অর্থনীতি বাঁচাতে কেন স্বাধীন গণমাধ্যম দরকার?

বাংলাদেশ

শাখাওয়াত লিটন
03 May, 2026, 01:35 pm
Last modified: 03 May, 2026, 02:26 pm

Related News

  • জ্বালানি সংকটে দেশের অর্থনীতিতে 'এনার্জি ট্র্যাপ' শঙ্কা, সমন্বিত নীতির তাগিদ বিশেষজ্ঞদের 
  • ঋণখেলাপিরা এখন রাজনৈতিক ব্যবস্থার অংশ, সংস্কারে বাধা সৃষ্টি করছে: রেহমান সোবহান
  • সংস্কারের পরিকল্পনা প্রস্তুত করা সহজ, বাস্তবায়ন কঠিন: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
  • রয়টার্সের বিশ্লেষণ: অর্থনীতি নিয়ে ট্রাম্পের দুর্বলতাকেই প্রকাশ করে দিয়েছে ইরান
  • ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির মাইলফলক অর্জনে কাজ করবে সরকার

বাংলাদেশের রুগ্ণ অর্থনীতি বাঁচাতে কেন স্বাধীন গণমাধ্যম দরকার?

সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার অভাব এবং দুর্নীতির মধ্যে একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা বেশি থাকলে সরকারের দুর্নীতি উল্লেখযোগ্য হারে কমে। বিশেষজ্ঞরা সব সময় বলেন, স্বাধীন সংবাদমাধ্যম পাহারাদারের কাজ করে, ক্ষমতার অপব্যবহার তুলে ধরে দুর্নীতির মাত্রা কমিয়ে দেয়।
শাখাওয়াত লিটন
03 May, 2026, 01:35 pm
Last modified: 03 May, 2026, 02:26 pm
ইলাস্ট্রেশন: আশরাফুন নাহার অনন্যা/ টিবিএস

একটি কার্যকর গণতন্ত্রের জন্য সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা কতটা জরুরি, তা নতুন করে বলার কিছু নেই। আজ তাই এ আলোচনা মুলতুবি রইল। 

বাংলাদেশ বর্তমানে এক নজিরবিহীন অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে একটি রুগ্‌ণ বা বিকাশমান অর্থনীতির জন্য স্বাধীন সংবাদমাধ্যম কেন গুরুত্বপূর্ণ, আজ বরং সেই তথ্য ও যুক্তিগুলো একটু স্মরণ করা যাক। এখানে তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে বার্তাটি খুব স্পষ্ট: 'যেসব দেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা কমেছে, সেখানে প্রকৃত মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিও ১ থেকে ২ শতাংশ কমেছে।' 

এ কারণেই গত কয়েক দশক ধরে অসংখ্য অর্থনীতিবিদ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী একটি শক্তিশালী অর্থনীতির জন্য শক্তিশালী সংবাদমাধ্যমের ওপর জোর দিচ্ছেন। 

সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা কেড়ে নিলে কী হয়?

একটু পেছনের দিকে ফিরে দেখা যাক। পতিত হাসিনা সরকারের আমলে লাগামহীন দুর্নীতির ভাইরাস যখন পুরো অর্থনীতিকে সংক্রমিত করে সেটিকে একটি লুটপাটতন্ত্র ও ভ্রান্ত রাজস্ব নীতির দিকে নিয়ে যাচ্ছিল, তখন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সব প্রতিষ্ঠানকে অকেজো করে রাখা হয়েছিল। এই ভাইরাস ধীরে ধীরে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এক মারণব্যাধিতে রূপ নেয়।

হাসিনার পতনের পর অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, তখন সংবাদমাধ্যম কী করছিল? সংবাদমাধ্যম তো আর সমাজ বা রাজনীতির বাইরে কাজ করতে পারে না। এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে সেই সময়ের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের মধ্যে।

টেবিল: টিবিএস
 

হাসিনার শাসনামলে স্বাধীন সংবাদমাধ্যম কার্যত নিষিদ্ধ ছিল। স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং ভিন্নমতের কণ্ঠরোধ করতে সম্ভাব্য সব উপায়ে সংবাদমাধ্যমের মুখ চেপে ধরা হয়েছিল। প্যারিসভিত্তিক সংগঠন রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ)-এর মতে, সেন্সরশিপ, সাইবার হয়রানি, সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার চাপ, বিচারিক হয়রানি, একের পর এক নিবর্তনমূলক আইন, পুলিশের সহিংসতা এবং ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডার বাহিনীর হামলা—এসবই ছিল সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করতে হাসিনা সরকারের প্রধান বৈশিষ্ট্য। এটি যেন সংবাদমাধ্যমের মাথার ওপর ঝুলন্ত 'ড্যামোক্লেসের তলোয়ার'-এর মতো ছিল। এমন দমবন্ধ করা পরিবেশে স্বাধীন সাংবাদিকতার সঙ্গে আপস ও নিজেদের মতো করে শুধু টিকে থাকার লড়াই করেছে সংবাদমাধ্যম। 

হাসিনার এই 'জিরো-সাম গেম'-এর চূড়ান্ত পরিণতি কী হলো? গণ-অভ্যুত্থানের মুখে তিনি চরম অপমানজনক পরাজয় বরণ করে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হলেন। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি নিজেই আজ একটি বড় 'শূন্য' বা জিরোতে পরিণত হয়েছেন। তার দলের কার্যক্রম এখনো নিষিদ্ধ। আর তার স্বৈরাচারী শাসন জন্ম দিয়েছে এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক সুনামির। 

হাসিনা সরকারের পতনের পর সংবাদমাধ্যম স্বাধীনতার আশা করেছিল, কিন্তু তা অত্যন্ত সুকৌশলে আবার কেড়ে নেওয়া হয়। সংবাদমাধ্যমকে এক নতুন বাস্তবতার মুখে পড়তে হয়। কিছু সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিককে 'ফ্যাসিস্ট' হাসিনা সরকারের 'দোসর' তকমা দেওয়া হয়। অনেককে কারাগারে পাঠানো হয়, আবার অনেকেই চাকরি হারান। গণমাধ্যম যেন 'ফুটন্ত কড়াই থেকে জ্বলন্ত উনুনে' গিয়ে পড়ে। 

এর ফল কী হলো?

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস (৩ মে) উপলক্ষে ৩০ এপ্রিল আরএসএফ প্রকাশিত ২০২৬ সালের 'ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্স' বা বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে ১৮০টি দেশের মধ্যে তিন ধাপ পিছিয়ে ১৫২তম স্থানে নেমে গেছে বাংলাদেশ। 

রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, আইনি কাঠামো, অর্থনৈতিক চাপ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিবেশ এবং নিরাপত্তা—এই পাঁচটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে দেশগুলোকে 'ভালো' থেকে 'বেশ উদ্বেগজনক' ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়। ২০২৫ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪৯তম। এবার বাংলাদেশ 'বেশ উদ্বেগজনক' ক্যাটাগরিতে স্থান পেয়েছে। 

আরএসএফ জানিয়েছে, বাংলাদেশের এই অবনতির মূল কারণ হলো রাজনৈতিক সূচকে স্কোরের বড় পতন। সমালোচনামূলক সাংবাদিকতার প্রতি অসহিষ্ণুতা, রাজনীতিকদের চাপ এবং গণমাধ্যমের জবাবদিহির প্রতি সমর্থনের অভাবকেই এর জন্য দায়ী করেছে সংস্থাটি।

রাজনীতি যখন সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করে, তখন অর্থনীতির ওপর এর প্রভাব হয় ভয়ংকর।  

গ্লোবাল ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজম নেটওয়ার্ক তাদের এক গবেষণায় দেখেছে, 'সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর আঘাত—যেমন সাংবাদিকদের কারাবন্দী করা, তাদের বাড়িতে তল্লাশি চালানো, ছাপাখানা বন্ধ করে দেওয়া এবং সাংবাদিকদের আটকাতে মানহানি আইনের ব্যবহার—অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।'

২০২১ সালের ১৫ এপ্রিল প্রকাশিত 'দ্য ইকোনমিক কস্টস অব কার্বিং প্রেস ফ্রিডম' শীর্ষক এক নিবন্ধে সংস্থাটি জানায়, 'আমাদের গবেষক দল যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ফ্রিডম হাউসের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার র‍্যাংকিং এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির তথ্য ব্যবহার করে ১৯৭২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ৯৭টি দেশের ওপর গবেষণা চালিয়েছে। আমরা দেখেছি, যেসব দেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা কমেছে, সেখানে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধিও ১ থেকে ২ শতাংশ কমে গেছে।'

নিবন্ধে আরও বলা হয়, 'আমাদের গবেষণা অন্যান্য অর্থনৈতিক গবেষণার ফলকেই সত্য প্রমাণ করে। ওইসব গবেষণায় বলা হয়েছিল, যেসব প্রতিষ্ঠান 'আইনের শাসন' সমুন্নত রাখে, তাদের সঙ্গে শক্তিশালী অর্থনৈতিক পারফরম্যান্সের সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের গবেষণায় শিক্ষা, শ্রমশক্তি এবং ভৌত মূলধনের বিষয়গুলোও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল।' 

নিবন্ধের উপসংহারে বলা হয়, 'সম্ভবত আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং অপ্রত্যাশিত প্রাপ্তি হলো—সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করার দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রভাব বের করা।' ফ্রিডম হাউসের নিজস্ব গবেষণার বরাত দিয়ে এতে আরও বলা হয়, 'দীর্ঘদিনের দমনপীড়নের পরও সুযোগ পেলে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ফিরে আসতে পারে।' 

আমাদের ব্যাংকিং খাতের করুণ দশার কথাই ধরা যাক। পতিত সরকারের আমলে ব্যাংক লুটের কারণে আর্থিক খাত আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। স্বাধীন সংবাদমাধ্যম কি এই ভাইরাসের প্রতিষেধক হতে পারে?

হ্যাঁ, পারে। সংবাদ ও গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশকারী অলাভজনক মিডিয়া নেটওয়ার্ক 'দ্য কনভারসেশন'-এর এক গবেষণায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে। এতে বলা হয়, শুধু গণতান্ত্রিক ভূমিকার বাইরেও একটি স্থিতিশীল অর্থনীতির জন্য স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা অপরিহার্য। এটি আর্থিক খাতকে নজরদারির মধ্যে রেখে ভারসাম্য নিশ্চিত করে। 

স্বাধীন সংবাদমাধ্যম আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সহনশীলতা বাড়ায়। গবেষণায় বলা হয়, 'সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা বেশি থাকলে তা আর্থিক স্থিতিশীলতা বাড়াতে এবং ব্যাংকিং খাতের 'সিস্টেমিক রিস্ক' (যেখানে একটি কোম্পানির পতন পুরো খাতকে ধসিয়ে দিতে পারে) কমাতে সাহায্য করে।'

গবেষণায় ৪৭টি দেশের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে—স্বাধীন সংবাদমাধ্যম ব্যাংকের নির্বাহীদের ওপর আরও বেশি নজরদারি নিশ্চিত করে। আরেকটি সুবিধা হলো, আর্থিক বাজার ঘিরে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত হয়, যা পুরো ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করে তোলে। 

'যেসব দেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা বেশি, সেখানে এমন এক করপোরেট ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিকাশ ঘটে, যা ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা রক্ষায় সহায়ক এবং দুর্নীতিমুক্ত। অর্থনৈতিক মন্দা বা ব্যাংকিং সংকটের সময় এই সুবিধাগুলো সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে'—২০২৫ সালের ৯ এপ্রিল প্রকাশিত 'প্রেস ফ্রিডম লিংকড টু গ্রেটার ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি, ফাইন্ডস গ্লোবাল স্টাডি' শীর্ষক ওই নিবন্ধে বলা হয়। 

এবার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে অর্থনীতিবিদদের দৃষ্টিভঙ্গি যাচাই করা যাক।  

জনস্বার্থমূলক সংবাদমাধ্যমের বর্তমান বৈশ্বিক সংকটের অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব মূল্যায়নের জন্য বিশ্বের ১১ জন শীর্ষ অর্থনীতিবিদকে নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্যানেল গঠন করা হয়েছিল। এই প্যানেলে নোবেলজয়ী অধ্যাপক জোসেফ স্টিগলিটজ এবং অধ্যাপক ড্যারন অ্যাজেমোলুও ছিলেন। 

তারা উপসংহারে জানান, একটি সুস্থ অর্থনীতির জন্য ভালো সাংবাদিকতা প্রয়োজন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যুগে জনস্বার্থমূলক সংবাদমাধ্যমের অর্থনৈতিক গুরুত্ব স্বীকার করতে এবং তা বজায় রাখতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

সাত মাস আগে প্রকাশিত তাদের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, '২০২৪ সালে অন্তত ৯০টি দেশে বিদেশী রাষ্ট্রের মদদে তথ্য কারচুপির অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। জেনারেটিভ এআই এই ধরনের অপতৎপরতা আরও বাড়ানোর ঝুঁকি তৈরি করেছে এবং অনলাইনে মিথ্যা তথ্যের বিস্তার ঠেকানোকে কঠিন করে তুলেছে। অন্যদিকে, স্বৈরতন্ত্র ও কায়েমী স্বার্থবাদীরা জেঁকে বসায় স্বাধীন সাংবাদিক ও মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলো রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়ছে।' 

তাদের 'দ্য ইকোনমিক ইম্পারেটিভ অব ইনভেস্টিং ইন পাবলিক ইন্টারেস্ট মিডিয়া' শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, 'জনস্বার্থমূলক এই গুরুত্বপূর্ণ খাতটিকে টিকিয়ে রাখতে শুধু বাজারব্যবস্থার ওপর নির্ভর করলে চলবে না। কারণ, সংবাদমাধ্যমের আয় এখন অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে চলে যাচ্ছে। ফলে একসময়ের লাভজনক ব্যবসায়িক মডেলগুলো আজ মুখ থুবড়ে পড়ছে। আর এই সুযোগে ক্ষমতাশালী গোষ্ঠীগুলো স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে, ভয় দেখাচ্ছে অথবা পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করে দিচ্ছে।' 

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচক থেকে একটি দারুণ চিন্তার খোরাক পাওয়া যায়। নরওয়ে, নেদারল্যান্ডস, এস্তোনিয়া, ডেনমার্ক, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ডের মতো দেশগুলো সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সূচকে সব সময় ভালো করে। ঠিক একইভাবে দুর্নীতির সূচকেও তারা বিশ্বের সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রাখে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশসহ যেসব দেশের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার সূচক হতাশাজনক, তারা দুর্নীতির সূচকেও তলানিতে থাকে। এটি প্রমাণ করে যে, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার অভাব এবং দুর্নীতির মধ্যে একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা বেশি থাকলে সরকারের দুর্নীতি উল্লেখযোগ্য হারে কমে। বিশেষজ্ঞরা সব সময় বলেন, স্বাধীন সংবাদমাধ্যম পাহারাদারের কাজ করে, ক্ষমতার অপব্যবহার তুলে ধরে দুর্নীতির মাত্রা কমিয়ে দেয়। 

গত ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনের পর নবগঠিত সরকারের হাত ধরে বাংলাদেশ এখন নতুন এক যাত্রার সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। অর্থনীতি থেকে শুরু করে সুশাসন—সব ক্ষেত্রেই এক বহুমাত্রিক সংকটের মুখে দেশ। 

রুগ্‌ণ অর্থনীতি সারাতে বিশেষজ্ঞরা সংস্কার, সুশাসন ও অন্যান্য জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সামাল দিতে অসাধারণ পদক্ষেপ প্রয়োজন। এই নতুন যাত্রায় সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা কী হবে?

শুধু একটি বিকাশমান গণতন্ত্রের জন্যই নয়, বরং একটি রুগ্‌ণ অর্থনীতিকে সুস্থ করতে এবং একটি বিকাশমান অর্থনীতিকে টেকসই করতেও স্বাধীন সংবাদমাধ্যম সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ইতিহাসে বারবার তা প্রমাণিত হয়েছে। এখন সিদ্ধান্ত আপনার—আপনি এটি গ্রহণ করবেন নাকি এড়িয়ে যাবেন। এই সিদ্ধান্তই আপনার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। 

Related Topics

টপ নিউজ

অর্থনীতি / স্বাধীন গণমাধ্যম

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • ইলাস্ট্রেশন: অক্ষিতা চন্দ্র/দ্য আটলান্টিক
    সিগারেটের দিন ফুরিয়ে আসছে—কারণ কী?
  • ছবি: পিটিআই
    নাটকীয়তার অবসান, ভিসিকে-র নিঃশর্ত সমর্থনে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন থালাপতি
  • প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
    প্রশ্নফাঁসের পর বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে এ লেভেলের গণিত পরীক্ষা বাতিল করল কেমব্রিজ
  • অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া থালাপতি বিজয়। ছবি: পিটিআই
    ৫+২+২+২-২: থালাপতি বিজয়ের সরকার গঠনের অঙ্ক মিলছে না কেন?
  • পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা: রাজধানীর রাস্তা, নদী ও পার্ক পুনরুদ্ধারে বড় সংস্কার শুরু
    পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা: রাজধানীর রাস্তা, নদী ও পার্ক পুনরুদ্ধারে বড় সংস্কার শুরু
  • হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পরলে বাড়িটিতে স্থানীয়রা ভিড় করে। ছবি: টিবিএস
    গাজীপুরে মা ও শিশুসহ একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা

Related News

  • জ্বালানি সংকটে দেশের অর্থনীতিতে 'এনার্জি ট্র্যাপ' শঙ্কা, সমন্বিত নীতির তাগিদ বিশেষজ্ঞদের 
  • ঋণখেলাপিরা এখন রাজনৈতিক ব্যবস্থার অংশ, সংস্কারে বাধা সৃষ্টি করছে: রেহমান সোবহান
  • সংস্কারের পরিকল্পনা প্রস্তুত করা সহজ, বাস্তবায়ন কঠিন: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
  • রয়টার্সের বিশ্লেষণ: অর্থনীতি নিয়ে ট্রাম্পের দুর্বলতাকেই প্রকাশ করে দিয়েছে ইরান
  • ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির মাইলফলক অর্জনে কাজ করবে সরকার

Most Read

1
ইলাস্ট্রেশন: অক্ষিতা চন্দ্র/দ্য আটলান্টিক
আন্তর্জাতিক

সিগারেটের দিন ফুরিয়ে আসছে—কারণ কী?

2
ছবি: পিটিআই
আন্তর্জাতিক

নাটকীয়তার অবসান, ভিসিকে-র নিঃশর্ত সমর্থনে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন থালাপতি

3
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

প্রশ্নফাঁসের পর বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে এ লেভেলের গণিত পরীক্ষা বাতিল করল কেমব্রিজ

4
অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া থালাপতি বিজয়। ছবি: পিটিআই
আন্তর্জাতিক

৫+২+২+২-২: থালাপতি বিজয়ের সরকার গঠনের অঙ্ক মিলছে না কেন?

5
পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা: রাজধানীর রাস্তা, নদী ও পার্ক পুনরুদ্ধারে বড় সংস্কার শুরু
বাংলাদেশ

পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা: রাজধানীর রাস্তা, নদী ও পার্ক পুনরুদ্ধারে বড় সংস্কার শুরু

6
হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পরলে বাড়িটিতে স্থানীয়রা ভিড় করে। ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

গাজীপুরে মা ও শিশুসহ একই পরিবারের ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net