নিউ ইয়র্ক টাইমসের বিশ্লেষণ: চীন-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ কীভাবে শুরু হতে পারে!
যুক্তরাষ্ট্র ও চীন বিশ্ববাণিজ্য, অর্থনীতি ও প্রযুক্তিখাতের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পরস্পরের প্রতিযোগী। দুই পরাশক্তির মধ্যে তাইওয়ানের মতো ভূরাজনৈতিক বিরোধের বিষয় তো রয়েছেই। রয়েছে দক্ষিণ চীন সাগর, প্রশান্ত ও ভারত মহাসাগর অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য মিত্রদের সঙ্গে বেইজিংয়ের উত্তেজনা। ফলে সংঘাতের স্ফুলিঙ্গ যেকোনো জায়গা থেকেই আসতে পারে। যদিও এই সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি তাইওয়ানকে ঘিরে। কিন্তু, কীভাবে আগে থেকে বোঝা যাবে, সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে ওয়াশিংটন ও বেইজিং, তা নিয়েই মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের একটি বিশ্লেষণী প্রতিবেদন লিখেছেন নিকোলাস ক্রিস্টফ। টিবিএসের পাঠকদের জন্য যার অনূদিত অংশ এখানে তারই ভাষায় তুলে ধরা হলো—
প্রথম সতর্ক সংকেতটি আসতে পারে নীরব কিছু পদক্ষেপের মাধ্যমে—যুদ্ধের সময় যেসব পশ্চিমা দেশ চীনের সম্পদ জব্দ করতে পারে, সেসব দেশ থেকে বেইজিং ধীরে ধীরে আর্থিক সম্পদ সরিয়ে নিতে পারে। দ্বিতীয় একটি ইঙ্গিত হতে পারে চীনে দেশাত্মবোধক প্রচারণা, যেখানে নাগরিকদের রক্তদান করতে আহ্বান জানানো হবে।
এরপর, বিভিন্ন স্থানে সেনা সমাবেশ ঘটানো হবে এবং এসব পদক্ষেপ প্রকৃত হুমকি নাকি কেবল ধোঁকা—তা নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই সাইবার হামলায় অচল হয়ে যেতে পারে তাইওয়ানের বিদ্যুৎ গ্রিড ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার একটি বড় অংশ। একই সঙ্গে, তাইওয়ানকে বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত করা সাবমেরিন কেবলগুলোতে নাশকতার কারণে দ্বীপটির ইন্টারনেট সেবা মারাত্মকভাবে ধীর হয়ে পড়তে পারে।
এরপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় লক্ষ্যবস্তু হতে পারে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়, সামরিক ও গোয়েন্দা স্থাপনাগুলো। সামরিক, বেসামরিক নেতৃত্বের 'শিরচ্ছেদ' অভিযানের অংশ হিসেবেই এসব স্থান আক্রান্ত হবে। পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্র যেন দ্রুত তাইপের সহায়তায় এগিয়ে আসতে না পারে, সে জন্য জাপান ও গুয়ামে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতেও আঘাত হানা হতে পারে। চীনা নৌবাহিনী তখন তাইওয়ানকে অবরুদ্ধ করবে, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সহায়তা ঠেকানোকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে।
এটি চীনের সম্ভাব্য প্রাথমিক হামলার একটি চরম রূপ—যার লক্ষ্য তাইওয়ান দখল। এমন চিত্রই উঠে এসেছে সামরিক পরিকল্পনাকারীদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আইক ফ্রেইম্যানের আসন্ন বই 'ডিফেন্ডিং তাইওয়ান' থেকেও এমন আভাসই মিলেছে।
পেন্টাগনের কৌশলবিদরা এমন আক্রমণ-পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন—এটাই তাদের কাজ। তবে তাইওয়ানের কর্মকর্তারা (আমার মতে যথার্থভাবেই) বেশি মনোযোগ দিচ্ছেন তথাকথিত 'গ্রে জোন' পদক্ষেপগুলোর দিকে, যা সরাসরি যুদ্ধের পর্যায়ে না গিয়েই তাইওয়ানের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। চীনের পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন ব্যর্থও হতে পারে—এই কারণেই আমি সন্দিহান যে এটি আগামী কয়েক বছরে ঘটবে কিনা। কিন্তু গ্রে জোনের এই চাপ প্রতিদিনের বাস্তবতা, এবং তা আরও বাড়বে বলেই মনে হচ্ছে। এসব পদক্ষেপও শেষ পর্যন্ত এমন এক উত্তেজনায় রূপ নিতে পারে, যা যুক্তরাষ্ট্রকে টেনে নিয়ে যাবে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে।
এই গ্রে জোন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে চীন ইতোমধ্যেই সাইবার হামলা চালাচ্ছে, ইন্টারনেট কেবল কেটে দিচ্ছে এবং তাইওয়ানের দিকে যুদ্ধবিমান ও জাহাজ পাঠাচ্ছে। দ্বীপটিকে চীনের তত্ত্বাবধানে কোনো এক ধরনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে পরিণত করতে চাপ দেওয়ার উদ্দেশ্যে তারা সরাসরি গোলাবর্ষণসহ সামরিক মহড়াও চালাচ্ছে— যার মধ্যে সর্বশেষটি হয়েছে কয়েক সপ্তাহ আগে। গ্রে জোনের চাপের একটি পরিমাপক হলো: তাইওয়ান সরকারের নতুন এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে চীন প্রতিদিন গড়ে ২৬ লাখ সাইবার অনুপ্রবেশ চালিয়েছে তাইওয়ানের অবকাঠামোর বিরুদ্ধে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যদি যুদ্ধ শুরু না করেই তাইওয়ানকে আরও ক্লান্ত ও দুর্বল করতে চান, তবে তিনি নৌ অবরোধের মতো একটি 'কোয়ারেন্টিন' আরোপ করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, তিনি জাহাজগুলোকে তাইওয়ানের পথে যাওয়ার আগে শিয়ামেন বা সাংহাইয়ের মতো মূল ভূখণ্ডের বন্দরে সংক্ষিপ্ত 'কাস্টমস চেক'-এর জন্য থামতে বাধ্য করতে পারেন; কিংবা তাইওয়ানগামী তেলবাহী জাহাজে 'পরিবেশগত পরিদর্শন' আরোপ করতে পারেন। তিনি কূটচালাকির সঙ্গে অন্য দেশগুলোকে বলতে পারেন: আমরা তো সবাই এক-চীন নীতিতে একমত—তাহলে চীনের একটি অংশে যাওয়া পণ্যের ওপর চীনা সরকারের কাস্টমস ও নিরাপত্তা পরীক্ষা নিয়ে আপত্তি কোথায়?
সব জাহাজ যদি এই কোয়ারেন্টিন নাও মেলে চলে, তবুও এতে জাহাজের বীমা ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাবে এবং তাইওয়ানের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এই কোয়ারান্টিনের পরের ধাপ হবে পূর্ণাঙ্গ অবরোধ—বিশেষ করে তেল ও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করার মাধ্যমে—যা প্রায় নিশ্চিতভাবেই সর্বাত্মক যুদ্ধে রূপ নেবে। তাইওয়ানের অর্থনীতি আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল, এবং দেশটির হাতে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত রয়েছে মাত্র দুই থেকে তিন সপ্তাহের। তখন তাইওয়ানের ভবিষ্যৎ নির্ভর করতে পারে—প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কি মার্কিন নৌবাহিনীকে অবরোধ ভাঙতে জ্বালানি বহনকারী জাহাজ পাহারা দেওয়ার নির্দেশ দিতে রাজি হবেন কি না, তার ওপর।
আমি যাদের চীন-বিষয়ক বিশ্লেষণে সবচেয়ে শ্রদ্ধা করি, তাদের মধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত মত হলো—আগামী এক দশকে যুদ্ধের সম্ভাবনা কম। কিন্তু তারা ভুলও হতে পারেন। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান তাইওয়ান স্ট্রেইট রিস্ক রিপোর্ট ধারণা করছে, আগামী পাঁচ বছরে চীনের আগ্রাসনের ঝুঁকি ৩০ শতাংশ হলেও, দ্বীপটির ওপর আকাশ ও নৌ অবরোধ আরোপের ঝুঁকি ৬০ শতাংশ।
যুদ্ধ হবে ভয়াবহ ব্যয়বহুল, এবং যুক্তরাষ্ট্র প্রায় নিশ্চিতভাবেই এতে জড়িয়ে পড়বে। জার্মান মার্শাল ফান্ড এই মাসে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলেছে, এমনকি কয়েক মাস স্থায়ী একটি সীমিত প্রচলিত যুদ্ধেও (যদি চীন পরাজিতও হয় বলে ধরা হয়) সম্ভাব্য প্রাণহানি হতে পারে—তাইওয়ানের এক লাখ, চীনের এক লাখ এবং যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ছয় হাজার জনের।
চীন যদি যুদ্ধের মাধ্যমে অথবা গ্রে জোন কৌশলের চাপ ও 'সালামি স্লাইসিং' কৌশলের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে তাইওয়ানকে গ্রাস করতে সক্ষম হয়, তবে প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের শক্তি বিস্তার রোধকারী 'ফার্স্ট আইল্যান্ড চেইন' ভেঙে পড়বে। চীন তখন তাইওয়ান সেমিকন্ডাক্টর ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানির মতো অত্যাধুনিক চিপ কারখানার নিয়ন্ত্রণও নিতে পারে—কৌশলগত বিচারে যা বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের একটি। আর যদি যুদ্ধের ফলে এসব চিপ কারখানা অচল হয়ে যায়, তবে ২০২৩ সালের কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন্সের এক প্রতিবেদনের ভাষায়, ফলাফল হবে "একটি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা"।
এই কারণেই প্রতিরোধ (ডিটারেন্স) এত জরুরি। যুক্তরাষ্ট্র, তাইওয়ান এবং জাপান ও ফিলিপাইনের মতো মিত্ররা একসঙ্গে কাজ করলে চীনের গুরুতর সামরিক অভিযানের সম্ভাবনা প্রতিহত করার বাস্তব সুযোগ তাদের রয়েছে।
তবে তাইওয়ান নিয়ে একটি কেন্দ্রীয় ধাঁধা রয়ে গেছে। বিশ্ব যখন তাইওয়ান প্রণালীতে যেকোনো প্রকার যুদ্ধের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বিগ্ন, তখন অনেক তাইওয়ানিজকে তেমন উদ্বিগ্ন বলে মনে হয় না। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, সম্প্রতি তাইওয়ানের চারপাশে চীনের সামরিক মহড়ার সময় দেশটির শেয়ারবাজার সূচক বরং বেড়েছে।
কিছু তাইওয়ানিজ বিপদের কথা স্বীকার করলেও চীনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধকে অর্থহীন মনে করেন—তাদের চোখে এটি অবশ্যম্ভাবী পরাজয়। আমি যখন এক পুরোনো তাইওয়ানিজ বন্ধুকে—একজন সাংবাদিক—জিজ্ঞেস করলাম, চীনের আক্রমণ হলে দ্বীপটির কী করা উচিত, এক মুহূর্তও দেরি না করেই তিনি বলেন, "আত্মসমর্পণ"।
আরেক পুরোনো বন্ধু, একজন ব্যবসায়ী, বললেন তিনি আশা করেন যে ১০ বছরের মধ্যে তাইওয়ান চীনের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে—যুদ্ধের মাধ্যমে অথবা অনিচ্ছাসত্ত্বেও চীনা শাসনের অধীনে স্বায়ত্তশাসনের প্রতিশ্রুতি মেনে নিয়ে। (সমালোচকেরা হংকংয়ের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে একে চরমভাবে সরল বিশ্বাস বলে মনে করেন।)
আমি তাইওয়ানকে ভালোবাসি। ১৯৮০-এর দশকে আমি এখানে কিছুদিন ছিলাম, চীনা ভাষা শিখছিলাম। তখন থেকে এই ভূখণ্ডের মানুষ যে সমৃদ্ধ, উচ্চপ্রযুক্তিনির্ভর গণতন্ত্র গড়ে তুলেছে, তা দেখা বিস্ময়কর—সব কিছুই আছে, কেবল এটিকে টিকিয়ে রাখার বিষয়েই সেখানকার অধিবাসীদের মধ্যে জাতীয় ঐকমত্য নেই।
তাইওয়ানের রাজনীতি তিক্ত বিভাজনে বিষাক্ত। রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ ও একে-অন্যের মাঝে স্বাধীনতা নিয়ে রয়েছে চরম মতভেদ। এর ফল হলো, অস্তিত্বগত হুমকির মুখে থাকা অন্যান্য দেশ যেমন এস্তোনিয়া, পোল্যান্ড ও দক্ষিণ কোরিয়ার তুলনায়—তাইওয়ান অনেক কম প্রস্তুত বলে মনে হয়। ইউক্রেনীয়রা যদি শক্তিশালী আগ্রাসকের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক দৃঢ়তার উদাহরণ হয়, তবে তাইওয়ান যেন তার বিপরীত প্রান্তে—অনেকে দ্বীপটির স্বাধীনতা ও স্বাধীনতা রক্ষায় বড় ত্যাগ স্বীকারে আগ্রহী নন।
চীনের অপছন্দের প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম লাই ঝুঁকিগুলো বোঝেন বলেই মনে হয় এবং তিনি সামরিক ব্যয় বাড়ানো ও প্রস্তুতি জোরদার করার চেষ্টা করছেন। কিন্তু তাইওয়ানের জনগণ আদৌ সেই পথে নেতৃত্ব পেতে চায় কি না, তা স্পষ্ট নয়। এমনকি তার প্রস্তাবিত অতিরিক্ত সামরিক বাজেট আইনসভায় পাস নাও হতে পারে।
এসবের ফলে একটি মৌলিক প্রশ্ন উঠে আসে: যেসব তাইওয়ানিজ নিজেরাই বড় ত্যাগ স্বীকারে স্পষ্টভাবে প্রস্তুত নন, তাদের রক্ষায় আমেরিকানরা কেন জীবন ঝুঁকিতে ফেলবে এবং বিলিয়ন ডলার ব্যয় করবে? আমি এই প্রশ্নটি তাইওয়ানের কর্মকর্তাদেরও করেছি।
তাইওয়ানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী চেন মিং-চি স্বীকার করেন, "তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা আমাদের নিজেদের দায়িত্ব। আমাদের তরুণদের বলতে হবে, তোমাদের গণতান্ত্রিক জীবনধারা রক্ষা করা তোমাদের কর্তব্য।"
জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মহাসচিব জোসেফ উ বলেন, "তাইওয়ান নিজেকে সাহায্য না করলে—আমরা অন্য দেশগুলোর কাছে সাহায্য চাইতে পারি না।"
একই সঙ্গে তাঁরা ও অন্য কর্মকর্তারা এই ধারণার বিরোধিতা করেছেন যে দ্বীপটি তার প্রতিরক্ষা নিয়ে উদাসীন। "আমাদের যুদ্ধক্ষমতা নাটকীয়ভাবে উন্নত হয়েছে," বলেন জোসেফ উ।
কর্মকর্তারা জানান, প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম লাই সামরিক ব্যয় বাড়িয়ে চলতি বছর জিডিপির ৩ শতাংশের বেশি এবং ২০৩০ সালে ৫ শতাংশে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তাইওয়ান বাধ্যতামূলক সামরিক সেবার মেয়াদও বাড়িয়েছে—আগের চার মাস থেকে এক বছরে উন্নীত করা হয়েছে, যদিও এটা বাড়ানো হয়েছে শুধু পুরুষদের জন্য।
এসব পদক্ষেপ ইতিবাচক, কিন্তু মোটেই যথেষ্ট নয়।
ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনায় নিয়ে, মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির শীর্ষ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত—চীনকে উসকানি না দিয়ে বরং তাইওয়ানে আক্রমণ না চালাতে নিরুৎসাহিত করা। প্রতিরোধ মানে শুধু আগ্রাসনের বিরুদ্ধেই নয়, গ্রে জোন চাপের বিরুদ্ধেও তাইওয়ান, জাপান ও অন্যদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান গড়ে তোলা দরকার। যদি প্রতিরোধ ব্যর্থ হয় এবং সত্যিই যুদ্ধ শুরু হয়, তবে জয়ের চেয়ে হার না মানাই ভালো হবে—কিন্তু এটি এমন এক পরিস্থিতি হতে পারে, যেখানে প্রেসিডেন্ট জন এফ. কেনেডির ভাষায়, "বিজয়ের ফলও আমাদের মুখে ছাইয়ের স্বাদ হয়ে ধরা দেবে।"
নিবন্ধের মতামত ও বিশ্লেষণ লেখকের নিজস্ব...
