Skip to main content
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
The Business Standard বাংলা

Saturday
March 21, 2026

Sign In
Subscribe
  • অর্থনীতি
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • খেলা
  • বিনোদন
  • ফিচার
  • ইজেল
  • মতামত
  • অফবিট
  • সারাদেশ
  • কর্পোরেট
  • চাকরি
  • প্রবাস
  • English
SATURDAY, MARCH 21, 2026
ভারতবর্ষের মানুষের পরিচয় নির্ধারণ ও শ্রেণিবিন্যাসে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য যেভাবে কাজে লাগিয়েছিল আলোকচিত্রকে

আন্তর্জাতিক

বিবিসি
22 February, 2026, 11:00 am
Last modified: 22 February, 2026, 11:08 am

Related News

  • ভাষা আন্দোলনের আলোকচিত্র ও আলোকচিত্রী
  • পাঁচ আলোকচিত্রীর চোখে: ভাষা আন্দোলন
  • দ্য ম্যান বিহাইন্ড দ্য ক্যামেরা 
  • নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে দ্রুত বডিক্যাম ক্রয়ের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার
  • সশস্ত্রবাহিনী কীভাবে কাজ করবে, জাতীয় নির্বাচনে নিরাপত্তা নিয়ে ইসির পরিকল্পনা কী?

ভারতবর্ষের মানুষের পরিচয় নির্ধারণ ও শ্রেণিবিন্যাসে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য যেভাবে কাজে লাগিয়েছিল আলোকচিত্রকে

৬৫ বছরের সময়কালজুড়ে তোলা এসব ছবিতে উঠে এসেছে এক বিশাল মানব-ভূগোল। উত্তর-পূর্ব ভারতের লেপচা ও ভুটিয়া সম্প্রদায় থেকে শুরু করে উত্তর-পশ্চিমের আফ্রিদি, নীলগিরির টোডা থেকে পশ্চিম ভারতের পার্সি ও গুজরাটি অভিজাত শ্রেণি—সবাই স্থান পেয়েছে এই অ্যালবামে।
বিবিসি
22 February, 2026, 11:00 am
Last modified: 22 February, 2026, 11:08 am
নারী নৃত্যশিল্পীরা, বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিক। ছবিটি তুলেছিলেন এডওয়ার্ড টরিনস, যিনি বোম্বে (বর্তমান মুম্বাই) শহরে স্টুডিও স্থাপনকারী প্রথম দিকের ইউরোপীয় আলোকচিত্রীদের একজন। ছবি: ডিএজি

উনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে, ভারতবর্ষকে জানা এবং বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করার জন্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের হাতে অন্যতম মোক্ষম হাতিয়ার হয়ে উঠেছিল আলোকচিত্র বা ফটোগ্রাফি।

দিল্লিভিত্তিক আর্ট গ্যালারি 'ডিএজি' সম্প্রতি একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে, যার শিরোনাম 'টাইপকাস্টিং: ফটোগ্রাফিং দ্য পিপলস অফ ইন্ডিয়া, ১৮৫৫-১৯২০'।

এখানে প্রায় ২০০টি দুর্লভ ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে। এই ছবিগুলো তোলা হয়েছিল এমন এক সময়ে, যখন ক্যামেরা ব্যবহার করা হতো বিভিন্ন সম্প্রদায়কে চিহ্নিত করতে, তাদের পরিচয় নির্দিষ্ট করতে এবং ভারতবর্ষের জটিল সামাজিক বিভেদগুলোকে ঔপনিবেশিক সরকারের কাছে পাঠযোগ্য করে তুলতে।

৬৫ বছরের সময়কালজুড়ে তোলা এসব ছবিতে উঠে এসেছে এক বিশাল মানব-ভূগোল। উত্তর-পূর্ব ভারতের লেপচা ও ভুটিয়া সম্প্রদায় থেকে শুরু করে উত্তর-পশ্চিমের আফ্রিদি, নীলগিরির টোডা থেকে পশ্চিম ভারতের পার্সি ও গুজরাটি অভিজাত শ্রেণি—সবাই স্থান পেয়েছে এই অ্যালবামে।

ঔপনিবেশিক সমাজ কাঠামোর নিচু স্তরে যাদের রাখা হয়েছিল, ক্যামেরার লেন্স থেকে বাদ পড়েনি তারাও। বাইজি, কৃষি শ্রমিক, নাপিত এবং সাপুড়েদের ছবিও রয়েছে এই প্রদর্শনীতে।

এই ছবিগুলো ভারতের বৈচিত্র্যকে ধারণ করেছে, এবং সেই বৈচিত্র্যকে সক্রিয়ভাবে একটি রূপও দিয়েছে। মানুষের বহমান ও জীবন্ত বাস্তবতাকে এই ছবিগুলোর মাধ্যমে স্থির এবং চেনা-জানা কিছু নির্দিষ্ট 'ধরন' বা 'টাইপ'-এ বন্দি করা হয়েছিল।

প্রদর্শনীটির তত্ত্বাবধায়ক বা কিউরেটর হলেন ইতিহাসবিদ সুদেশনা গুহ। প্রদর্শনীর মূল কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে 'দ্য পিপল অফ ইন্ডিয়া' নামের বিখ্যাত আট খণ্ডের আলোকচিত্র সংকলন, যা ১৮৬৮ থেকে ১৮৭৫ সালের মধ্যে প্রকাশিত হয়েছিল।

এর বাইরেও প্রদর্শনীতে স্যামুয়েল বর্ন, লালা দিন দয়াল, জন বার্ক এবং শেফার্ড অ্যান্ড রবার্টসন স্টুডিওর তোলা অ্যালবামেন ও সিলভার-জেলাটিন প্রিন্ট রাখা হয়েছে। এই আলোকচিত্রীরাই সে সময়ের দৃশ্যমান ভাষা তৈরিতে মূল ভূমিকা রেখেছিলেন।

ডিএজি-র সিইও আশিস আনন্দ বলেন, 'সব মিলিয়ে এই সংগ্রহটি জাতিতাত্ত্বিক আলোকচিত্রের ইতিহাস এবং ব্রিটিশ প্রশাসন ও ভারতবর্ষের জনগণের ওপর এর প্রভাব তুলে ধরেছে। আকার ও গভীরতার দিক থেকে এমন কোনো প্রকল্প ভারতে এর আগে কখনো দেখা যায়নি।'

প্রদর্শনী থেকে নির্বাচিত কিছু ছবি এখানে তুলে ধরা হলো:

গোবরের উপলা বহন করছেন নারীরা, বোম্বে, ১৮৯০—আলোকচিত্রী এডওয়ার্ড টরিনস। এখানে নারীদের গৃহস্থালির কাজে নিয়োজিত অবস্থায় উপস্থাপন করা হয়েছে। সাধারণত যে কাজগুলো ঘরের ভেতরে করা হয়, সেগুলোকেই ক্যামেরার জন্য বাইরে এনে দেখানো হয়েছে। ছবি: ডিএজি
ভারতীয় নারী, ১৮৯০ — আলোকচিত্রী ফেলিক্স মরিন।প্রদর্শনীতে নারীদের উপস্থিতি বিশেষভাবে চোখে পড়ে। যত্ন নিয়ে সাজানো এই ঔপনিবেশিক যুগের ছবিতে সে সময়ের নৃতাত্ত্বিক দৃষ্টিভঙ্গি যেমন ধরা পড়েছে, তেমনি প্রাথমিক যুগের আলোকচিত্রের সৌন্দর্য ও আভিজাত্যও ফুটে উঠেছে।
১৮৬২ সালের এই আলোকচিত্রে খাইবার পাস এলাকার আফ্রিদি গোষ্ঠীর পুরুষদের দেখা যায়। আফগান সীমান্তবর্তী এই পাঠান জনগোষ্ঠীকে ব্রিটিশরা 'তীব্রভাবে স্বাধীনচেতা' হিসেবে বর্ণনা করেছিল।
একজন পথের নাপিত, অজ্ঞাত আলোকচিত্রীর তোলা।এ ধরনের ছবিতে প্রায়ই রাস্তার পেশা ও দৈনন্দিন কাজকর্মকে ধারণ করা হতো। সাধারণ শ্রমকে নৃতাত্ত্বিক পর্যবেক্ষণের বিষয় হিসেবে তুলে ধরা ছিল এসব আলোকচিত্রের বৈশিষ্ট্য।
উইলিয়াম জনসন, বোম্বের ফটোগ্রাফিক সোসাইটির একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, ১৮৫৭ সালের 'ব্রাহ্মণী লেডিজ' শিরোনামে এই ছবিটি প্রকাশ করেন।সঙ্গে থাকা লেখায় দুই নারীর নাম উল্লেখ করা হয়। তাদের তরুণ ও বুদ্ধিমতী বলে বর্ণনা করা হয়েছিল। আরও বলা হয়, তারা বোম্বেতে অবস্থান করছিলেন বাবার উৎসাহ এবং স্বামীর সমর্থনে একটি মিশন স্কুলে ইংরেজি পড়াশোনা করার জন্য।
ধারণা করা হয়, উইলিয়াম জনসন এই ছবিটি তুলেছিলেন। ছবিতে একদল পারসি একটি ঔপনিবেশিক বাংলোর সামনে বসে আছেন। তাদের পোশাক ও বসার ভঙ্গি তাদের আলাদা পরিচয় দেখায়। তারা একই সঙ্গে ঔপনিবেশিক ধাঁচের একটি বাড়ির সামনে অবস্থান করছেন।
১৮৯০ সালে তোলা একদল তরুণ ভুটিয়া। সিকিম, ভুটান ও তিব্বতের মানুষের ছবি রয়েছে—যে অঞ্চলগুলো ব্রিটিশ শাসনের বাইরে ছিল। লেপচা, ভুটিয়া ও তিব্বতিদের ছবি তুলেছিলেন বেঞ্জামিন সিম্পসন।
ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে সিঙ্গাপুরে একটি ভারতীয় পরিবার।কিছু ছবিতে মালয় উপদ্বীপ, সিঙ্গাপুর এবং বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মানুষের চিত্রও দেখা যায়।

 

Related Topics

টপ নিউজ

ক্যামেরা / আলোকচিত্র / ব্রিটিশ সাম্রাজ্য

Comments

While most comments will be posted if they are on-topic and not abusive, moderation decisions are subjective. Published comments are readers’ own views and The Business Standard does not endorse any of the readers’ comments.

MOST VIEWED

  • কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি। ফাইল ছবি: সংগৃহীত
    কাতারের গ্যাস স্থাপনায় হামলায় বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় বিদ্যুৎ সংকটের আশঙ্কা
  • ছবি: এএফপি
    ট্রাম্পের কথা শুনব, ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় আর হামলা করব না: নেতানিয়াহু; ইসরায়েলের তেল শোধনাগারে হামলা
  • ছবি; রয়টার্স
    যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে গ্রিনল্যান্ডের রানওয়ে উড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল ডেনমার্ক
  • প্রতীকী ছবি: রয়টার্স
    ইরানের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, জরুরি অবতরণ
  • মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। ফাইল ছবি: এপি
    ইরানের তেলের ওপর বিধিনিষেধ শিথিলের ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট
  • গত বৃহস্পতিবার ওভাল অফিসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে এক বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পার্ল হারবার নিয়ে রসিকতা করেন। ছবি: রয়টার্স
    জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে পার্ল হারবার নিয়ে রসিকতা করলেন ট্রাম্প

Related News

  • ভাষা আন্দোলনের আলোকচিত্র ও আলোকচিত্রী
  • পাঁচ আলোকচিত্রীর চোখে: ভাষা আন্দোলন
  • দ্য ম্যান বিহাইন্ড দ্য ক্যামেরা 
  • নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে দ্রুত বডিক্যাম ক্রয়ের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার
  • সশস্ত্রবাহিনী কীভাবে কাজ করবে, জাতীয় নির্বাচনে নিরাপত্তা নিয়ে ইসির পরিকল্পনা কী?

Most Read

1
কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি। ফাইল ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

কাতারের গ্যাস স্থাপনায় হামলায় বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় বিদ্যুৎ সংকটের আশঙ্কা

2
ছবি: এএফপি
আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের কথা শুনব, ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় আর হামলা করব না: নেতানিয়াহু; ইসরায়েলের তেল শোধনাগারে হামলা

3
ছবি; রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে গ্রিনল্যান্ডের রানওয়ে উড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল ডেনমার্ক

4
প্রতীকী ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

ইরানের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, জরুরি অবতরণ

5
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। ফাইল ছবি: এপি
আন্তর্জাতিক

ইরানের তেলের ওপর বিধিনিষেধ শিথিলের ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট

6
গত বৃহস্পতিবার ওভাল অফিসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে এক বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পার্ল হারবার নিয়ে রসিকতা করেন। ছবি: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক

জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে পার্ল হারবার নিয়ে রসিকতা করলেন ট্রাম্প

EMAIL US
contact@tbsnews.net
FOLLOW US
WHATSAPP
+880 1847416158
The Business Standard
  • About Us
  • Contact us
  • Sitemap
  • Privacy Policy
  • Comment Policy
Copyright © 2026
The Business Standard All rights reserved
Technical Partner: RSI Lab

Contact Us

The Business Standard

Main Office -4/A, Eskaton Garden, Dhaka- 1000

Phone: +8801847 416158 - 59

Send Opinion articles to - oped.tbs@gmail.com

For advertisement- sales@tbsnews.net