Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Wednesday
April 29, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
WEDNESDAY, APRIL 29, 2026
পেপার মিলে গচ্ছা বনের ৫৩ হাজার একর জমি

বাংলাদেশ

সিলেট প্রতিনিধি
26 December, 2020, 10:00 pm
Last modified: 26 December, 2020, 10:00 pm

Related News

  • রাঙামাটিতে ১৬ কেজির মহাবিপন্ন বাঘা আইড় জব্দ, পরে মাটিচাপা
  • সিলেটের স্বায়ত্তশাসন ও ‘সিলটি ভাষা’কে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা করার দাবি
  • অকাল বন্যার শঙ্কায় হাওরের কৃষক, দ্রুত ধান কাটার আহ্বান, শ্রমিক ও ডিজেল সংকট
  • সিলেটে ডিপো পর্যায়ে জ্বালানি সরবরাহ বাড়লেও, ডিলার পর্যায়ে বাড়েনি: জেলা পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি
  • শুধু ডলারে আর পাউন্ডে না, সিলেটকে পড়ালেখায়ও ফার্স্ট হতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

পেপার মিলে গচ্ছা বনের ৫৩ হাজার একর জমি

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, বিক্রির পর পেপার মিল কর্তৃপক্ষ কাগজেকলমে জমি বন বিভাগকে বুঝিয়ে দিয়ে যান। তবে সেসময় সরেজমিনে জরিপ করে জমি বুঝে নেননি বনবিভাগের তৎকালীন কর্মকর্তারা। পরে সরেজমিনে গিয়ে এসব জমি আর পায়নি বনবিভাগ।
সিলেট প্রতিনিধি
26 December, 2020, 10:00 pm
Last modified: 26 December, 2020, 10:00 pm

১৯৬৫ সালে সিলেট পাল্প এন্ড পেপার মিলের মণ্ড তৈরির কাঁচামাল চাষের জন্য ৫৬ হাজার একর কৃষি জমি বরাদ্ধ দেয় বনবিভাগ। চুক্তি অনুযায়ী, এই জমি ভিন্ন কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে না এবং পেপার মিল বন্ধ হলে বা সরকারি মালিকানা বদল হলে বন বিভাগকে ফিরিয়ে দিতে হবে। অব্যাহত লোকসানের মুখে ২০০৬ সালে এপ্রিলে পেপার মিলটি বেসরকারিখাতে বিক্রি করে দেওয়া হয়। তবে আজ পর্যন্ত চাষের জন্য বরাদ্ধ দেওয়া জমি বুঝে পায়নি বন বিভাগ।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, বিক্রির পর পেপার মিল কর্তৃপক্ষ কাগজেকলমে জমি বন বিভাগকে বুঝিয়ে দিয়ে যান। তবে সেসময় সরেজমিনে জরিপ করে জমি বুঝে নেননি বনবিভাগের তৎকালীন কর্মকর্তারা। পরে সরেজমিনে গিয়ে এসব জমি আর পায়নি বনবিভাগ। 

স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রভাবশালী গোষ্ঠি ৫৬ হাজার একর জমির পুরোটাই দখল করে নেয়। এরপর বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে সাড়ে ৩ হাজার একরের মতো জমি উদ্ধার করতে সক্ষম হয় বনবিভাগ। ফলে এখনও বেহাত রয়েছে প্রায় ৫৩ হাজার একর জমি। এসব জমিতে দখল করে অনেকে ঘরবাড়ি নির্মাণ করে ফেলায় বেহাত হওয়া জমির বেশিরভাগ আর উদ্ধার করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন বন কর্মকর্তারা। ফলে অনেকেটাই গচ্ছা যাচ্ছে বনের এই বিপুল সংখ্যক জমি।

এ ব্যাপারে সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এসএম (ডিএফও) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, পেপার মিলকে বরাদ্ধ দেওয়া জমির বেশিরভাগ মিল চালু থাকাকালেই বেদখল হয়ে যায়। তাদের অব্যবস্থাপনার কারণে এমনটি হয়েছে। আমরা সাড়ে ৩ হাজার একরের মতো উদ্ধার করেছি। আরও ১৪শ' হেক্টর উদ্ধারের জন্য  মন্ত্রণালয়ে মূর্তা বাগান করার একটি প্রকল্প পাঠানো হয়েছে। এই প্রকল্প পাশ হলে পেপার মিলকে বরাদ্ধ দেওয়া জমি উদ্ধার করে সেসব জমিতে মূর্তা চাষ করা হবে। 

তিনি বলেন, কেবল উদ্ধার করলেই তো হয় না। উদ্ধারের পর তা আবার বেদখল হয় যায়। সার্বক্ষণিক পাহারা দেওয়ার মতো লোকবল আমাদের নেই। তাই জমি উদ্ধারের পরপরই সেখানে মুর্তা বাগান করা হবে।
তবে বেদখল হয়ে যাওয়া বেশিরভাগ জমিই উদ্ধার করা অনেকটা অসম্ভব জানিয়ে এই বন কর্মকর্তা বলেন, জমিতে অনেক স্থাপনা উঠে গেছে। কয়েকদফা বেচাকেনাও হয়েছে। এখন এগুলো উদ্ধার করা খুব কঠিন। তবে স্থাপনা ছাড়া যেসব জমি আছে তা উদ্ধার করা সম্ভব।

সিলেটের গোয়াইনঘাটের সতির হাওর এলাকায় পেপার মিলকে বরাদ্ধ দেওয়া জমির অনেকটা দখল করে রেখেছেন স্থানীয় চেরাগ আলী। দখলকৃত জমিতে চাষাবাদ করেন তিনি। চেরাগ আলী বলেন, এই জমি দীঘদিন ধরে পতিত অবস্থায় রয়েছে। আমরা এলাকাবাসী মিলে চাষাবাদ করি।

বন বিভাগের সিলেট কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, পেপার মিলকে সুনামগঞ্জের ১৮০১২ একর জমি, সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের ৬৮৪৪ একর জমি ও গোয়ানঘাটের ২২২০৭ একর জমি নলখাগড়া চাষের জন্য বরাদ্ধ দেয় বনবিভাগ। এছাড়া সিলেটের জৈন্তাপুরসহ আরও কয়েকটি উপজেলার জমি বরাদ্ধ দেওয়া হয়।  এরমধ্যে ২০০৬ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত সুনামগঞ্জে ৩০৪৪ একর, কোম্পানীগঞ্জে ৭৫৭ একর ও গোয়াইনঘাটে ২১৬০ একর জমি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকীটুকু আছে বেদখলে।

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার কুমনা, মাধবপুর ও ভাজনা মহল মৌজার ৩০০ একর ভূমিতে প্রতিষ্ঠিত সিলেট পাল্প এন্ড পেপার মিল ১৯৭৩ সাল থেকে কাগজ তৈরির কাঁচামাল মন্ড উৎপাদন শুরু করে। ১৯৭৫ সালের জুন মাস থেকে শুরু হয় বানিজ্যিক উৎপাদন। কর্তৃপক্ষের দাবি মতে, উৎপাদন শুরুর পর থেকেই বছরের পর বছর মিলটি একাধারে লোকসান গুনতে থাকে। মিল প্রতিষ্ঠার পর ১৯৮৬-৮৭ অর্থবছরে একবার কেবল লাভের মুখ দেখেছিল। 

ক্রমাগত লোকসানের অজুহাত দেখিয়ে গত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে ২০০৬ সালের এপ্রিলে প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের মাধ্যমে মিলটি বিক্রি করে দেয়া হয় নিটল-নিলয় গ্রুপের কাছে। সেময় ভূসম্পত্তিসহ প্রায় ১২০০ কোটি টাকার কারখানাটি মাত্র ৪৭ কোটি টাকায় বিক্রি করে দেওয়া হয়। এরপর দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ২০১৩ সালে নিটল কার্টিজ পেপার মিল নামে পুণরায় এ কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়।

জানা যায়, নিটল-নিলয়ের কাছে কারখানা ও আনুসাঙ্গিক স্থাপনার ১৪০ একর ভ'মি বিক্রি করা হয়। বাকী জমির পুরোটাই কাগজে কলমে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পেপার বিলের জন্য বরাদ্ধ দেওয়া বনের জমিতে বহুতল বাসা নির্মাণ করেছেন শরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমি অনেক আগে আরেকজনের কাছ থেকে এই জায়গাটি কিনে বাড়ি নির্মাণ করি। এই জমি বনবিভাগের ছিলো বলে আমার জানা নেই।

এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক আব্দুল আহাদ বলেন, বনবিভাগ চাইলে বেদখল হওয়া জমি উদ্ধারে সবধরণের সহযোগিতা করা হবে।

Related Topics

টপ নিউজ

বন বিভাগ / বন / সিলেট / পেপার মিল

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
    গুলশানে বিদেশি নারীকে ‘পিটিয়ে হত্যার’ অভিযোগ; পুলিশ বলছে, ‘এখনও নিশ্চিত নয়’
  • জব্দকৃত মহাবিপন্ন বাঘা আইড় মাছ। ছবি: টিবিএস
    রাঙামাটিতে ১৬ কেজির মহাবিপন্ন বাঘা আইড় জব্দ, পরে মাটিচাপা
  • বাংলাদেশ ব্যাংক। ছবি: সংগৃহীত
    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধিনিষেধ শিথিল: পরিচালন মুনাফা হলেই উৎসাহ বোনাস পাবেন ব্যাংক কর্মীরা
  • ফাইল ছবি: রয়টার্স
    ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে বেরিয়ে গেল সংযুক্ত আরব আমিরাত
  • মৃত বোনের কঙ্কাল কাঁধে নিয়ে ব্যাংকে যাচ্ছেন জিতু মুন্ডা। ছবি: সংগৃহীত
    ‘যার অ্যাকাউন্ট তাকে নিয়ে আসুন’: ব্যাংকের কথায় উড়িষ্যায় মৃত বোনের কঙ্কাল নিয়ে গেলেন ভাই!
  • ২০১৭ সালে তেহরানের পারদিসান পার্কে ‘দালবার’ নামের একটি স্ত্রী এশীয় চিতাবাঘ। শিকারি, দ্রুতগতির যানবাহন ও বন্য কুকুরের কারণে প্রজাতিটি বিলুপ্তির হুমকির মুখে রয়েছে। ছবি: আত্তা কেনারে/এএফপি
    যুদ্ধের মধ্যেও ইরানে আশার আলো, দেখা মিলেছে বিরল চিতাবাঘের

Related News

  • রাঙামাটিতে ১৬ কেজির মহাবিপন্ন বাঘা আইড় জব্দ, পরে মাটিচাপা
  • সিলেটের স্বায়ত্তশাসন ও ‘সিলটি ভাষা’কে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা করার দাবি
  • অকাল বন্যার শঙ্কায় হাওরের কৃষক, দ্রুত ধান কাটার আহ্বান, শ্রমিক ও ডিজেল সংকট
  • সিলেটে ডিপো পর্যায়ে জ্বালানি সরবরাহ বাড়লেও, ডিলার পর্যায়ে বাড়েনি: জেলা পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতি
  • শুধু ডলারে আর পাউন্ডে না, সিলেটকে পড়ালেখায়ও ফার্স্ট হতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

Most Read

1
প্রতীকী ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

গুলশানে বিদেশি নারীকে ‘পিটিয়ে হত্যার’ অভিযোগ; পুলিশ বলছে, ‘এখনও নিশ্চিত নয়’

2
জব্দকৃত মহাবিপন্ন বাঘা আইড় মাছ। ছবি: টিবিএস
বাংলাদেশ

রাঙামাটিতে ১৬ কেজির মহাবিপন্ন বাঘা আইড় জব্দ, পরে মাটিচাপা

3
বাংলাদেশ ব্যাংক। ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধিনিষেধ শিথিল: পরিচালন মুনাফা হলেই উৎসাহ বোনাস পাবেন ব্যাংক কর্মীরা

4
ফাইল ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে বেরিয়ে গেল সংযুক্ত আরব আমিরাত

5
মৃত বোনের কঙ্কাল কাঁধে নিয়ে ব্যাংকে যাচ্ছেন জিতু মুন্ডা। ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

‘যার অ্যাকাউন্ট তাকে নিয়ে আসুন’: ব্যাংকের কথায় উড়িষ্যায় মৃত বোনের কঙ্কাল নিয়ে গেলেন ভাই!

6
২০১৭ সালে তেহরানের পারদিসান পার্কে ‘দালবার’ নামের একটি স্ত্রী এশীয় চিতাবাঘ। শিকারি, দ্রুতগতির যানবাহন ও বন্য কুকুরের কারণে প্রজাতিটি বিলুপ্তির হুমকির মুখে রয়েছে। ছবি: আত্তা কেনারে/এএফপি
আন্তর্জাতিক

যুদ্ধের মধ্যেও ইরানে আশার আলো, দেখা মিলেছে বিরল চিতাবাঘের

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net