জ্বালানি সরবরাহ বাড়ায় চট্টগ্রামে ফিলিং স্টেশনে কমেছে যানবাহনের সারি
চট্টগ্রামের পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়তে শুরু করায় যানবাহনের দীর্ঘ সারির অবসান ঘটেছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গতকালের তুলনায় আজ গ্রাহকদের ভিড় অনেক কম।
নগরীর গণিবেকারি এলাকার কিউসি ট্রেডিং ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে গাড়ির দীর্ঘ সারি নেই। কয়েকটি ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের উপস্থিতি থাকলেও তা আগের দিনের তুলনায় অনেকটাই কম।
ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, তেল সরবরাহ বৃদ্ধি করায় পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং গ্রাহকরা স্বচ্ছন্দ্যে তেল নিতে পারছেন।
একই চিত্র দেখা গেছে নগরীর মুরাদপুর এলাকার ফসিল পাম্প এবং প্রবর্তক মোড়ের ফয়েজ আহম্মদ সন্স পেট্রোল পাম্পেও।
ফসিল পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজার মো. ফখরুদ্দীন ইসলাম শিমুল জানান, তাদের পাম্পে আজ ৪ হাজার ৫০০ লিটার অকটেন এবং ১৩ হাজার ৫০০ লিটার ডিজেল এসেছে। গতকাল সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত তেল দিলেও কোনো লাইন ছিল না এবং আজও গ্রাহকরা স্বাভাবিকভাবেই তেল পাচ্ছেন।
জ্বালানি তেল নিতে আসা গ্রাহকরাও পরিস্থিতির উন্নতিতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
২ নম্বর গেট এলাকার সেনা কল্যাণ পাম্প থেকে মোটরসাইকেলে তেল নেওয়া গণমাধ্যমকর্মী মিনহাজ উদ্দিন জানান, আজ তিনি কোনো ঝামেলা ছাড়াই মোটরসাইকেলে ফুয়েল ট্যাংক পূর্ণ করেছেন। আগে যেখানে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হতো, আজ সেখানে কোনো লাইন ছিল না।
কিউসি ট্রেডিংয়ের সুপারভাইজার এফ কে বাদল দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে (টিবিএস) বলেন, 'আজ আমরা তিন গাড়ি অকটেন এবং এক গাড়ি ডিজেল পেয়েছি। গতকাল রাত ৮টা পর্যন্ত ডিজেল এবং রাত ১০টা পর্যন্ত অকটেন সরবরাহ করা হয়েছিল। আজও একই নিয়মে তেল দেওয়া হবে।'
তিনি আরও বলেন, 'বর্তমানে পাম্পে গাড়ির ভিড় আগের মতো নেই এবং পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। তেলের সরবরাহ নিয়মিত থাকায় গ্রাহকদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে না।'
