‘জঘন্য আজেবাজে কাজে আমার গান ব্যবহার করবেন না’: হোয়াইট হাউসকে আরিয়ানা গ্রান্ডে
মার্কিন পপ তারকা আরিয়ানা গ্রান্ডে গত বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনকে তাদের নীতি প্রচারের কাজে তার গান ব্যবহার বন্ধ করতে বলেছেন।
চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে হোয়াইট হাউস তাদের অভিবাসন নীতি তুলে ধরে টিকটকে একটি ভিডিও শেয়ার করার পর এই মার্কিন গায়িকার পক্ষ থেকে এমন মন্তব্য আসে। ওই ভিডিওতে ফেডারেল এজেন্টদের মানুষকে গ্রেপ্তার ও হাতকড়া পরাতে দেখা যায়। আর এর আবহসংগীত (ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক) হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে গ্র্যামিজয়ী এই গায়িকার ২০২৪ সালের 'বাই' গানটি।
বৃহস্পতিবার টিকটকে হোয়াইট হাউসের ওই ভিডিওর মন্তব্য ঘরে আরিয়ানা গ্রান্ডে লিখেছেন, 'দয়া করে এই বর্বর, অমানবিক ও জঘন্য আজেবাজে কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত কোনো কিছুতে আমার গান আর কখনো ব্যবহার করবেন না।'
গায়িকার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, তার কর্মীরা যত দ্রুত সম্ভব ভিডিওটি থেকে গানটি সরিয়ে ফেলার উপায় খুঁজছেন।
গ্রান্ডের মন্তব্যের জবাবে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যাবিগেল জ্যাকসন বলেন, 'আমরা শেষবারের মতো এটি বলতে চাই: যা আসলেই বর্বর, অমানবিক ও জঘন্য তা হলো অপরাধী অবৈধ বহিরাগতরা, যারা নিরীহ মার্কিন নাগরিকদের আহত ও হত্যা করেছে।'
গায়িকা ও একাডেমি পুরস্কারের (অস্কার) জন্য মনোনীত অভিনেত্রী আরিয়ানা গ্রান্ডে গত বছরও ট্রাম্প প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। সে সময় তিনি ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট শেয়ার করে ট্রাম্পকে ভোট দেওয়া ব্যক্তিদের কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে, ট্রাম্প পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর তাদের জীবনের কোনো উন্নতি হয়েছে কি না।
বর্তমানে নিজের দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালন করা ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয়। তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রেসিডেন্টের নানা প্রচেষ্টা তুলে ধরতে তার জনসংযোগ টিমের সদস্যরা প্রায়শই জনপ্রিয় গান ব্যবহার করে ছোট ছোট ভিডিও পোস্ট করে থাকেন।
এর আগে ট্রাম্পের অভিবাসন বিরোধী কঠোর পদক্ষেপ, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযান এবং ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর গ্রেপ্তারের চিত্র সংবলিত বেশ কিছু ভিডিওতেও বিভিন্ন জনপ্রিয় গান ব্যবহার করা হয়েছে।
