পুতিনের কাছে সর্বোচ্চ নেতা খামেনির বিশেষ বার্তা পৌঁছে দিলেন আরাগচি
সেন্ট পিটার্সবার্গে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, ইরান 'বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশের (যুক্তরাষ্ট্র) মোকাবিলা করছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের কোনো লক্ষ্যই অর্জন করতে পারেনি।'
তিনি দাবি করেন, 'এ কারণেই তারা (যুক্তরাষ্ট্র) আলোচনা করতে চেয়েছে। আর আমরা বিষয়টি বিবেচনা করছি।'
তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
আরাগচি আরও বলেন, এই যুদ্ধ প্রমাণ করেছে, ইরানের 'রাশিয়ার মতো শক্তিশালী বন্ধু ও মিত্র আছে।'
তথ্যসূত্র: বিবিসি
পুতিনের কাছে সর্বোচ্চ নেতা খামেনির বিশেষ বার্তা পৌঁছে দিলেন আরাগচি
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কাছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতাবা খামেনির বিশেষ বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন। আজ সোমবার রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে এ বার্তা পৌঁছে দেন তিনি।
বলা হচ্ছে, এই বৈঠক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এখানে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে তা আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য আলোচনার বিষয়ও উঠে এসেছে।
রাশিয়া বলেছে, তারা চাইলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতা করতে পারে। অর্থাৎ দুই দেশের মধ্যে কথা চালাতে সাহায্য করতে পারে। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ এ বিষয়ে আগেও কথা বলেছেন।
রাশিয়ার সঙ্গে ইরানের 'কৌশলগত অংশীদারিত্ব' চুক্তি রয়েছে। ইরানে মার্কিন–ইসরায়েলি হামলা শুরুর পর থেকেই মস্কো ও তেহরান সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে।
পুতিন বৈঠকে আরাগচিকে বলেছেন, রাশিয়া আশা করে ইরানের জনগণ এই 'কঠিন সময়' কাটিয়ে উঠবে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি এও বলেছেন, রাশিয়া 'যত দ্রুত সম্ভব মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আনার জন্য সবকিছু করবে'।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
ইরানের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করায় ৬৯ জনের নাগরিকত্ব কেড়ে নিল বাহরাইন
চলমান যুদ্ধে ইরানের কর্মকাণ্ডের প্রতি 'সহানুভূতি প্রকাশ' করায় ৬৯ জনের নাগরিকত্ব বাতিল কেড়ে নিয়েছে বাহরাইন।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, তারা 'ইরানের পাপপূর্ণ শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ডের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন এবং সেটিকে মহিমান্বিত করেছেন।'
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনারা 'সতর্ক ও প্রস্তুত' রয়েছে: সেন্টকম
ইরান যুদ্ধ শেষ করা নিয়ে আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় মার্কিন বাহিনী 'মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সতর্ক ও প্রস্তুত' রয়েছে।
গতকাল রোববার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরান আলোচনা করতে চাইলে 'আমাদের ডাকতে পারে'। এর ঠিক একদিন আগেই তিনি আলোচনার জন্য পাকিস্তানে মার্কিন প্রতিনিধিদের নির্ধারিত সফর বাতিল করেছিলেন।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আনার জন্য সবকিছু করবে রাশিয়া: পুতিন
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আরআইএ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
পুতিন বলেছেন, রাশিয়া আশা করে ইরানের জনগণ এই 'কঠিন সময়' কাটিয়ে উঠবে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।
এদিকে সংবাদ সংস্থা তাসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুতিন আরাগচিকে বলেছেন, রাশিয়া 'যত দ্রুত সম্ভব মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি আনার জন্য সবকিছু করবে'।
তথ্যসূত্র: বিবিসি
আমরা মাথা নত করব না: হিজবুল্লাহ প্রধান নাইম কাসেম
কোনো অবস্থাতেই হিজবুল্লাহ অস্ত্র ত্যাগ করবে না বলে পুনরায় ঘোষণা দিয়েছেন সংগঠনটির প্রধান নাইম কাসেম। ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেছেন, হিজবুল্লাহ কখনোই পরাজিত হবে না এবং শত্রুর হুমকির মুখে পিছু হটবে না।
এক ভাষণে নাইম কাসেম বলেন, 'আমাদের অনেক আত্মত্যাগ করতে হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু এটিই মুক্তি এবং সম্মানজনক জীবনের মূল্য। লেবাননের বীর জনতা এবং তাদের প্রতিরোধ শক্তি দুটি বিকল্পের একটি বেছে নিয়েছে: হয় মুক্তি ও মর্যাদা, না হয় দখলদারিত্ব ও লাঞ্ছনা।'
তিনি জোর দিয়ে বলেন, লেবানন এবং এর জনগণের সুরক্ষায় হিজবুল্লাহ তাদের 'প্রতিরক্ষামূলক সংগ্রাম' চালিয়ে যাবে। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, পরিস্থিতি আর আগের অবস্থায় (মার্চ-পূর্ব স্থিতাবস্থা) ফিরে যাবে না।
কাসেম বলেন, 'আমরা ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাব দেব এবং এর মোকাবিলা করব। শত্রু যতই হুমকি দিক না কেন, আমরা পিছু হটব না, মাথা নত করব না এবং হার মানব না।'
হিজবুল্লাহর সক্ষমতাকে 'অফুরন্ত' উল্লেখ করে তিনি অঙ্গীকার করেন যে, ইসরায়েল বেশিদিন লেবাননে অবস্থান করতে পারবে না। কাসেম আরও বলেন, 'দখলকৃত ফিলিস্তিনের সঙ্গে আমাদের দক্ষিণ সীমান্তের শেষ ইঞ্চি পর্যন্ত আমাদের মানুষ তাদের নিজ ভূমিতে ফিরে আসবে।'
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
আমেরিকার তুরুপের তাস ফুরিয়ে আসছে: বাগের গালিবাফ
ইরানের সঙ্গে চলমান অর্থনৈতিক দ্বন্দ্বে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকা কৌশলগত 'তুরুপের তাস' বা অপশনগুলো ফুরিয়ে আসছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ। রোববার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই দাবি করেন।
গালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের আধিপত্যের দাবিকে নাকচ করে দিয়ে উভয় পক্ষের হাতে থাকা 'অর্থনৈতিক হাতিয়ার'গুলোর একটি তুলনামূলক সমীকরণ তুলে ধরেন। তিনি দেখান যে, ইরানের হাতে থাকা সরবরাহ-ভিত্তিক শক্তিগুলোর বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের চাহিদা-ভিত্তিক পদক্ষেপগুলো এখন অনেকটাই দুর্বল।
গালিবাফ তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ইরানের হাতে হরমুজ প্রণালী, বাব এল-মান্দেব প্রণালী এবং জ্বালানি তেলের পাইপলাইনের মতো শক্তিশালী কৌশল রয়েছে, যার বেশিরভাগই ইরান এখনো ব্যবহার করেনি।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ থেকে তেল ছাড়া বা চাহিদা নিয়ন্ত্রণের মতো পদক্ষেপগুলো ইতিমধ্যেই ব্যবহার করে ফেলেছে।
গালিবাফ একটি সমীকরণের মাধ্যমে বিষয়টি ব্যাখ্যা করে লিখেন, 'তারা তাদের হাতে থাকা কার্ড নিয়ে বড়াই করে। চলুন দেখি: সরবরাহ কার্ড বনাম চাহিদা কার্ড। হরমুজ প্রণালী (আংশিক ব্যবহৃত) + বাব এল-মান্দেব (অব্যবহৃত) + পাইপলাইন (অব্যবহৃত) = ইনভেন্টরি রিলিজ (ব্যবহৃত) + চাহিদা হ্রাস (আংশিক ব্যবহৃত) + মূল্য সমন্বয় (ভবিষ্যতে আসছে)।'
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, গ্রীষ্মকালীন ছুটির সময় জ্বালানির বাড়তি চাহিদার বিষয়টিও ওয়াশিংটনকে মাথায় রাখতে হবে।
বিদ্রূপ করে তিনি বলেন, 'চাহিদার এই সমীকরণে গ্রীষ্মকালীন ছুটি কেউ যোগ করুন, যদি না তারা (আমেরিকা) এটি বাতিল করতে চায়!'
তথ্যসূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি
ইরানের সঙ্গে কোনো প্রকাশ্য আলোচনা নয়: হোয়াইট হাউস
মার্কিন সংবাদমাধ্যম 'অ্যাক্সিওস' হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিটকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে প্রকাশ্য কোনো মাধ্যমে আলোচনা করবে না।
লেভিট বলেন, 'এগুলো অত্যন্ত সংবেদনশীল কূটনৈতিক আলোচনা এবং যুক্তরাষ্ট্র সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে কোনো দরকষাকষি বা আলোচনা করবে না।'
মুখপাত্র আরও যোগ করেন যে, যেকোনো চুক্তির ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনই হবে মূল সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী এবং তারা 'কেবল সেই চুক্তিতেই সই করবে যা আমাদের (যুক্তরাষ্ট্রের) জনগণের স্বার্থকে সবার আগে রাখবে।' একইসঙ্গে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র 'ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে দেবে না।'
তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই
মার্কিন নৌ-অবরোধ ভেদ করে ৪০ লক্ষ ব্যারেল তেল বাইরে পাঠাল ইরান
সামুদ্রিক বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান 'ট্যাঙ্কারট্র্যাকার্স' রিপোর্ট করেছে যে, ইরান তাদের অপরিশোধিত তেল রপ্তানি টার্মিনালগুলোতে ৪.৬ মিলিয়ন ব্যারেল সমপরিমাণ তেল লোড করেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এর বাইরে আরও ৪ মিলিয়ন ব্যারেল ইরানি তেল যুক্তরাষ্ট্রের বসানো নৌ-অবরোধ লাইন ভেদ করে গন্তব্যের উদ্দেশে বেরিয়ে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
ইরানের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশই সম্পন্ন হয় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে। ট্রেড ইন্টেলিজেন্স প্রতিষ্ঠান 'কেপলার-এর তথ্য অনুযায়ী, ইরান গত মার্চ মাসে দৈনিক ১.৮৪ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করেছে।
চলতি এপ্রিল মাসে এখন পর্যন্ত রপ্তানির পরিমাণ দৈনিক ১.৭১ মিলিয়ন ব্যারেল। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে ইরানের দৈনিক গড় তেল রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১.৬৮ মিলিয়ন ব্যারেল।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
ইরানের সঙ্গে আলোচনা সফল করতে যুক্তরাষ্ট্রকে 'ব্ল্যাকমেইল' ছাড়তে হবে: রাশিয়ার দূত
ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে নিযুক্ত রাশিয়ার দূত মিখাইল উলিয়ানভ বলেছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে তার আলোচনার অবস্থান থেকে 'ব্ল্যাকমেইল' এবং 'আল্টিমেটাম' দেওয়ার নীতি ত্যাগ করতে হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে উলিয়ানভ বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্র শক্তির অবস্থান থেকে আলোচনা করতে অভ্যস্ত, যেখানে তারা সামরিক শক্তি প্রয়োগ বা নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার হুমকি দেয়। এটি স্পষ্ট যে, এই কৌশল ইরানের ক্ষেত্রে কাজ করছে না।'
বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সেরা পথ হলো তার অবস্থান থেকে ব্লাকমেইল, আল্টিমেটাম এবং ডেডলাইনের মতো বিষয়গুলো বাদ দেওয়া। উলিয়ানভ মনে করেন, এই নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিগুলোই মূলত আলোচনার পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
ইরানি বন্দরে মার্কিন অবরোধ: ৩৮ জাহাজ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানের ওপর দুই সপ্তাহ ধরে চলা মার্কিন নৌ-অবরোধের ফলে অন্তত ৩৮টি জাহাজ ইরানি বন্দরে প্রবেশ করতে বা সেখান থেকে বের হতে বাধা দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৬ এপ্রিল) ভোরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সেন্টকমের ওই পোস্টে বলা হয়, 'মার্কিন বাহিনী ৩৮টি জাহাজকে পথ পরিবর্তন করতে অথবা বন্দরে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।'
তবে এসব জাহাজ ঠিক কোন কোন এলাকায় আটকানো হয়েছে বা ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে, সে সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কোনো অবস্থান জানায়নি সামরিক কর্তৃপক্ষ।
গত সপ্তাহে ভারত মহাসাগরের গভীর সমুদ্রে ইরানের গোপন তেলবাহী জাহাজের কয়েকটিতে তল্লাশি চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। বিশ্বে যেখানেই ইরানের সঙ্গে যুক্ত জাহাজ পাওয়া যাবে, সেগুলো খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেওয়ার যে প্রতিশ্রুতি যুক্তরাষ্ট্র দিয়েছিল, এই অভিযানকে তারই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: সিএনএন
পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করতে রাশিয়ায় পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এবার রাশিয়া সফরে গেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি ইতিমধ্যে সেইন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছে ইরানের সরকারি সংবাদসংস্থা ইরনা।
রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূতের বরাতে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদসংস্থা ইরানিয়ান স্টুডেন্টস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, এই সফরে 'আলোচনার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি, যুদ্ধবিরতি ও আনুষঙ্গিক নানা বিষয় নিয়ে রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন' আরাগচি।
এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে মস্কোতে নিযুক্ত তেহরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি বলেছেন, পুতিনের সঙ্গে আরাগচির বৈঠকে মূলত 'আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পারস্পরিক সমন্বয় বৃদ্ধি ও যৌথ কর্মসূচি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার' ওপরে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
রাষ্ট্রদূত জালালি আরও বলেন, 'স্বাধীন ও ন্যায়বিচারকামী দেশগুলোর বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বগ্রাসী শক্তিগুলোর যে ক্যাম্পেইন চলছে, তার বিরুদ্ধে একটি ঐক্যবদ্ধ জোটের প্রতিনিধি ইরান ও রাশিয়া।'
তথ্যসূত্র: সিএনএন; আল জাজিরা
হরমুজ প্রণালি আবার চালুসহ যুদ্ধের অবসানে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিল ইরান
হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন একটি প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। তবে এই প্রস্তাবে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা আপাতত স্থগিত রাখার কথা বলা হয়েছে। পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে তেহরান এই প্রস্তাব দিয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্র ও একজন মার্কিন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার কূটনৈতিক আলোচনা এখন একপ্রকার থমকে আছে। পারমাণবিক ইস্যুতে ঠিক কী ধরনের ছাড় দেওয়া উচিত, তা নিয়ে ইরানের শীর্ষ নেতাদের মধ্যেই মতবিরোধ রয়েছে। তাই এই ইস্যুটি আপাতত এড়িয়ে দ্রুত একটি চুক্তিতে পৌঁছাতেই নতুন এই প্রস্তাব দিয়েছে তেহরান।
তথ্যসূত্র: অ্যাক্সিওস
